Mim's Dream

Mim's Dream তোমাদের ভালোবাসার জন্য এসেছি ।।পাশে থেকো সবাই �

মাদরাসার বাথরুমে ১২ ব/ছ/রে/র শি*শু নাঈমের ম/র/দে/হ: র'হ'স্য'জ'ন'ক মৃ//ত্যু, নাকি নি/র্ম/ম হ/ত্যা/কা/ণ্ড? পুরান ঢাকার রায়...
05/08/2026

মাদরাসার বাথরুমে ১২ ব/ছ/রে/র শি*শু নাঈমের ম/র/দে/হ: র'হ'স্য'জ'ন'ক মৃ//ত্যু, নাকি নি/র্ম/ম হ/ত্যা/কা/ণ্ড?

পুরান ঢাকার রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসা থেকে উ''দ্ধার করা হয়েছে ১২ ব'ছ'র বয়সী শি/ক্ষা/র্থী মো. নাঈম শেখের ম/র/দে/হ। যে বয়সে একটি শি'শু'র বই-খাতা আর স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে ওঠার কথা, সেই বয়সেই তাকে ফিরতে হলো নি/থ/র দে/হ হয়ে।

ঘটনার দিন কী হয়েছিল?
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদরাসা থেকে হঠাৎ ফোন করে জানানো হয় নাঈম অ'সু'স্থ হয়ে পড়েছে এবং দ্রুত সেখানে যেতে বলা হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার মা দেখতে পান, ছেলেকে মে*ঝে*তে শু/ই/য়ে রাখা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, নাঈমের শ'রী'রে'র বিভিন্ন স্থানে বে/তে/র আ/ঘা/তে/র একাধিক দা*গ ছিল।

আ/ত্ম/হ/ত্যা/র দাবি, কিন্তু উঠছে নানা প্রশ্ন

মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, নাঈম নাকি ওয়াশরুমের শাওয়ারের পা'ই'পে ফাঁ//স দিয়ে আ/ত্ম/হ/ত্যা করেছে। তবে শি'শু'টি'র মা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, পাইপটির উচ্চতা ও আশপাশের পরিস্থিতি দেখে তার কাছে এমন দাবি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। তার প্রশ্ন—এত নিচু স্থানে কীভাবে এমন ঘ'ট'না সম্ভব?

পুলিশের তদন্ত

পুলিশ জানায়, গতকাল দুপুরে মাদরাসার তিনতলার ওয়াশরুমের ফ্লোর থেকে ম/র/দে/হ/টি উ'দ্ধা'র করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে শি'শু'টি'র শ/রী/রে বে*তে*র আ/ঘা/তে/র সুস্পষ্ট চি*হ্ন পাওয়া গেছে। মৃ/ত্যু/র প্রকৃত কারণ জানতে ম*র*দে*হ ময়না'ত'দ'ন্তে'র জন্য পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনাকে নিছক দু/র্ঘ/ট/না বা আ/ত্মহ/ত্যা বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। শরীরে আ/ঘা/তে/র চিহ্ন এবং ঘটনাস্থল ঘিরে যে প্রশ্নগুলো উঠেছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

একটি নিষ্পাপ শি*শু*র মৃ/ত্যু/র প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হোক। অপরাধী যেই হোক, আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হোক।

রায়েরবাগ জোড়াখাম্বা রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয় তলার একটি ওয়াশরুম থেকে শোয়ানো অবস্থায় শিশু নাঈমের ম/র/দে...
04/08/2026

রায়েরবাগ জোড়াখাম্বা রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয় তলার একটি ওয়াশরুম থেকে শোয়ানো অবস্থায় শিশু নাঈমের ম/র/দেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে বেতের আ/ঘা/তে/র চিহ্ন দেখা গেছে। মাদরাসা থেকে বলা হয়েছে, শিশুটি ওয়াশরুমে শাওয়ারের সঙ্গে ফাঁ/স দিয়ে আ/ত্ম/হ/ত্যা করেছে। তবে তার শরীরে বেতের দাগও ছিল।

নি/হ/ত নাঈমের মা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন ওরে হুজুররা পি/ডা/য়া মা'র'ছে।শিশুটির মা নাজমা বেগম সন্তানের হাঁটুর নিচের
আ/ঘা/তে/র দাগ দেখিয়ে বলেন তার ছেলে আ/ত্ম/হ/ত্যা করতে পারে না তিনি বলেন,
ফাঁ/সি দিলে এক জায়গায় দাগ থাকত, সারা শরীরে না। আমার সন্তান হ/ত্যা/র বিচার চাই।

হাসপাতালে নাঈমের মা নাজমা আক্তার জানান, তাদের বাড়ি বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার মোশন গ্রামে। বর্তমানে তারা কদমতলির মুরাদপুর এলাকায় ফজলুল হকের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।দুই ছেলের মধ্যে নাঈম ছিল বড়। দুই ভাইই রায়েরবাগ রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত এবং সেখানেই থাকত।

তিনি জানান, বিকেলে মাদ্রাসার এক শিক্ষক ফোন করে বলেন, নাঈম অসুস্থ। দ্রুত মাদ্রাসায় গিয়ে তারা ছেলেকে মৃ/ত অবস্থায় পান। তবে তাদের আগেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

নাজমা আক্তার আরও বলেন, গত শুক্রবার তিনি বাসা থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে দুই ছেলেকে দেখতে গিয়েছিলেন। তখন নাঈম কিছু বলতে চেয়েছিল, কিন্তু জাকারিয়া নামে এক শিক্ষক পাশে থাকায় সে কিছু বলতে পারেনি। তার দাবি, তার ছেলে আ/ত্ম/হ/ত্যা করতে পারে না। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানান।

সোমবার ৩ আগস্ট দুপুরে ঢাকার রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার রওজাতুল হাফিজিয়া মাদরাসার তৃতীয় তলার একটি বাথরুম থেকে শিশু নাঈমের ম/র/দে/হ উদ্ধার করে পুলিশ।

কয়েক দিন ধরেই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। নি/হ/ত ফারজানার বাবা ফারুক হোসেন জানান, গত শুক্রবারের আগের শু...
02/08/2026

কয়েক দিন ধরেই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। নি/হ/ত ফারজানার বাবা ফারুক হোসেন জানান, গত শুক্রবারের আগের শুক্রবার তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম ও মেয়ে ফারজানা শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে গ্রামের বাড়িতে যান। গত শুক্রবার তাদের এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে জামাই শিপন ও সেখানে যান। তবে বিয়ের দিন সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে শিপন না খেয়েই ঢাকায় ফিরে আসেন।

নি/হ/ত ফারজানার বাবা ফারুক আরও জানান শনিবার রাতে তিনি তার স্ত্রী ও মেয়ে গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে কাঠালবাগানের বাসায় ওঠেন। রোববার ২ আগস্ট সকালে তিনি বাসার বাইরে ছিলেন। এ সময় আগের বিরোধের জেরে আবারও শিপনের সঙ্গে ফারজানার কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ফিরোজা বেগম মেয়ের পক্ষ নিয়ে ঝগড়া থামানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে শিপন ধা/রা/লো অ/স্ত্র দিয়ে প্রথমে স্ত্রী ফারজানার ওপর হা/ম/লা চালান। পরে ফিরোজা বেগমকেও এলোপাতাড়ি কু/পি/য়ে গুরুতর আহত করেন। ঘটনাস্থলেই ফারজানা মা/রা যান গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজা বেগমকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃ/ত ঘোষণা করেন।

ফারুক হোসেন আরও বলেন, হা/ম/লা/র পর শিপন তাদের এক বছর বয়সী ছেলে রায়হানকে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত শিপনকে গ্রেপ্তার করে।

শিপনের বাড়ি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায়। রোববার, ২ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর কলাবাগান আল-আমিন মসজিদ রোডের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের বোন সারা সুলতানা পলি জানান পিনু প্রায়ই ফোন করে কান্নাকাটি করে বলতেন তাঁর স্বামী তাঁকে মে/রে ফেলতে পারেন। পিনুর বড়...
02/08/2026

নিহতের বোন সারা সুলতানা পলি জানান পিনু প্রায়ই ফোন করে কান্নাকাটি করে বলতেন তাঁর স্বামী তাঁকে মে/রে ফেলতে পারেন। পিনুর বড় বোন বলেন পিনুর স্বামী সোহেল রানা উত্তরা পশ্চিম থানার ৭ নম্বর সেক্টরে একটি ডেভেলপার কোম্পানিতে সহকারী ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করেন। সোহেল পরকীয়া করতেন এমনকি পিনুর মেয়ের বান্ধবীর মাকেও তিনি প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দুই সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে পিনু সংসার টিকিয়ে রেখেছিলেন। আমরা সোহেলের শাস্তি চাই।

তদন্তে পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলের জানালার ভেতরের বারান্দায় পাওয়া জুতার ছাপ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া সোহেল রানার জুতার সঙ্গে মিলে যায়। তবে গ্রিলের বাইরের ছাদে কোনো জুতা বা পায়ের ছাপ পাওয়া যায়নি আশপাশের কেউও গ্রিল কাটার শব্দ বা সন্দেহজনক কাউকে দেখেনি। জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল তাঁর স্ত্রীর প্রতি চরম অসন্তোষের কথা জানান।

পুলিশ বলেন বাসা থেকে প্রায় আট ভরি স্বর্ণালংকার ও ৫০ হাজার টাকা খোয়া যায়। নিহতের ১০ বছরের মেয়ে হাসিন ওয়াফি জানায়, ঘটনার দিন সকালে তাঁর মা বিছানা থেকে ওঠেননি। বাবা বলেছিলেন, পরে উঠে দরজা লাগিয়ে দেবেন। বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে ওয়াফি মাকে খাটে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। মুখের ওপর থাকা বালিশ সরিয়ে কোনো সাড়া না পেয়ে স্কুলে গিয়ে প্রিন্সিপালের ফোন থেকে বাবাকে খবর দেয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান বলেন, সোহেল রানাকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। খু/নে/র প্রকৃত কারণ জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

রাজধানীর উত্তরা দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ জামতলা এলাকায় নিজ বাসায় খু/ন হওয়া দন্ত চিকিৎসক সারা রোকসানা পিনু হ/ত্যা মামলায় তাঁর স্বামী মোহাম্মদ সোহেল রানাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

খালার বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর নিজের ঘরে ফেরা হয়নি ১৭ বছর বয়সী তানজিলা আক্তারের। নিখোঁজের পরদিন কেরানীগঞ্জের একটি নির্জ...
31/07/2026

খালার বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর নিজের ঘরে ফেরা হয়নি ১৭ বছর বয়সী তানজিলা আক্তারের। নিখোঁজের পরদিন কেরানীগঞ্জের একটি নির্জন হাউজিং প্লট থেকে তার গ/লা/কা/টা ম'র'দেহ উদ্ধার করা হয়। চাঞ্চল্যকর এ হ/ত্যা/কাণ্ডের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)

পিবিআই জানায়, প্রায় সাত মাসের প্রেমের সম্পর্কে একপর্যায়ে তানজিলা প্রেমিক মোহাম্মদ রানা হাওলাদারের কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারা এবং এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে ২৭ জুলাই বিকেলে রানা নিজের অটোরিকশায় করে তানজিলাকে ঘোরানোর কথা বলে কেরানীগঞ্জের কালিঞ্জি ইউনিয়নের মদিনানগর এলাকার একটি নির্জন প্লটে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে তার গলা চেপে ধরে, পরে সঙ্গে থাকা ফল কাটার ছু/রি দিয়ে গলা কে/টে হ/ত্যা করে।

হ/ত্যা/র পর রানা তানজিলার সঙ্গে থাকা দুটি স্মার্টফোন, একটি রুপার চেইন ও একটি ব্রেসলেট নিয়ে পালিয়ে যায়। ২৮ জুলাই ম*র*দে*হ উদ্ধারের পর তানজিলার মা অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্তে নেমে পিবিআই আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে রানাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় হ/ত্যা/কা/ণ্ডে ব্যবহৃত র/ক্ত/মাখা ছু/রি ও লুণ্ঠিত মালামালও উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই ঢাকা জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার এম. এন. মোরশেদ জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রানা হ/ত্যার দায় স্বীকার করেছে। পরে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আম্মু কোথায়? এই প্রশ্ন করতেই ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠে মাত্র ৭ মাস বয়সী এক শিশু। যে বয়সে তার মায়ের কোলে থাকার কথা সে বয়সে সে হাস...
28/07/2026

আম্মু কোথায়? এই প্রশ্ন করতেই ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠে মাত্র ৭ মাস বয়সী এক শিশু। যে বয়সে তার মায়ের কোলে থাকার কথা সে বয়সে সে হাসপাতালের বিছানায় একা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার শাহ সৈয়দ আহমদ গেসু দরাজ মাজার প্রাঙ্গণে শিশুটিকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, তাকে সেখানে ফেলে রেখে চলে যায় তার মা। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা বিভাগ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে থাকা শিশুটি বারবার চারপাশে তাকিয়ে মা-বাবাকে খুঁজে বেড়ায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শিশুটির প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা ও সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং বর্তমানে সে আগের তুলনায় সুস্থ আছে।

সমাজসেবা বিভাগের ধারণা, শিশুটি কোনো ভবঘুরে বা মানসিকভাবে অসুস্থ নারীর সন্তান হতে পারে। তার প্রকৃত অভিভাবককে খুঁজতে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে।

এদিকে সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, শিশুটিকে দত্তক নিতে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তবে আইন অনুযায়ী প্রথমে তার প্রকৃত অভিভাবককে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হবে। অভিভাবক না পাওয়া গেলে, আইন মেনে এমন পরিবারের কাছে শিশুটিকে দেওয়া হবে, যেখানে সে নিরাপদ ও সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে পারবে।

সবার একটাই প্রার্থনা শিশুটি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক এবং জীবনে এমন একটি নিরাপদ পরিবার পাক, যেখানে তাকে আর কখনো একা হতে না হয়।

স্মৃতি আর তার এক্স হাজবেন্ড এর বর্তমান স্ত্রীর সাথে আবারো ঝা'মেলা লাগছে রে...আমি বুঝিনা মানুষের এক্স হাজবেন্ড এর সাথে এট...
27/07/2026

স্মৃতি আর তার এক্স হাজবেন্ড এর বর্তমান স্ত্রীর সাথে আবারো ঝা'মেলা লাগছে রে...
আমি বুঝিনা মানুষের এক্স হাজবেন্ড এর সাথে এটা ওটা নিয়ে ঝা'মেলা হতেই পারে কিন্তু স্মৃতির বেলায় দেখি তার এক্স হাজবেন্ড এর স্ত্রী স্মৃতি কে নিয়ে রেগুলার পোস্ট করে... 🤣🤣😅

স্মৃতি এখন বাপ্পি কে বিয়ে করেছে তারপরেও এদের এখনো অতীতের কাহিনী নিয়ে ঝা'মেলা হয়...
আর অনলাইনে এসে এরা বি'চা'র দেয় যেনো বিয়েটা আমরা দিছিলাম 🤣

তবে এদের সবার মুখের ভাষার যেই অবস্থা তাতে সরাসরি যদি ঝ'গ'ড়া করে তাহলে মুখ দিয়েই একেক টা বো& ম বের হবে... 😂🤣🤣

মাত্র ৭ মাস আগে পারিবারিকভাবে নাসরিনের বিয়ে হয়েছিল। এটি ছিল তার দ্বিতীয় বিয়ে। তবে নতুন সংসার করার পরও তিনি আগের প্রেমিকে...
26/07/2026

মাত্র ৭ মাস আগে পারিবারিকভাবে নাসরিনের বিয়ে হয়েছিল। এটি ছিল তার দ্বিতীয় বিয়ে। তবে নতুন সংসার করার পরও তিনি আগের প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ ও পরকীয়ার সম্পর্ক বজায় রাখেন। কিন্তু পাপ কখনো চাপা থাকে না
সম্প্রতি ওই পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় তাদের হাতে নাতে ধরে ফেলে স্থানীয় বাসিন্দারা।

ঘটনা জানাজানি হলে তিন পরিবারের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশি বৈঠক বসে। সেখানে স্বামী ও শ্বশুরের সম্মতিতে আইনানুগভাবে তালাক সম্পন্ন করা হয়। এরপর ১০ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে সবার উপস্থিতিতে নাসরিনের তৃতীয় বিয়ে তার প্রেমিকের সঙ্গে সম্পন্ন হয়।

১০ লক্ষ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে সবার উপস্থিতিতেই সম্পন্ন হয় নাসরিনের তৃতীয় বিয়ে। নিজের চোখে স্বামীকে উপস্থিত রেখে প্রেমিকের হাত ধরে বিদায় নেওয়ার এই বিরল দৃশ্য দেখতে দিঘারপাড়া এলাকায় ভিড় জমান শত শত উৎসুক জনতা। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

এক নারীর তৃতীয় বিয়ে, আর স্বামী নিজ দায়িত্বে স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দেওয়ার এমন অদ্ভুত ও নাটকীয় পরিণতি নিয়ে এখন পুরো এলাকা জুড়ে চলছে তীব্র আলোচনা। ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের দিঘারপাড়া এলাকায়।

২০১৮ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেন কাউসার আলম ও মৌসুমী আক্তার চম্পা। ২০১৯ সালে তাদের এক সন্তানের জন্ম হয়। এরপরই স্বামী নিখোঁজ ...
26/07/2026

২০১৮ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেন কাউসার আলম ও মৌসুমী আক্তার চম্পা। ২০১৯ সালে তাদের এক সন্তানের জন্ম হয়। এরপরই স্বামী নিখোঁজ হয়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় পাঁচ বছর স্ত্রী-সন্তানের কোনো খোঁজ না নিয়ে তিনি অন্যত্র বিয়ে করে নতুন সংসার শুরু করেন। অবশেষে শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বগুড়ার সাতমাথায় প্রায় পাঁচ বছর পর তাদের মুখোমুখি দেখা হলে তুমুল বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।

ভুক্তভোগী মৌসুমী আক্তার চম্পার দাবি, সন্তানের জন্মের পর থেকেই স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যান এবং ২০২৬ সাল পর্যন্ত কখনো তাদের খোঁজ নেননি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২০/২০২১ সালে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। দুইবার গ্রেপ্তার হলেও মানবিক কারণে তাকে ছাড়িয়ে আনেন। এরপরও তিনি সংসারে ফেরেননি। এমনকি ছয় বছর বয়সী সন্তানের জন্মনিবন্ধনের প্রয়োজনীয় কাগজ না দেওয়ায় সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করাতেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত কাউসার আলমের দাবি, ২০২০ সালে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের তালাক হয়। পরে সন্তানের কথা চিন্তা করে আবার একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করলেও বনিবনা না হওয়ায় স্ত্রী চলে যান। তিনি আরও দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে করা একটি মামলায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন এবং অন্য একটি মামলার ওয়ারেন্টের বিষয়ে তিনি কোনো নোটিশ পাননি।

স্বামী-স্ত্রীর এই পরস্পরবিরোধী অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং চলমান মামলার নিষ্পত্তি এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ভুক্তভোগী নারীও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন।

সময় তখন সকাল ৮টা ১০ মিনিট। বাবার হাত ধরে স্কুলে এসেছে ছোট্ট এক রাজকন্যা। কিন্তু প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে স্কুলে যেতে ...
24/07/2026

সময় তখন সকাল ৮টা ১০ মিনিট। বাবার হাত ধরে স্কুলে এসেছে ছোট্ট এক রাজকন্যা। কিন্তু প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে স্কুলে যেতে তার একদমই ইচ্ছা করছিল না। তার একটাই আবদার প্রধান শিক্ষক যদি তাকে কোলে নেন, তবেই সে ক্লাসে যাবে। ঠিক তখনই সেখানে উপস্থিত হন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তিনি হাসিমুখে শিশুটিকে কোলে তুলে নিয়ে ক্লাসরুমের দিকে হাঁটতে শুরু করেন। সেই হৃদয়ছোঁয়া মুহূর্তের সিসিটিভি ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

ঘটনাটি দিনাজপুরের আমাদের পাঠশালা স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর। বেবি প্রথম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীকে কোলে নেওয়ার ভিডিওটি শেয়ার করে স্কুল কর্তৃপক্ষ লিখেছে, “প্রিন্সিপাল স্যার নিমিষেই পটিয়ে ফেললেন। তবে শর্ত একটাই প্রিন্সিপাল স্যারের কোলে উঠেই ক্লাসে যাবে।” ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের বন্যা বইছে।

শিক্ষক আসলেই বাবার মতো এই কথাটির বাস্তব উদাহরণ যেন তৈরি করেছেন এই প্রধান শিক্ষক। যে বয়সে অনেক শিশু স্কুলে আসতে ভয় পায় বা কান্না করে, সেই বয়সে একজন শিক্ষকের স্নেহ, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা মুহূর্তেই শিশুর ভয় দূর করে দিতে পারে। শুধু পড়াশোনা নয়, ভালোবাসা ও মমতা দিয়েও যে একটি শিশুর মন জয় করা যায়, এই ঘটনাটি তারই উজ্জ্বল প্রমাণ। হাজারো নেটিজেন শিক্ষকের এমন মানবিক আচরণের প্রশংসা করে বলছেন, শিক্ষালয় হওয়া উচিত ভালোবাসা ও মমতার এক নিরাপদ নীড়।

শিশুটির ছোট্ট আবদারে শিক্ষকের বাবার মতো স্নেহময় সাড়া আমাদের শৈশবের অনেক সুন্দর স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এমন মহান শিক্ষকদের কি আমরা সত্যিই মনে রাখি? তাঁদের প্রাপ্য সম্মান কি আমরা দিতে পারছি, কিংবা কখনো দিতে পেরেছি?

Address

Pabna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mim's Dream posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share