10/07/2026
ফিফার ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকায় মেটলাইফের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে। এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৮২৫০০ জন।
টিকেট বিক্রি করা হবে ৯০ হাজার।
টিকেটের সর্বনিম্ম মূল্য আড়াই লাখ টাকা।
কোনো কোনো টিকেটের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৮ কোটি টাকা, আবার কোনো কোনো টিকেট ১৪০ কোটি টাকা!
সে হিসাবে সর্বমোট টিকেটের ইনকাম দাঁড়ায় প্রায় ২.৫২ ট্রিলিয়ন টাকা। অর্থাৎ বাংলা মুদ্রায় দুই লক্ষ বায়ান্ন হাজার কোটি টাকা।
(এবার অন্যান্য ম্যাচগুলির টিকেট মূল্য হিসাব করে দেখুন তো এর চেয়েও কয়েকগুণ বেশি হবে।)
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-HIES 2022 প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী পরিবার রয়েছে ৮০ লক্ষের মতো।
যাস্ট এই টাকাটা বাংলাদেশের সকল দরিদ্র পরিবারকে ভাগ করে দেওয়া হলে প্রতি পরিবার পাবে ৩,১৫,০০০ (তিন লক্ষ পনেরো হাজার) টাকা করে।
গেস করুন তো! এই তিন লাখ পনেরো হাজার টাকা যদি কোনো দরিদ্র পরিবার পায়, তাহলে ঐ পরিবার আর দরিদ্র থাকবে কি-না!
এটাই দাজ্জালীয় সভ্যতার পাতানো ফাঁদ। আমরা বুঝি বা না বুঝি, বরং এটাই সত্য যে-
দাজ্জাল গোটা দুনিয়াটাকে চাকচিক্যময় করে অর্থের বিশাল অংশ হাতিয়ে নেবে, সম্পদের সিংহভাগ দখলে নেবে। ওদিকে মানুষ না খেয়ে মরবে।
নিজেরা জুলুমের সীমা ছাড়িয়ে অন্য কোথাও মানবিকতার সাইনবোর্ড নিয়ে হাজির হবে।
এপেস্টেইন ফাইলস থেকে বিশ্বজুড়ে দেখেছে শিশুদের প্রতি তারা যে জুলুম করেছে তা ইতোপূর্বে আইয়ামে জাহেলিয়াতের ইতিহাসেও দেখা যায় না। অথচ, আমাদের উখিয়া-টেকনাফে অন্তত দুই ডজেন এনজিও আছে যারা শিশু সুরক্ষা (Child Protection) নিয়ে কাজ করে।
আমিও একটি আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থায় শিশু সুরক্ষাতে কাজ করেছিলাম।
১৯৯৩ খ্রি.-এ জাতিসংঘ খাদ্য গুদামের পাশেই এক শিশু মারা যাচ্ছিলো, শিশুর পাশে বসে মৃত্যুর অপেক্ষা করছিলো এক শকুন। শিশুটি মারা গেলেই শকুন মৃত শিশুটিকে ছিঁড়ে খাবে।
এমন নির্মম দৃশ্যের ছবি তুলেছিলো দ. আফ্রিকার ফটো সাংবাদিক কেভিন কার্টার।
মজার বিষয় হলো- ঐ ফটো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তাকে ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক পুলিৎজার পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিলো।
যা-হোক, বলছিলাম তারা শিশুদের প্রতি জুলুমের সীমা ছাড়িয়ে অন্য কোথাও শিশু সুরক্ষা প্রোগ্রাম নিয়ে হাজির হয়। তারা সম্পদের বিশাল অংশ কুক্ষিগত করে অন্যকে ডলারের বিনিময়ে সম্পদ বিলায়, পৃথিবীর অর্থের সিংহভাগ নিজেদের দখলে নিয়ে অন্যকে ঋন দেয়।
তাও এই পশ্