Emran Hossain Lalmonirhat

Emran Hossain Lalmonirhat Emran Hossain Lalmonirhat
I am a professional Voice artist from Bangladesh

এক বুযুর্গের স্ত্রী ছিলেন অত্যন্ত ঝগড়াটে। সারাক্ষণ ঘরে অশান্তি লেগেই থাকত। বুযুর্গ যখনই ঘরে ফিরতেন, শুরু হয়ে যেত তর্ক, ঝ...
23/05/2026

এক বুযুর্গের স্ত্রী ছিলেন অত্যন্ত ঝগড়াটে। সারাক্ষণ ঘরে অশান্তি লেগেই থাকত। বুযুর্গ যখনই ঘরে ফিরতেন, শুরু হয়ে যেত তর্ক, ঝগড়া আর গালমন্দ।

একদিন এক লোক অবাক হয়ে তাঁকে বললেন,

“হুজুর! আপনি এত ঝগড়া-অশান্তি কেন সহ্য করছেন? এতো কষ্টের সংসার রেখে তাকে তালাক দিয়ে দিলেই তো পারেন!”

বুযুর্গ অত্যন্ত শান্তভাবে উত্তর দিলেন,

“ভাই! তালাক দেওয়া তো খুব সহজ। চাইলে আজই দিতে পারি। কিন্তু এই মহিলার মধ্যে এমন একটি গুণ আছে, যার কারণে আমি তাকে কখনো ছেড়ে দিতে পারব না।”

লোকটি কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করল,
“কী সেই গুণ?”

বুযুর্গ বললেন,
“আল্লাহ তা‘আলা তার মধ্যে এমন বিশ্বস্ততা রেখেছেন যে, যদি আমি কোনো কারণে গ্রেপ্তার হয়ে ৫০ বছরও জেলে থাকি, তবুও আমি নিশ্চিত, আমি তাকে যে জায়গায় রেখে যাব, সে সেখানেই থাকবে। অন্য কারও দিকে ফিরেও তাকাবে না। এই বিশ্বস্ততার মূল্য দুনিয়ার কোনো কিছু দিয়ে মাপা যায় না।”

মানুষের শুধু দোষ দেখলে কোনো সম্পর্ক টিকে না। অনেক সময় একটি বড় গুণ বহু ছোটখাটো ত্রুটিকে ঢেকে দেয়। ধৈর্য, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানুষের ভালো দিককে মূল্যায়ন করাই সুন্দর সম্পর্কের ভিত্তি।

তথ্যসূত্র: ইরশাদাতে আকাবির

আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দিন,,,গুনাহমুক্ত জীবন দান করুন।
23/05/2026

আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দিন,,,
গুনাহমুক্ত জীবন দান করুন।

গাজীপুরে কাপাসিয়ার স্ত্রী কন্যা সহ  পাঁচজনকে Hoত্যার ঘটনার বিস্তারিত..."মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার আগে টাকা দেখে নয় ভালো মান...
09/05/2026

গাজীপুরে কাপাসিয়ার স্ত্রী কন্যা সহ পাঁচজনকে Hoত্যার ঘটনার বিস্তারিত..."মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার আগে টাকা দেখে নয় ভালো মানুষ দেখে দিন "

বছরখানেক আগে গাজীপুরের কাপাসিয়ার এক প্রবাসীর বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়েছিল ফোরকান মিয়া। তিনটা ছোট ছোট মেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে এখানেই থাকতো সে।

ফোরকান প্রাইভেট কার চালাতো। মাঝেমধ্যে সেটা ভাড়াও দিতো। এই টাকা দিয়েই বেশ ভালোই চলছিল সংসারটা।

কিন্তু গাজীপুরে থাকাকালীন সময়ে আশেপাশের কিছু বন্ধুবান্ধবের দেখাদেখি ফোরকান মাদক নেয়া শুরু করে।

মাদক সেবনের প্রথম দিকেও ফোরকান সংসারে টাকাপয়সা দিতো। কিন্তু দিন যতই যাচ্ছিল ফোরকানও মাদকসহ অন্যান্য নেশায় জড়িয়ে পড়তে শুরু করে।

তখন আর সংসারে তেমন একটা টাকাপয়সা দিতো না সে। প্রাইভেট কার চালিয়ে যে টাকা ইনকাম করতো সে টাকায় তার মাদকের খরচেই চলে যেতো।

সে মাদকের প্রতি এতটাই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল যে মাদকের টাকার জন্যে তার বউকে নিয়মিত মারধর করতো। আত্মীয় স্বজন এবং এলাকাবাসীরা মিলে সেগুলো অনেকবার মিটমাটও করে দিয়েছিল কিন্তু ফোরকানের মাদকের নেশা যায়নি।

ফোরকান এর আগেও প্রতিবেশীদের সামনেই তার বউকে বাপের বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনতে মারধর করেছে, পিটিয়েছে। কারণ তার মাদক কেনার টাকা লাগবে।

ফোরকানের বউয়ের বাবার বাড়ির আর্থিক অবস্থা খুব বেশি একটা ভালো না। তাই সে যৌতুকের টাকা দিতে পারেনি। এজন্যে ফোরকান নিয়মিতই তার বউকে মারধর করতো, বাচ্চাদেরকে অবজ্ঞা করতো, ঠিকমতো ভরণপোষণ দিতো না।

এভাবেই দিনদিন পারিবারিক কলহ বাড়ছিল শুধু।

গতকাল রাতে ফোরকান তার শালাকে কল দিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি দেয়ার কথা বলে বাসায় নিয়ে আসে। রাতের তার শালা বাসায় চলে আসে।

এরপরই আনুমানিক মধ্য রাতের দিকে ফোরকান তার স্ত্রী, তিন সন্তান এবং শালাকে নির্মমভাবে জ*বাই করে হ*ত্যা করে।

ফোরকান তার স্ত্রীকে জ*বাই করেছে জানালার গ্রীলের পাশে বেঁধে। তবে জ*বাই করার আগে হাত দুটো দড়ি দিয়ে শক্ত করে বেঁধে নিয়েছিল এবং মুখে কাপড়ের পট্টি লাগিয়ে স্কচটেপ দিয়ে শক্ত করে বেঁধেছিল যাতে কোনরকম আওয়াজ করতে না পারে।

ফোরকানের তার শালাকে জ*বাই করেছে বিছানার মধ্যেই। সম্ভবত সে ঘুমিয়ে ছিল। ঘুমের মধ্যেই গলার রগ কেটে জ*বাই করেছে।

আর ছোট ছোট ৩ টা বাচ্চাকে জ*বাই করেছে মেঝেতে ফেলে। বাচ্চা ৩ টার বয়স খুব বেশি না। একটার বয়স ১৪ বছর, একটার ১০ বছর এবং আরেকটার মাত্র ২ বছর।

বাচ্চাগুলোর গলার চারপাশে এখনো র*ক্ত জমাট বেঁধে শক্ত হয়ে আছে,নিথর দেহটা মেঝেতে এলোপাতাড়ি হয়ে পড়ে আছে। জ*বাই করার সময় নিশ্চয়ই প্রচন্ড যন্ত্রণা পাচ্ছিল ওরা।

নিজের বউ এবং বাচ্চাদেরকে জ*বাই করতে যাতে একটুও হাত না কাপে তাই ফোরকান জ*বাই করার আগে অনেকগুলো মাদক খেয়ে নিয়েছিল। সেগুলোও এখনো বিছানার পাশে পড়ে আছে।

ফোরকান এতটাই মাদক খেয়েছিল যে হিতাহিত জ্ঞান ভুলে সে উল্টাপাল্টা কাজ করেছিল। তার স্ত্রীকে জ*বাই করার সময় গয়নাও পড়িয়েছিল।

আর লা*শের পাশে প্রিন্ট করা কিছু কাগজপত্রও পাওয়া গিয়েছে যেগুলো মামলার নথিপত্র ছিল। সম্ভবত তাদের পারিবারিক কলহের মামলার নথিপত্রই।

সবাইকে নির্মমভাবে জ*বাই করার পর ভোরের দিকে ফোরকান নিজেই তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে বাবা-মাকে কল দিয়েছে। কল দিয়ে বলেছে- টাকা দিতে পারে না , তাই সব কয়টারে শেষ কইরা দিছি।

পরে তার বাবা-মা তড়িঘড়ি করে গাজীপুরে এসে দেখে সবাই জ*বাই করা অবস্থায় মরে পড়ে আছে। আর ফোরকানও ততক্ষণে গা ঢাকা দিয়ে পালিয়ে গেছে।

খবর পেয়ে বউয়ের বাবা-মাও এসেছে। তারা এসে এখন বিলাপ করে কান্নাকাটি করছে এবং চিৎকার করে করে বলছে- কোন জালেমের কাছে মেয়ে বিয়ে দিলাম! আমার ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনি সবাইরে জ*বাই কইরা ফেলছে!

এজন্যেই মেয়ে বিয়ে দেয়ার আগে ছেলের টাকাপয়সার চেয়েও সবচেয়ে বেশি দেখতে হয় ছেলের চরিত্র, পরিবারির শিক্ষা। কেননা- আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনই হচ্ছে বিশ্বস্ত লাইফ পার্টনার।

ভালো রেজাল্ট করলে, টাকা পয়সা হলে, গাড়ি বাড়ি করতে পারলে সেটাকে আমরা জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করি, সেলিব্রেট করি। অথচ জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে ভালো একজন জীবনসঙ্গী।

ফোরকানের সংসারটাও বেশ ভালোই চলছিল কিন্তু মাদকের নেশা এবং যৌতুকের লোভ তার পুরো পরিবারটাকে ধ্বংস করে দিল।

ফোরকান নেশায় এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছিল যে ধারালো ছু*রি দিয়ে বউ, বাচ্চাদেরকে নিজ হাতে জ*বাই করতে বিন্দুমাত্রও হাত কাঁপেনি তার

- Ibrahim Khalil Shawon

09/04/2026

জীবন বড় অনিশ্চিত
এই আছি এই নেই।
কবে জানি হারিয়ে যাবো!

21/02/2026

রোগীর সেবা-শুশ্রূষা করার প্রতিদান

মানবতার নীরব মহিমা
মানুষের জীবন যেন এক পরিবর্তনশীল ঋতুচক্র। কখনো বসন্তের প্রাণচাঞ্চল্য, কখনো বর্ষার বিষণ্নতা, কখনো শীতের নিঃসঙ্গতা। সুস্থতা মানুষের জীবনে বসন্তের মতো—উচ্ছল, প্রাণবন্ত, কর্মমুখর। আর অসুস্থতা? তা যেন নিঃশব্দে নেমে আসা এক দীর্ঘ শীতের রাত, যেখানে শরীর ক্লান্ত, মন অবসন্ন, আর হৃদয় ভরে ওঠে অনিশ্চয়তায়।
এমন সময়ে রোগীর পাশে দাঁড়ানো মানে শুধু তার শারীরিক কষ্ট লাঘব করা নয়; বরং তার নিঃসঙ্গতার অন্ধকারে একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে দেওয়া। একটি সান্ত্বনামূলক বাক্য, একটি আন্তরিক দোয়া, কিংবা নীরবে হাত ধরে বসে থাকা—এসবই হয়ে ওঠে আশার আলোকবর্তিকা। তাই রোগীর সেবা-শুশ্রূষা নিছক দায়িত্ব নয়; এটি হৃদয়ের মহত্ত্বের বহিঃপ্রকাশ।
ইসলাম এই মানবিক কর্তব্যকে মহিমান্বিত করেছে। মহানবী ﷺ ঘোষণা করেছেন—
“যে ব্যক্তি কোনো অসুস্থ মুসলিমকে দেখতে যায়, সে জান্নাতের বাগানে বিচরণ করতে থাকে, যতক্ষণ না সে ফিরে আসে।”
— সহিহ মুসলিম
এ বাণীতে শুধু পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি নেই, আছে অনুপ্রেরণার দীপ্তি। অসুস্থ মানুষের শয্যার পাশে দাঁড়ানোকে জান্নাতের বাগানের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে—এর চেয়ে বড় সম্মান আর কী হতে পারে!
আরেক হাদিসে এসেছে—
“হে আদম সন্তান! আমি অসুস্থ ছিলাম, তুমি আমাকে দেখতে যাওনি… যদি তুমি তাকে দেখতে যেতে, তবে সেখানে আমাকে পেতে।”
— সহিহ মুসলিম
এই ঘোষণা মানুষের আত্মাকে নাড়া দেয়। যেন আল্লাহ নিজেই অসুস্থ মানুষের রূপে আমাদের দয়ার পরীক্ষা নিচ্ছেন।
রোগ মানুষের কাছে বেদনাদায়ক; কিন্তু ইসলামের শিক্ষায় তা রহমতেরও দ্বার। প্রিয় নবী ﷺ বলেছেন—
“কোনো মুসলিম ব্যক্তি রোগ বা কষ্টে আক্রান্ত হলে, আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন, যেমন গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়ে।”
— সহিহ বুখারি
অতএব, রোগীর পাশে দাঁড়ানো মানে এমন এক মুহূর্তে তার সঙ্গ দেওয়া, যখন সে আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের ছায়াতলে অবস্থান করছে।
ইসলামের ইতিহাসে এ শিক্ষার বাস্তব রূপ আমরা দেখি সাহাবায়ে কেরামের জীবনে। আবু বকর (রা.) ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও গোপনে এক অন্ধ বৃদ্ধার ঘরে গিয়ে তার কাজ সম্পন্ন করতেন। তিনি জানতেন—সেবার প্রকৃত সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে নিঃস্বার্থতায়।
উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) রাতের নিস্তব্ধতায় মানুষের দুঃখের সন্ধানে বের হতেন, যেন একজন শাসক নন, বরং এক নিবেদিতপ্রাণ সেবক।
আলী ইবন আবি তালিব (রা.) তার দয়া ও সহমর্মিতার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন—মানবসেবা ঈমান

• যেভাবে ঘুমের প্রস্তুতি নেবেন মর্নিং মেইকওভার গ্রন্থের লেখক তার বইয়ে একটি শিরোনাম এনেছেন, কীভাবে আপনি একটি সফল সকালের জ...
15/02/2026

• যেভাবে ঘুমের প্রস্তুতি নেবেন

মর্নিং মেইকওভার গ্রন্থের লেখক তার বইয়ে একটি শিরোনাম এনেছেন, কীভাবে আপনি একটি সফল সকালের জন্য নিজের পরিবেশকে প্রস্তুত করবেন। সেখান থেকে কিছু পয়েন্ট নিজস্ব সংযোজনসহ তুলে ধরছি :

“নিজের শরীরকে যথেষ্ট বিশ্রাম দেবেন। তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাবেন। ঘুমানোর আগে নিজের সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলবেন, আগামী দিনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবেন। পরের দিনের একটি সুন্দর ছবি কল্পনায় আঁকবেন।

অজু ও জিকির-আজকারের সঙ্গে ঘুমাবেন। অজু ও জিকির এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ঘুমের নেয়ামত, আরাম ও উষ্ণতাকে অনুভব করবেন।

ফজরের নামাজের জন্য অ্যালার্ম সেট করবেন।

প্রতিদিন ঘুমানোর আগে স্মার্টফোন দ্রুত বন্ধ করবেন এবং ঘরের এমন জায়গায় রাখবেন, যেখানে সহজে হাত না পৌঁছায়। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন বা কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিক স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ করবেন, যাতে শরীরে স্বাভাবিকভাবে মেলাটোনিন (Melatonin) নিঃসরণ শুরু হয়। এই হরমোনই আমাদের ঘুম পেতে সাহায্য করে।

এরপর মন দেবেন অন্য কাজে। হালকা ব্যায়াম, রাতে একটু হাঁটা, বই পড়া, ডায়েরি লেখা, পরের দিনের কাজের তালিকা করা, দুই রাকাত নামাজ পড়া, অথবা শান্ত কোনো ভিডিও দেখা। এসবই আপনাকে ধীরে ধীরে দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস গড়তে সাহায্য করবে।

ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত চার ঘণ্টা আগে থেকে ক্যাফেইন গ্রহণ করবেন না। কারণ শরীরের ক্যাফেইন বের হতে বেশ সময় লাগে।

নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও নির্দিষ্ট সময়ে জাগার জন্য একটি সহজ ও কার্যকর রুটিন তৈরি করবেন। ছুটির দিনেও এই রুটিন খুব বেশি বদলানো উচিত নয়; এক ঘণ্টার বেশি দেরি না করাই ভালো। বিছানায় যাওয়ার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ঘুমানো—ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুয়ে থাকা নয়।

অগোছালো ও বিশৃঙ্খল ঘরে ঘুমাবেন না। ঘুমানোর আগে ঘরটি পরিষ্কার, পরিপাটি ও সুগন্ধিযুক্ত রাখবেন। বিশেষ করে যে বিছানায় আপনি ঘুমাতে যাবেন।

নিজেকে এমন কোনো পানীয় থেকে বঞ্চিত করবেন না, যা আপনাকে আরাম ও গভীর ঘুমে সাহায্য করে। যেমন : মৌরি, ক্যামোমাইল (Chamomile) বা ফুলের চা। এগুলো প্রাকৃতিকভাবেই গভীর ঘুমে আনতে সহায়তা করে।

ঘরের সব আলো নিভিয়ে দেবেন, যাতে মেলাটোনিন হরমোন দ্রুত নিঃসৃত হতে পারে। এই হরমোনই আমাদের ঘুম নিয়ে আসে। বেশি আলোতে মেলাটোনিন নিঃসৃত হতে পারে না।”

এই কাজগুলো করলে আশা করি অনেকটাই নিশ্চিন্ত ও শান্ত একটি রাত আপনি উপভোগ করতে পারবেন।
©ইফতেখার সিফাত
#মর্নিং_মেসেজ
পর্ব-৪

রানী এলিজাবেথ বাথার বিশ্বাস করতেন,কুমারী মেয়েদের রক্ত তাকে চিরযৌবনা রাখবে। আর তাই একের পর এক কুমারীকে হত্যা করতেন তিনি। ...
03/02/2026

রানী এলিজাবেথ বাথার বিশ্বাস করতেন,
কুমারী মেয়েদের রক্ত তাকে চিরযৌবনা রাখবে।
আর তাই একের পর এক কুমারীকে হত্যা করতেন তিনি। ইতিহাসে আলোচিত এই সিরিয়াল কিলার পশ্চিমা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যার খুনী ছিলেন। যিনি ব্লাড কাউন্টেস বা কাউন্টেস ড্রাকুলা নামেও পরিচিত।

নারী নিজের রূপ-যৌবন ধরে রাখতে ৬০০ কুমারী নারীর রক্ত পান করেছিলেন।
ইতিহাসবিদরা মনে করেই এই সংখ্যা হাজারেরও বেশি।

নিজেকে সুন্দর রাখতে শুধু যে কুমারী মেয়েদের রক্ত পান করতেন তাই না, সেই রক্তে গোসল করতেন এমনকি তাদের মাংসও খেতেন তিনি। তিনি ছিলেন যেমন বদমেজাজি, তেমনি হিংস্র আর অত্যাচারী

ছোট থেকেই অত্যাচারী মনোভাবের। অন্যের মৃত্যু যন্ত্রণা দেখে তিনি তৃপ্ত হতেন। খুব অল্পতেই তার রেগে যেতেন। খিঁচুনি আর মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে তিনি এমন হয়েছেন বলে মনে করেন অনেক ইতিহাসবিদ। আবার অনেক ইতিহাসবিদ লিখেছেন, তার পরিবারের অপরাধীরকে এমন কঠিন সব শাস্তি দেওয়ার ধরন তার মনে বেশ প্রভাব ফেলেছিল।

*** এ জন্য বাচ্চাদের সামনে রুক্ষতা,নিষ্ঠুরতা প্রকাশ করতে নেই।এমন কোন একশন দৃশ্য চালানো উচিৎ নয় যা কিনা হিংস্রতা। এগুলোর ইফেক্ট আজ না হোক কাল পড়বেই।**

বিয়ের আগেই মাত্র ১৩ বছর বয়সে মা হন এলিজাবেথ। এরপর ১৫ বছর বয়সে ফেরেন্স নাডাসডি নামে এক উচ্চবংশীয় লোকের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। ফেরেন্স ছিলেন হাঙ্গেরির রাজ্যের সেনাপতি। কথিত আছে, ফেরেন্স তার স্ত্রী এলিজাবেথের মতোই অত্যাচারী ছিলেন। অটোম্যান বন্দিদের উপর নির্মম অত্যাচার চালাতেন তিনি। নিজের দাসদের দুই পায়ের গোড়ালির মাঝে কাগজ রেখে আগুন ধরিয়ে দিতেন।

এছাড়াও অটোম্যানদের যুদ্ধে তার হিংস্রতা আর অমানবিকতার কারণে তাকে ডাকা হত ব্ল্যাক হিরো অব হাঙ্গেরি। বিয়ের কিছুদিন পরই ফেরেন্স যুদ্ধে চলে যান। তবে সেখান থেকে এলিজাবেথকে তিনি অত্যাচারের নতুন নতুন পন্থার কথা জানাতেন।

তার দাস দাসিদের হাতের তালুতে গরম লোহা রেখে দিত। তাদের যন্ত্রণায় পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করত বিকারগ্রস্ত এলিজাবেথ। সাঁড়াশি দিয়ে দাসদের আঙ্গুল টেনে ছিঁড়ে ফেলত। একবার এলিজাবেথ এমন এক কাজ করেন যা ছিল সব নৃশংসতার উর্ধ্বে। এক দাসীর শরীর থেকে মাংস কেটে তাকে দিয়ে রান্না করিয়ে তাকেই খেতে বাধ্য করেছিল সে। এছাড়াও মেয়েদের শরীরে মধু লাগিয়ে সারাদিন বাইরে রেখে দিত। যাতে মৌমাছি এবং অন্যান্য পোকামাকড় তাদের খেয়ে ফেলতে পারে।

স্বামী ফেরেন্সের মৃত্যুর পর এলিজাবেথ আরও বেশি নৃশংস হয়ে ওঠে। সে মেয়েদের নখে, ঠোঁটে, গালের নিচে সুঁই ফুটিয়ে রাখত, শরীর থেকে মাংস কেটে নিত। এলিজাবেথ এভাবেই ক্ষান্ত হয়নি। অনেক পুরুষের জীবনও নিয়েছে। বিয়ের আগে এবং তার স্বামীর মৃত্যুর পর অসংখ্য পুরুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিছুদিন পর নতুন একজনকে পেলে আগের জনকে মেরে ফেলত সে। এছাড়াও এলিজাবেথের সম্পর্কে আরও একটি তথ্য জানা যায়, তিনি উভকামী ছিলেন। তবে এ ব্যাপারে তেমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

১৬০৩ সালে রাজা কাউন্ট গির্জি থুরজোকে সিসজে ক্যাসলে এলিজাবেথকে বিচারের আয়তায় আনেন। সেসময় রাজ্যের অনেক মেয়ের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সবাই শঙ্কায় থাকত। তবে খুব একটা পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। একজন বিখ্যাত শিল্পী এলিজাবেথের প্রাসাদে গানের অনুষ্ঠান করতে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ হয়। এতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। আর তখনই ধরা পড়ে এলিজাবেথের অপকর্ম। সেসময় তার সঙ্গে চার সহযোগীকেও বিচারের আয়তায় আনা হয়।

*********
ইতিহাসে এসব জঘন্য কাজ প্রাচীন থেকেই চলে আসছে।
আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান এমন জাহেলের মুখোমুখি আপনাকে করেন নি।
আপনাকে এখনো আল্লাহ বাচিয়ে রেখেছেন তার নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের জন্য।সেই দায়িত্ব পালন করুন।আঞ্জাম দেন।

পশ্চিমাদের যারা আইডল মনে করে তাদের কাছে প্রচার করুন এদের কুকীর্তি, আপনার সহপাঠি ক্লাসমেট দের বলুন লুসিফার কি?কে?দাজ্জালের পুরো কনসেপ্ট ব্যাক্ত করুন।
এই সম্পর্কে বিশদ জ্ঞানঅর্জন করুন।

একদিন আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদ তাঁর স্ত্রী জুবাইদাকে রসিকতা করে জিজ্ঞেস করলেন? "আমি কি আরেকটা বিয়ে করতে পারি?"জুবাই...
13/01/2026

একদিন আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদ তাঁর স্ত্রী জুবাইদাকে রসিকতা করে জিজ্ঞেস করলেন?
"আমি কি আরেকটা বিয়ে করতে পারি?"

জুবাইদা এক মুহূর্ত দেরি না করে বললেন,
"আমি থাকতে আপনার জন্য অন্য কাউকে বিয়ে করা বৈধ নয়।" খলিফা বিস্মিত হয়ে কারণ জানতে চাইলে জুবাইদা বললেন,
"আপনি চাইলে কোনো প্রাজ্ঞ আলেমকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন।"

খলিফা তখন যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলেম সুফিয়ান সাওরি (রহ.)-এর শরণাপন্ন হলেন।
খলিফা সুফিয়ান সাওরিকে বললেন,
"আমার স্ত্রী বলে—আমি তাকে রেখে আরেক বিয়ে করতে পারবো না।
অথচ পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন:
তোমরা পছন্দমতো দুই, তিন বা চার জন নারীকে বিয়ে করো। (সূরা নিসা: ৩)।
সুফিয়ান সাওরি (রহ.) শান্তভাবে বললেন,
"হে খলিফা, আপনি কি আয়াতের এর পরের অংশটুকুও পাঠ করেছেন?"

খলিফা তখন আয়াতটির পরবর্তী অংশ পাঠ করলেন:
কিন্তু যদি ভয় করো যে ইনসাফ করতে পারবে না,
তবে একজনই।

সুফিয়ান সাওরি সরাসরি খলিফাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, "হে খলিফা! আপনার পক্ষে ইনসাফ করা সম্ভব হবে না। কারণ আপনি জুবাইদার মতো আর কাউকে ভালোবাসতে পারবেন না"

আলেমের এই দ্বীনি প্রজ্ঞা ও স্পষ্টবাদিতা শুনে খলিফা হারুনুর রশিদ অত্যন্ত খুশি হলেন।
তিনি তৎক্ষণাৎ সুফিয়ান সাওরিকে দশ হাজার দিরহাম উপহার দিতে চাইলেন।
কিন্তু সুফিয়ান সাওরি তা নিতে অস্বীকার করলেন। তিনি বললেন, "সত্য কথা বলা আলেমের কাজ, আর সত্যের মূল্য দুনিয়ার মুদ্রায় হয় না।"

সূত্র: মুখতাসারু হিলয়াতিল আউলিয়া : ২/৩৭০

Address

Lalmonirhat
Rājshāhi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Emran Hossain Lalmonirhat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share