12/08/2026
কিছুদিন আগে বিএনপির রাজনীতির এক পরিচয়ধারী সবার কাছে তদবির করছিলেন, যেন তার নব্য দখলদারিত্বের কলঙ্ক নিয়ে সাংবাদিকদের চোখে কুলুপ থাকে। একটাপর্যায়ে, কিছুদিন যেতে না যেতেই তিনিও এখন বিরাট পরিচয়ের সাংবাদিক ! তা-ও যেনতেন না, একেবারে সাংবাদিক নেতা ! অর্থ্যাৎ, মানুষের মতিতে ভিমরতি হলে নাকি তিনি যা নন, তা-ও সাজা যায়।
আবার এসব নেতার কোন সংবাদ লেখাজোকারও দরকার হয়না। পাক্কা একটা তামাশা। এভাবে বিএনপির সময়ে বিএনপির কিছু লোক সাংবাদিকতাকে চুলকায়। আওয়ামী সরকারের সময়ে আওয়ামী রাজনীতির কিছুরাও এমন হয় !
শুধু তাই নয়, এসব মানুষগুলো যে কোন ধরনের সভা-সমাবেশের খবর পেলেই , সবার আগে গিয়ে অতিথির ন্যায় হাজির হয়। যেন মহারতির কেরামতি ! একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বলেছিলেন, মানুষের মধ্যে পেশাদারিত্ব কিংবা লজ্জাবোধ না থাকলে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে নাকি এমনই হয়।
একজন উপজেলা প্রকৌশলী জানতে চাইলেন, কিছুদিন আগেও যাকে পত্রিকা বিক্রয় করতে দেখেছেন, সেও বর্তমানে সাংবাদিক পরিচয়ে নিজেকে জাহির করেন কিভাবে ? বললাম, উত্তর একেবারে সোজা। পত্রিকা বিক্রয় করতে-করতে তার এখন পদোন্নতি হয়েছে। তিনি স্তম্ভিত হলেন। বললেন, বলেন কি ? এ পেশায় এটা কি করে সম্ভব ? অথচ, অনেক ক্যামেরাম্যানও তো এখন সাংবাদিক পরিচয়ে নিজেকে আবাদ করে বেড়ায়।
অধিকিন্তু, আইন, চিকিৎসা ও প্রকৌশল পেশায় বস্তুনিষ্ঠ লেখাপড়া না থাকলে, পেশায় পদার্পণ করা যেমন অপ্রাসঙ্গিক, অযৌক্তিক এবং অহেতুক কৌতুক, তেমনি হওয়ার কথা সাংবাদিকতায়ও।
কিন্তু এখানে পেশাদারিত্ব নীতিমালা আইনে পরিগণিত হয়নি বলে, ফুটপাতের দোকানদার থেকে শুরু করে একেবারে ছিচকে ব্যবসায়ীও যখন-তখন নিজেকে উত্তেজিত করেন সাংবাদিকতায়।।