KhaiRul

KhaiRul সৃষ্টিকর্তা বোধাহয় আমাকে কখনো ক্ষমা করবে না কারণ, আমি নামাজে দাঁড়িয়েও
সৃষ্টিকর্তাকে না ভেবে তার সৃষ্টি কোন এক মায়াবী মানুষের কথা অসংখ্যা বার ভেবেছি🙁🙂

15/07/2026

Southeast Indian Ridge-এ Seafloor Spreading: সমুদ্রের নিচে কীভাবে তৈরি হয় নতুন Oceanic Crust?

মোসাদের এজেন্ট হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার পর আইআরজিসির বিশেষ বাহিনীর হাতে আটক ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ।আন্...
14/07/2026

মোসাদের এজেন্ট হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার পর আইআরজিসির বিশেষ বাহিনীর হাতে আটক ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন নাটকীয়তা! ইরানের সাবেক কট্টরপন্থী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের একটি চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, ইসরায়েলের কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা 'মোসাদ'-এর সাথে গোপন আঁতাত ছিল আহমাদিনেজাদের। মোসাদের পরিকল্পনা ছিল ইরানে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে আহমাদিনেজাদকে পরবর্তী শাসক হিসেবে ক্ষমতায় বসানো।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসাবে হাঙ্গেরি ও গুয়াতেমালা সফরের সময় আহমাদিনেজাদ ও তার মুখপাত্র মোসাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার লোভে আহমাদিনেজাদ পরোক্ষভাবে মোসাদের পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন এবং পুনরায় নির্বাচিত হলে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মনোভাবও দেখান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন যুদ্ধ শুরু হয়, তখন ইসরায়েলি বিমান বাহিনী তেহরানে আহমাদিনেজাদের বাসভবনে একটি বিশেষ হামলা চালায়। হামলার উদ্দেশ্য ছিল তাকে পাহারা দেওয়া ইরানি রক্ষীদের খতম করে তাকে মুক্ত করা। সেই হামলায় আহমাদিনেজাদ সামান্য আহত হলেও বেঁচে যান।

হামলার পরপরই ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টরা একটি কালো রঙের পিউজো গাড়িতে করে আহমাদিনেজাদকে উদ্ধার করে ইরানের ভেতরেই একটি অত্যন্ত গোপন আস্তানায় নিয়ে যায়! মোসাদের পরিকল্পনা ছিল ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে তাকে দিয়ে একটি 'বিকল্প সরকার' গঠন করা।

তবে ইসরায়েলের এই পুরো পরিকল্পনা ও যুদ্ধক্ষেত্রের বিশৃঙ্খলা দেখে আহমাদিনেজাদ নিজেই সন্দিহান হয়ে পড়েন। তিনি বুঝতে পারেন মোসাদ তাকে কেবল ব্যবহার করছে। ফলে তিনি নিজেই মোসাদের সেই গোপন আস্তানা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।

এই ঘটনার দীর্ঘদিন পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির জানাজায় তাঁকে সর্বশেষ জনসমক্ষে দেখা যায়। এরপর থেকে তাঁকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, মোসাদের সঙ্গে এই সংযোগের অকাট্য প্রমাণ পাওয়ার পর ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বর্তমানে তিনি কড়া নজরদারিতে গৃহবন্দি অবস্থায় আছেন।

একসময়ের ইসরায়েল-বিরোধী কট্টর নেতা কীভাবে মোসাদের ট্র্যাপে পড়লেন, তা নিয়ে এখন তোলপাড় বিশ্বরাজনীতি।

ব্রেকিং:ব্রাজিল জাতীয় দল থেকে নেইমার জুনিয়রের অবসরের সিদ্ধান্ত অপরিবর্তনীয় অর্থাৎ নেইমার জুনিয়র আর ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়...
13/07/2026

ব্রেকিং:

ব্রাজিল জাতীয় দল থেকে নেইমার জুনিয়রের অবসরের সিদ্ধান্ত অপরিবর্তনীয় অর্থাৎ নেইমার জুনিয়র আর ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে খেলবেন না। কার্লো আনচেলোত্তির পরিকল্পনাতেও নেই নেইমার জুনিয়র। সবকিছু জেনে-বুঝেই জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েছেন নেইমার জুনিয়র।

প্রেমের টানে চীনা যুবক বাংলাদেশে!! নাকি মানবপাচারের ফাঁদ? এটাই বুঝায়ে বলি। সম্প্রতি টাংগাইলের ক্লাস নাইনে পড়ুয়া একটা কিশ...
13/07/2026

প্রেমের টানে চীনা যুবক বাংলাদেশে!! নাকি মানবপাচারের ফাঁদ? এটাই বুঝায়ে বলি।

সম্প্রতি টাংগাইলের ক্লাস নাইনে পড়ুয়া একটা কিশোরী মেয়ের ভিডিও দেখলাম। জীবনটা ঠিকমতো চিনতেই শেখেনি। এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিদেশির সাথে প্রেম! সোজাসাপ্টা করে বললে, মধ্যবয়সী এক চাইনিজের সাথে তথাকথিত প্রেম। চীনা যুবক প্রেমের টানে বাংলাদেশ! তারপর হুটহাট করে বিয়ে!! এবার চীনে নিয়ে যাওয়ার পালা!!

দেখেন, সবকিছুই হুটহাট! পরিবার ভাবে- মেয়ের ভাগ্য খুলে গেছে। বিদেশে যাবে, বড় শহরে থাকবে, টাকা-পয়সার কষ্ট থাকবে না।

হ্যাপি এন্ডিং!! আসলে তা হয় না।
ম্যক্সিমাম ক্ষেত্রে এই গল্পগুলোর শেষটায় শুধু অন্ধকার!

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বহু দেশে “ক্রস-বর্ডার ম্যারেজ” বা সীমান্তপারের বিয়ের আড়ালে নারী পাচারের ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। Human Rights Watch ২০১৯ সালে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখিয়েছে- মায়ানমারের কাচিন ও শান অঞ্চল থেকে শত শত নারীকে বিয়ের নামে চীনে নিয়ে পতিতালয়ে বিক্রি করা হয়েছে।

United Nations Office on Drugs and Crime একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে- কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, থাইল্যান্ড, নেপালসহ বিভিন্ন দেশের নারীরা বিয়ের প্রলোভনে পাচারের শিকার হয়েছে। পাকিস্তানেও ২০১৯ সালে বিয়ের নামে চীনে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতনের খবর আসে! ইনভেস্টিগেশনে বেরিয়ে আসে কিছু বড় চক্রের তথ্য।

এসব ঘটনায় একটা কমন মিল পাওয়া যায়। তারা মূলত টার্গেট করে দরিদ্র, নিম্ন-মধ্যবিত্ত, কম শিক্ষিত পরিবারের মেয়েদেরকে!

এবার বাংলাদেশের ঘটনাগুলোর সাথে মিলিয়ে নেন! যাদেরকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তারা এই শ্রেনীগুলোতে কিনা? হ্যাঁ, প্রায় শতভাগ! কম শিক্ষিত হওয়ায় মেয়েগুলো নিজেরাও সহজে পালাতে পারে না! আবার তার ফ্যামিলিও চীন থেকে তাদের মেয়েকে উদ্ধার করতে পারে না!

কথা হলো, চীনে মেয়েদের পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে কেন?

উত্তর হল- চীনে এক সন্তান নীতির কারনে দীর্ঘদিন ধরে পুরুষের তুলনায় নারী কম! প্রতি ১০৭ জন পুরুষের বিপরীতে ১০০ জন নারী! কম বয়সী নারীর সংখ্যা আরো কম!

এখন এই চাহিদাকে পুঁজি করে আন্তর্জাতিক দালাল চক্র সক্রিয় হয়েছে। তারা ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটকের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। দ্রুত বিয়ের চাপ দেয়। পরিবারকে নগদ টাকা বা বিদেশে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। তারপর মেয়েটিকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে পাসপোর্ট কেড়ে নেয়, যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

কয়েকটি কি-পয়েন্ট লক্ষ্য করেন-

১. বিদেশি যুবক/বুড়ো একটি সদ্য কিশোরীকাল পেরুনো মেয়েকে তড়িঘড়ি বিয়ে করতে আসে
২. ছেলের পরিবারের কেউ সরাসরি জড়িত থাকে না

৩. মেয়ে কিংবা তার পরিবার চীনা ভাষা সম্পর্কে কোনো ধারণা রাখে না
৪. চীনে নিয়ে যাওয়ার পাসপোর্ট/ ভিসা, অন্যান্য কাগজপত্র পরিবারের হাতে থাকে না!

৫. আর, সবশেষে চীনে যাওয়ার পর মেয়ের সাথে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়!!

আর, আমাদের দেশের অশিক্ষিত সাংবাদিকের দল খবর শোনায়-

"প্রেমের টানে চীনা যুবক বাংলাদেশের অমুক গ্রামে"!!

আরো বড় সমস্যা হল, এই যে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে অল্প বয়সী মেয়েদের সম্পর্ক ও দ্রুত বিয়ের প্রবণতা বাড়ছে, এ নিয়ে বাংলাদেশের সরকার এখনও উদাসীন! প্রপার ইনভেস্টিগেশন নাই। বড় আকারে পরিসংখ্যানও সরকারের সামনে নাই!!

আমার ব্যক্তিগত অভিমত হল, বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই দূতাবাসের কনফার্মেশন, বৈধ কাগজপত্র নিশ্চিত করে নিবেন।

যদি, একজন বাবা-মাকেও সচেতন করতে পারি, এ উদ্দেশ্যেই লেখাটি।

@ ড. বদরুজ্জামান খোকন


#মানবপাচার_বন্ধ_হোক
#বাংলাদেশের_মেয়েরা_নিরাপদ_হোক

রায় ঘোষণার পর দণ্ডিতদের স্বজনরা আদালতের বাইরে বিক্ষোভ করেন। তারা দণ্ডিতদের কারাগারে নেওয়ার পথে পুলিশের গাড়িবহরে বাধা ...
13/07/2026

রায় ঘোষণার পর দণ্ডিতদের স্বজনরা আদালতের বাইরে বিক্ষোভ করেন। তারা দণ্ডিতদের কারাগারে নেওয়ার পথে পুলিশের গাড়িবহরে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং দাবি করেন, শুধু 'গরু বাঁচানোর' কারণে তাদের স্বজনদের সাজা দেওয়া হয়েছে। এরপর অনলাইনে প্রচারণা শুরু হয়। বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী ইনফ্লুয়েন্সার তাবাসসুম খানকে সাম্প্রদায়িক গালি দেওয়ার পাশাপাশি ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেয়। একটি ভিডিওতে একজনকে বলতে শোনা যায়, ১০ দিনের মধ্যে দণ্ডিতদের মুক্তি না দিলে দেশজুড়ে 'রক্তগঙ্গা' বইয়ে দেওয়া হবে।

🚨এক ব্রাজিলিয়ান সমর্থক নিজের পায়ে "Hexa Campeões 2026" ট্যাটু করিয়েছিলেন। সেই পোস্টে কমেন্ট করেন নেইমারঃ—🗣️-"আমি শুধু...
13/07/2026

🚨এক ব্রাজিলিয়ান সমর্থক নিজের পায়ে "Hexa Campeões 2026" ট্যাটু করিয়েছিলেন। সেই পোস্টে কমেন্ট করেন নেইমারঃ—

🗣️-"আমি শুধু এতটুকুই বলতে চাই... আমি যেভাবে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম, সেভাবে করতে না পারার জন্য আমাকে ক্ষমা করে দিও।" 💔

❝এর জবাবে সেই সমর্থক লিখেছেনঃ—
- "এটা তোমার দোষ নয়, কিংবদন্তি। ❤️🥹

কখনও কখনও ফুটবলের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে একজন খেলোয়াড় আর তার ফ্যানদের সম্পর্ক।❤️‍🩹

12/07/2026

গতকাল ছিল ১১ জুলাই, ১৯৯৫ সালের এই দিনে বসনিয়ান মুসলিমদের উপর গণহত্যা শুরু করে সার্বিয়ান বাহিনী ।

শুধুমাত্র ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসেই সার্ব বাহিনী স্রেব্রেনিৎসা শহরের প্রায় ৮,০০০ বসনিয়ান পুরুষ ও বালককে হত্যা করে । হলোকাস্টের পর এটিই ছিল ইউরোপের বৃহত্তম গণহত্যা ।

বসনিয়ান মুসলিমদের উপর অত্যাচার যখন মাত্রা ছাড়ায়, তখন শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ও ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপেই পিছু হটে সার্ব বাহিনী ।

৯৫'এর সেই জটিল সময়ে বসনিয়ার ওপর জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা (UN Arms Embargo) কার্যকর ছিল । অথচ বসনিয়ানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত সার্ব বাহিনী রাশিয়া, গ্রিস, ইসরায়েলসহ কয়েকটি দেশ থেকে অস্ত্র সহায়তা পাচ্ছিল । এছাড়া তাদের কাছে সাবেক যুগোস্লাভ সেনাবাহিনীর বিপুল অস্ত্রভাণ্ডারও ছিল । সেই সময় যুগোস্লাভ বাহিনী ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে বিবেচিত হতো । কিন্তু বসনিয়ানরা কার্যত কোনো সমমানের সামরিক সহায়তা পাচ্ছিল না ।

১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় মুসলিম দেশগুলোর এক বৈঠকে পাকিস্তান এই অস্ত্র নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ বলে অভিহিত করে ।

এরপর তৎকালীন পাকিস্তানি প্রেসিডেন্ট সর্দার ফারুক আহমদ খান লেঘারি ঘোষণা করেন: “জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পাকিস্তান বসনিয়া সরকারকে অস্ত্র সরবরাহ করবে”। তিনি আরো বলেন: "সার্ব আগ্রাসনকারীদের প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের তুষ্টিকরণ নীতি কোনো সুফল বয়ে আনবে না ।"

অত:পর পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI বসনিয়াকে সহায়তা করার জন্য একটি গোপন সামরিক কর্মসূচি পরিচালনা করে । এই কর্মসূচির আওতায় বসনিয়ান যোদ্ধাদের কাছে পরিকল্পিতভাবে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়া ও সরবরাহের সমন্বয় করা হয় । তখন আইএসআই এর মহাপরিচালক ছিলেন জেনারেল জাভেদ নাসির এবং তাকে সহায়তা করেছিলেন জেনারেল হামিদ গুল ।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরান আইএসআই এর সাথে সমন্বয় করে ছোট অস্ত্র সরবরাহ করত, যা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সি-১৩০ বিমানে করে বলকান অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হতো । এ কাজে সৌদি আরবের গোয়েন্দা সংস্থাও অর্থায়ন করেছিল বলে জানা যায় ।

এমনকি পাকিস্তান সরকারের নীরব সম্মতিতে SSG (Special Services Group) কিছু সাবেক সদস্য স্বেচ্ছাসেবক বা ভলান্টিয়ার হিসেবে বসনিয়ায় গিয়ে বসনিয়ান যোদ্ধাদের সামরিক পরামর্শ দিয়েছিলেন ।

এছাড়াও আইএসআই করাচির Pakistan Ordnance Factory তে তৈরি ছোট অস্ত্র ও কয়েক হাজার অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইল একটি মালবাহী জাহাজে করে বসনিয়ার উদ্দেশে পাঠায় । কিন্তু বসনিয়ার মাত্র ২০ কিলোমিটার সমুদ্র উপকূল থাকায় অস্ত্রগুলো ক্রোয়েশিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে হয় । ক্রোয়েশিয়া অস্ত্র পরিবহনের অনুমতি দিলেও প্রায় দুই তৃতীয়াংশ অস্ত্র নিজেদের কাছে রেখে দেয় ।

পাকিস্তানের করাচিতে নির্মিত বাকতার শিকান অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইল বসনিয়ান বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং সার্বদের অবরোধ ভাঙতে সহায়ক হয় ।

২০১১ সালে সাবেক যুগোস্লাভিয়ার জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICTY) ১৯৯০ এর দশকে বসনিয়ার মুসলিম যোদ্ধাদের সহায়তার অভিযোগে সাবেক আইএসআই প্রধান জেনারেল জাভেদ নাসিরকে হস্তান্তরের দাবি জানায় কিন্তু পাকিস্তান সরকার তাকে হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায় । তাদের বক্তব্য ছিল: একটি সড়ক দুর্ঘটনার কারণে তিনি স্মৃতিশক্তি হারিয়েছেন ।

সাবেক এই আইএসআই মহাপরিচালককে একবার টিভি টকশোতে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল “আপনি কেনো বসনিয়ান মুসলিমদের অস্ত্র সহায়তা দিয়েছিলেন ?" জবাবে তিনি বলেছিলেন: “আমাদের কাছে এটি শুধু মুসলিমদের একটি ইস্যু ছিল না; বিষয়টি ছিল আরও ব্যক্তিগত । পাকিস্তানের মানুষ এক অর্থে বুঝতে পারে বসনিয়ানরা কি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, কারণ ভারত ভাগের সময় আমাদের জনগণও অধিক সজ্জিত, অধিক প্রস্তুত ও অধিক সংগঠিত প্রতিপক্ষের হাতে একই ধরনের দুর্ভোগের শিকার হয়েছিল । তাই আমরা বসনিয়ায় সার্বদের বিরুদ্ধে কেন জড়িয়ে পড়েছিলাম তা আমি বুঝতে পারি এবং আমি আনন্দিত যে আমরা তা করেছিলাম ।"

ছবিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন— পাকিস্তানের সরবরাহ করা বাখতার সিকান এটিজিএম হাতে একজন বসনিয়ান যোদ্ধা ।

©

কাতারের সাবেক আমির (যিনি আজকে মারা গেলেন) তার বাপকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করার পরপরই রিয়েলাইজ করতে পারছে যে তার দেশের জনসংখ্য...
12/07/2026

কাতারের সাবেক আমির (যিনি আজকে মারা গেলেন) তার বাপকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করার পরপরই রিয়েলাইজ করতে পারছে যে তার দেশের জনসংখ্যা মাত্র ৩ লাখ।

এই লোকবল দিয়ে ঠিকঠাক একটা গুণ্ডাবাহিনি চালানোই সম্ভব না। আর্মি তো দূর কি বাত।

তাহলে কী করা যায়? লোকবলের অভাবে কাতার অলওয়েজ সৌদির পাপেট হয়ে থাকবে? বাহরাইনের মত?

বিকল্প হিসেবে তারা সফট পাওয়ারকে বেছে নেয়। যেখানে অস্ত্রশস্ত্রের পরিবর্তে জ্ঞানই হল প্রধান অস্ত্র।

ফলে যে বছর ক্ষমতা দখল করে, সে বছরই কাতার ফাউন্ডেশন গঠন করে।

এটা যদিও পৃথিবীর বৃহত্তম হিউম্যানিটারিয়ান অর্গানাইজেশনগুলোর একটা, কিন্তু এর মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষাখাতে অবদান রাখা।

আইভি লীগ-সহ পশ্চিমের বাঘা বাঘা ইউনিভার্সিটিগুলো যেন কাতারে ক্যাম্পাস খুলে, সেই ব্যবস্থা করা ছিল তাদের দায়িত্ব।

২০০১ সালে আইভি লীগ ইউনিভার্সিটি ওয়েইল কর্নেল মেডিকেল কলেজ কাতারে ক্যাম্পাস খুলে। এটাই ছিল আমেরিকার বাইরে তাদের প্রথম ক্যাম্পাস।

এই ক্যাম্পাস পরিচালনার প্রথম দশ বছরের সমস্ত ব্যয় কাতার সরকার বহন করবে মর্মে চুক্তি হয়।

অর্থাৎ সহজ ভাষায় বিদেশী বড় বড় ইউনিভার্সিটিগুলো কাতারে ক্যাম্পাস খুললে খরচ বহন করবে কাতার সরকার।

ইউনিভার্সিটিগুলো জাস্ট শিক্ষা দিবে, আর দিবে জেনুইন সার্টিফিকেট।

ওয়েইল মেডিক্যাল কলেজের প্রথম দশ বছরের খরচ ছিল ৭৫০ মিলিয়ন ডলার! বাংলা টাকায় বর্তমান হিসেবে ৯২ হাজার কোটি টাকা!

এই টাকা কিন্তু জাস্ট একটা ক্যাম্পাসকে দেওয়া হইছে।

কাতারের দোহায় গোটা সিটির নামই আছে এডুকেশন সিটি। এটা করাই হইছে ইউনিভার্সিটিগুলোর জন্য।

সেসব ক্যাম্পাস আর রাষ্ট্রের বিনিয়োগের আউটপুট কাতার এখন ভোগ করতেছে। সোশ্যাল সায়েন্সে, স্পেশালি নেগোশিয়েসনে কাতারিদের অবস্থান পৃথিবীর শীর্ষে।

তালেবান হোক কিংবা ইরান, সিরিয়া হোক কিংবা পাকিস্তান, আন্তর্জাতিক জটিল চুক্তিসমূহের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ধারা-উপধারা, আইনি মারপ্যাঁচ আর হাই স্টেক নেগোসিয়েশনের জন্য এখন কাতারিদের ডাক পড়ে।

আল্লাহ হামাদ বিন খলিফা আলথানিকে জান্নাতবাসী করুন।

@ Copy

আল-আকসা মসজিদে জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনের গ্র্যান্ড মুফতী শেখ মুহাম্মাদ হুসেইনকে ‍তুলে নিয়ে গেছ...
11/07/2026

আল-আকসা মসজিদে জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনের গ্র্যান্ড মুফতী শেখ মুহাম্মাদ হুসেইনকে ‍তুলে নিয়ে গেছে ই/হু/দিবাদী স/ন্ত্রা/সীদের অ/বৈধ রাষ্ট্র ই/স/রাইলি বাহিনী।

শুক্রবার (১০ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ওয়াফা।

স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-আকসা মসজিদে জুমার খুতবা প্রদান এবং নামাজ শেষ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই ই/সরাইলি সেনারা মুফতি শেখ মোহাম্মদ হুসেইনকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পবিত্র এই ধর্মীয় স্থানে উপস্থিত মুসল্লিদের সামনেই তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

গ্র্যান্ড মুফতীকে ঠিক কী কারণে আটক করা হয়েছে কিংবা ই/সরাইলি বাহিনী তাকে ঠিক কোথায় নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। এই ঘটনার পর আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং আশেপাশের এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

একজন ক্ষমতাবান মানুষের প্রকৃত মর্যাদা বুঝা যায় তার মৃত্যুর পরে। কারণ তার ক্ষমতা শেষ!এ ভদ্রলোক আয়াতুল্লাহ খামেনী, ইরানের ...
11/07/2026

একজন ক্ষমতাবান মানুষের প্রকৃত মর্যাদা বুঝা যায় তার মৃত্যুর পরে। কারণ তার ক্ষমতা শেষ!
এ ভদ্রলোক আয়াতুল্লাহ খামেনী, ইরানের সুপ্রিম লিডার এর প্রতি তাদের জনগনের অনুভূতি দেখে অবাক হয়েছি। সত্যি সত্যিই কাঁদছে তারা! হাছি:নার কান্না নয়।
মেরিকান, কমলা চুলো বুড়ো ভাম এ নিয়ে প্রথমে অবাক হলেও পরে স্বভাবজাত সন্দেহ ছড়িয়েছে।
'হয়তো ফেইক কান্না! যে লোকের সবই ফেইক, সে সেটাই ভাববে, অবাক হইনি।
কিন্তু আগামীকাল যদি এই ভাম পটল তোলে, তার জন্য কি লাখ লাখ মানুষ আসবে সৎকারে? কান্না করবে কেউ? মনে হয় না।
***
আমাদের দেশের শুধু মাত্র কিছু সুন্নি কিতাব গিলে বড় হওয়া কিছু মৌলবী মৃত ব্যক্তিকে নানা কথা বলছে। যেটা দৃষ্টিকটু / শ্রুতিকটু। জানাজায় গেলে কা**! ভাবা যায়? এরা কোথায় পায় এসব ফতোয়া?
এরা মুসলিম ঐক্যের বিরুদ্ধে কাজ করছে। অথচ ইসলাম এর শত্রুরা ঐক্য গঠন করেছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ন্যাটো দেখেও মুসলিমরা শেখে না?
না।
সাধারন মানুষ শেখে, শেখে না এই অপদার্থ গুলো। এরা শুধুই বিষ ছড়ায় বিরোধ জিইয়ে রাখতে। মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য হলে এদের ভাত মারা যাবে? আরে ভাই তোরা তো কুয়েত বা এমিরেতস এর আমীর না! তাদের লজিক আছে ঐক্য না করার। করলে গদি থাকবে না। তোদের মূল্য কতটুকু?

কেয়ামতের দিন কি প্রশ্ন করা হবে কে শিয়া- কে সুন্নী বলে? না! মান দ্বীনুকা- এতে মাজহাব এর প্রশ্ন নেই, নেই শিয়া সুন্নি। রাসূল (সা) এর সময়ে কোন শিয়া সুন্নির অস্তিত্ব ছিল?
***
যুগের প্রয়োজনেই মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। আর যে কোন ইস্যুতে কোন বলদ যদি এর বিরোধীতা করে, তবে তার সেনসিটিভ জায়গায় গুঁতো দেয়াও জরুরি। সে সময়ে ইয়াজিদের জায়গা মত গুঁতো দিতে পারলে শিয়া সুন্নী ভেদ তৈরিই হত না। জীবনের ভয়ে মুসলিমরা চুপ ছিল। বাংলাদেশেও এমন 'নীরবতা প্রত্যক্ষ করেছি। তারাও যেমন চুপ ছিল গত ১৬ বছর।
***
কোন জানাজায় ৪০ জন লোক যদি সাক্ষ্য দেয় লোকটা ভাল ছিল, তাকে ক্ষমা করা হবে, শুনেছি। ৪০ লাখ মানুষ যখন কারো জন্য দুয়া করে, চোখের পানি ফেলে, তার কি হবে? আমরা জানি না। তবে অনেক লোক যখন তার জন্য চোখের পানি ফেলে তার ক্ষমার সম্ভাবনা সমূহ।
আমাদের দাওয়াত খাওয়া সুন্নি মৌলবিগুলো 'শিয়ারা সাহাবাদের লানত দেয়' বলে অভিযোগ করে। অথচ এই লোক আয়াতুল্লাহ খামেনি, ডিক্রি জারী করেছে কেউ যেন সাহাবীদের বিরুদ্ধে কুৎসারটনা না করে। এখন কি বলবে সে মৌলবী গুলো?
আমি শুধু ভাবছি, সেদিন কবে আসবে যখন মুসলিম মুসলিমে ভেদাভেদ থাকবে না! "সাদা কালোর উপরে শ্রেষ্ট না, আরব অনারবদের উপরে শ্রেষ্ট না- সেই ডকট্রিনের বাস্তবায়ন দেখার অপেক্ষায় আছি!'

Address

Patuakhali

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KhaiRul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share