06/04/2025
ইতিহাস একদিন কথা বলবে ২০০কোটি মুসলিমের বিপরীতে ৮০লক্ষ ইহুদী ছিলো তবু লাঞ্চিত হয়েছে মুসলিম🥺 চমৎকার ভাবে ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে__ পাকিস্তান ছিলো বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর, ইচ্ছে করলেই উড়িয়ে দিতে পারতো ইজ্রায়েল নামে নরকের রাষ্ট্রকে তবু গাজার রক্ষার্থে একটি বোমাও নিক্ষেপ করেনি।
মিশরের বুক চিরে নীলনদ বয়ে গিয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী, যা প্রাণ জুগিয়েছে আফ্রিকার মরুভূমিকে। অথচ, পাশেই গাজার শিশুরা তৃষ্ণায় কাতর হয়ে কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলো তবু কোনো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি।
সৌদি আরব, আরব আমিরাত ছিল তেলের সাগরে ভেসে থাকা বিলাসী সাম্রাজ্য, কিন্তু গাজার অ্যাম্বুলেন্স-গুলো পেট্রোল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল নিঃশব্দে, নিরূপায়। নিরবতা যেনো তাদের একমাত্র আর্তনাদ, ইচ্ছে করলেই আরবরা নতুন প্রাণের সঞ্চার করতে পারতো তবু তারা চুপ🤫।
সর্বোচ্চ আশা-প্রত্যাশার অসংখ্য চোখ তাকিয়ে ছিল তুরস্কের দিকে। নেতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর, ‘উম্মাহ’র দাবি করা মুখপাত্র। তবু, গাজার জন্য তারা কিছুই করলো না। না রসদ-সামগ্রীর সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা, না নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কূটনৈতিক আগ্রাসন.. অথচ বছরের পর বছর মুসলিমের আবেগের মাথায় কাঠাল ভেঙ্গে খেয়েছে তারা, খেলা করেছে মুসলিমদের অনুভূতি নিয়ে, ফটকার মতো শুধু বুলি উড়িয়েছে গাঁজা রক্ষায় তারা কিছুই করেনি।
গোটা বিশ্বের মুসলমানদের ছিলো ৫০ লাখ সৈন্য, ছিল ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, স্যাটেলাইট, গোয়েন্দা বাহিনী, ছিল আধুনিক প্রযুক্তি, এমনকি হাইড্রোজেন পরমাণু বোমা— কিন্তু গাজার আকাশে একটাও ছায়া পড়েনি। গাজার দিকে কেউ হাঁটেনি, বিশ্বের মুসলিমদের আচরণ দেখে মনে হয়েছে গাঁজা যেনো তাঁদের কেউ না😥।
সবকিছু থাকবে ইতিহাসে। গাজার মতোই– কাশ্মীর, উইঘুর, রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন প্রান্তে জুলুমাতের অন্ধকারে থাকা মুসলমানদের কথা। তবে, সবচেয়ে করুণভাবে লেখা থাকবে– 'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিলো সে নীরবতা।'
আমরা আছি আবাবিলের আশায় অথচ আবাবিল আসলে সর্বপ্রথম আমাদের মতো মুসলিমদের ধ্বংস করবে তার পর মাজলুমদের উদ্ধার করবে।
হাই আফসোস এখনো যদি মুসলিমরা জেগে উঠতো✌️
Abdullah Galib