Mim's Dream

Mim's Dream তোমাদের ভালোবাসার জন্য এসেছি ।।পাশে থেকো সবাই �

বাবা কত অনুনয় বিনয় করল আমি কোথায় যাবরে মা,আমি অসুস্থ এই বৃদ্ধ বয়সে আমাকে বাড়ি থেকে বাহির করে দিও না, শেষ পর্যন্ত চো...
10/06/2026

বাবা কত অনুনয় বিনয় করল আমি কোথায় যাবরে মা,আমি অসুস্থ এই বৃদ্ধ বয়সে আমাকে বাড়ি থেকে বাহির করে দিও না, শেষ পর্যন্ত চোখের পানিতে ভিজে গেল গায়ে পাঞ্জাবি খানা, চোখ মুছতে মুছতে বাড়ি থেকে বাহির হয়ে গেল অজানার উদ্দেশ্যে ,

অসহায় এক পিতার আ*কু*তি,

এই ঘটনা গুলি লেখার সময় মাঝে মধ্যে আমার চোখে পানি এসে যায়,

হাটি হাটি পা পা করে একদিন যে বাবার হাত ধরে মানুষ হয়েছিল ছোট্ট এই টুকটুকি মেয়েটি, এই বাবা তাকে মানুষ করে গড়ে তুলেছেন, সে এখন স্কুলের শিক্ষিকা,বাবা পায়ের রক্ত মাথায় তোলে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে মেয়েকে শিক্ষায় শিক্ষিত করে প্রতিষ্ঠিত করে মানুষ করেছিলেন, সেই বাবা আজকে স্ট্রোক করে শারীরিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ায়, এই মেয়ে মায় মিলে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে বাড়ি থেকে বার করে দিল, এই অসহায় বৃদ্ধ মানুষটি এখন কোথায় যাবে, গাছ তলায় না রাস্তায় রোদ বৃষ্টি মেঘে ভিজে কোথায় হবে এই অ*সহায় বাবার ঠিকানা, একবারও চিন্তা করলো না মেয়ে,

জীবন সঙ্গী করে যে মানুষটিকে মন প্রাণ দিয়ে সংসার করেছে ৫০ বছর,সেই স্ত্রী কিনা এখন তাকে রাস্তা ধরিয়ে দিল মেয়ে কে নিয়ে, মেয়ের কাছে বাবার জন্য শিক্ষার কোন মূল্য নেই,

দুনিয়া স্নেহ মায়া মমতা আসলেই অনেক ক্ষেত্রে বৃথা বা মিছা, ঘটনাটি ঘটেছে দেবিদ্দার উপজেলা সরকারী কলেজের উত্তর গেটের সাথে ।

সোহেল ফকির রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ দু/র্ঘ/টনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন। তাঁর মৃ/ত্যু/র পর শোকের ছায়া নেমে এসেছিল পরিবার ও দেশ...
10/06/2026

সোহেল ফকির রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ দু/র্ঘ/টনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন। তাঁর মৃ/ত্যু/র পর শোকের ছায়া নেমে এসেছিল পরিবার ও দেশজুড়ে । এবার সেই শোকের মাঝেই এলো একটুখানি সুখবর সোহেলের স্ত্রী জন্ম দিয়েছেন একটি পুত্র সন্তানের। নবজাতকের আগমনে স্বজনদের চোখে যেমন আনন্দের অশ্রু

জন্মের পরে বাবা দেখতে পেল না তার সন্তানকে, সন্তান দেখতে পেল না তার বাবাকে, সত্যিই ম*র্মান্তিক ঘটনা, মহান আল্লাহ বাচ্চাটিকে হেফাজত করুক।

এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় পরিবারটি অভিভাবকশূন্য হয়ে পড়ে। নি/হ/ত সোহেল ফকির রেখে গিয়েছিলেন তিন বোন, বৃদ্ধ মা এবং অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে। পরিবারের সদস্যরা তখনও কল্পনা করেননি, শোকের মাঝেই নতুন জীবনের আগমন ঘটবে।

স্থানীয়রা জানান, নবজাতক সন্তানটি এখন নি/হত সোহেল ফকিরের স্মৃতির উত্তরাধিকার বহন করবে। একই সঙ্গে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ১১ নম্বর চানপুর ইউনিয়নের সোহেল ফকিরের ঘরে পুত্র সন্তানের জন্ম হয়েছে। শোকাবহ এই পরিবারের জন্য নবজাতকের আগমন যেন একদিকে আনন্দের বার্তা, অন্যদিকে বেদনাময় স্মৃতির নতুন অধ্যায়।

"মেঠোপথ, সবুজ মাঠ আর শান্ত প্রকৃতি—এখানেই লুকিয়ে আছে জীবনের সবচেয়ে নির্মল সুখ"🌿🌾
09/06/2026

"মেঠোপথ, সবুজ মাঠ আর শান্ত প্রকৃতি—এখানেই লুকিয়ে আছে জীবনের সবচেয়ে নির্মল সুখ"🌿🌾

"ফুলের মতো হাসো, মনটা বাগানের মতো সাজাও।    #
09/06/2026

"ফুলের মতো হাসো, মনটা বাগানের মতো সাজাও। #

শৈশব থেকেই যাদের মা-বাবা জেনে এক ছাদের নিচে বড় হয়েছেন, হঠাৎ এক দিন জানতে পারেন তারা তার জৈবিক বাবা-মা নন। এরপর তার অজান্...
08/06/2026

শৈশব থেকেই যাদের মা-বাবা জেনে এক ছাদের নিচে বড় হয়েছেন, হঠাৎ এক দিন জানতে পারেন তারা তার জৈবিক বাবা-মা নন। এরপর তার অজান্তেই বদলে ফেলা হয় জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদ ও সরকারি কাগজপত্রে থাকা দত্তক বাবা-মায়ের নাম। তারপর একসময় বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। নিজের শেকড়, আত্মপরিচয়ের সন্ধানে বর্তমানে এক অনিশ্চিত জীবন পার করছেন ক্লাউডিয়া চৌধুরী। তার একটাই প্রশ্ন—আমি আসলে কে?

জন্মের পর থেকেই ডা. শিপ্রাকে মা এবং ডা. ওবায়দুরকে বাবা হিসেবেই জেনে বড় হয়েছেন ক্লাউডিয়া। কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ জুন হঠাৎই যেন তার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। তাকে জানানো হয়, তিনি শিপ্রা চৌধুরীর গর্ভজাত সন্তান নন। এরপর এক কাপড়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, কৌশলে ক্লাউডিয়ার একাডেমিক সনদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রে বাবা-মা হিসেবে থাকা ডা. শিপ্রা চৌধুরী ও ডা. ওবায়দুর রহমান চৌধুরীর নামও পরিবর্তন করা হয়।

এমনকি মেয়ের নামে দলিলে দেওয়া ৫ কাঠা জমি ফেরত নিতেও মামলা করা হয়েছে। এভাবেই জন্মের ১৮ বছর পর নিজের ‘আসল’ বাবা-মাকে খুঁজে ফিরছেন ক্লাউডিয়া চৌধুরী। রাজশাহীর আলোচিত এ ঘটনার নেপথ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও উত্তরাধিকার সম্পত্তির বিষয় রয়েছে বলে জানা গেছে।

08/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ শিশু রামিসার ধ/র্ষ/ণ ও হ*ত্যা মামলা য় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন এর মৃ/ত্যু// দ/ণ্ড এবং একই সঙ্গে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে।।

সকল নাটকের শেষে অবশেষে, সোহেল রানা সব দোষ আদালতে স্বীকার করেছে।। রামিসা কে ধ/র্ষ/ণ করার পরে খু/ন করে।। এবং সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না খাতুন স্বামীকে পালাতে সাহায্য করে।। আসামিপক্ষের আইনজীবী মৃ/ত্যু দ/ণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আবেদন করে।। সেই আবেদন আদালত নাকোচ করে দিয়ে রায় দেয় মৃ/ত্যু// দ/ণ্ডে/র। এবং এই রায় খুব দ্রুত কার্যকর করা হবে বলে জানায়।।

শুধু মৃ/ ত্যু// দ/ ণ্ডের রায় দিলেই হবে না আমরা চাই এই রায় অতি দ্রুত কার্যকর হোক।। কোটি কোটি বাঙালি দেখুক জনসম্মুখে ধ*র্ষ*ণে*র বিচার কেমন হওয়া উচিত।। ন্যায়বিচারের বিজয় হোক।।এই রায় অপরা**ধীদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা।। শিশুরা ভয়ে নয়, নিরাপদ ও ভালোবাসাময় পরিবেশে বেড়ে উঠুক।। 😔

#পল্লবী #রামিসা #শিশুরামিসা ゚

প্রশাসন আমাদের না নামালে সবাই আজ একই পরিস্থিতির শিকার হতাম পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাসের যাত্রী"আজ দৌলতদিয়ায় আবারও গত ঈদের মত ...
05/06/2026

প্রশাসন আমাদের না নামালে সবাই আজ একই পরিস্থিতির শিকার হতাম পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাসের যাত্রী"

আজ দৌলতদিয়ায় আবারও গত ঈদের মত একটা মর্মান্তিক ঘটনার স্বাক্ষী হতাম আমরা যদি পুলিশ ও ঘাট প্রশাসন অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে না থাকতেন। তাদের একটা ধন্যবাদ প্রাপ্য অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করবার জন্য।

যাত্রীদের ভাষ্যমতে, আজ কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা SB Super Delux পরিবহন ৩৮ জন যাত্রী নিয়ে ফেরিঘাটে আসে। সেখানে অনেক যাত্রীই ক্লান্ত থাকায় নির্দেশনা অনুসারে বাস থেকে নামতে চায়না। কিন্তু প্রশাসন এর দায়িত্বপ্রাপ্তরা ফেরিতে ওঠার আগে তাদের বাস থেকে নেমে যেতে এক প্রকার বাধ্য করে।

এরপর ই বাসটি সরাসরি ফেরি থেকে নদীতে পড়ে যায়। ড্রাইভার হেল্পার সুপারভাইজার বাস থেকে লাফ দিয়ে নদীতে নামেন। তারা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আছেন। ゚

05/06/2026

বৃষ্টিভেজা প্রশান্ত সকালে প্রকৃতির স্নিগ্ধতা যেন মনকে নতুন করে বাঁচতে শেখায়। 🌧️🌿
প্রতিটি ফোঁটা বৃষ্টি নিয়ে আসে শান্তির বার্তা, আর প্রতিটি সকাল জাগিয়ে তোলে নতুন স্বপ্নের আলো। ☕✨ ゚

এই সেই কালপিট। তিনি আবার দেশের নামকরা একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা। মিরপুরে তিনি তাঁর মায়ের সঙ্গে একই ফ্ল্যাটে ...
04/06/2026

এই সেই কালপিট। তিনি আবার দেশের নামকরা একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা। মিরপুরে তিনি তাঁর মায়ের সঙ্গে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। কিন্তু তাঁর মা মারা যাওয়ার পর পাশের রুমেই মরদেহ পচে-গলে পড়ে ছিল, অথচ তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ খোঁজ নেননি।

অবাক করার বিষয় হলো, নাতি-নাতনিরাও সেই বৃদ্ধার কোনো খোঁজ নেয়নি।মিরপুরের এই ঘটনায় আমাদের সবার জন্য অনেক শিক্ষা রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের প্রতি দায়িত্ব, নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া এবং বয়স্ক বাবা-মায়ের প্রতি যত্ন ও মানবিক আচরণের গুরুত্ব এই ঘটনা নতুন করে মনে করিয়ে দেয়। ゚

04/06/2026

কোন কোন মৃ*ত্যু আমাদেরকে কাঁদিয়ে দেয়। কোন কোন মৃ*ত্যু মানুষকে ভাবতে শেখায়—আমরা কি আসলেই শিক্ষিত হয়েছি, মানুষ হয়েছি?

একই বাড়িতে মা এবং মেয়ে বসবাস করছে। মা, ঈদের মধ্যে সাত দিন ধরে মরে বিছানায় পড়ে আছে। পিঠের যে অংশটি বিছানার সঙ্গে লেগেছিল, সেখানে রীতিমতো ঘা হয়ে পোকা হয়েছে। শরীরের আরেকটি অংশ প্রায় শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। কিন্তু মা এই বিছানায় মরে পড়ে থাকলেও ওপরতলায় থাকা মেয়ে কিছুই জানে না, খোঁজও নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি।

শুধু মেয়ে নয়, আরেক ছেলে—এই প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের শীর্ষ যে প্রতিষ্ঠান, বুয়েটের শিক্ষক, তিনিও আসার সময় পাননি মাকে দেখবার ঈদের ছুটির মধ্যে। এখানেই শেষ নয়, আরেক ছেলে আছেন, যিনি সরকারের বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তিনিও মাকে ঈদের ছুটির মধ্যে একদিন দেখবার জন্য তো আসতেই পারেননি, একদিন ফোনও করে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেননি।

গল্পটা এখানেই শেষ নয়। করুন এই গল্পের আরেকটা অধ্যায় আছে দেশের বাইরে। সেখানেও কানাডায় বসবাস করছেন আরেক ছেলে। যে ছেলের কথা বলছি, কানাডাতে তিনিও হয়তো ওখানেই সুখেই বসবাস করছেন।

এই চার ছেলেমেয়ে যখন সারা দেশে ঈদের ছুটির মধ্যে অন্যদের মতো তাদের পরিবার নিয়ে তারাও আনন্দ আয়োজন করছে, তখন তাদের মা—বা তাদের মা, মরে পড়ে আছে, শরীরে পচন ধরেছে।

গল্প নয়। এটি কোনো কল্পকাহিনী নয়। এটি কোনো সিনেমার গল্প নয়। এটি গেল ক'দিন আগে ঘটেছে ঢাকা শহরের এই মিরপুরে। নূরজাহান বেগম নামে সেই ভদ্রমহিলা। তিনি মা*রা গেছেন। যে পরিবেশে—মৃ*ত্যু সবারই হবে, জন্ম হলেই মৃ*ত্যু হবে এটাই সঠিক। কিন্তু মৃ'ত্যু"রও কোথাও কোথাও একটুখানি হয়তোবা দেখবার বিষয় থাকে, কেন এমন মৃ*ত্যু হয়?

প্রতিদিনই আমাদের অসংখ্য মৃ//ত্যু ঘটছে। বাংলাদেশে প্রতিদিন সড়কে ২৫ থেকে ২৬ জন মানুষ মারা যান। আত্মহত্যা করে অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছে প্রতিদিন, গোটা পৃথিবীতেই কিন্তু এই ঘটনা চলছে। কিন্তু এর মাঝেও কোন কোন মৃ*ত্যু আমাদেরকে কাঁদিয়ে দেয়, কোন কোন মৃ*ত্যু মানুষকে ভাবতে শেখায়। আমরা কি আসলেই শিক্ষিত হয়েছি? মানুষ হয়েছি?

মানুষ হলে কি বুয়েটে যিনি পড়াশোনা করেছেন, দেশের সবচেয়ে কম্পিটিশন করে যাদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হয়, তার মধ্যে একটি হচ্ছে বুয়েট, সেই বুয়েটে পড়াশোনা করে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে যারা প্রথম দিকে থাকেন, তারাই বুয়েটের শিক্ষক হন। তাহলে সেই শিক্ষক তার মাকে এই বুয়েটের—অর্থাৎ আপনি বুয়েট থেকে মিরপুরের দূরত্ব হয়তো কয়েক কিলোমিটার, কিন্তু সেখানে খোঁজ নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি।

আরেকটি ছেলে যিনি বিসিএস-এর ক্যাডার হয়ে যুগ্ম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তিনিও তো পড়াশোনা করে বিসিএসে পাস করেছেন। তার জন্য হয়তো মা কত না চেষ্টা করেছেন তার জন্য। সেই সন্তান বিসিএস পাস করার পরে চাকরি করে একজন যুগ্ম সচিব, সরকারের খুবই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন। তার পক্ষে কি তার মায়ের জন্য এতটুকু করার সুযোগ ছিল না?

বা যে মেয়ে একই বিল্ডিংয়ে থাকে, বাইরে থেকে খুবই সুন্দর যে বিল্ডিংটি দেখতে, ভেতরে পড়ে আছে যে ময়লা-আবর্জনার, একটা ডাস্টবিনের মতো জায়গায় সেই মেয়ে একটা কলেজের শিক্ষকতা করেন। ছেলে বুয়েটে পড়ান। তাহলে এই মা যাদেরকে বড় করে তুলেছেন, শিক্ষিত করে তুলেছেন, জীবনের সবটুকু দিয়ে—সেই সন্তানরা এত শিক্ষিত হয়ে, এত ভালো জায়গায় গিয়ে তাহলে তারা কেন তার মাকে দেখল না?

নাইও দেখতে পারেন, সেটাও হয়তো কারণ থাকতে পারে—তাদের অন্যান্য ব্যস্ততা থাকতে পারে, দেশের বাইরে কানাডায় ছেলে আছে, বা সরকারি চাকরির কারণে বাইরেই থাকতে পারে। কিন্তু খোঁজ নেবেন না? তারা তো সবাই সচ্ছল!

বুয়েটের যে শিক্ষক তিনি ক্লাসে পড়াবেন তার ছাত্রদেরকে—কী শিক্ষায়, নৈতিক শিক্ষা দেবেন? বা সরকারি যে কর্মকর্তা, যুগ্ম সচিব আছেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হয়তো তার দপ্তরে যেটা দেওয়া আছে তার ওপরে, তিনি কি দায়িত্ব পালন করবেন যিনি নিজের মাকে এইভাবে মরে পড়ে থাকা অবস্থায় খোঁজ নেন না, দেখতে আসেন না?

বা স্কুলের যে শিক্ষক মেয়ে ওপরতলায় বা নিজের পাশে বিল্ডিংয়ে—পাশের ফ্ল্যাটে থাকতেন, তিনি খোঁজ নিলেন না ঈদের দিন, মা মারা গেছে, মার কোনো খবর নেই, মা কেন কোনো সাড়াশব্দ করছে না? সেই শিক্ষিকা মেয়ে কি শেখাবেন তার ছাত্রদেরকে?

এই গল্পগুলো হয়তো একটি ধরা পড়েছে, করুন এই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। কিন্তু এরকম প্রবীণদের জন্য বা বয়স্ক বাবা-মাদের জন্য গল্পগুলো হয়তো কম-বেশি অনেকটাই এরকমই হতে যাচ্ছে। কারণ একটাই, আমরা সবাই লোভী হয়ে উঠছি। আমরা সবাই নিজেরটুকু, নিজের ছেলেমেয়ে—যে বাবা আজকে তার সন্তানকে বড় করে তুলছেন, একদিন হয়তোবা—আজকে যে বাবা তার মাকে দেখল না বলে মা মরে পড়ে বসে থাকল, পচে থাকল, ঠিক এই সন্তানকে আপনি যেভাবে মানুষ করছেন, এই সন্তানও হয়তো আপনাকে একদিন দেখবে না।

ফলে এই লোভের যে বিত্ত তৈরি করা হচ্ছে, লোভের যে সংস্কৃতি তৈরি করছে, যেকোনো মূল্যে নিজেরটুকু নেওয়ার যে চেষ্টা করা হচ্ছে, তাতে করে সবাই লোভী হয়ে উঠছি। আর এই লোভের ফলাফলই হচ্ছে কখনো আমাদের ছোট্ট রামিশাকে মৃত্যুর মুখে যেতে হচ্ছে নিদারুণ পৈশাচিক নির্যাতনের মুখে। কতটা ভয়াবহ! প্রথমে তাদেরকে নির্যাতন করা হলো, তারপরে তার গলা কেটে একটা ছোট্ট বাচ্চা গলা কেটে আরেকটা জায়গায় আলাদা করে রাখা হলো।

এরকম পৈশাচিকতার যে গল্পগুলো সেগুলো কিন্তু আসলে প্রত্যেকটাই আমাদেরকে নতুন নতুন করে কাঁদায়। কিন্তু বাংলাদেশে সর্বাঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দিব কোথা? একটা ঘটনার শেষ হতে না হতে আরেকটা ঘটনার কথা সামনে চলে আসে। আপনাদের আসিয়ার কথা মনে আছে? বা আপনাদের মুনিয়ার কথা মনে আছে? একটার পর একটা বাংলাদেশে ঘটনার যে একটার পর একটা আসতে থাকে, সেটা আসলে কোনটাকে ছাড়িয়ে কোনটা সামনে থাকবে সেটাই বড় প্রশ্ন। তাই সমস্যার গভীরে যদি আমরা যেতে না পারি—হতাশায় গত পরশুদিন বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আ*ত্ম*হ*ত্যা করেছেন। খুবই অল্প বয়সী একটা ছেলে। কেন আত্মহত্যা করল? বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকরি হচ্ছে সবচেয়ে ভালো চাকরিগুলোর একটা। সেই চাকরি করা অবস্থায় একটা ছেলে কেন আত্মহত্যার মতো একটা পথ বেছে নেয়?

কিংবা ক'দিন আগে আমরা দেখলাম যে ঈদের আগে বসুন্ধরা শপিং মলে একজন তরুণ ছেলে, তার হয়তো স্ত্রীর সঙ্গে এসেছিলেন কেনাকাটা নিয়ে কোনো বনিবনার অভাবে বা তার স্ত্রীর বা তার পছন্দের জিনিস কিনে দিতে পারেনি অথবা কোনো একটা সামাজিক বা তার পারিবারিক সংকটের কারণে সে কিন্তু লাফিয়ে পড়ে আটতলা থেকে বসুন্ধরা শপিং মলে প্রাণ দিতে হয়েছে। গল্পগুলো এরকমই, শুধু স্থান-কাল-পাত্র আলাদা।

ফলে আমাদের যে লোভের সংস্কৃতি, আমাদের যে গোটা সমাজে খাই-খাইয়ের যে সংস্কৃতি, শুধু একটু নিজের জন্য অন্যের উপরে দায় চাপিয়ে মিথ্যা কথা বলা।

---

Address

Pabna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mim's Dream posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share