Hadis sharif

Hadis sharif আল্লাহ বলেন,
অর্থাৎ, অতএব তুমি যে বিষয়?

03/04/2026
04/08/2024

Those who are in Ecb chottor
Wifi passwords
1.Waffle Street
Pass- Waffle1234
2. Pankouri Restaurant
Pass- 1234567890
3. 3 food
Pass- 3FOODECB
4. Mr. Gosto
Pass- Ilovegosto

‼️WIFI PASSWORDS‼️

Mirpur 1 no. chillox wifi pass - mildspicy
10 no. coffee mania pass - mania1111
Darjeeling momo 10 no. pass - 1183941
Madchef 10 no. pass - madhouse

🚨 Uttara - Note it Down Again. WiFi passwords.

1. Rajuk College - Pass : RUMCrumc2594

2. Fuljhuri - Pass : 12345678 (Amir Complex)

3. Jononi - Pass : jononi90

4. LR - Pass : Lrwifi444

5. Nawab Habibulla - Pass : nhmsc@108540

Echara Sector 07 er ashe pashe pisone shobai kindly

WiFi Name : We Want Justice
Pass : 12345678

Diye rakhen kkhn kon student er drkr pore jay bola jay na..
(collected)

আজ ঢাবির চত্তরে পকেট রাউটারের ব্যাবস্থা করা হয়েছে, দুপুর ১টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত এখানে সবাই ওয়াইফাই পাবেন, ৮ হাজার জিবি কেনা হয়েছে।
Username :- Save Students
Password :- Free
* Important *

**List of nearby wifis:

1. Gridddle-Badda
pass: GRIDDLE123456
2. Khanas Rampura
pass: krpc2022**

01/09/2022

https://www.facebook.com/365inislam

Peach stay in Islam and the goal of this page is to spread this peach into everyone. There will upload many islamic scholars saying about these topic and would have to upload many life changing video.

14/05/2021

সূরা আল বাকারা।(আয়াত নংঃ৩৬)

فَاَزَلَّہُمَا الشَّیۡطٰنُ عَنۡہَا فَاَخۡرَجَہُمَا مِمَّا کَانَا فِیۡہِ ۪ وَ قُلۡنَا اہۡبِطُوۡا بَعۡضُکُمۡ لِبَعۡضٍ عَدُوٌّ ۚ وَ لَکُمۡ فِی الۡاَرۡضِ مُسۡتَقَرٌّ وَّ مَتَاعٌ اِلٰی حِیۡنٍ ﴿۳۶﴾

অনুবাদ:

অতঃপর শয়তান তাদেরকে জান্নাত থেকে স্খলিত করল। এবং তারা যাতে ছিল তা থেকে তাদেরকে বের করে দিল, আর আমি বললাম, ‘তোমরা নেমে যাও। তোমরা একে অপরের শত্রু। আর তোমাদের জন্য যমীনে রয়েছে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আবাস ও ভোগ উপকরন।

তাফসির : ইবনে কাছির

আদম (আঃ)-কে পুনরায় সম্মানিত করা হয়।

আদম (আঃ)-এর (আঃ) এটি অন্যান্য মর্যাদা ও সম্মানের বর্ণনা। ফিরিশতাগণ কর্তৃক সাজদাহ করানোর পর মহান আল্লাহ তাঁদের স্বামী-স্ত্রী উভয়কে জান্নাতে স্থান দিলেন এবং সব জিনিসের ওপর অধিকার দিয়ে দিলেন। তাফসীর ইবনু মিরদুওয়াই এ বর্ণিত একটি হাদীসে রয়েছে যে, আবূ যার (রাঃ) একবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করেনঃ ‘হে মহান আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আদম (আঃ) কি নবী ছিলেন?’ তিনি বলেনঃ ‘তিনি নবীও ছিলেন এবং রাসূলও ছিলেন। এমন কি মহান আল্লাহ তাঁর সামনে কথাবার্তা বলেছেন এবং তাঁকে বলেছেন, ‘তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে অবস্থান করো।’ অধিকাংশ মুফাস্সিরগণের ধারণা এই যে, যে জান্নাতে আদম ও তাঁর স্ত্রীকে থাকার নির্দেশ দেয়া হয় তা আসমানের ওপরের জান্নাতে ছিলো। আর কারো কারো মতে উক্ত জান্নাতটি যমীনেই ছিলো। বিস্তারিত আলোচনা সূরাহ আল আ‘রাফে আসবে ইনশা’আল্লাহ।

আদম (আঃ)-এর জান্নাতে প্রবেশের পূর্বেই হাওয়াকে (আঃ) সৃষ্টি করা হয়

কুর’আনুল হাকীমের বাক্যরীতি দ্বারা বুঝা যাচ্ছে যে, জান্নাতে অবস্থানের পূর্বে হাওয়াকে (আঃ) সৃষ্টি করা হয়েছিলো। মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) বলেন যে, আহলে কিতাব ইত্যাদি ‘আলিমগণ হতে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনা অনুসারে জানা যাচ্ছে যে, ইবলীসকে ধমক ও ভীতি প্রদর্শনের পর আদম (আঃ)-এর (আঃ) জ্ঞান প্রকাশ করে তাঁর ওপর তন্দ্রা চাপিয়ে দেন। অতঃপর তাঁর বাম পাঁজর হতে হাওয়া (আঃ)-কে সৃষ্টি করেন। চোখ খোলামাত্র আদম (আঃ) তাঁকে দেখতে পান এবং রক্ত ও গোশতের কারণে অন্তরে তাঁর প্রতি প্রেম ও ভালোবাসা সৃষ্টি হয়। অতঃপর বিশ্বপ্রভু উভয়কে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেন এবং জান্নাতে বাস করার নির্দেশ দেন।

কেউ বলেন, আদম (আঃ) জান্নাতে প্রবেশের পর তাঁর স্ত্রী হাওয়া (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ), ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) প্রভৃতি সাহাবায়ি কিরাম (রাঃ) হতে বর্ণিত রয়েছে যে, ইবলীসকে জান্নাত হতে বের করে দেয়ার পর আদম (আঃ)-কে সেখানে আশ্রয় দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু সে সময় তিনি একা ছিলেন। ফলে তাঁর ঘুমের অবস্থায় হাওয়া (আঃ)-কে তাঁর পাজর হতে সৃষ্টি করা হয়। আদম (আঃ) জেগে উঠার পর তাঁকে সামনে দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কে? তুমি কেনই বা সৃষ্টি হলে? হাওয়া (আঃ) উত্তরে বললেন, আমি একজন নারী, আপনার প্রশান্তির জন্যই আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। তৎক্ষণাৎ ফিরিশতা আদম (আঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, বলুন তাঁর নাম কি? আদম (আঃ) বললেন, তার নাম হলো হাওয়া। তাঁরা বললেন এ দ্বারা নাম করণের কারণ কি? তিনি বলেন তাঁকে এক জীবন্ত প্রাণী থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে বলে। একপর্যায়ে মহান আল্লাহ আদম (আঃ)-কে ডাক দিয়ে বললেনঃ

یٰۤاٰدَمُ اسْكُنْ اَنْتَ وَ زَوْجُكَ الْجَنَّةَ وَكُلَا مِنْهَا رَغَدًا حَیْثُ شِئْتُمَا١۪ وَ لَا تَقْرَبَا هٰذِهِ الشَّجَرَةَ فَتَكُوْنَا مِنَ الظّٰلِمِیْنَ

‘হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে অবস্থান করো এবং তা হতে যা ইচ্ছা স্বচ্ছন্দে আহার করো; কিন্তু ঐ বৃক্ষের নিকটবর্তী হয়োনা, তাহলে তোমরা অত্যাচারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।’ (তাফসীর তাবারী ১/৫১৪)

মহান আল্লাহ আদম (আঃ)-কে পরীক্ষা করলেন

মহান আল্লাহ আদম (আঃ)-কে বললেনঃ ‘হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতের মধ্যে সুখে স্বাচ্ছন্দে অবস্থান করো এবং মনে যা ইচ্ছা তা খাও ও পান করো, আর এই বৃক্ষের নিকটে যেয়ো না।”

এই বিশেষ বৃক্ষ হতে নিষেধাজ্ঞা মহান আল্লাহ কর্তৃক আদম (আঃ)-এর ওপর একটা পরীক্ষা ছিলো। কেউ কেউ বলেন যে, বৃক্ষটি ছিলো একটি আঙ্গুর গাছ। আবার কেউ কেউ বলেন যে, এটা ছিলো গমের গাছ। (য‘ঈফ,তাফসীর তাবারী ১/৫১৪) কেউ বলেছেন শীষ। (য‘ঈফ,তাফসীর তাবারী ১/৫১৪) কেউ বলেছেন খেজুর এবং কেউ কেউ ডুমুরও বলেছেন। ঐ গাছের ফল খেয়ে মানবীয় প্রয়োজন অর্থাৎ পায়খানা-প্রস্রাব দেখা দিতো এবং এটা জান্নাতের যোগ্য নয়। কেউ কেউ বলেন যে, ঐ গাছের ফল খেয়ে ফিরিশতা চিরজীবন লাভ করতেন। ইমাম ইবনু জারীর (রহঃ) বলেন যে, এটা কোন একটি গাছ ছিলো যা থেকে খেতে মহান আল্লাহ নিষেধ করেছিলেন। এটা যেন কোন নির্দিষ্ট গাছ ছিলো তা কুর’আনুল কারীম বা কোন সহীহ হাদীস দ্বারা সাব্যস্ত হয় না। তাছাড়া এ ব্যাপারে মুফাস্সিরগণের মধ্যে খুবই মতভেদ রয়েছে। এটা জানার মাঝেও আমাদের কোন লাভ নেই এবং না জানলেও কোন ক্ষতি নেই। সুতরাং এ জন্য মাথা ঘামানোর প্রয়োজনই বা কি? মহান আল্লাহই এটা খুব ভালো জানেন। (তাফসীর তাবারী ১/৫২০) ইমাম রাযী (রহঃ)-ও এই ফায়সালাই দিয়েছেন। আর সঠিক কথাও এটাই বটে।

عَنْهَا-এর هَا সর্বনামটি কেউ কেউ جَنَّت-এর দিকে ফিরিয়েছেন, আবার কেউ কেউ شَجَرَ-এর দিকে ফিরিয়েছেন। একটি কিরা’আতে فَاَزَلَّهُمَّا-এরূপও রয়েছে। তবে অর্থ হবেঃ ‘শায়তান তাদের দু’জনকে জান্নাত থেকে পৃথক করে দেয়।’ আর দ্বিতীয়টির অর্থ হবেঃ ‘ঐ গাছের কারণেই শায়তান দু’জনকে ভুলিয়ে দেয়।’ عَنْ শব্দটি سَبَب-এর কারণেও এসে থাকে। যেমন بُؤْفَكُ عَنْهُ-এর মধ্যে এসেছে। ঐ অবাধ্যতার কারণে তাঁদের জান্নাতী পোশাক, সেই পবিত্র স্থান, ঐ উত্তম আহার্য ইত্যাদি সব কিছুই ছিনিয়ে নেয়া হয় এবং তাদের বলা হয়ঃ ‘এখন পৃথিবীতেই তোমাদের আহার্য ইত্যাদি রয়েছে। কিয়ামত পর্যন্ত তোমরা সেখানেই পড়ে থাকবে এবং সেখানে উপকার লাভ করবে।’ সাপ ও ইবলীসের গল্প, ইবলীস কিভাবে জান্নাতে প্রবেশ করে, কোন পন্থায় সে কুমন্ত্রণা দেয় ইত্যাদি লম্বা লম্বা কাহিনী মুফাস্সিরগণ এখানে এনেছেন। কিন্তু সে সবই ইসরাঈলী বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত। সূরাহ আল আ‘রাফে বিস্তারিত আলোচনা আসবে।

আদম (আঃ) ছিলেন অনেক লম্বা

ইবনু আবী হাতিম (রহঃ) উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ

"إن الله خلق آدم رجلا طُوَالا كثير شعر الرأس، كأنه نخلة سَحُوق، فلما ذاق الشجرة سقط عنه لباسه، فأول ما بدا منه عورته، فلما نظر إلى عورته جعل يَشْتَد في الجنة، فأخذت شَعْرَه شجرةٌ، فنازعها، فناداه الرحمن: يا آدم، مني تَفِرُّ! فلما سمع كلام الرحمن قال: يا رب، لا ولكن استحياء"

আল্লাহ তা‘আলা আদম (আঃ)-কে অনেক লম্বা করে সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁর চুল ছিলো ঝাকরা ঘন যেন খেঁজুর গাছের ছড়ানো শাখা। আদম (আঃ) যখন নিষিদ্ধ গাছ থেকে আহার করলেন তখন তাঁর শরীর বস্ত্রমুক্ত হয়ে যায় এবং শরীরের আবৃত অংশ দৃষ্টিগোচর হয়ে পড়ে। তিনি তা লক্ষ্য করে জান্নাতের দিকে দৌড়াতে শুরু করেন। কিন্তু তাঁর চুল একটি গাছের সাথে আটকে যায়। তিনি তা থেকে মুক্ত হতে চেষ্টা করেন। তখন মহান আল্লাহ আর-রাহমান তাঁকে ডাক দিয়ে বলেনঃ ওহে আদম! তুমি কি আমার থেকে পালিয়ে যাচ্ছো? আর-রাহমানের (মহান আল্লাহ) বাণী শুনে আদম (আঃ) বললেনঃ হে আমার রাব্ব! তা নয়, বরং আমি লজ্জিত। (তাফসীর ইবনু আবী হাতিম ১/১২৯। আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১/৮৭, তবে সনদে কিছুটা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। তবে বিদায়া ওয়ান নিহায়ার ১/৮৮-তে যে সনদটি আছে তা অধিক বিশুদ্ধ)

আদম (আঃ) মাত্র এক ঘন্টা জান্নাতে ছিলেন

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আদম (আঃ) ‘আসরের পর হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত জান্নাতে ছিলেন। (মুসতাদরাক হাকিম ২/৫৪২) হাসান বাসরী (রহঃ) বলেন, এই ঘন্টা ছিলো একশ’ ত্রিশ বছরের সমান। রাবী‘ ইবন আনাস (রহঃ) বলেন, নবম অথবা দশম ঘন্টায় আদম (আঃ) জান্নাত হতে বহিস্কৃত হোন। তাঁর সাথে জান্নাতের একটি গাছের শাখা বা ডাল ছিলো। আর মাথায় ছিলো জান্নাতের একটি মুকুট। সুদ্দী (রহঃ) বলেন, আদম (আঃ) ভারতে অবতরণ করেন। তাঁর সাথে হাজরে আসওয়াদ ছিলো। আর জান্নাতী বৃক্ষের কিছু পাতা ছিলো যা তিনি ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেন। যা থেকে ভারতে সুগগন্ধময় গাছের উৎপত্তি ঘটে। ইবনু আবী হাতিম (রহঃ)-ও বর্ণনা করেছেন যে, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আদম (আঃ)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেন মাক্কা এবং তায়েফের মধ্যবর্তী স্থান ‘দাহনা’ নামক জায়গায়। (তাফসীর ইবনু আবী হাতিম ১/১৩১) হাসান বাসরী (রহঃ) বলেছেনঃ আদম (আঃ)-কে প্রেরণ করা হয়েছিলো ভারতে এবং তাঁর স্ত্রী হাওয়াকে (আঃ) প্রেরণ করা হয়েছিলো জিদ্দা নগরীতে। ইবলীসকে পাঠানো হয়েছিলো ‘দাস্তামিসান’ নামক স্থানে যা বাসরা থেকে কয়েক মাইল দূরে। এ ছাড়া সাপকে পাঠানো হয়েছিলো ‘আসবাহানে।’ (তাফসীর ইবনু আবী হাতিম ১/১৩২) সহীহ মুসলিম ও সুনান নাসাঈতে আছে যে, সমস্ত দিনের মধ্যে সর্বোত্তম দিন হচ্ছে জুমু‘আবার। ঐ দিনই আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়, ঐ দিনই জান্নাতে প্রবেশ করোনো হয় এবং ঐ দিনই জান্নাত হতে বের করে দেয়া হয়। (হাদীসটি সহীহ। সহীহ মুসলিম ২/৫৮৫, সুনান নাসাঈ ৩/৯০)

একটি সন্দেহের নিরসন

যদি কেউ প্রশ্ন করেন যে, আদম (আঃ) যখন আসমানী জান্নাতে ছিলেন, তখন শায়তান মহান আল্লাহর দরবার হতে বিতাড়িত হয়েছিলো। তাহলে আবার সেখানে কিভাবে পৌঁছলো? এর প্রথম উত্তর তো এই হবে যে, ঐ জান্নাত যমীনে ছিলো না। এ ছাড়া অধিকাংশ ‘আলিমের মতামত এই যে, সম্মানিত অবস্থায়ও শায়তানের জান্নাতে প্রবেশ করায় নিষেধ ছিলো। কিন্তু কখনো কখনো সে চুরি করে জান্নাতে প্রবেশ করতো, যেহেতু তাওরাতে আছে যে, সে সাপের মুখে আড়াল করে বসে জান্নাতে গিয়েছিলো। এও একটি উত্তর যে, সে জান্নাতে যায়নি, বরং চলতি পথে জান্নাতের বাহির থেকেই কুমন্ত্রণা দিয়েছিলো। কুরতুবী (রহঃ) এখানে সর্প সম্পর্কীয় এবং তাকে মেরে ফেলার হুকুমের হাদীসগুলোও এনেছেন, যা খুবই উত্তম ও উপকারী হয়েছে।

12/05/2021
12/05/2021

عَنْ أَبِىْ سَعِيْدٍ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم يَقُوْلُ: لاَ تُصَاحِبْ إِلاَّ مُؤْمِنًا وَلاَ يَأْكُلْ طَعَامَكَ إِلاَّ تَقِىٌّ.

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, ‘ঈমানদার ব্যতীত কাউকেও সাথী হিসাবে গ্রহণ কর না। আর পরহেযগার ব্যতীত অন্য কেউ যেন তোমার খাদ্য না খায়’ (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৫০১৮)।

উপরের হাদিস থেকে বোঝা গেল যে বন্ধু নির্বাচন খুব ই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।রাসূল ( সঃ) এর আদেশ ইমানদার কে সাথি হিসাবে গ্রহন কররতে হবে। সুতরাং আমাদের সবার ই ইমানি দায়িত্ব বন্ধু নির্বাচন করার সময় বুঝে শুনে ইমানদার সাথি নির্বাচন করা।

তাই বলে এটা নয় যে অমুসলিমদের সাথে কথা বলা যাবেনা বা মিশা যাবেনা।বরং তাদেরকে দ্বিনের দাওয়াত দিতে হবে।আর আমাদের উঠা বসা চলাফেরার সাথি, তাকে হতে হবে ইমানদার।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হাদিসটি মানার ও আমল করার তৌফিক দান করুক।
আমিন।

12/05/2021

এটা ছিল ডঃ জাকির নায়েক স্যার এর সর্বশেষ বাংলায় ডাবিংকৃত প্রশ্ন উত্তর পর্ব অনুষ্ঠান যা দুবই আন্তর্জাতিক সম্মেলন ক...

11/05/2021

আজকের হাদিসটি সহিহ বুখারির ১নং অধ্যায়(অহির সূচনা) থেকে নেওয়া হয়েছে।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ ـ رضى الله عنها ـ أَنَّ الْحَارِثَ بْنَ هِشَامٍ ـ رضى الله عنه ـ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ يَأْتِيكَ الْوَحْىُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَحْيَانًا يَأْتِينِي مِثْلَ صَلْصَلَةِ الْجَرَسِ ـ وَهُوَ أَشَدُّهُ عَلَىَّ ـ فَيُفْصَمُ عَنِّي وَقَدْ وَعَيْتُ عَنْهُ مَا قَالَ، وَأَحْيَانًا يَتَمَثَّلُ لِيَ الْمَلَكُ رَجُلاً فَيُكَلِّمُنِي فَأَعِي مَا يَقُولُ ‏"‏‏.‏ قَالَتْ عَائِشَةُ رضى الله عنها وَلَقَدْ رَأَيْتُهُ يَنْزِلُ عَلَيْهِ الْوَحْىُ فِي الْيَوْمِ الشَّدِيدِ الْبَرْدِ، فَيَفْصِمُ عَنْهُ وَإِنَّ جَبِينَهُ لَيَتَفَصَّدُ عَرَقًا‏.

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

হারিস ইব্‌নু হিশাম (রাঃ) আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! আপনার নিকট ওয়াহী কিরূপে আসে?’ আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ [কোন কোন সময় তা ঘন্টা বাজার মত আমার নিকট আসে। আর এটি-ই আমার উপর সবচেয়ে বেদনাদায়ক হয় এবং তা শেষ হতেই মালাক (ফেরেশতা) যা বলেন তা আমি মুখস্ত করে নেই, আবার কখনো মালাক মানুষের রূপ ধারণ করে আমার সাথে কথা বলেন। তিনি যা বলেন আমি তা মুখস্ত করে নেই।] ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তীব্র শীতের সময় ওয়াহী নাযিলরত অবস্থায় তাঁকে দেখেছি। ওয়াহী শেষ হলেই তাঁর ললাট হতে ঘাম ঝরে পড়ত। (৩২১৫; মুসলিম ৪৩/২৩, হাঃ ২৩৩৩, আহমাদ ২৫৩০৭, ২৬২৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২)


সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

আজকের হাদিস।।আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাযত করুক।
17/04/2021

আজকের হাদিস।।আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাযত করুক।

10/03/2019

কোন পথে আমাদের সন্তানেরা?
দশম শ্রেণির ছাত্রী। বয়স ১৪। পুঁচকে এই মেয়েরই নাকি চার বছরের এফেয়ার! সে এই এফেয়ার আর রাখতে চায় না। ব্রেক আপ চায় তার বয়ফ্রেন্ডের কাছে। কিন্তু বয়ফ্রেন্ড তাকে ছাড়বে না। তাই বয়ফ্রেন্ডকে শিক্ষা দিতে সহযোগিতা চায় বান্ধবীদের কাছে। বান্ধবীরাও তারই পথের সারথী। বান্ধবীকে উদ্ধার করতে তারা সাহায্য চায় তাদের বয়ফ্রেন্ডের কাছে! এভাবে বান্ধবী, বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ড, বয়ফ্রেন্ডের গার্লফ্রেন্ড, গার্লফ্রেন্ডের বয়ফ্রেন্ড, ফ্রেন্ডের ফ্রেন্ড করতে করতে জড়ো হয়ে যায় ১৫ থেকে ২০ জন! গার্লফ্রেন্ডের সামনে হিরোইজম দেখানোর এমন সুযোগ কি আর হাতছাড়া করা যায়! তাই অনেকটা ফিল্মি স্টাইলে কেউ সেই ছেলের মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। কেউ ধাক্কা দিয়ে ঝগড়া বাধিয়ে দেয়। বাকিরা মারধর শুরু করে। মারধর বলতে গণপিটুনি।এসময় সেই পিটুনীতে যোগ দেয় আশেপাশের আরও অনেকেই।এ সময় গোলযোগ দেখে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ছেলেটিকে উদ্ধার করে।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আটক করা হয় দশ জনকে। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এরা সবাই দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সবাই খাস্তগীর, কলেজিয়েট, মুসলিম হাইস্কুলের মতো স্কুলের শিক্ষার্থী। প্রায় সবাইই পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত। এত বড় একটা ঘটনা ঘটাতে আসলেও তারা সবাই সবাইকে চেনে না। সবারই পরিচয় ফেসবুকে! ভাবলাম, কোন পথে আমাদের সন্তানেরা? বিশ্বাস করুন আর নাই করুন পুলিশ যথাসময়ে উপস্থিত না হলে কাল পত্রিকার পাতায় আরেকটি ‘আদনান’ কাহিনী পড়তে হতো আপনাদের।
প্রিয় অভিভাবকবৃন্দ, আপনার সন্তানদের প্রতি যত্নবান হোন। তাদের সময় দিন। তাদের বন্ধু হোন। তাদের স্কুলে পাঠিয়ে, কোচিংয়ে পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ মনে করবেন না। তারা স্কুলে যাচ্ছে কিনা, কোচিংয়ে কার সাথে যাচ্ছে, কী করছে সবগুলোই নজরদারিতে রাখুন। তাদের প্রযুক্তির ব্যবহার নজরদারিতে রাখুন।
মুহাম্মদ মহসিন
অফিসার-ইন-চার্জ, কোতোয়ালী থানা, চট্টগ্রাম
Post Courtesy: পর্দা - The Sign of Modesty

Address

Puran Bogra
5800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hadis sharif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hadis sharif:

Share

Category