13/05/2026
কাল রাতেও হয়তো তারা ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছিল।
কে কার মতো হবে…
ছেলে হলে কী নাম রাখবে…
মেয়ে হলে কার চোখ পাবে…
তারপর কয়েক মুহুর্তে সব বদলে গেল।
“বাচ্চাটা জরায়ুতে ছিল না…”
১৩-১৪ সপ্তাহের ছোট্ট একটা বাচ্চা।
হাত-পা তৈরি হয়ে গেছে।
দেখলে মনে হয়, আর একটু সময় পেলেই হয়তো পৃথিবীর আলো দেখত।
কিন্তু কিছু সন্তান পৃথিবীতে আসার আগেই বাবা-মা'কে কাঁদিয়ে চলে গেল। 💔
এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি অনেক মায়ের জীবনের এক আতংকের নাম..
প্রথমবার pregnancy test positive আসার পর একজন নারী কত স্বপ্ন বুনে ফেলে।
চুপিচুপি বাচ্চার জামা দেখে…
মোবাইলে নাম খোঁজে…
রাতে ঘুমানোর আগে পেটে হাত রেখে ভাবে,
“এখানে আমার সন্তান…”
তারপর হঠাৎ ব্যথা,রক্তক্ষরণ, দৌড়ঝাঁপ।
অপারেশন থিয়েটারের দরজ
আর শেষে খালি হাতে বাসায় ফেরা।
বাইরের মানুষ খুব দ্রুত ভুলে যায়।
কিন্তু একজন মা ভুলতে পারে না।
পরবর্তীতে আবার মা হওয়ার খবর পেলেও তার ভেতরে ভয় কাজ করে।
বারবার মনে হয়,
“এবার ঠিক আছে তো?”
অনেক মা আছেন, যারা দ্বিতীয়বার আল্ট্রাসনোগ্রামে ডাক্তার যখন বলেন,
“বাচ্চা ঠিক জায়গাতেই আছে”
তখন কত যে খুশি হোন ☺️
কারণ এটা শোনার জন্য কত রাত কেঁদেছেন…
সত্যি বলতে, একটা সুস্থ সন্তান পৃথিবীতে আসা বিশাল রহমত।
যাদের কোলে সন্তান আছে, তারা হয়তো সেটা অনুভব করেন না।
কিন্তু যাদের বুক খালি হয়ে গেছে, তারা জানেন এই শূন্যতা কত ভারী।
আল্লাহ সব অপেক্ষারত মায়েদের সুস্থ সন্তান দান করুন।
আর যেসব মা এই কষ্টের ভেতর দিয়ে গেছেন, তাদের মনকে শান্তি দিন। 🤍
ডা.আব্দুর রহমান