Kaisar Rahmani

Kaisar Rahmani Our goal is constructive experimentation in any subject including history.
(1)

19/12/2025

রাস্তায় দাঁড়িয়ে এভাবে পবিত্র কোরআন পড়েন তিনি। তিনি অন্ধ। কি মধুর কন্ঠ!

ভুত রেখে গেলো তাদের হাতে লেখা চিঠি ! (সত্য গল্প ) ঢাকার যে বাসায় আমি দীর্ঘ ৬ মাস ছিলামনা, সে বাসাতে কারা যেন খাবার খাওয়া...
30/11/2025

ভুত রেখে গেলো তাদের হাতে লেখা চিঠি !

(সত্য গল্প )

ঢাকার যে বাসায় আমি দীর্ঘ ৬ মাস ছিলামনা, সে বাসাতে কারা যেন খাবার খাওয়ার জন্য অনুমতি চেয়ে চিরকুট দিয়ে গেছে। যেহেতু আমি ছিলামনা। তাই অনুমতি দিতে পারিনি। তারা অনুমতি ছাড়া খেয়েছে, একারণে খেয়ে চিরকুট রেখে গেছে। কারা তারা?

ঢাকায় আমি ভাড়া বাসায় থাকতাম। হাতিরপুলে দোতালা খুবই নির্জন বাসা। একমাত্র ভাড়াটিয়া আমি। আমার বাসার সামনের নিচ তলায় এক হিন্দু মহিলা থাকতেন । তিনি বিড়াল পালতেন। প্রায় ২০- ২৫ টা বিড়াল নিয়ে মহিলা একা বাস করতেন।

মাঝখানে দীর্ঘ ৬ মাস আমি ঢাকায় ছিলামনা। গ্রামের বাড়িতে ছিলাম। মাঝে একদিনের জন্যও ঢাকার বাসায় আসা হয়নি তখন। যারকারণে পুরো ছয়মাস আমার বাসাটা ছিল তালাবদ্ধ- মানুষহীন। এই বাসায় আমি আর আম্মা থাকতাম। আম্মা তখন গ্রামের বাড়িতে। রাত ২ টায় ঢাকায় খবর পেলাম আম্মা মারা গেছেন। একারণে আমি সে রাতেই বাসা তালা দিয়ে ঢাকা থেকে গ্রামে আসি।

আম্মার মৃত্যুর কারণে গ্রামের বাড়ি এসে ঢাকা গেছি ৬ মাস পর। বলছি ২০২১ সালের কথা। ছয়মাস পর ২০২১ সালের এক শনিবার আমি ঢাকায় আসলাম। ভোর চারটায় মহাখালীতে নেমে, সিএনজিতে শাহবাগ হাতিরপুলের বাসায় আসলাম।

তখন কেবল ফজরের আযান হয়েছে। আলো তখনো ফোটেনি। অন্ধকার সরু গলি পার হচ্ছি। কয়েকটা বিড়াল হঠাৎ লাফ দিয়ে টপকে প্রাচীরের ওপাশে চলে গেল। সম্ভবত পাশের বাড়ির বিড়াল এগুলো। বাসায় গিয়ে পকেট থেকে চাবি বের করলাম। ৬ মাসে তালায় মরিচা পড়ে গেছে। তালা খুলে ভেতরে গেলাম। বারান্দার লাইট জ্বালালাম। জ্বললো না। কোথা থেকে অনেকগুলো কাঁচের টুকরো বারান্দায়। অন্ধকারে সেসবের উপর দিয়ে হাঁটার কারণে কচকচ আওয়াজ হচ্ছিল। আমার ঘরের তালা খুলে ভিতরে গিয়ে, লাইট জ্বালালাম। চারপাশে মাকড়শার জাল, ধুলা, নোংরা। ইঁদুর আম্মার রাখা উলের বল নিয়ে পুরো ঘরে দৌড়াদৌড়ি করেছে। উল পেঁচিয়ে আছে সারা ঘরে। বিভিন্ন ছোট ছোট আসবাবাপত্র যেখানে যার থাকার কথা না, সেখানে পরে আছে। এসব ইঁদুরেরই কাজ হবে।

বিছানার উপর দেখলাম, একটা কংকাল। ঘাবড়ে গেলাম। গা গুলিয়ে উঠলো। না জানি কি মরে পঁচে কংকাল হয়ে গেছে। কাঠামো দেখে মনে হলো কংকালটা বিড়ালের। মাথার ছোট্ট খুলি, সারিবদ্ধ চিকন হাড় আর নোখগুলো আছে, লোমগুলোও ঠিক আছে। সম্ভবত পাশের বাড়ির কোন অসুস্থ বিড়াল ঘরে ঢুকে মারা গেছে। আর ছয়মাস যেহেতু ছিলামনা, পচে কংকাল হয়ে গেছে। কংকালটা নাক সিঁটকিয়ে তুলে জানালা দিয়ে ফেলে দিলাম। বিছানার কাভার বদলালাম। মনটা খুঁতখুঁত করছে, বিছানায় কংকাল! ধুলো বালিতেও মনটা বিরক্ত। মাথার দিকে সুন্দরকরে ভাঁজ করে রাখা চাদর খুলতেই দেখলাম, চাদরের ভাঁজে ছোট্ট একটা চিরকুট। তাতে পরিস্কার করে লেখা, " খাদ্য খাব আমরা সবাই অনুমতি দেন ", অন্যপাশে লেখা, " রাতে আমরা খানা খাইবো, অনুমতি দেন "।

অবাক হলাম, চিরকুটের ভাষায়। বিড়াল পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল আমার কাছে। কিন্তু চিরকুটের ভাষা বিস্ময়কর লাগলো। ভয় পেতে শুরু করলাম। হাতের লেখা আমার বা আম্মার কারো নয়। সম্ভবত বাইরে থেকে বাতাসে চিরকুটটি ঘরে ঢুকেছে। কিন্তু ভাঁজ করা কাঁথার নিচে যত্ন করে চাপা রাখা ছিল চিরকুটটি। এটি কিভাবে সম্ভব? আগে যেসব চিন্তা মাথাতে আসেনি, সেসব চিন্তা এখন আসতে লাগলো। আমি এ বাসাটিতে যখন উঠেছিলাম, ঘরের দেয়ালে, দরজায়, জানালায়, আনাচে কানাচে দোয়া দরূদ ও সূরা লেখা ছিল। স্বাভাবিকভাবে এমন করে লেখেনা কেউ যেভাবে এ ঘরে লিখা ছিল। সম্ভবত এর আগের ভাড়াটিয়া এসব করেছিলেন। তারাও কি তবে কোন সংকেত পেয়েছিলেন? কেন তারা এসব করেছিল?

আমি দীর্ঘদিন বাসায় না থাকাতে তবে কি কেউ ঘরে এসেছিল? অনুমতি ছাড়া কোন কাজ করতে দ্বিধা করছিলো তারা? কংকালটার সঙ্গে এটার কি কোন সম্পর্ক আছে? নাকি সবই আমার মনের ভুল! চিরকুটের ভাষাটা ভাবাচ্ছে, " আমরা সবাই খানা খাইবো, অনুমতি দেন।" আপনাদের কারো জানা আছে, কেন এমন হয়েছিল?

17/11/2025

এটা কি ভিনগ্রহের কোন নেটওয়ার্ক স্তম্ভ !

16/11/2025

দুই পাথর স্তম্ভের মাঝে রাখা হতো মানুষের মাথা, তারপর...

15/11/2025

এখনো বাচ্চা কোলে মা কাঁদে, কাছে গেলে...

10/11/2025

গ্রামবাসির আতঙ্ক যখন কৃষি জমি!

হযরত মুহাম্মদ (স.) এর সময়কার মুদ্রা
10/11/2025

হযরত মুহাম্মদ (স.) এর সময়কার মুদ্রা

10/11/2025
10/11/2025

কৃষি জমিতে কোদাল চালালেই....!

10/11/2025

যেখানে গেলে দেখা মেলে জিনের !

23/10/2025

আমার নিজের খুব পছন্দের কাজ। নিজের কাছে খুব ভাল লাগে। দেখার অনুরোধ রইলো।

সত্য ঘটনা বন্ধ জানালার রহস্যপূর্ণিমা ছিলো না। ইলেকট্রিসিটিও ছিলোনা। তার উপর গভীর রাত। চারপাশে শুধু অন্ধকার আর অন্ধকার। ঘ...
16/10/2025

সত্য ঘটনা
বন্ধ জানালার রহস্য

পূর্ণিমা ছিলো না। ইলেকট্রিসিটিও ছিলোনা। তার উপর গভীর রাত। চারপাশে শুধু অন্ধকার আর অন্ধকার। ঘটনাটা এক যুগ আগের। কোন একটা গ্রামে আমার আত্মীয়র বাড়িতে। আর এটা শতভাগ সত্য ঘটনা।
মালা আর শিউলি দুই বোন। আর মালার ৭ বছর বয়সী মেয়ে চম্পা। রাতে মালার ঘরে ঘুমের জন্য বিছানায় মাথা দিয়েছে দুই বোন আর বোনের মেয়ে। তখন রাত বারোটা কি একটা হবে। ঘরটা ছিলো দোতালায়। বিছানার পাশে একটা টেবিল ফ্যান। কিন্তু সেটা বন্ধ, বিদ্যুত নেই।

রাত যত গভীর হয়, অন্ধকার ততো গাঢ় হয়ে আসে। রাত আর অন্ধকারের মধ্যেও মালা ও শিউলি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিছানায় শুয়ে শুয়ে কথা বলছে। আর ছোট্ট বোনের মেয়ে চম্পা ঘুমিয়ে পড়েছে। সব কিছু স্বাভাবিকই চলছিলো। তখন রাত দুইটা হবে হয়তো। চারপাশে গভীর ও গাঢ় নীরবতা। মাঝে মাঝে দূর থেকে ভেসে আসা কোন যান্ত্রিক শব্দ। বাড়ির নিচ দিয়ে যাওয়া মানুষের পায়ের ঘষঘষ আওয়াজও ছিলো।

দুই বোন বিছানায় শুয়ে গল্পে মশগুল। হঠাৎ বিছানার খাটে তীব্র ঝাঁকুনি। পুরো খাট কাঁপছে, সেই সঙ্গে কাঁপছে মালা ও শিউলি। ঘরের খাটটা শুধু কাঁপছে আর ঝাকুনি। মালা ও শিউলির শরীরে যেন বিদ্যুৎ বয়ে গেলো, অনেকটা কারেন্টের শক খাওয়ার মতো। ঝাঁকুনিতে চম্পার ঘুম ভেঙ্গে গেছে। শিউলি ও মালা উঠে বসেছে খাটের উপর। ঠিক এমন সময় এক বিরাট ধাক্কা। তারা তিনজনই অর্থাৎ মালা, শিউলি ও চম্পা খাট থেকে নিচে পড়ে যায়, ঘরের মেঝেতে। আর শরীরে তীব্র ব্যাথা, কারেন্টের শক লাগলে যে অনুভূতি হয় ব্যাপারটা সেরকম।

পুরো ঘটনাটা ঘটতে সময় নিয়েছিল ৫ থেকে ৬ সেকেন্ড। বিছানা থেকে ছিটকে পড়ার পর, খাট স্বাভাবিক হয়। তারা বুঝতে চেষ্টা করে, খাট এমন ঝাকুনি বা ধাক্কা দিলো কেন। শরীরে শকের মতো লাগলো কেন ? যেহেতু ঘর অন্ধকার , কারেন্ট নেই, মোমবাতি জালিয়ে তারা দেখার চেষ্টা করলো আসলে ঘটনা কি ? বিদ্যুত নেই বা আসেও নি, সেক্ষেত্রে শক লাগার কোন কারণই নেই। আবার সেদিন কোন ভূমিকম্পও হয়নি। আবার বাড়ির পাশ দিয়ে ভারি যানবাহন যাবার কারণে কাঁপুনির কোন সুযোগই নেই। তাহলে এমন হলো কেন ? খুব ঘাবড়ে গেলো তিনজন।

মালা ও শিউলি সেদিন বলবার মতো কিছু দেখেনি। তবে তারা দুজন কয়েক সেকেন্ডের জন্য দেখেছিল, এক গোল আগুনের বল ঘরের মধ্য ভেসে বেড়াচ্ছে। মুহুর্তে আগুনের বলটি খোলা জানালা দিয়ে বাইরে চলে গেল।

পরের দিন সকাল বেলা মা পুরো ঘটনা শুনে এক হুজুর নিয়ে আসলেন। তিনি সবকিছু শুনে ও বুঝে মাকে জিজ্ঞেস করলেন, ঘরের উত্তর দিকে কোন জানালা আছে কি , যেটা দীর্ঘদিন খোলা হয়না। হিসেব মিলে গেল, মা বললেন, এমন একটা জানালা সত্যি আছে যেটা প্রায় পাঁচ-ছয় বছর খোলা হয়না। হুজুর বললেন, জানালা খুলে দিলে আর কোন সমস্যা হবেনা। তারা আসলে ভিতরে ঢোকার আর বের হবার জন্য উত্তর দিকের জানালাটা চাচ্ছে।

সেদিন আসলে কি হয়েছিল মালা, শিউলি ও চম্পা তার কোন ব্যাখ্যা আজও বের করতে পারেনি। মাত্র ৫-৬ সেকেন্ডের মধ্যে তাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া এ ঘটনা এখনো তাদের শিহরিত করে। এখনো তারা ভাবে, এমনো হতে পারে ?

আপনাদের কি মনে হয় ? কেন এমন হতে পারে ?

Address

Rājshāhi
6320

Telephone

+8801721616806

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kaisar Rahmani posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kaisar Rahmani:

Share

Category