Argentina football fan club

Argentina football fan club Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Argentina football fan club, Digital creator, Village: Helencha, Post: Moydandighi, P. S: Bhangura, District: Pabna, Pabna.

জীবন সুন্দর যদি নিজেকে মানিয়ে নিয়ে বাঁচতে শিখো।
না হলে মৃত্যুযন্ত্রনার মতই জীবন কঠিন।
ভাষা সুন্দর ব্যাকরণে,
আর মানুষ সুন্দর আচরণে।
গল্প তো সবারই থাকে
কারোটা উপন্যাস কারোটা দীর্ঘশ্বাস।
হাত ধরে চলার নাম ভালোবাসা নয়
ছায়া হয়ে পাশে থাকার নামই ভালোবাসা।

বিয়ের সাতদিন পর আমার বউকে গন/ধ/র্ষণ করা হয়েছিল। এই জঘন্য কাজটা আমার সামনেই করা হয়েছিলো কিন্তু আমি কিছু করতে পারিনি। আমাক...
19/10/2025

বিয়ের সাতদিন পর আমার বউকে গন/ধ/র্ষণ করা হয়েছিল। এই জঘন্য কাজটা আমার সামনেই করা হয়েছিলো কিন্তু আমি কিছু করতে পারিনি। আমাকে বেঁধে রেখে আমার সামনেই ন.রপিশাচ.রা আমার বউকে ধ'র্ষণ করেছিল। আমি অনেক আকুতি মিনতি করেছিলাম কিন্তু তাদের কানে আমার আকুতি পৌছায়নি। ওরা ছিলো চার জন। বিয়ের পর আমি নিজেই আমার বউ এর কাছে যাইনি। কারণ সে অসুস্থ ছিলো। কিন্তু ওরা অসুস্থ্যতা দেখেনি। ওরা চলে যাওয়ার পরেও পাঁচ ঘন্টা আমার স্ত্রী আমার সামনে ন/গ্ন, র'ক্তা/ক্ত অবস্থায় পড়েছিলো। তাঁর কান্না আমার ভিতর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিল। তারপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের বেডে দিন গুনতে থাকে। আর আমি ধ'র্ষক'দের শাস্তির জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে থাকি। একসময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে কেস চালাতে হয়েছে আমাকে। আমার সবকিছু আমি বিক্রি করে দিয়েছিলাম শুধু ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য কিন্তু আমি পাইনি।

তিনমাস পর তারা জামিনে বের হয়ে আসে। আর সেদিনই আমার স্ত্রী গ'লায় দ'ড়ি দিয়ে আ"ত্মহ'ত্যা করা। চিঠিতে লিখে গিয়েছিল।
এই দেশে ধ'র্ষকের শাস্তি হয় না কিন্তু ধ/র্ষিতার মানসিক শাস্তি ঠিকই হয়।

আমার সামনে দিয়ে যখন আমার বউকে ধ"র্ষণ করা মানুষগুলো হেঁটে যেতো তখন ম'রে যেতে ইচ্ছে করতো। ওরা ছিল প্রভাবশালী তাই ওদের কে কিছু করা যাবে না সেটা জানি আমি।

একটা মেয়ের সাহায্য নিয়ে ওদের চারজনকে আমি কিড'ন্যাপ করি। কারণ ওরা ছিলো সে"ক্স পাগল। সে"ক্সের জন্য কোনো মেয়ে বললে যেখানেই হোক না চলে যেতো। চারজন মানুষকে একা কিডন্যাপ করা কখনো সম্ভম না। কিন্তু আমি করেছিলাম। তার জন্য ব্যবহার করেছিলাম একজাতীয় স্প্রে যেটা নাকে ধরলে চব্বিশ ঘন্টা অজ্ঞান থাকবে।
ওরা যখন চোখ খুলে তখন একটা অন্ধকার রুমের ভিতর হাত পা বাঁধা অবস্থায় পড়েছিল।

ওদের জ্ঞান ফেরার পরেই আমি ছুটে যাই ওদেরকে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তখন আমার মনে হয় আমার বউ এর মৃ'ত্যু য/ন্ত্রণা। কতোটা কষ্ট দিয়েছিলো তাকে। হাসপাতালের বেডে কতোটা যন্ত্রণা সহ্য করেছিল।

তখন আমার মনে হলো এদেরকে শুধু দুইমিনিটের মৃ/ত্যু দিলে আমার বউ এর আত্মা শান্তি পাবে না। এদের আমি পৃৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর আর কষ্টকর মৃ/ত্যু উপহার দেবো।

সাতদিন ওদেরকে আমি বাঁচিয়ে রেখেছিলাম। সাতদিন ওদের সাথে আমি নর"পিশা"চের মতো ব্যবহার করেছিলাম।

ওদের শরীরের প্রতি ইঞ্চি পরপর শুই ঢু'কিয়ে'ছিলাম। শুই দিয়ে মুখের সমস্ত জায়গায় ছিদ্র করেছিলাম। তারপর সমস্ত গায়ে ল'বণ ম'রিচ মাখিয়ে দিয়েছিলাম নিজ হাতে।

দ্বিতীয় দিন তাদেরকে টানা দুই ঘন্টা ধ'র্ষণ করিয়েছিলাম। তারা কান্না করে চিৎকার করেছিল। সহ্য করতে পারছে না। তখন আমি এক পৈ'শাচি'ক আনন্দ ভোগ করেছিলাম।

তৃতীয় দিন আমি তাদের মাথার চুলগুলো টেনে টেনে তুলি। এটা করতে আমার অনেক কষ্ট হয়েছিলো। চতুর্থ দিন আমি তাদের কান দুটো প্লাস দিয়ে টেনে টেনে ছিঁড়ে/ছিলাম। তারা সেদিন আমার কাছে মৃ/ত্যু ভিক্ষা চেয়েছিল। খুব করে আকুতি করেছিলো তারা আর সহ্য করতে পারছে না। মৃ/ত্যু চায় তারা। কিন্তু আমি তাদের মৃ/ত্যু দেয়নি। পঞ্চম দিন আমি তাদের চোখদুটো তুলে ফেলি। তুলে ফেলার আগে চোখে মরিচের গুড়া দিয়েছিলাম। তারা পঞ্চম দিনে অজ্ঞান হয়ে যায়। আমি ভেবেছিলাম ওরা মা/রা গিয়েছে। তাই নিজের প্রতি অনেক রাগ হয়েছিলো সেদিন। কিন্তু সাতদিনের দিন তাদের জ্ঞান ফিরে। আমি বুঝতে পেরেছিলাম তারা বেশি সময় বাঁচবে না। তাই তাদের চির'তরে শে'ষ করার সিদ্বান্ত নেই।

তাদের লি/ঙ্গে/র অর্ধেক কে/টে ফেলেছিলাম। তারপর তাদের বাকি লি/ঙ্গতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলাম। সেখান থেকে আস্তে আস্তে পুরো শরীরে আগুন ছড়িয়ে যায়। তবে অনেক সময় লেগেছিলো তাদের শ'রীরে আ'গুন ছ'ড়াতে। তারা প্রায় বিশ মিনিটের মতো আগুনে পু"ড়েছে আর মৃ/ত্যু যন্ত্র/ণায় চি/ৎকার করেছে।
পুরো সাতদিনে আমি একটা ভিডিও বানাই। সাতান্ন মিনিটের একটা ভিডিও। যেটাতে সাতদিনের ভয়ংকর শাস্তিগুলো রেকর্ড করা ছিলো। আমি জানতাম ভিডিওটা ফেসবুকে ছাড়লে ভাইরাল হবে। তাই ফেসবুকে ছেড়ে দেই।

ভিডিওটা দেখার পর বারো জন ধ/র্ষক আত্ম"হ'ত্যা করে। কিছু মানুষ দেখে স্ট্রোক করে। কিছু মানুষ ভিডিওটা দেখার সাহস পায়নি।

ভিডিওটা দেখার পর ধ'র্ষণ অনেকটা কমে এসেছে।

তবে আদালত আমার ফা"সির রায় দিয়েছে। আমি এমন একটা দেশে বাস করি যেখানে ধ"র্ষণ করার জন্য জেল,ফাসি কিছু হয় না। কিন্তু ধ"র্ষক"দের শাস্তি দেওয়ার অপরাধে ঠিকই আদালত আইন প্রয়োগ করে।

#শাস্তি
#তারকাটাঁ
©অনিরুদ্ধ গুহ-এর ওয়াল

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করেছে ICDDR,B। তারা দেখেছে- বাংলাদেশে গড়ে প্রত্যেক ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ৯১৩জন টাইফয়েড-এ আক্রা...
17/10/2025

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করেছে ICDDR,B। তারা দেখেছে- বাংলাদেশে গড়ে প্রত্যেক ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ৯১৩জন টাইফয়েড-এ আক্রান্ত হয়। মানে টাইফয়েড আক্রান্তের শতকরা পরিমাণ ১%-এর কম। অর্থাৎ টাইফয়েডে আক্রান্ত হয় না ৯৯% মানুষ। একই গবেষণায় আরো দেখা গেছে- এক ডোজ টাইফয়েডের টিকা সর্বোচ্চ ১৮ মাস পর্যন্ত ৮৫% শতাংশ সুরক্ষা (!) দিতে পারে (যদিও সেটা প্রশ্নবোধক)। তাহলে টিকা নেওয়ার পরেও সুরক্ষা (!) পায় না ১৫%। তার মানে দাড়াচ্ছে- টিকা গ্রহণ করলেও সর্বোচ্চ টাইফয়েড হতে পারে ১৫% আর গ্রহণ না করলে টাইফয়েড হবে বড়জোর ১%

যে কোনো টিকা হচ্ছে ওই রোগের জীবাণুর অংশবিশেষ- যা রোগ ঠেকানোর নামে শরীরে প্রবেশ করানো হয়; উদ্দেশ্য শরীরকে আগেভাগে জীবাণু চেনানো। তার মানে যাদের টাইফয়েড হয় নাই বা হওয়ার সম্ভাবনা নাই, তাদের শরীরেও অহেতুক টাইফয়েড-এর জীবাণু ঢোকানো হচ্ছে! গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন তো- এর আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি না?!?

টাইফয়েড তো সেই মাত্রার কোনো রোগ নয় কিংবা চিকিৎসা নেই- এমন রোগও নয়। তাহলে কাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আগে থেকেই আমরা গণহারে টাইফয়েড রোগের জীবাণু-খণ্ড আমাদের শরীরে প্রবেশ করাবো? এর মাধ্যমে টাইফয়েড থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে কিনা বলা মুশকিল, কিন্তু আরো অনেকগুলো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যে দেখা দেবে- সেটা সুনিশ্চিত। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, সরাসরি রক্তে কিছু মেশানো সম্পূর্ণরূপে শরীয়ত বিরোধী কর্মকাণ্ড।

আমি প্রায়ই বলি- ওষুধ নামক সিন্থেটিক ড্রাগস সেবন করবেন না। এগুলো কেমিক্যালের তৈরি কৃত্রিম বস্তু এবং মানবদেহের ভেতরে ঢোকার অনুপযুক্ত। এগুলো যারা তৈরি ও বিপনন করছে, সেটা তাদের ব্যবসা ও অর্থ উপর্জনের মাধ্যম। তারা চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ যেন তাদের বানানো ড্রাগগুলো ব্যবহার করে আজীবন অসুস্থ থাকে। এতে তারা ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হবে। এজন্য তারা বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অর্থ ঢেলে নিজেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী গবেষণা ফলাফল তৈরি করাতেও পিছ পা হয় না, তারপর মিডিয়াতে টাকা ঢেলে সেটা প্রচার করায়, অতঃপর ভুলভাল জনমত গড়ে উঠলে সরকারকে প্রভাবিত (রাষ্ট্রীয়ভাবে বিক্রি) করে জনগণকে বিষ গ্রহণে বাধ্য করে। এর নেপথ্য উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যতের রোগী বাড়ানো! গণহারে টিকা দিলে জনগণের যতটুকু লাভ (!), তার থেকে ঢের লাভবান হয় ড্রাগস কোম্পানিগুলো।

টাইফয়ের ভ্যাকসিন কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকায় দেওয়া হয় না? চাপিয়ে দেওয়া হয় বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল কিংবা আফ্রিকান দেশগুলোর জনগণের ওপরে। এসব ভ্যাকসিনের আড়লে তাদের যে ভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে- সে বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা হয় না!

অনুগ্রহ করে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন- এই যে ৫ কোটি কোমলমতি শিশুর শরীরে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে, এর মধ্যে বড় অংশের শরীরে আগে থেকেই এন্টিবডি তৈরি হয়ে আছে। তাহলে কেন টিকা গ্রহণ করে নিজের শরীরে বিষ ঢোকাতে হবে? রাষ্ট্রের কোনো অধিকার থাকতে পারে কি কারো দেহের ভিতরে কিছু ঢুকাতে বাধ্য করার? একটা বাচ্চার শরীরে যদি আগে থেকেই এন্টিবডি থাকে, তবে টিকা গ্রহণের কী দরকার? কোনোপ্রকার টেস্ট না করিয়ে কেন গণহারে শরীরে টিকা গ্রহণ করতেই হবে?

এখানেই আসল ব্যবসা। বাচ্চাদের গণহারে টিকা দেওয়াই বলে দেয়- শিশুদের স্বার্থের তুলনায় ব্যবসা করাটা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ড্রাগস মাফিয়াদের কাছে। ব্যবসার পাশাপাশি আমাদের বাচ্চাগুলোকে স্রেফ গিনিপিগ বা কুকুর-বিড়াল বা ইঁদুরের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্ষতিকারক জীবাণু বাচ্চাদের শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়ার কুপরিণামে ভবিষ্যতে আরো বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হবে! ভবিষ্যতে সন্তানহীনতা এবং প্রতিবন্ধী শিশুর জন্মহার বেড়ে যাবে। তখন কিন্তু টিকার পক্ষে প্রচারনাকারীদেরকে খুঁজেও পাওয়া যাবে না? আশা করি কথিত করোনা টিকার কুফল মানুষ এতো দ্রুত ভুলে যায়নি?

ড্রাগস মাফিয়ারা যে তাদের স্বার্থে আমাদের আদরের শিশুদেরকে কুকুর-বিড়ালের মতো ব্যবহার করছে- এটা নিয়ে কেউ মুখ খোলে না, কথাও বলে না। দোষ তো আমাদেরই; ইউরোপ-আমেরিকার সাদা চামড়ারা কিছু বললেই আমরা সেগুলো ধর্মগ্রন্থের চাইতেও বেশি বিশ্বাস করি! দীর্ঘমেয়াদে বাচ্চাদের উপর কথিত টিকার কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, তা না জেনে আমরা অন্ধের মতো আদরের বাচ্চাদের শরীরে কী ভয়ঙ্কর ইনজেকশন পুশ করাচ্ছি, তা হয়তো কল্পনাও করতে পারবেন না!

অভিভাবকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ- ভবিষ্যতে দাদা-দাদী/নানা-নানি হওয়ার ইচ্ছে থাকলে বিনামূল্যের ভ্যাকসিন দিয়ে আপনার আদরের বাচ্চাদের শরীরটাকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না। এসব ষড়যন্ত্র থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন আর জনসচেতনতা বাড়াতে এই পোস্টটি শেয়ার করুন।
Razib Ahamed

গাড়ীর কোম্পানিতে সেলসম্যান পদে লোক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান  যাচাইয়ের জন্য প্রশ্ন এসেছে,...
15/10/2025

গাড়ীর কোম্পানিতে সেলসম্যান পদে লোক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান যাচাইয়ের জন্য প্রশ্ন এসেছে,

“নারী আর গাড়ির তুলনামূলক আলোচনা করুন।“

একজন উত্তরে লিখলোঃ
১। নারী আর গাড়ি দু’টোই পুরনো হলে ডিস্টার্ব (শব্দ) করে।
২। নারী আর গাড়ি দু’টোই তেলে চলে। যত ভালো মানের তেল, তত ভালো সার্ভিস।
৩। নারী আর গাড়ি দু’টোই অন্যের হাতে নিরাপদ নয় (নষ্ট করে ফেলতে পারে)।
৪। সুন্দর গাড়ি আর সুন্দরী নারী থাকলে বন্ধুমহলে ভালো দাম পাওয়া যায়।
৫। নারী আর গাড়ি কখন বিগড়ায়, আগে থেকে তা বলা মুশকিল।
৬। নারী আর গাড়ির আউটলুক যত ভালো হয়, দামও তত ভালো হয়।
৭। দু’টোরই ব্র্যান্ড ভ্যালুর উপর দাম নির্ভর করে।
৮। নারী আর গাড়ি দু’টোকেই দৌড়ের ওপর রাখলে সার্ভিস ভালো দেয়।
৯। নারী আর গাড়ি দু’টোই লাইসেন্স ছাড়া চালানো অপরাধ।
১০। ফিটনেস বিহীন গাড়ি এবং নারী উভয়টাতেই দুর্ঘটনার সম্ভাবনা ব্যাপক।
১১। গাড়িতে দুর্ঘটনা ঘটলে জনসংখ্যা কমে, কিন্তু নারীতে বাড়ে।

কোম্পানির এমডি তৎক্ষণাৎ উত্তরদাতাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ওরে পাগলা তুই কোথায় ছিলি এতদিন? আয় আমার বুকে আয়। ব্লাংক চেক দিচ্ছি, চেকে ইচ্ছেমত অংক বসিয়ে সেটা ব্যাংক থেকে তুলে কালকেই জয়েন কর বাবা..😜
(Collected)
Jibon Mahmud vai

সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে এক  #হিন্দু_বৃদ্ধা_মহিলা এসে সম্রাট জাহাঙ্গীরের কাছে নালিশ করলেন—“জাহাপনা, আমার সন্তান আপন...
14/10/2025

সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে এক #হিন্দু_বৃদ্ধা_মহিলা এসে সম্রাট জাহাঙ্গীরের কাছে নালিশ করলেন—
“জাহাপনা, আমার সন্তান আপনার সেনাবাহিনীতে চাকরি করে; আর প্রতিদিন রাতে কোনো এক দুর্বৃত্ত আমার বাড়িতে এসে হামলা করে, আমার পুত্রবধুর সতিত্ব নষ্ট করতে চেষ্টা করে। আমি আপনার কাছে আমার পুত্রবধুর সতিত্ব রক্ষার্থে বিচার চাই।”

সম্রাট জাহাঙ্গীর কিছুই বললেন না। বুড়ি রেগে গিয়ে বললেন—
“জাহাঙ্গীর, আমি তোমাকে হতে দেখেছি, তুমি যদি আমার পুত্রবধুর সতিত্ব রক্ষার দায়িত্ব না নাও আমি কিয়ামতের দিন #তোমার_স্রষ্টার_আদালতে তোমাকে দাঁড় করাবো৷
অথবা, আমাকে দুই দিন সময় দাও, আমি তোমার রাজ্য ছেড়ে চলে যাবো।”

জাহাঙ্গীর কিছুই বললেন না; তখন, বুড়ি ভগ্ন হ্রদয়ে বাড়ি চলে গেলেন।

সেই রাতে সম্রাট জাহাঙ্গীর তরবারি হাতে ঘোড়ায় করে চলে গেলেন বুড়ির বাড়িতে। অন্ধকার রাত, বুড়ির বাড়িতে টিম টিম আলো জ্বলছে। জাহাঙ্গীর দূর থেকে দেখলেন, বুড়ির দরজায় একজন প্রহরী। তারপর ই জাহাঙ্গীর শুনলেন মেয়েলি কণ্ঠের আওয়াজ— “বাচাও, বাচাও..!”

সম্রাট জাহাঙ্গীর প্রহরীকে হত্যা করে বুড়ির ঘরে প্রবেশ করলেন। তারপর দুর্বৃত্তকে ধরে বুড়িকে বললেন— “বুড়ি আলো নিভিয়ে দাও।” বুড়ি আলো নিভিয়ে দিলেন আর সম্রাট জাহাঙ্গীর সেই দুর্বৃত্তের মাথা কেটে মাটিতে ফেলে দিলেন৷ তারপর বললেন— “বুড়ি আলো জ্বালাও।”

আলো জ্বালানোর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর দুর্বৃত্তের মুখ দেখে বললেন— “আলহামদুলিল্লাহ্!”

এরপর জাহাঙ্গীর ঢক ঢক করে পানি পান করে বুড়িকে বললেন— “কাল তুমি তোমার পুত্রবধুকে নিয়ে আমার দরবারে হাজির হবে।”

পরেরদিন হিন্দু বৃদ্ধা মহিলা তার পুত্রবধুকে নিয়ে হাজির হলেন সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজ দরবারে। জমজমাট রাজদরবার, বুড়িকে জিজ্ঞেস করলেন— “আমি কেন তোমাকে আলো নিভাতে বলেছিলাম, তুমি কি জানো?”
বুড়ি বললেন— “নাহ্, জানি না।”
সম্রাট জাহাঙ্গীর উত্তর দিলেন—
“আমার ধারণা ছিল আমার বাড়ির এত কাছে আমার পুত্র ছাড়া কেউ এ কাজ করার সাহস পাবে না৷ আর, আমি আমার ছেলেকে হত্যা করতে পারব না, মনে দুর্বলতা আসতে পারে, বিচার বে-ইনসাফ হয়ে যেতে পারে, তাই আলো নিভাতে বলেছিলাম। কিন্তু, দুর্বৃত্তকে হত্যা করার পর আলো জ্বাললে বুঝলাম, সে আমার পুত্র নয়! তাই 'আলহামদুলিল্লাহ্' পড়েছিলাম।”

তিনি বুড়িকে আবার জিজ্ঞেস করলেন— “তুমি জানো কেন আমি তোমার ঘরে 'পানি' পান করেছিলাম?”
বুড়ি উত্তর দিলেন— “নাহ্, জানি না!”
জাহাঙ্গীর বললেন— “তুমি যখন আমার দরবারে নালিশ করেছিলে, 'কিয়ামতের দিন আমাকে আল্লাহর কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে' তখন থেকে দুশ্চিন্তায় আমি কিছুই খাই নি! আমার ভয় হচ্ছিল, আমি ন্যায় বিচার করতে পারব কি না! পরিশেষে তোমার ঘরে গিয়ে এক গ্লাস 'পানি' পান করেছি।"

তারপর সম্রাট জাহাঙ্গীর নিজের মাথার 'মুকুট' খুলে হিন্দু বৃদ্ধা মহিলার পায়ের কাছে রেখে বললেন—
“বুড়ি, মনে রেখো— একজন মুসলমানের কাছে একজন হিন্দু পুত্রবধুর সতিত্ব সম্রাটের মাথার মুকুটের চেয়েও দামী।”

এই ছিল মুসলিম শাসকদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস।

#মন্তব্য—
ইসলাম তরবারির মাধ্যমে জোর করে প্রতিষ্ঠিত হয়নি! কাওকে অপমান-অপদস্ত করে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়নি! নিজেকে বড়, আর অন্যকে ছোট করে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়নি! ঝগড়া আর গালাগালি দিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়নি!

ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে— সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়ে, অন্যের দুঃখে দুখি হয়ে, সততার মাধ্যমে। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, মহব্বত আর... ন্যায়পরায়নতার মাধ্যমে।

—কপি—

একমাত্র ছেলে তার বাবাকে প্রথম বারের মতো বৃদ্ধাশ্রমে রেখে ফিরছিল। রাস্তার মাঝে ফোন এলো। তার বউ ফোন করে বলছে:- তুমি আর একব...
13/10/2025

একমাত্র ছেলে তার বাবাকে প্রথম বারের মতো বৃদ্ধাশ্রমে রেখে ফিরছিল। রাস্তার মাঝে ফোন এলো। তার বউ ফোন করে বলছে:- তুমি আর একবার বৃদ্ধাশ্রমে ফিরে যাও একটা কথা বলতে ভুল হয়ে গেছে।

বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে তুমি তোমার বাবাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে এসো, পূজো-পার্বন এমনকি তোমার জন্মদিনেও তোমার বাবা যেন কষ্ট করে ওই বৃদ্ধাশ্রমে থেকে যায়। আমাদের বাড়িতে যেন না আসে। বাধ্য হয়ে বউয়ের কথা মতো আবার ওই বৃদ্ধাশ্রমে ফিরে গেল। সেখানে গিয়ে সে একটা অদ্ভুত দৃশ্য দেখতে পেল। তার বৃদ্ধ বাবা ওই বৃদ্ধাশ্রমের বৃদ্ধ মালিকের সাথে খুব হেসে হেসে কথা বলছেন। এটা দেখে ছেলের মনে সন্দেহ হল। সে মনে মনে ভাবল বাবা কি তাহলে আগে থেকেই এই বৃদ্ধাশ্রমের মালিককে চিনত? কে জানে হয়ত বা! তারপর অপেক্ষা করতে লাগল। কিছুক্ষন পর বাবা উনার নির্দিষ্ট কামরায় চলে যাবার পর ছেলে ওই বৃদ্ধাশ্রমের মালিকের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল, স্যার একটা কথা জিজ্ঞাসা করছি কিছু মনে করবেন না!

বলছি যে একটু আগে আপনি বাবার সাথে যেভাবে কথা বলছিলেন তাতে আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আপনারা পূর্ব পরিচিত, সত্যিই কি তাই?অনাথ আশ্রমের মালিক বললেন হ্যাঁ। উনাকে আমি প্রায় ৪০ বছর আগে থেকেই ভালো করে চিনি এবং জানি। আমি জানি না কোন পরিস্থিতিতে উনি আজ এই বৃদ্ধাশ্রমে এসেছেন।তবে মনের দিক থেকে আপনার বাবা একজন বড় মনের মানুষ। ছেলে বলল, আমি তো সেটাই জানতে চাইছি। বাবাকে কিভাবে চিনলেন?

বৃদ্ধ মালিক বললেন,,,,

৪০ বছর আগে আমার আন্ডারে থাকা একটা অনাথ আশ্রম থেকে উনি একটি অনাথ শিশুকে দত্তক নিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং আমার অনুমান যদি ভুল না হয় তাহলে ৪০ বছর আগে দত্তক নেওয়া সেই অনাথ শিশুটি এখন আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

এই কথা শোনার পর ছেলেটির আর বুঝতে বাকি রইল না। ৪০ বছর আগের সেই অনাথ শিশুটিই যে উনি। ছেলেটির চোখ দিয়ে অঝোর ধারায় অশ্রু ঝরতে লাগল। সে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল। আর দেরি না করে দৌড়ে তার বাবার কক্ষে গিয়ে ওনার পা ধরে কান্না করতে লাগল। বৃদ্ধ বাবার পা ধরে বলতে লাগলো আমাকে মাফ করে দাও। আমি অনেক বড় ভুল করে ফেলেছি।

২দিনের ভালোবাসার জন্য ৪০ বছরের ভালোবাসাকে আমি ভুলে গেছি। ছেলের এই করুন দৃশ্য দেখে বাবাও কেঁদে ফেললেন। তিনি ছেলেকে পা থেকে তুলে বুকে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলেন ধুর বোকা ছেলে, এর জন্য কান্না করতে আছে। আমি তো তোকে মাফ করেই দিয়েছি।এবার ছেলেটি কান্না থামিয়ে বাবাকে বৃদ্ধাশ্রম থেকে বাড়ি নিয়ে গেল।

পৃথিবীর সকল বাবার প্রতি রইলো আমার গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।©️

🎇নারীরা যখন গোসল করতে যায়, তখন সেটা শুধু শরীর ধোয়ার জন্য নয়।তাদের প্রথমেই জামাকাপড় ভিজিয়ে নিতে হয়, স্বামীর শার্টের...
12/10/2025

🎇নারীরা যখন গোসল করতে যায়, তখন সেটা শুধু শরীর ধোয়ার জন্য নয়।
তাদের প্রথমেই জামাকাপড় ভিজিয়ে নিতে হয়, স্বামীর শার্টের কলার ঘষতে হয়, সন্তানের জামা পরিষ্কার করতে হয়। তারপর বাথরুমের মেঝে ধোয়া, বালতি-মগ ঘষা—এসব শেষ করে তবে নিজের গোসলটা শুরু হয়।
তুমি তখন জিজ্ঞেস করো—“গোসলকরতে এত দেরি কেন?”

🎇রান্নাঘরে গিয়ে দেখো, শাকসবজি ধুয়ে কেটে রাখা, মশলা বের করা, ময়দা মাখা,—এসব কাজের ফাঁকেই বারবার হাত ধোয়া, বাসন মুছা।
তুমি জিজ্ঞেস করো—“এতক্ষণ ধরে কী করছো?”

🎇বাজারে গেলে তারা প্রতিটি সবজি, প্রতিটি ফল হাতে নিয়ে দেখে, ভালোটা বেছে নেয়। টাকা বাঁচাতে অনেক সময় হেঁটেই বাজার করে। ভিড়ের মধ্যে সেরা জিনিস খুঁজে আনে।
তুমি তখন বলো—“একটা বাজার করতে এত দেরি হলো কেন?”

🎇সন্তান-স্বামী বাইরে গেলে তারা খাটের চাদর গুছিয়ে দেয়, সোফার কুশন সোজা করে, ফ্রিজে বাজারের জিনিস রাখে, কাপড় ইস্ত্রি করে, গাছের গোড়ায় পানি দেয়, বাসন ধুয়ে জায়গামতো রাখে, ঘর পরিষ্কার করে।
আর তুমি প্রশ্ন করো—“সারাদিন তুমি বাড়িতে কী করছিলে?”

🎇বাইরে যাওয়ার আগে সে বাচ্চাদের জন্য নির্দেশ রেখে যায়, ফ্রিজে দুধ-খাবার গুছিয়ে রাখে, কল-দরজা পরীক্ষা করে, ব্যাগ গুছিয়ে নেয়। তারপর সামান্য সাজগোজ করে তোমার সামনে দাঁড়ায়, যেন তুমি খুশি হও।
তুমি আবার জিজ্ঞেস করো—“প্রস্তুত হতে এত দেরি কেন?”

🎇সন্ধেবেলা যখন সে বাচ্চাদের পড়াশোনা নিয়ে আলোচনা করে, খাবার কেমন হবে তা নিয়ে ভাবে, আত্মীয়দের খবর দেয়, স্কুলের ফি আর বিলের কথা মনে করিয়ে দেয়, তুমি বলো—“তুমি কত কথা বলো!”

🎇দিনের শেষে ক্লান্ত শরীর নিয়ে যখন একটু নিজের কষ্ট শেয়ার করতে চায়, বাবার বাড়ির স্মৃতি মনে পড়ে, সন্তানের ফলাফল নিয়ে দুঃখ পায়—তখন তুমি বলো—“কী নাটক করছো!”

তবুও সেই নারীই তোমাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে।

🎇একদিন এক মেয়ে বাবাকে বলেছিল, “বাবা, উঠোনে একটা গাছ লাগাতে পারি?”
বাবা বললেন, “না রে, চার বছরের পুরোনো গাছ একবার তুলে ফেললে আর বাঁচবে না। নতুন মাটি, নতুন পরিবেশ—সহ্য করতে পারবে না।”
মেয়েটি উত্তর দিল, “বাবা, তুমি তো আমাকে ২২ বছর ধরে বড় করেছো, এখন আমাকে অন্য পরিবেশে, অন্য বাড়িতে পাঠাচ্ছো। আমি কীভাবে বাঁচব?”
🎇বাবা মৃদু হেসে বললেন, “মা,আল্লাহ নারীদের এমন শক্তি দিয়েছেন—তারা নিজেদের শিকড় ছেড়ে অন্য বাড়িতে গিয়ে নতুন করে মানিয়ে নিতে পারে, সবার যত্ন নিতে পারে। সেই শক্তিই তাদের আলাদা করে তোলে।”

🎇তবুও আমরা অনেক সময় বলি—নারীরা নাকি নাটকীয়, বেশি কথা বলে, বা ঘরের কাজ করে না।
কিন্তু সত্যিটা হলো—নারীরাই সংসারের আসল ভিত্তি, তারাই ভালোবাসা আর ত্যাগের সবচেয়ে বড় নাম।

নারীর শক্তিকে সালাম।
সব নারীর প্রতি শ্রদ্ধা।

☸️written by 👍Nilima
☸️Picture by 👍collected

゚ ゚viralシfypシ゚viralシalシ

৯ বছরে মেয়ের সাথে বিয়ে হওয়ায় রাগে দেশ ছেড়েছিল আরিফ।আজ ১৫ বছর পড় সেই মেয়ে সাথে দেখা হলো বিদেশের মাটিতে। তাও আরিফ ভার্সিটি...
11/10/2025

৯ বছরে মেয়ের সাথে বিয়ে হওয়ায় রাগে দেশ ছেড়েছিল আরিফ।আজ ১৫ বছর পড় সেই মেয়ে সাথে দেখা হলো বিদেশের মাটিতে। তাও আরিফ ভার্সিটির প্রফেসর সেই ভার্সিটির স্টুডেন্ট হিসেবে।১৫ বছর দেখা হলো প্রথম দেখায় তার একে অপরকে চিনতে পারলো। কারন তারা চাচাতো ভাই বোন যোগাযোগ না থাকলেই একে অপরের ছবি তার বহুবার দেখেছে।

আরিফ যখন ক্লাস এ ঢুকলো ক্লাডের স্টুডেন্টদের দিকে নজর নিলে ক্লাসের এক কোনে তার দৃষ্টি থেমে যায়।সে বুঝতে পারে না সে যাকে দেখসে সে কও সত্যি এখানে উপস্থিত আছে?আরিফ হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে থাকে মায়ার দিকে। মায়াও তার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে থাকে। মায়াও নিজের টিচার হিসেবে আরিফকে আশাকে করেনি।আরিফের তো মায়াকে দেখে হার্ট অ্যাটাক করার উপক্রম। মায়াও তার ঘোর কাটিয়ে উঠতে পারলো না।

আরিফ যথা সম্ভব নিজেকে শান্ত রেখে ক্লাস নিলো। ক্লাস শেষে ক্লাস রুম থেকে বের হওয়ায় আগে আরিফ মায়াকে উদ্দেশ্য করে বললো..

-."Miss Maya, meet me in the office room."(মিস মায়া, আমার সাথে অফিস রুমে দেখা করুন)

আরিফ কথাটা বলে ক্লাস রুম থেকে বের হতেই ক্লাসের সকল স্টুডেন্ট এক সাথে চিৎকার করে উঠলো...

-"ohhhhhhh...wwhhhh..ohhhh...ohhhh.....whhhhhhhhh"

এই ভার্সিটির প্রায় ৭০% মেয়ের ক্রাস প্রফেসর আরিফ।তাকে এই ভার্সিটির সবচেয়ে হ্যান্ডসাম()ও রুড প্রফেসর। সকল মেয়ে তার জন্য পাগল।সেই প্রফেসর একটা মেয়ে নিজে সাথে দেখা করতো বললো এটা নিয়ে ক্লাডেী ছেলেরা মজা নিতা লাগলো। আর কিছু মেয়ের বুকে আগুন জলে উঠলো।

------
ক্লাস শেষ হলে মায়া এলো আরিফের অফিস রুমে। অফিস কক্ষের সামনে এসে মায়া নক করলো দরজায়...

-"May I come in sir? "

অফিস রুমের ভিতর থেকে গম্ভীর কণ্ঠে আওয়াজ এলো..

-"yes, come in"

ভাইয়া অফিস রুমে প্রবেশ করে দাঁড়িয়ে থাকলে আরিফ তাকে বসতে বলে..

-"sit down "

মায়া বসে চেয়ারে। ভিষন অসস্তি হচ্ছে। কি জানে কি বলে এখন অপমান করবে?আরিফ নিজের চশমা টৈবিলের উপর খুলে রেখে বলে..

"এখানে এসেছিছ কেন?"

মায়া অসস্তিতে কিছু উত্তর দিতে পারে না।এতে রেগে যায় আরিফ। টেবিলের উপর নিজের হাত জড়ে রেখে প্রশ্ন করে..

-"Why did you come here?"

টেবিলের উপর আরিফের হাত রাখার শব্দে ভয় কেঁপে ওঠে মায়া। ভিতু গলায় বলে..

-"ই..ই..ইউনিভার্সিটির জন্য.. আমি স্কলারশিপ পেয়েছি"

-"তোর সাথে আর কে আসছে?"

-"আমি একায়"

-"কোথায় থাকিস?'

-"ইউনিভার্সিটি হোস্টেলে। "

-"আজ থেকে আমার বাসায় থাকবি।নিজের সব জামা কাপর প্যাক করে নিয়ে আই হোস্টেল থেকে যা। "

আরিফের এমন কথায় হিতা হিত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ে যায় মায়া।যে লোক তার জন্য বাড়ি ছেড়েছে সে কিনা বলছে তার বাসায় থাকবে মায়া। এ যেন কিছুতেই মানতে পারছি না মায়া। মায়া হা করে তাকিয়ে থাকে আইফের দিকে।মায়ার কোন প্রতিক্রিয়া না দেখেরেগে যায় আরিফ । রেগে গিয়ে উচ্ছ স্বরে বলে..


চলবে..

পর্ব সংখ্যা ১

Next Part Coming SooN........
গল্প পড়ে কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন, আপনাদের মতামত আমার অনুপ্রেরণা 😍ভালো রেসপন্স পেলে পরের পর্ব দেয়ার আগ্রহ বাড়বে। 😊

#বিঃদ্রঃ ভুলক্রুটি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আর ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট করে সাথে থাকবেন। আপনাদের লাইক কমেন্ট দেখলে মনে হয় গল্পটা আপনাদের ভালো লেগেছে এবং আপনারা গল্পটা পড়েছেন,আর তাতে করে আমার ও পরবর্তী পর্বটা দেওয়ার আগ্রহ বেড়ে যায়।

নতুন নতুন গল্প এন্ড কবিতা পাইতে আমাদের পেইজ টা ফলো করুন নিল লেখায় চাপ দিয়ে👉 তাসরিবা জান্নাত

পুরুষকে পোষা কুকুর ভেবেছেন? জেনে নিন, সিংহকে শিকল পরানো যায় না! আপনার রূপ আর অহংকারই আপনাকে ডোবাবে! আপনি কি আয়নার সামনে ...
10/10/2025

পুরুষকে পোষা কুকুর ভেবেছেন? জেনে নিন, সিংহকে শিকল পরানো যায় না! আপনার রূপ আর অহংকারই আপনাকে ডোবাবে!

আপনি কি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের #রূপ দেখে ভাবেন, এই রূপের আগুনে যেকোনো পুরুষকে পুড়িয়ে ছাই করে দেবেন? আপনি কি মনে করেন, আপনার স্বামী আপনার কেনা গোলাম, যাকে ইচ্ছেমতো ধমক দিয়ে, শাসন করে হাতের মুঠোয় রাখবেন? আপনি কি সেই নারী, যিনি স্বামীর বাবা-মায়ের নামে সারাদিন বিষাক্ত ছোবল মারেন আর ভাবেন আপনার স্বামী আজীবন আপনার আঁচলের তলায় বাঁধা থাকবে?

যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ হয়, তবে আজকের এই লেখা আপনার জন্য একটি সতর্কবার্তা। কারণ আপনি নিজের অজান্তেই নিজের সুখের সংসারে আগুন লাগাচ্ছেন। আপনি যে পুরুষকে বশ করার খেলা খেলছেন, সেই খেলার শেষে আপনি নিজেই হেরে ভূত হবেন। আপনার রূপ, আপনার অহংকার, আপনার তেজ – সবকিছু একদিন ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে, আর সেদিন পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদার জন্যও কাউকে খুঁজে পাবেন না।

কিছু নারী মনে করে, পুরুষকে শাসন করা, তাকে কন্ট্রোলে রাখাটাই নাকি স্মার্টনেস। স্বামীর ওপর কর্তৃত্ব ফলানো, তাকে কথায় কথায় অপমান করা, তার পরিবারকে ছোট করা—এগুলোকেই তারা নিজেদের ক্ষমতা বলে জাহির করে। তারা ভাবে, স্বামীকে ধমকের ওপর রাখলে, চোখের জলে ব্ল্যাকমেইল করলে কিংবা শারীরিক সম্পর্কের লোভ দেখালে পুরুষ সারাজীবন তাদের পায়ে লুটিয়ে পড়বে।

কী চরম ভুল ধারণা! পুরুষ কোনো জড়বস্তু নয় যে তাকে বশ করে ফেলা যায়। পুরুষ কোনো পোষা প্রাণী নয় যে তাকে শিকল পরিয়ে রাখা যায়। পুরুষ যদি কারো কাছে বাঁধা পড়ে, তবে সেটা পড়ে মায়ার জালে। ভালোবাসা, সম্মান আর যত্নের জালে। রাগ, জেদ আর অহংকারের শিকল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে পুরুষের এক মুহূর্তও সময় লাগে না।

আপনি ভাবছেন আপনার রূপ আছে? হাজার পুরুষ আপনার জন্য পাগল? আপনার স্বামী আপনাকে ছেড়ে কোথায় যাবে? এই অহংকারই আপনার কফিনের শেষ পেরেকটা পুঁতে দেবে। মনে রাখবেন, রূপ দিয়ে বিছানা পর্যন্ত যাওয়া যায়, কিন্তু পুরুষের মন পর্যন্ত পৌঁছানো যায় না। আপনার শরীরী আবেদনের নেশা কেটে যেতে পারে এক রাতের মধ্যেই, কিন্তু মায়ার নেশা সারাজীবন কাটে না।

বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে চোখ মেলুন বিশ্বের দিকে। আপনার চেয়েও হাজার গুণ সুন্দরী, খ্যাতিমান আর ধনী নারীরাও তাদের পুরুষকে ধরে রাখতে পারেনি। কেন? কারণ তারা ভেবেছিল তাদের সৌন্দর্য, খ্যাতি আর অর্থই যথেষ্ট।

মেরিলিন মনরো: সৌন্দর্যের দেবী, কোটি কোটি পুরুষের স্বপ্নের রানী। কিন্তু তার ব্যক্তিগত জীবন ছিল নরকের মতো। কোনো পুরুষকেই তিনি স্থায়ীভাবে বাঁধতে পারেননি। কেন? কারণ পুরুষের শুধু সুন্দর শরীর নয়, একটি শান্ত আশ্রয়ও লাগে।
ম্যাডোনা: পপ সম্রাজ্ঞী, যার ইশারায় দুনিয়া চলে। কিন্তু তার একাধিক বিয়ে টেকেনি। ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও তিনি পুরুষের কাছে একজন মমতাময়ী নারী হতে পারেননি।
এলিজাবেথ টেইলর: হলিউডের কিংবদন্তি, ৮ বার বিয়ে করেছেন! তার রূপের কাছে হার মানেনি এমন পুরুষ কমই ছিল। তবুও তিনি কারো বাঁধনে স্থায়ীভাবে আটকাতে পারেননি। কারণ তিনি যা চেয়েছিলেন তা হলো পূজা, কিন্তু পুরুষ চায় শান্তি ও বোঝাপড়া।
কিম কার্দাশিয়ান: আজকের যুগের সৌন্দর্যের প্রতীক, বিলিয়নিয়ার। কিন্তু একজন প্রভাবশালী স্বামীকেও তিনি ধরে রাখতে পারেননি। কারণ সম্পর্ক শুধু ক্যামেরার সামনে পোজ দেওয়া নয়, সম্পর্ক মানে একে অপরের মানসিক আশ্রয় হওয়া।
ঐশ্বরিয়া রাই: বিশ্বসুন্দরী, যার নীল চোখের দিকে তাকিয়ে হাজারো পুরুষের হৃদস্পন্দন থেমে যায়। কিন্তু সালমান খানের মতো একজন প্রভাবশালী প্রেমিককেও তিনি ধরে রাখতে পারেননি। কারণ সম্পর্ক শুধু রূপ দিয়ে চলে না, এর জন্য প্রয়োজন হয় পারস্পরিক সম্মান আর বোঝাপড়ার।

এরা আপনার চেয়ে অনেক বেশি সুন্দরী, ক্ষমতাশালী আর ধনী। তবুও তারা ব্যর্থ। কারণ তারা একটা সহজ সত্য বুঝতে পারেনি—পুরুষকে শরীর দিয়ে বেঁধে রাখা যায় না, তাকে মায়া ও যত্ন দিয়ে বেঁধে রাখতে হয়।

আপনি হয়তো ভাবছেন, তাহলে পুরুষ চায়টা কী? উত্তরটা খুব সহজ, কিন্তু আপনার মতো অহংকারী নারীদের পক্ষে এটা বোঝা কঠিন। পুরুষের চাওয়া তার বয়স অনুযায়ী বদলাতে থাকে।

২০–৩০ বছর: এই বয়সে একজন পুরুষ শুধু সুন্দরী প্রেমিকা চায় না। সে চায় একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী, একজন বন্ধু, যে তার স্বপ্নগুলোকে সম্মান করবে, তার লড়াইয়ে পাশে থাকবে। সে চায় এমন একজন নারী যে তাকে বুঝবে, তার কথার দাম দেবে। আপনি কি তাকে সেই সম্মান দেন? নাকি তার বন্ধুদের সামনে তাকে ছোট করেন?
৩০–৪০ বছর: জীবনের সবচেয়ে কঠিন দৌড়টা পুরুষ এই বয়সেই দৌড়ায়। ক্যারিয়ার, পরিবার, ভবিষ্যৎ—হাজারো চাপে সে যখন পিষ্ট, তখন সে আপনার কাছে আশ্রয় খোঁজে। সে আপনার সুন্দর মুখটা নয়, আপনার মমতাময়ী হাতটা ধরতে চায়। সে চায়, বাড়ি ফিরে আপনার কাছে একটু শান্তি পাবে। আর আপনি কি করেন? সারাদিন শাশুড়ির নামে অভিযোগ, সংসারের অভাব নিয়ে খোঁটা, আর নিজের চাহিদার লম্বা তালিকা তার মুখের ওপর ছুঁড়ে মারেন। আপনি তার আশ্রয় নন, আপনি তার জীবনের নতুন একটি যুদ্ধক্ষেত্র।
৪০–৫০ বছর: এই বয়সে পুরুষ সবকিছু দেখে ফেলেছে। তার আর নতুন করে রূপের মোহ থাকে না। সন্তান, সমাজ, কাজের চাপের ভেতর সে স্ত্রীর কাছে একটু স্নেহ আর মায়া চায়। সে চায়, কেউ তার মাথায় হাত বুলিয়ে বলুক, "চিন্তা করো না, আমি তো আছি।" এই বয়সে সে আপনার মধ্যে তার মায়ের ছায়া খোঁজে। যে মা তাকে ছোটবেলায় আগলে রাখত, সেই একই নিরাপত্তা সে আপনার কাছে চায়।

পুরুষের মনের সেই গোপন আকাঙ্ক্ষা: মা এবং প্রেমিকার দ্বৈত রূপ
এটাই হলো সবচেয়ে বড় রহস্য, যা ৯৯% নারী বুঝতে পারে না। একজন পুরুষ তার স্ত্রীর মধ্যে দুটি সত্তা একসাথে খোঁজে।

দিনের বেলায় সে চায় একজন "মা":
হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। সে চায়, আপনি তার মায়ের মতো যত্ন নেবেন। তার পছন্দের খাবারটা রান্না করে দেবেন, তার শার্টটা গুছিয়ে রাখবেন, তার শরীর খারাপ হলে মায়ের মতো সেবা করবেন। সে অবচেতনে আপনার মধ্যে তার মায়ের সেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, সেই নির্ভরতা খুঁজে বেড়ায়। যে নারী তার স্বামীকে তার বাবা-মায়ের সেবা করা থেকে আটকায়, সে আসলে পুরুষের মন থেকে তার মায়ের ছায়াটাকেই মুছে ফেলতে চায়। আর কোনো পুরুষই এটা মেনে নিতে পারে না।

আর রাতের বেলায় সে চায় একজন "প্রেমিকা"
দিনের বেলার সেই মমতাময়ী নারীকেই পুরুষ রাতে তার প্রেমিকার রূপে দেখতে চায়। সে চায় সেই উত্তেজনা, সেই আকর্ষণ, সেই পাগলামি যা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেবে। সে চায় আপনি তার সামনে শুধু একজন স্ত্রী বা সন্তানের মা নন, একজন আবেদনময়ী নারী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করুন।

যে নারী এই দুটি রূপের ভারসাম্য রাখতে পারে, তার পুরুষ তাকে ছেড়ে কোনোদিন কোথাও যাবে না। সেই নারীই হয়ে ওঠে পুরুষের জীবনের সেই অটুট বাঁধন, যা সে স্বেচ্ছায় পরে থাকে।

এবার শেষবারের মতো নিজেকে প্রশ্ন করুন। আপনি কি করছেন? স্বামীকে শাসন করে, তাকে ছোট করে, তার পরিবারকে অপমান করে আপনি কি সত্যিই সুখী? আপনার রূপের এই দেমাক আর কতদিন থাকবে? ৫, ১০, ১৫ বছর? তারপর?

যখন আপনার চামড়ায় ভাঁজ পড়বে, যখন আপনার রূপের আগুন নিভে ছাই হয়ে যাবে, তখন কি আপনার এই অহংকার আপনার পাশে থাকবে? আপনার স্বামী যদি আপনার এই প্রতিদিনের মানসিক অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাইরে কোথাও একটু শান্তি খুঁজে নেয়, তখন আপনি কাকে দোষ দেবেন?

মনে রাখবেন, যে পুরুষকে আপনি আজ পায়ের নিচে রাখতে চাইছেন, সেই পুরুষ যদি একবার আপনার মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে বেরিয়ে যায়, তবে পৃথিবীর কোনো শক্তি দিয়েও তাকে আর ফেরাতে পারবেন না। আপনার জায়গাটা খুব সহজেই অন্য কোনো বুদ্ধিমতী, মমতাময়ী নারী নিয়ে নেবে। আর আপনি আপনার রূপ আর অহংকার নিয়ে পড়ে থাকবেন একাকী, অন্ধকার এক ঘরে।

আজ রাতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে একবার প্রশ্ন করবেন কি, আপনি কি আপনার পুরুষের রানী, নাকি তার জীবনের সবচেয়ে বড় বোঝা? উত্তরটা যদি আপনাকে ভয় পাইয়ে দেয়, তবে এখনো সময় আছে নিজেকে বদলানোর। নতুবা, আপনার জন্য অপেক্ষা করছে এক করুণ পরিণতি।

একটা দুধ বহনকারী গাড়ি অন্য গাড়ির সাথে ধা/ ক্কা লেগে গেল উল্টে! দুধে ভেসে গেল রাস্তা। ভিড় জমে গেল সেখানে।ভিড়ের মাঝ থেকে অ...
09/10/2025

একটা দুধ বহনকারী গাড়ি অন্য গাড়ির সাথে ধা/ ক্কা লেগে গেল উল্টে! দুধে ভেসে গেল রাস্তা। ভিড় জমে গেল সেখানে।

ভিড়ের মাঝ থেকে অমায়িক চেহারার এক ভদ্রলোক বেরিয়ে এসে দুধ বহনকারী গাড়ির ড্রাইভারকে বললেন, এজন্য নিশ্চয়ই তোমার মালিক তোমাকে দায়ী করবে৷ ক্ষতিপুরণ চাইবে।

: জ্বি
: তুমি তো গরীব। এত টাকা পাবে কোথায়? এক কাজ কর, এই আমি পাঁচ টাকা দিলাম, এখন অন্যদের কাছ থেকে আরও কিছু-কিছু নিলে বোধহয় হয়ে যাবে তোমার।

কিছুক্ষণের মধ্যেই বেশ কিছু টাকা উঠে গেল। ভিড় কমে গেলে ভদ্রলোকটিও চলে গেলেন। একজন পথিক আপন মনে বলে উঠল, 'কে এই ভদ্রলোক?'
ড্রাইভার বলল, 'আমার মালিক।'🙂

এয়ারপোর্টে বউ আমাকে বিদয় জানাতে এসে আমার দুই পায়ে ধরে বলতাছে তুমি যেওনা ।আমার এত টাকার দরকার নেই। আমার বউয়ের এরকম আহ...
03/10/2025

এয়ারপোর্টে বউ আমাকে বিদয় জানাতে এসে আমার দুই পায়ে ধরে বলতাছে তুমি যেওনা ।আমার এত টাকার দরকার নেই।

আমার বউয়ের এরকম আহাজারি দেখে আমার চোখের পানি আর ধরে রাখতে পারলাম না।আমার মা এবং বোন মিলে আমার বউকে বুঝাতে পারছে না।
অনেক চেষ্টার পরে বউকে বুঝিয়ে আমি এয়ারপোর্টের ভিতরে ঢুকে গেলাম।
বউয়ের এমন ভালোবাসা আমি মুগ্ধ । নিজেকে ভাগ্যবান মনে হয়।

আমার যে অনেক দায়িত্ব আমি সংসারের বড় ছেলে । আমার একটি বোন রয়েছে। আমার বাবা নাই অনেক আগে মারা গেছে । তাই সংসারের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য আবার আমাকে বিদেশে যেতে হচ্ছে। বিদেশ থেকে এসে বিয়ে করলাম। এখন আবার দায়িত্ব পালন করার জন্য ফিরে যাচ্ছি।

যেহেতু সংসারের সবার বড় আমি।তাই সংসারের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য আবার বিদেশ চলে যাইতেছি। আপনারাই বলেন কেউ কি প্রিয়জন রেখে বিদেশ যায় ইচ্ছা করে।

বাংলাদেশের বেকারত্ব দিন দিন বাড়তাছে ভালো কাজ পাওয়া খুব মুশকিল। আর আমি কম পড়াশোনা করছি তাই বিদেশে আমার জন্য ঠিক ছিল। তাই বিদেশ গিয়ে কামলা দিলে বেশি টাকা পাওয়া যায়। আমার মত এরকম অনেক বিদেশী ছেলে আছে বলেই বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক রেমিটেন্স আসছে সেটা বাংলাদেশের অর্থনীতির বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

যাই হোক বিমানে উঠে বউকে অনেক মিস করতেছি। বউয়ের এমন ভালোবাসায় মনে হচ্ছিল থেকে যাই।
বিমানে বসে বসে চোখের পানি ঝরছিল। সবাইকে খুব মিস করবো। চাইলে সবাই একসাথে খেতে পারব না। চাইলেই একে অপরের সাথে পাশাপাশি বসতে পারবো না। সুখ দুঃখের গল্প করতে পারবো না। না জানি আবার কবে দেখা হয়। না জানি অনেকের সাথে এটাই শেষ দেখা ছিলো। এরকম কথা ভেবে অঝোরে কান্না আসছিলো।
বাবা বেঁচে থাকতে বিদেশ পাঠিয়ে ছিলো। বিদেশ যাওয়ার ৬ মাস পর বাবার মৃ*ত্যু হয়। তখন নতুন গিয়েছিলাম তাই চাইলেই বিদেশ থেকে আসতে পারেনি। বাবার লা*শ টা শেষ দেখা হয়নি।
বিদেশের মাটিতে বসে অঝোরে কান্না করেছিলাম । এর চেয়ে কষ্টের আর কি হতে পারে বলেন। একজন প্রবাসীর মনে অনেক কষ্ট থাকে।

৬ বছর পরে বিদেশ থেকে এসে বিয়ে করলাম। অসাধারণ এক সখের বউ পেয়েছি তার মায়া ভরা মুখ ভুলে কি ভাবে থাকবো। তার ভালোবাসায় মুগ্ধ ছিলাম। ছুটি কাটানোর জন্য তিন মাস ছিলাম। তিন মাস মনে হলো তিন দিনের মতো।
মন ভরেনি । আমার মা অসুস্থ সেও যদি বাবার মতন হঠাৎ চলে যায়। মনের ভিতরে এরকম একটা ভয় কাজ করছিল।
এমন অনেক চিন্তা করে ইচ্ছামত কান্না পাচ্ছে। পাশের এক ভাই আমার কান্না দেখে আমাকে শান্তনা দিচ্ছে।
দেখলাম তার চোখে পানি।

হঠাৎ বিমান টি আকাশ উড়া শুরু করলো । বুকের ভেতর চিন চিন ব্যাথা অনুভব করলাম। আহ এ এক ভ*য়ংকর যন্ত্রণা অনুভব করলাম।
কখনো কাউকে ভালোবাসিনি আমার বউকে আমি প্রথম ভালোবেসেছি সে আমার প্রথম প্রেম ছিলো। ভালোবাসার ব্যথা এমনই হয় মনে হয়। বুকের ভিতর এক ধরনের চিনচিন ব্যাথা। কাউকে প্রকাশ করা যায় না ,অনুভব করা যায়।

অবশেষে মালয়েশিয়া পৌঁছালাম। পৌঁছনোর পর বাসায় ফোন দিলাম। মা ফোন ধরে বলতাছে ঠিকমত গেচোছ বাজান। আমি বললাম হা মা। আমার বোন ফোন নিয়ে বললো ভাইয়া ভাবি কিছু খাচ্ছে না। সারারাত কান্না করে। আমি জানতাম এমন কিছু হবে। ঘরে একটাই ফোন বউকে এখনো ফোন কিনে দেইনি। তাই বোনকে বললাম তোর ভাবির কাছে ফোনটা দে। আমার বোন ফোনটা দিছে । বউটা আমার কান্নার জন্য কথা বলতে পারছে না। তারপর ওকে অনেক বুঝালাম । টানা ২০ মিনিট বুঝালাম কিন্তু ওর কান্না থামছে না। আসলে ও একটু আবেগী।
পরে আমি একটু রাগ দেখালাম। তুমি না খেলে আমিও খাইতাম না।

এই কথা বলার পর মাথা নাড়িয়ে বললো ঠিক আছে। আমি বললাম এখন খাও আমি দেখবো এই বলে ফোনটা বোনের কাছে দিতে বলছি । বোনকে বললাম খাবার দিতে। বোন খাবার দিলে তা আমি ভিডিও কলে বসে বসে দেখলাম। কান্না করছে আর খাচ্ছে। অনেকদিন পরে আসলাম অনেক কাজ এই ভেবে ফোনটা রেখে দিলাম।
তাছাড়া বউয়ের এমন দৃ*শ্য
নিতে পারছিলাম না। আসলে প্রবাসী জীবন অনেক কঠিন।

২ ঘন্টা পরে হঠাৎ আবার ফোন আসলো । আমার বোন ফোন করে বলতাছে ভাবি নাকি হঠাৎ মাথা ঘুরিয়ে পড়ে গেছে। আমি অবাক হয়ে গেলাম আবার কি হলো। প্রচন্ড টেনশন করতে লাগলাম। আল্লাহ কাছে সাহায্য চাইলাম ।কাছের হসপিটালে ওকে নেওয়া হয়েছে। কিছুক্ষণ পর আমার বোন আমাকে ফোন দিলো এবং আমাকে যা জানালো সেটা শুনে আমি চমকে গেলাম..............

আগামীকাল শেষ পর্বে দেওয়া হবে।
শেষ পর্বে কঠিন কিছু অপেক্ষা করছে।
শেষ পর্বে আপনি কান্না করতে বাধ্য হবেন। সরি অনেক লেখা তাই লিখতে আজকে পারিনি। একটু কষ্ট করে কাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।
ধন্যবাদ

গল্প : প্রবাসজীবন

‘স্যার কালকে থেকে আর মুনাকে পড়াতে হবে না।’ মুনা টেবিলে বসে সরল অংক করছে নুয়ে, একবার মাথা তুলে আমার দিকে তাকায় তারপর আবার...
01/10/2025

‘স্যার কালকে থেকে আর মুনাকে পড়াতে হবে না।’ মুনা টেবিলে বসে সরল অংক করছে নুয়ে, একবার মাথা তুলে আমার দিকে তাকায় তারপর আবার খাতায় মনযোগ দেয়।
টেবিলের পাশেই ভদ্রমহিলা দাঁড়িয়ে আছে। প্রথম যখন এই বাড়িতে আসি আমার ভুল হয়ে গেছে। ভেবেছিলাম এই মহিলা মুনার মা। কিছুদিন যাবার পরে জানতে পারি মুনার বাবা মা দুজনেই আলাদা থাকে। ভদ্রমহিলার নাম পারভীন তিনি সম্পর্কে মুনার ছোটো ফুপু।

আমি তাকে পারভীন আপা ডাকি। পারভীন আপার একবার বিয়ে হয়েছিলো তবে বাচ্চা না হওয়ায় তাকে ডিভোর্স দিয়ে দেয় সেই থেকে বাবার বাড়িতেই থাকেন।

মুনার তখন দুই মাস বয়স। রাতে তেমন ঘুমায় না, প্রায় রাতে ঘর থেকে মুনার কান্নার আওয়াজ আসে। দুমাস বয়সী মুনাকে রেখেই একদিন ভোরে উঠে মুনার মা মুনাকে রেখেই চলে যায়৷ সেই যে গেলো আর ফিরেনি। এরপরে বাবা মায়ের ভিতরে ডিভোর্স হয়। মুনা থাকে ছোটো ফুপুর কাছে৷ বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের দুজনের ভিতরে মনোমালিন্য লেগেই ছিলো, এক পর্যায়ে তা রূপ নেয় বিচ্ছেদে।

পারভীন আপা মুনাকে বড় করেছে। লোকের মুখে শুনেছে তার ভাইজানের সাথে ডিভোর্স হওয়ার আটমাস পরে মুনার মা আবার বিয়ে করে। ভাইজানও একবছর পরে দেশের বাইরে চলে যায়, সেখানেই বিয়ে করে। মুনা মা বাবা কারো আদরে পেলো না, তবে পারভীন সেদিন কোলে তুলে নিয়েছিলো এখন পর্যন্ত কাছেকাছে মুনাকে রাখে।

পারভীন আপা এখনো টেবিলের কাছে দাঁড়িয়ে আছে। একবার মুনার মাথায় হাত রাখে তারপর নিজের ঘরে চলে যায়।

এই বাড়িতে আমি দুই বছর ধরে লজিং মাস্টার হিসেবে আছি। প্রথম যখন আসি তখন মুনা ক্লাস সিক্সে পড়তো। এবার ক্লাস এইটে উঠেছে।

মুনাকে পড়ানো শেষে বুঝলাম হয়তো এই বাড়িতে আর আমার থাকা হবে না। যেহেতু মুনাকে পড়ানোর বিনিময়ে আমি এখানে থাকি। এদিকে মুনার ফুপু বলে দিয়েছেন কালকে থেকে মুনাকে পড়াতে হবে না। তাহলে এই বাড়িতে থাকাও হবে না। মুনাকে পড়ানোর সাথেই মিশে আছে তাদের বাড়িতে থাকবার কারণ।

শহরে একটা থাকবার জায়গা দুইবেলা খাবার এসব আমার কাছে অনেককিছু। মুনাকে পড়ানোর বিনিময়ে সব হয়ে যেতো। এই বাড়ির খোঁজ আমার ভার্সিটি সবুর স্যার দিয়েছেন। ভার্সিটিতে ভর্তির প্রথম দিকে একটা লাইব্রেরিতে বিকালে কাজ করতাম, যেখানে ভারতবর্ষের ইতিহাস সম্পর্কে অনেক বই আছে৷ সেই বই গুছিয়ে রাখতাম। কিন্তু সে লাইব্রেরি যাদের ছিলো তারা একসাথে পরিবার নিয়ে দেশের বাইরে চলে যায়। লাইব্রেরি থেকে যে টাকা পেতাম আমার শহরে থাকবার খরচ হয়ে যেতো। কিন্তু লাইব্রেরি বন্দ হবার পরে বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়।

এরপরে একদিন সবুর স্যার আমাকে জানায় একটা মেয়েকে পড়াতে পারবো কিনা। তাদের বাড়িতেই থাকবো। আমি রাজি হয়ে যাই।

মুনার ফুপু পুকুরের পাশে বসে আছে। সকালের রোদ গাছের আড়াল থেকে পুকুরের জলের উপরে এসে জমে আছে৷ বুকের ভিতরে কৌতুহল থেকে জিজ্ঞেস করলাম, আপা আপনি বললেন কালকে থেকে পড়াতে হবে না মুনার জন্যে কি নতুন টিচার রাখবেন?

পারভীন আপা আমাকে ইশারা দিয়ে বসতে বলেন, আমি ঘাটের অন্যপাশে বসি।

পারভীন আপা চোখ মুছে বলেন, রনী তুমিতো জানো মুনা আমার ভাইয়ের মেয়ে। অবশ্য আমি সেই দুই মাস বয়স থেকে মুনাকে কোলে তুলে নিয়েছি তারপর নিজের মেয়ের মতো করে বড় করেছি৷ আমার যদি বাচ্চা হতো মুনার বয়সীই হতো৷

পারভীন আপা চোখ মুছে নেয় আবার, কিছু সময় নিরবতা নেমে আসে। পুকুরের পানির ভিতরে মাছেরা টুপটাপ করছে সেই শব্দ শুনতে পাই।

পারভীন আপা বলে, দুদিন আগে মুনার মা কল দিয়েছে সে চায় তার মেয়েকে নিয়ে যেতে। এতো বছর পরে আসছে মেয়ের দাবি করতে।

আমি ভাইজানের কাছে জানালাম খবরটা। সে বলে তার মেয়ে যদি সে নিয়ে যেতে চায় দিয়ে দাও।

ভাইজানের মুখে কথাটা শুনে আঘাত পেয়েছি৷ আসলেই তো মুনার উপরে আমার কোনো অধিকার নেই। ভাইজান তো বলতে পারকো মুনা আমার কাছে থাকবে! বলতে পারতো না?

আসলে ভাইজানের এখন সংসার আছে সেখানে বাচ্চা আছে৷ সেই সংসারটাই সব। যখন দুজনেই দুই মাস বয়সী বাচ্চা রেখে পালিয়ে গেছে তখনকার কথা কারো মনে নেই। ভাইজান মুনার জন্যে টাকা পাঠাতো তবে বলো টাকাই কি সব? আমার হয়তো নিজের বাচ্চা থাকলে মুনাকে দিয়ে দিতে তেমন কষ্ট হতো না, মা হতে পারিনি তো তাই কষ্ট বেশি লাগছে। যাক আমি অন্যের সন্তান কেন আটকে রাখবে বলো?

আমি বলি, মুনা কি যেতে চায় তার মায়ের কাছে?

পারভীন আপা বলে, মায়ের কাছে কে না যেতে চায় বলো?

পারভীন আপা একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখ মুছে নেয়। তারপর বলে, রনী তুমি চিন্তা কইরো না। যতদিন ইচ্ছে আমাদের এখানে থাকতে পারবে। এতো বড় বাড়ি অথচ দেখো মানুষ আমরা দুজন, আমি আর বাবা৷ যে মহিলা রান্না করে দেয় সে রাতে চলে যায়। পুরো বাড়ির সবগুলো ঘরই তো খালি থাকে। আমি ঠিক করেছি মুনা চলে যাবার পরে দুঃখ ভুলতে আমার স্কুলের এক বান্ধবীর কাছে যাবো। ওদের বাড়ি রংপুর। ওর বাবা আমাদের এখানে চাকরি করতো, রংপুরে ওদের গ্রামের বাড়িটা খুব সুন্দর। ছবিতে দেখেছি। এবার ভেবে রেখেছি সেখানে কিছুদিন কাটিয়ে আসবো। গ্রামে গ্রামে ঘুরবো। অবশ্য এখন যদিও সেই বয়স নেই তবে কি আর করবার বলো দুঃখতো ভুলতে হবে৷।

পারভীন আপা চলে যায় বাড়ির ভিতরে। আমি পুকুরের সিঁড়ির উপরে যেয়ে বসি।

মুনাকে আগামীকাল বিকালে ওর বড় মামা এসে নিয়ে যাবে৷ আজকের বিকাল থেকে বাড়িতে থমথমে পরিবেশ,ঝড়ের আগে যেমন আবহাওয়া থাকে তেমনই এই বাড়িটা এখন।

মুনার দাদু আজিজ হোসেন চুপচাপ হয়ে গেছেন, মুনাকে পাশে বসিয়ে দেখছেন৷ কখনো চোখের চশমা খুলে চোখ মুছে নিচ্ছেন। মুনা অবশ্য মায়ের কাছে যাওয়া নিয়ে বেশিই উচ্ছ্বাসিত। আবার কখনো মন খারাপও করছে ফুপু আর দাদুর কথা ভেবে।

মুনার মা চায় মেয়েকে ঢাকা শহরের ভালো স্কুলে পড়াতে, বরিশালে এখানে তিনি রাখতে চায় না। তাই মেয়েকে তার কাছেই নিয়ে রাখবেন৷ অবশ্য মুনার বাবা বলেছে মুনা পারভীনের কাছেই থাকুক, বরিশালেও তো অনেক ভালো স্কুল আছে৷ কিন্তু তিনি বলে দিছেন সে তার মেয়েকে ঢাকাতেই নিয়ে যাবে। মুনার বাবা চায়নি আর কোনো অশান্তি করতে, মুনা থাকুক তবে তার মায়ের কাছেই৷

পরদিন মুনার মামা আসেন গাড়ি নিয়ে। পারভীন মুনার বেশকিছু জামাকাপড় ব্যাগ ভরে গাড়িতে তুলে দেয়। মুনার পছন্দের আঁচাড় বৈয়ামে দিয়ে দেয়।

সুফিয়া মঞ্জিলের গেটের কাছে একটা দুঃখী পরিবেশ তৈরি হয়৷ আশেপাশের কয়েক বাড়ির মহিলারাও এসে ভীড় করে। পারভীন আপার বাবা এই শহরে আছেন ছোটোবেলা থেকে, আশেপাশের বাড়ির মানুষ তাদেরকে চিনে এক নামে৷ একসময় তার বাবা ছিলেন জজ,পারভীন আপার দাদা সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। তিনিই এই দোতলা বাড়িটা করেছেন। বাড়ির ভিতরে মোট নয়টা ঘর আছে, দোতলায় বিশাল বারান্দা। বাইর থেকে কেউ হেঁটে গেলে সাদা এই বাড়ির দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকায়। পারভীন আপার দাদী সুফিয়া বেগমের নামের সাথে মিল রেখে বাড়ির নাম করা হয় সুফিয়া মঞ্জিল।

মুনা চলে যায় তার মামার সাথে। রাতে বাড়িতে নির্জনতা নেমে আসে, মনে হচ্ছে বাড়িতে কেউ থাকে না। বারান্দার আলো জ্বালানো হয়নি, গেটের কাছের বাতিও বন্দ। মনে হয় অন্ধকারে ডুবে আছে সুফিয়া মঞ্জিল

আমি থাকি দোতলার ডানদিকের একটা ঘরে, জানালার পাশেই একটা কদম ফুল গাছ। ঘর থেকে কদম ফুলের ঘ্রাণ ভেসে আসছে।রাত বাড়তে থাকে মুনার দাদু তাড়াতাড়ি রাতে ঘুমায় তবে আজকে জেগে আছে, এখনো তার ঘরে আলো জ্বলছে। মুনার ফুপু পারভীন আপার ঘরেও বাতি জ্বলছে। আমি বাড়ির উঠানে কিছু সময় হেঁটে ভিতরে চলে আসি। উঠানের পাশে একটা কুকুর, যার গত মাসে তিনটা বাচ্চা হয়েছে, কুকুরটা বাচ্চা তিনটাকে নিয়ে শুয়ে আছে, সামনে কিছু খাবার। যে খাবার পারভীন আপা দিয়ে গেছেন। মুনা এই বাচ্চাদের সাথে খেলতো।

ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে হাঁটাহাঁটি করি। বাড়ির কাজের মহিলা পরোটা সাথে দুধ চা ঘরে এসে দিয়ে যায়। সকালে মুনাকে পড়াতাম, কিন্তু মুনা এখানে নেই তাই চা,পরোটা খেয়েই ভার্সিটির উদ্দেশ্যে বের হয়ে যাই।

আমি ঠিক করে নেই এই বাড়িতে বেশিদিন থাকবো না। মুনাকে পড়ানোর কারণে এখানে থাকতাম, যেহেতু মুনা নেই এখানে শুধু শুধু থাকা বিষয়টা নিজের কাছেই সংকোচ লাগে।

পারভীন আপা তার বাবাকে দেখাশোনা করবার জন্যে একজন পুরুষ মানুষ রাখেন, আর একজন মহিলা রাখেন যে সবসময় এই বাড়িতেই থাকবে, রান্না করে দিবে। বাবাকে একা রেখে কোথাও তো যেতে পারেন না তাই দুজন লোক বাবার জন্যে রাখেন।

আগামী সপ্তাহে পারভীন আপা যাবেন তার বান্ধবীর কাছে রংপুরে সেখানে কিছুদিন থেকে আবার অন্য কোথাও যাবেন৷ পারভীন আপাকে এখন মনে হয় পৃথিবীর সবচেয়ে দুঃখী মানুষ, প্রায় সময়ই চোখে পানি দেখতে পাই। মুনা চলে যাবার পরে তার মুখের দিকে তাকানো যায় না।

আগামীকাল ভোরের গাড়িতে পারভীন আপা রংপুরে যাবেন। যাবার আগে তার বাবার ওষুধ বুঝিয়ে দেয়, বাবা মেয়ে কিছুসময় পাশাপাশি বসে কাঁদে।

সেদিন রাত এগারোটায় সুফিয়া মঞ্জিলের সামনে একটা সাদা গাড়ি আসে। শাহিদা মুনাকে নিয়ে গাড়ি থেকে নামে। অনেকগুলো বছর পরে এই বাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। লোহার গেটে ঠকঠক শব্দ হয়, কাদের গেট খুলে দেয়।

শাহেদা মুনাকে নিয়ে বাড়ির ভিতরে আসে। মুনা বাড়ির ভিতরে এসেই এক দৌড়ে চলে যায় ফুপুর ঘরে।

পারভীনের প্রথমে মনে হয় স্বপ্ন দেখছে, মুনাকে বুকের ভিতরে নেওয়ার পরে বুঝতে পারে সত্যি সত্যি মুনা এসেছে।

সে রাতে পারভীনের অনুরোধে শাহেদা এখানে থাকে। রাতে নতুন করে রান্না করা হয়। বারান্দার আলো জ্বালানো হয়, বাড়ির ভিতরের সবকয়টা বাতি জ্বালানো হয়। মুনা বাড়িতে ছুটছে, কখনো আমার ঘরে আসছে, কখনো দাদুর কাছে যায়, কখনো ফুপুর কাছে।

মুনা তার মা শাহেদার কাছে যাবার পরেই জ্বর উঠে সে রাতে। তারপর জ্বরের ঘোরে শুধু পারভীন ফুপুর কথা বলে। জ্বর সাড়বার পরে মুনা ফুপুর কাছে আসবার জন্যে কান্নাকাটি করে। এক সময় শাহেদা ঠিক করে সে নিজেই মুনাকে নিয়ে এখানে আসবে।

শাহেদা মুনার বাবার উপর অভিমানে এই বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে, তীব্র অভিমানে মেয়েকেও রেখে গেছে তবে মুনাকে পরম আদরে পারভীন বড় করেছে। শাহেদা মুনাকে পেটে ধরলেও মুনার আসল মা পারভীন, যে মায়ের আদরে বড় করেছে। শাহেতা পারভীনের কাছে বলে দেখো পারভীন ভুল আমাদের ছিলো, রাগের গুরুত্ব দিয়েছি দুজনে আমি সেই রাগের গুরুত্ব দিয়ে মেয়েকে নিয়ে যেতে চেয়েছি তবে আমি তোমার সাথে অন্যায় করেছি বুঝতে পারিনি। পারভীন কিছু বলতে পারেনা।

মুনা এরপর থেকে পারভীন আপার কাছেই থাকে। দেখতাম পারভীন আপা ভীষণ আদরে মুনাকে রাখতেন। মুনা সুফিয়া মঞ্জিলে ফিরে আসে।

সুফিয়া মঞ্জিলে মুনা
-মুস্তাকিম বিল্লাহ

Address

Village: Helencha, Post: Moydandighi, P. S: Bhangura, District: Pabna
Pabna
6640

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Argentina football fan club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Argentina football fan club:

Share