I s L a M

I s L a M নিশ্চয়ই ইসলাম একমাত্র মনোনীত ধর্ম
সত?

17/07/2020

তাকওয়া এবং একজন পিতার দুআ
—————————————
মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকের (রাহি.) ছিলেন একজন ত্বলেবুল ইলম । জ্ঞান অন্বেষণে এ শহর ও শহর ঘুরে বেড়াতেন । একবার মক্কায় আসেন একটা হাদীস সম্পর্কে জানতে । এমনই একদিনে তিনি ক্ষুধার যন্ত্রনায় অস্থির হয়ে খাবারের খোঁজে নিজ কামরা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন । হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ উনার চোখ পড়ে রাস্তার উপর পড়ে থাকা ঝলমলে কাপড়ের একটা থলির উপর । আশে পাশে খোঁজ করে কাউকে দেখতে না পেয়ে তিনি থলিটি নিয়ে নিজ কামরায় ফিরে আসেন । থলির মুখ খুলে ভেতরে দেখার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি থমকে যান । থলির ভেতর বেশ উজ্জ্বল দামী মুক্তা বসানো একটা গলার হার দেখে তিনি যেন অভিভূত হয়ে পড়েন । এত সুন্দর আর এত দামী মুক্তোর হার তিনি জীবনেও দেখেন নি ।

ভাবতে ভাবতে এমন সময় কামরার বাইরে থেকে একজন বৃদ্ধ লোকের আওয়াজ আসতে থাকে । বৃদ্ধ লোকটি উচ্চ স্বরে বলছিলেন তার একটি কাপড়ের থলি হারানো গিয়েছে । যদি কেউ থলিটি কোথাও পেয়ে থাকে এবং তা এনে ফেরত দেয় তবে বৃদ্ধ লোকটি তাকে ৫০০ দিরহাম পুরস্কার দিবেন । মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকের (রাহি.) ভাবলেন এটাই হয়তো সেই থলি যার কথা বৃদ্ধ বলছেন । তিনি মনে মনে ভাবতে লাগলেন এটাই সুযোগ, থলিটি ফেরত দিয়ে পাঁচশো দিরহাম নিলে উনার চলমান আর্থিক কষ্ট ঘুচে যাবে । অন্তত খাবার কেনার মত যথেষ্ট পয়সা তার কাছে বাকি দিন থাকবে । এই ভেবে শায়খ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকের বৃদ্ধ লোকটিকে ডেকে নিজ কামরায় নিয়ে আসলেন । রাসুলের সুন্নাহ অনুযায়ী থলিটি বৃদ্ধ লোকটিকে বুঝিয়ে দেবার আগে থলির বিবরণ এবং ভেতরে কি আছে তা জিজ্ঞাসা করে নিশ্চিত হন । বৃদ্ধ লোকটি সঠিক তথ্য দেবার পর শায়খ তাকে থলিটি ফেরত দেন । বৃদ্ধ লোকটি তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শায়খ মুহাম্মদকে পাঁচশো দিরহাম পুরস্কৃত করতে চান । ঠিক এমন সময় শায়খের মনে এক ধরণের ভয় কাজ করে উঠে এবং তিনি দিরহামগুলো নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন । বৃদ্ধ লোকটি বেশ কয়েকবার সাধছিলেন কিন্তু তিনি তার কথাতেই অনড় রইলেন । তিনি বলেছিলেন, হে বুজুর্গ ! এই থলিটির ভেতরে যা আছে তার মালিক তো আপনি । আমি আপনাকে আপনারই জিনিস ফেরত দিয়ে কেন অর্থ নিবো ? এটাতো অন্যায়, আপনি আমাকে মাফ করে দিন ।

এর কিছু বছর পরের কথা ....শায়খ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকের (রাহি.) জ্ঞানের খোঁজে সফরত ছিলেন । একটি বড় নৌকায় চেপে সাগর পাড়ি দিচ্ছিলেন অন্য একটি শহরের উদ্দেশ্যে । হঠাৎ নৌকাটি সাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায় । শায়খ একটা কাঠের টুকরা ধরে ভাসতে ভাসতে তীরে পৌঁছায়। হাঁটতে হাঁটতে একটা গ্রাম চোখে পড়ে যেখানে প্রবেশের পর একটা মাসজিদ দেখতে পান । মাসজিদে সালাত আদায়ের জন্য ঢুকেন । এমতাবস্থায় সেখানকার লোকজন উনাকে আগুন্তুক হিসেবে আবিষ্কার করে জানতে চান তিনি কে আর এখানে কিভাবে এলেন । সব শুনে লোকেরা তাকে সালাতে ইমামতি করার জন্য অনুরোধ করেন । সালাতে শায়খের অসাধারণ তিলওয়াত লোকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায় । তারা উনাকে তাদের গ্রামে থেকে যেতে এবং তাদের ছেলেমেয়দের কুরআন শেখানোর অনুরোধ করেন । বিনিময়ে শায়খের থাকা খাওয়া তাদের দায়িত্ব । শায়খ মুহাম্মদ ছিলেন তখন সহায় সম্বলহীন বিপর্যস্ত একজন মানুষ । তিনি রাজি হয়ে গেলেন ।

এভাবে কিছুদিন যাবার পর গ্রামের লোকেরা এসে শায়খকে বলেন, জনাব আমরা ঠিক করেছি আপনাকে আর কোথাও যেতে দিবোনা । আপনার উসিলায় আমাদের সন্তানরা কুরআন শিখছে, ইলম অর্জন করতে পারছে । আমরা চাই আপনি এখানে থেকে যান । আর যেহেতু আপনি একজন যুবক, আমরা চাই আপনি আমাদের মধ্য হতে সম্মানিত একটি ইয়াতীম মেয়ের দায়িত্ব নেন । মেয়েটি ইয়াতীম হলো কিছু মাস হয় । তার বাবা ছিলেন আমাদের মধ্যে সবচাইতে সম্মানিত । তিনি মারা যাবার আগে মেয়ের জন্য অনেক সম্পদ রেখে যান । এখন মেয়েটিকে আমরা একজন উত্তম চরিত্রের যোগ্য লোকের হাতে সোপর্দ করতে পারলে নিশ্চিত হতাম আর আপনার চেয়ে উত্তম এবং যোগ্য এ গ্রামে আর কেউ নেই এ মুহূর্তে । সব শুনে শায়খ মুহাম্মদ রাজি হলেন এবং যথাক্রমে দিন ক্ষণ দেখে ইয়াতীম মেয়েটিকে বিয়ে করে নেন ।

বাসর রাতে নিজ স্ত্রীকে প্রথম দেখতে মেয়েটির ঘোমটা তুলে নেন । হঠাৎই মেয়েটির গলার উপর শায়খের চোখ স্থির হয় যায় । তিনি একমনে মেয়েটির গলার হারটি দেখতে থাকেন । বিয়ের প্রথম রাতে স্বামীর এমন আচরণে মেয়েটি বেশ অসন্তুষ্ট হয় এবং সাথে সাথে দৌড়ে গিয়ে গ্রামের লোকজনদের ডেকে অভিযোগ করতে থাকে । মেয়েটি বলতে লাগলেন, আপনারা আমাকে এ কার সাথে বিয়ে দিলেন ? লোকটার তো আমাকে নিয়ে কোনও মাথা ব্যথা নেই বরং সে তো আমার সম্পদের জন্য ললায়িত মনে হচ্ছে । আমার গলার এ দামী হারটির উপর যেন তার নজরই সরছেনা ।

সব শুনে লোকেরা গেলেন শায়খ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকেরের কাছে । জানতে চাইলেন এর কারণ । জবাবে তিনি মক্কায় সে বৃদ্ধ লোকটির এই হারের হারিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত সব ঘটনা খুলে বলেন । তিনি আরও বলেন, আমি বুঝতে পারছিনা এ হার তার স্ত্রীর কাছে কিভাবে এলো । সব শুনে লোকেরা একযোগে এত জোরে আল্লাহু আকবার ! আল্লাহু আকবার ! বলে যাচ্ছিলো যে পুরো গ্রামের লোকজন এক জায়গায় জড়ো হয়ে গিয়েছিলো । শায়খ মুহাম্মদ তাদের আচমকা তাকবীর দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে লোকেরা বলেন এই ইয়াতীম মেয়েটা যাকে তিনি বিয়ে করেছেন সে-ই মক্কার সে বৃদ্ধ লোকের কন্যা । লোকটি ব্যবসা শেষে মক্কা থেকে ফিরে আসার পর মাসজিদে প্রত্যেক সালাতে আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে দুআ করতো সেই তাকওয়াবান উত্তম চরিত্রের লোকটিকে ফিরিয়ে দেবার জন্য যাতে তিনি তার কন্যার সাথে লোকটিকে বিয়ে দিয়ে যেতে পারেন । তিনি এত দুআ করতেন, এত দুআ করতেন যে আমরা সবাই তা জেনে গেলাম এক পর্যায়ে । কিন্তু আফসোস তিনি মেয়েটিকে বিয়ে দেওয়ার আগেই মারা গেলেন । আমরা তো প্রায় ভুলে গিয়েছিলাম কিন্তু আল্লাহ তো আছেন । তিনি তো সব দেখেন, শোনেন । বান্দার একনিষ্ঠ চাওয়াগুলো তো তিনি ফিরিয়ে দেননা । তাই আজ দেখুন আপনার সাথেই তার কন্যার বিয়ে হলো যেমনটা তিনি চেয়েছিলেন । সাগরে ঝড়ে নৌকাটা ভেঙ্গে দিয়ে তিনিই তো আপনাকে আমাদের কাছে এনে পৌঁছে দিয়েছেন, আল্লাহু আকবার !

আর শায়খের মনের অবস্থা কেমন ? রাব্বের করীমের পরম দয়ার কথা ভেবে তিনি শিহরিত হচ্ছিলেন বারবার । যে দামী মুক্তোর হার তিনি শুধু মাত্র তার রাব্ব কে ভয় করে হারের মালিক কে ফেরত দিয়েছিলেন এমন কি যে সময়ে অর্থ তার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিলো সে সময়েও তিনি পুরস্কার স্বরুপ ঘোষনাকৃত অর্থ বে-ইনসাফের ভয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন । অথচ আজ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকেই পরোক্ষ ভাবে সেই মুক্তোর হারের মালিক বানিয়ে দিলেন ...

‎“ مَن يَتَّقِ وَيَصْبِرْ فَإِنَّ اللَّهَ لَا يُضِيعُ أَجْرَ الْمُحْسِنِينَ

- নিশ্চয়ই যে তাকওয়া অবলম্বন করে এবং সবর করে, আল্লাহ এহেন সৎকর্মশীলদের প্রতিদান বিনষ্ট করেন না।”

[ সুরা ইউসুফ, ৯০ ]

আল্লাহু আকবার !

15/07/2020

পৃথিবীতে সেরা ৫ ধনী ব্যক্তি.......
________________________
৫। ওয়ারেন বাফেট $ 85 বিলিয়ন।
৪। বার্নার্ড আর্নল্ট এবং পরিবার $ 105 বিলিয়ন।
৩। বিল গেটস $ 106 বিলিয়ন।
২। জেফ বেজোস $ 108 বিলিয়ন
১। যে ফজরের ২ রাকাত সুন্নাত সালাত আদায় করে!

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا

"ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে, সবকিছুর চেয়ে শ্রেষ্ঠ।"(মুসলিম ১২৪০)

15/07/2020

১ফোঁটা মধু মাটিতে পড়ে আছে!
পাশ দিয়ে ছোট্ট একটি পিপীলিকা যাচ্ছিল!
মধুর ঘ্রাণ নাকে ঢুকতেই থমকে দাঁড়াল!
ভাবলো একটু মধু খেয়ে নেই!
তারপর না হয় সামনে যাবো!

এক চুমুক খেলো! বাহ্! খুব মজা তো!
আর একটু খেয়ে নেই! আরেক চুমুক খেলো!
তারপর সামনে চলতে লাগলো!
হাটতে হাটতে ঠোঁটে লেগে থাকা মধু চেটে চেটে খাচ্ছিল!
ভাবলো,এত মজার মধু আরেকটু খেয়ে নিলে কি হয়?
আবার পিছনে ফিরলো!
পূর্বে মধুর একপাশ থেকে খেয়েছিল!
এবার চিন্তা করলো ভিতরে মনে হয় আরও মজা!
এবার আস্তে আস্তে বেয়ে বেয়ে মধু ফোঁটার উপরে উঠে গেল!
বসে বসে আরামছে মধু খাচ্ছে!
খেতে খেতে এক পর্যায়ে পেট ফুলে গেল!
ঐ দিকে আস্তে আস্তে পা দুটো মধুর ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে!
তখনই হঠ্যাৎ টনক নড়লো তার!
কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে!
মধু থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চলছে!
কিন্তু নাহ্! মধুতে তার সমস্ত শরীর মাখামাখি অবস্থা!
অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে আর উদ্ধার করতে সক্ষম হলো না!
নাকে মুখে মধু ঢুকে দম বন্ধ হয়ে যেতে লাগল!
অবশেষে.. পিপীলিকাটি মধুর ভিতরে আটকে পড়েই মৃত্যু বরণ করল!!

এই বিশাল বড় দুনিয়াটাও এক ফোটা মধুর মত!
যে এই মধুর পাশে বসে হালাল ও অল্পতে তুষ্ট থাকবে সেই বেঁচে গেল!
আর যে এই স্বাদের মধ্যে ডুব দিতে গিয়ে হালাল-হারাম বাচ-বিচার না করে শুধু খেয়েই গেল,আরেকটু আরেকটু করতে করতে একদিন সে এর মায়াজালে আটকা পড়েই মারা যাবে!
তখন আর কেউই উদ্ধার করতে পারবে না!
ধ্বংস অনিবার্য!
তার দুনিয়া ও আখেরাত দু'টোই শেষ!

হে আল্লাহ্ তুমি আমাদেরকে এই দুনিয়ার ভালাবাসায় অন্ধ করে দিওনা! আমাদেরকে হালাল-হারাম বেচে চলার তাওফিক দান করুন...
আমিন

15/07/2020

নারী_তোমার_জন্য_আজকের_এই_ পোস্ট।🤔
-
👉 কবর থেকে যদি চিঠি লিখর নিয়ম থাকতো
তাহলে একটি মেয়ে এইভাবে লিখতো🔯
-
🗣 কবরে অনেক কষ্ট পাচ্ছি আব্বু,,,😥
🗣 যদি অশ্লীল টাইট বোরকা কিনে না দিয়ে কালো কাপড়ের ঢিলা বোরকা,, হিজাব কিনে দিতে কতইনা সুখে থাকতাম আজ এই কবরে।🛐
-
👉🗣 বাবা তুমি আমাকে দুনিয়ার সুখের জন্য কলেজ,
বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক টাকা খরচ করেছো❓
আপসোস!!! আখিরাতের সুখের জন্য মাদ্রাসায় মক্তবে আমার জন্য এক টাকাও খরচ করলে না।😥
-
👉🗣 বাবা আমার ছোটবেলার খারাপ ইচ্ছাগুলি কেনো তুমি পূরণ করলে? তুমি যদি আমার খারাপ ইচ্ছাগুলি পূরণ করতে বাধা দিতে, আমি আজ কবরে হয়তো অনেক সুখেই থাকতাম।🙄
-
👉🗣 আজ বুজছি বাবা তুমি আমাকে ভালবাসতে না,
যদি ভালবাসতে আজ কবরে আমাকে এতো বড় শাস্তির সম্মুখীন করতে না।🎳🎳
-
👉🗣 আমার খারাপ ইচ্ছাগুলি পূরণ করতে গিয়ে আমাকেই জাহান্নামের হকদার করে দিলে বাবা।
তোমাকে আমি ক্ষমা করব না,,,🙅🙅🙅
-
👉🗣 বাবা তুমি অনেক সার্থপর, টাকার লোভে আমাকে একটা অসৎ পয়সাওয়ালা ছেলের কাছে বিয়ে দিলে।🤔
সেও আমাকে কিছু সেখাইনি, আমাকে বেপর্দা হতে বাধা দেয়নি।😭😭
-
👉🗣 বাবা যদি তুমি একটি দ্বীনি- সৎ ছেলের সাথে বিয়ে দিতে কত কিছুইনা শিখে কবরে আসতাম।🙄
তোমার কারনে আজ আমি কবরে এতো কষ্ট পাচ্ছি।
তোমায় আমি কক্ষনো মাফ করব না বাবা।😭😭🙅🙅
-
বিঃদ্রঃ- উল্লেখিত কথা গুলি সত্যি, আমরা আমাদের অন্তরদৃষ্টি হারিয়ে ফেলেছি বিধায় উপলব্ধি করতে পারছি না।
না জানি কবরে হয়তো হাজারো শাস্তিরত বেপর্দানারীরা এই কথাগুলো তাদের পিতামাতাকে বলছে,,,,,❓
☝☝হে আল্লাহ!🤲🤲
পৃথিবীর প্রত্যেকটি নারী,,, মা- বোন কে,,,দ্বীনি,,, শিক্ষা আর সঠিক ভাবে পর্দা করার তৌফিক দিন,,,
আমিন

15/07/2020

সাহাবীদের যুগে ইসলাম প্রচারের একমাত্র মাধ্যম ছিল দাওয়াত। আর সুন্নাতে রাসুল (সাঃ)-এর মাধ্যমে তাবলিগ করা। সুতরাং ইমানের মাফকাঠি হল সুন্নতের যে যত বেশি অনুসারী হবে, সে তত বড় ইমানদার হবে।
আমি কিভাবে বুজবো আমি ইমানদার, আমার প্রতিটি কাজ যখন সুন্নাত অনুসারে হবে, আমার ঘুম,খাওয়া, পোশাক, চলাফেরা,আচার-আচারণ,
ইবাদতের মধ্যে আছে নামাজ, রোজা,তাসবিহাত,
মোট কথা সব কিছু যখন সুন্নাত অনুসারে হবে তখন বুজবো আমি ইমানদার
আল্লাহ তায়ালা সুন্নাত এর মধ্যে হেদায়েত রাখছেন।
আমার ইমান তখনি আসবে যখন আমি মানুষকে বেশি বেশি দাওয়াত দিব
আজকে দেখা যায় দেয়ালে বল মারলে বলটা কিন্তু আবার আমার কাছেই ফিরে আসবে।
তেমনি আমি যদি মানুষকে বেশি থেকে বেশি আল্লাহর দাওয়াত দেই
ত আমার দিলে আল্লাহ বসে যাবে,আর ভাই যার দিলে আল্লাহ বসে যাবে
তার ইমান পরিপূর্ণ হবে,তার সব যরুরত আল্লাহ তায়ালা নিজ কুদরত দ্বারা পুরা করে দিবেন
এর জন্য ভাই দাওয়াত যরুরি প্রতেক মুসলমানের জন্য
আল্লাহ তায়ালা কবুল করুন
আমিন...

07/11/2019

'যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানের দোষ গোপন রাখে,কেয়ামতের দিন আল্লাহ তার দোষ গোপন রাখিবেন-

বোখারী

06/11/2019

তুমি মানুষের মাঝে কম পরিচিত হও, তাহলে তোমার দ্বারা গীবত কম হবে।"—

সুফিয়ান আস সাওরী
(রহ.)

03/11/2019

কারা দাজ্জালের অনুসারী হবে?মিলিয়ে নিন, আপনি কি দাজ্জালের অনুসারী হয়ে যাচ্ছেন কিনা?যারা এখনো খেলা এবং খেলোয়াড়, গান এবং গায়ক, মুভি এবং নায়ক, ফ্যাশন এবং মডেল, বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞানী, ফালতু উপন্যাস এবং ঔপন্যাসিক এর ভালোবাসা অন্তর থেকে বের করতে পারেন নাই, তারা কী করে দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচবেন? আপনার ঈমান নষ্ট করার জন্য তো এগুলোই দাজ্জালের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার বা ফাঁদ. অথচ আপনি এখনো এগুলো থেকে বের হয়ে আসেন নাই. আপনি আখেরি জমানা সম্পর্কিত যতই জ্ঞান অর্জন করুন না কেন, এগুলো না ছাড়লে আপনার ওই জ্ঞান কোনো কাজে আসবে না. সুতরাং, আল্লাহর ওয়াস্তে, আজকেই এগুলো ছেড়ে দিন. তাকওয়া অর্জন করুন. মুত্তাকী হন. জাজাকাল্লাহ.বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় শায়েখ, যাকে আপনারা সবাই চিনেন, যিনি শেষ জমানা সম্পর্কে অনেক লেকচার দিয়েছেন. তিনি বলেছেন: " আপনি যাকে মহব্বত করবেন, আপনার হাশর তার সাথেই হবে, অর্থাৎ আপনি যদি কোনো নায়ক বা গায়ক কে মহব্বত করেন, তাহলে আপনার হাশর তাদের সাথেই হবে." নাউজুবিল্লাহ.বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ: খুব খুব অনুরোধ রইলো, আপনারা আজকেই এগুলো ছেড়ে দিন. ওই সময়গুলোতে আপনারা নফল নামাজ পড়ুন, তেলোয়াত করুন, ইসলামী কিতাব পড়ুন. অনেকেই এটাকে ট্রেন্ড হিসেবে নিচ্ছেন. সিক্রেট সোসাইটি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করছেন, কিন্তু তাদের ফাঁদ থেকে নিজেকে বের করে আনছেন না.

03/11/2019

তাদের থেকে দূরে থাকুনঃ-১, যারা আপনাকে ছোট করে।২, যারা আপনাকে মিথ্যা বলে। ৩, যারা আপনাকে ব্যবহার করে এবং ৪, যারা আপনাকে অসম্মান করে।

03/11/2019

রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ ইবলীস বলেছিল, "হে আমার প্রভু ! আপনার মার্যাদার শপথ ! আমি আদম সন্তানকে তাদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পথভ্রষ্ট করতে থাকবো।"তখন আল্লাহ তা'আলা বলেছিলেনঃ “আমার মাহাত্ম্য ও মর্যাদার শপথ ! যে পর্যন্ত তারা আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে, সে পর্যন্ত আমি তাদেরকে ক্ষমা করতেই থাকবো।" -------------[ঈমাম ইবনে কাসির]

31/10/2019

খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তা'আলা সবাই কে আমল করার তৌফিক দান করুন আমিন।ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “গুনাহ বা পাপকাজ ত্যাগ করার উপকারীতাঃ
(১) সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
(২) মানুষের অন্তরে মর্যাদা লাভ হয়।
(৩) পূর্বে লোকেরা ক্ষতি করে থাকলে লোকদের কাছ থেকে সাহায্য এবং নিরাপত্তা।
(৪) লোকেরা যদি গীবত করে থাকে, তাহলে তার সম্মান রক্ষা পায়।
(৫) আল্লাহ তার দুয়া কবুল করেন।
(৬) আল্লাহ তাআ’লার নৈকট্য।
(৭) ফেরেশতাদের নৈকট্য।
(৮) মানুষ ও জিনদের মধ্য থেকে যারা শয়তান তারা দূরে সরে যায়।
(৯) লোকেরা তাকে সাহায্য করার জন্য, তার চাহিদা পূরণ করার জন্যে এবং তার সাহচর্য ও ভালোবাসা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগীতা করবে।
(১০) সে মৃত্যুকে ভয় করবেনা, বরং আল্লাহ তাআ’লার সাথে সাক্ষাত লাভের জন্য ও তাঁর কাছ থেকে পুরষ্কার পাওয়ার জন্যে আগ্রহী হবে।
(১১) এই দুনিয়া তার দৃষ্টিতে তুচ্ছ মনে হবে এবং পরকালকে অনেক মূল্যবান মনে করবে।
(১২) পরকালে অনেক বড় রাজত্ব ও মর্যাদা পাওয়ার জন্যে চেষ্টা করবে।
(১৩) আল্লাহর আনুগত্যের স্বাদ ফিরে পাবে।
(১৪) ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করবে।
(১৫) আরশ বহনকারী ফেরেশতা ও আরশের চারপাশে আল্লাহর প্রশংসাকারী ফেরেশতাদের দুয়া লাভ করবে।
(১৬) কেরামান কাতেবীন দুইজন ফেরেশতা তার উপরে খুশি থাকবে এবং তারা তার জন্যে দুয়া করবে।
(১৭) জ্ঞান, বুদ্ধি ও ঈমান বৃদ্ধি পাবে।
(১৮) আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হবে।
(১৯) আল্লাহর সাথে সাক্ষাত কামনা করবে।
(২০) তওবাহ করে পবিত্র জীবন-যাপনের উপরে সন্তুষ্ট থাকবে।
(২১) আল্লাহ তাকে এমন সুখ ও শান্তি দান করবেন, যা সে যখন পাপ কাজে লিপ্ত ছিলো তা থেকে বঞ্চিত ছিলো।
উৎসঃ আল-ফাওয়ায়েদ, পৃষ্ঠা-২৫৫।

31/10/2019

"হযরত "মুসা "(আঃ)" একদিন আল্লাহকে "প্রশ্ন"করলেন ---
-হে,,আল্লাহ যদি ৪টি জিনিস হতো আর
৪টি জিনিস না হতো তবে খুব ভাল হতো।(১) যদি জীবন হতো, মৃত্যু হতো না।
(২) যদি জান্নাত হতো, জাহান্নাম না হতো।
(৩) যদি ধনী হতো, গরীব না হতে।
(৪) যদি সুস্হতা হতো অসুস্হতা না হতো।তখন গায়েব থেকে আওয়াজ এলো---
হে মুসা,, যদি মৃত্যু না থাকত তবে আমার সাক্ষাত হতো না।যদি "জাহান্নাম না হতো তবে আমার আজাবের ভয় কেউ করত না।যদি "গরীবী না থাকত তবে বান্দা আমার শুকরিয়া আদায় করতনা।যদি "অসুস্হতা না থাকত তবে বান্দা আমায় স্বরণ করত না।("আল্লাহ সবকিছুই পরিপূর্ণভাবে তৈরী করেছেন)

Address

Panchagarh
MIRZAPUR

Telephone

+8801985152285

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when I s L a M posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to I s L a M:

Share

Category