Ajker Potrika

Ajker Potrika Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ajker Potrika, Magazine, Rajbari, Rajbari.

25/07/2023

অপছন্দের ছেলেদের সঙ্গেই মেয়েরা কেন প্রেম করে?

অপছন্দের ছেলেদের সঙ্গে প্রেম করে খুবই সাধারণ কিছু কারণে।
অনেক সময় যেসব ছেলেকে মেয়েরা পছন্দ করে না, তাদের সঙ্গেই তারা প্রেম করে! এর ফলে কিছুদিন যেতে না যেতেই আবার ব্রেকআপ! অধিকাংশ মেয়ের জীবনেই এমনটা ঘটে। কেন মেয়েরা অপছন্দের ছেলের সঙ্গে প্রেম করে তার কিছু কারণ তুলে ধরা হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের লাইফস্টাইল বিভাগে।

১. এই মুহূর্তে তার জীবনে করার মতো নতুন কিছু নেই। এ কারণে যে ছেলেটি তার পেছনে এখন ঘুরছে তার সঙ্গেই প্রেম করা ভালো! ছেলেটিকে যদি ভালো নাও লাগে তাতে কিছু যায়-আসে না। এই ধরনের চিন্তা অনেক মেয়েই করে থাকে। এর ফলে একটা সময় তাকে খুব বাজেভাবে ব্রেকআপের সম্মুখীন হতে হয়।

২. খুব বেশি দিন হয়নি ব্রেকআপ হয়েছে। অন্য দম্পতিদের দেখলে বেশ খারাপ লাগে মেয়েটির। তাই যে ছেলেই তাকে প্রস্তাব দিয়েছে, তাকেই হ্যাঁ বলে দিচ্ছে। হয়তো ছেলেটি তার একেবারেই পছন্দ না। তবু সে তার সঙ্গে নির্দ্বিধায় প্রেম করে যাচ্ছে।

৩. ছেলেটি একেবারে খারাপ না। কিন্তু খুব একটা ভালোও লাগে না। প্রেম করলেই তো আর বিয়ে করতে হবে না। এমন চিন্তা অনেক মেয়েরই রয়েছে।

৪. ছেলেটিকে ভালোবাসে না কিন্তু সে দেখতে অনেক সুদর্শন। মানুষ তাকে দেখে হিংসা করবে। এই চিন্তা করে অনেক মেয়েই অপছন্দের ছেলের সঙ্গে প্রেম করে।

৫. সময় কোথায় নতুন কাউকে খুঁজে বের করার। এ কারণেই কিছু মেয়ে যাকে কাছে পায়, তার সঙ্গেই প্রেম করে! এটা ভুলে যায় যে, এতে তার বিপদও হতে পারে।

৬. সাবেক প্রেমিকের থেকে অন্তত ভালো হবে। এই চিন্তা করে যাকে ভালোবাসে না তার সঙ্গেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে মেয়েরা।

৭. সব বান্ধবীরা কারো না কারো সঙ্গে প্রেম করছে। শুধু সে-ই বাকি। এই চিন্তা করে অনেক মেয়েই ভুল মানুষের সঙ্গে প্রেম করে।

19/07/2023
28/06/2023

গরুর দামে বিক্রি হলো পদ্মার বিশাল দানব আকৃতির বোয়াল মাছ
সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন আশ্চর্যজনক ঘটনা দিলেই ভাইরাল হয়ে যায়। সেটা নাচ, গান, মাছ ধরা, সাপ ধরা কিংবা অশ্লীল ভিডিও হতে পারে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মাছের এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

প্রশংসা করছেন নেটিজনরাও। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে গরুর দামে বিক্রি হলো একটি পদ্মার বিশাল দানব আকৃতির তাজা বোয়াল মাছ। ভিডিওটি তুমুল ভাইরাল হয়ে যায়।

অপরদিকে, সিলেটের বাজারে দেখা মিলল ১৫০ কেজির বাঘাইড় মাছ। সিলেট নগরীর অন্যতম মাছের বাজার লালবাজারে উঠেছে ১৫০ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ। ফেঞ্চুগঞ্জের কুশিয়ারা নদীতে মাছটি ধরা পড়ে সোমবার রাতে। মঙ্গলবার সকালে বিক্রির জন্য লালবাজারে নিয়ে আসেন মৎস ব্যবসায়ী বিলাল মিয়া। তবে মঙ্গলবার মাছটি বিক্রি না করে বুধবার কেটে ২ হাজার টাকা কেজি ধরে বিক্রি করবেন বলে জানিয়েছেন বিলাল।

তিনি জানান, কুশিয়ারা নদী থেকে এক মাছ শিকারীর কাছ থেকে বাঘাইড়টি কিনে এনেছেন। মঙ্গলবার যারাই খবর পেয়ে এসেছেন তাদেরকে বুধবার সকালে আসার জন্য বলা হয়েছে। মাছটি কেটে বিক্রি করলে আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা পাবেন বলে বিলাল আশা করছেন।

এদিকে মাছটি দেখার জন্য মঙ্গলবার বিকেলে অনেকেই বাজারে ভিড় করেন। এর আগে গত বছরের ২৩ মার্চ একই নদীতে ৩০০ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ ধরা পড়ে। এ ছাড়া চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি সুরমা নদীতে ১২০ কেজি ওজনের আরেকটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়ে। প্রায় প্রতি বছরই সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে বড় সাইজের একাধিক বাঘাইড় ধরা পড়ে বলে জানিয়েছেন মৎসজীবীরা।

12/06/2023

জমজম কূপ ও কাবাঘরের পূর্বাপর ঘটনা
জমজম কূপ ও কাবাঘরের পূর্বাপর ঘটনা
ইবন আব্বাস (রা.) বলেন, ইবরাহিম (আ.) (আল্লাহর নির্দেশে নির্বাসিত করার লক্ষ্যে) ইসমাঈল এবং তাঁর মাকে নিয়ে বের হলেন। তাঁদের সঙ্গে একটি থলে ছিল, যাতে পানি ছিল। ইসমাঈল (আ.)-এর মা মশক থেকে পানি পান করতেন। ফলে শিশুর জন্য তাঁর স্তনে দুধ বাড়তে থাকে।
অবশেষে ইবরাহিম (আ.) মক্কায় পৌঁছে হাজেরাকে একটি বিরাট গাছের নিচে থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন। অতঃপর ইবরাহিম (আ.) আপন পরিবারের (সারার) কাছে ফিরে চললেন। তখন ইসমাঈল (আ.)-এর মা কিছু দূর পর্যন্ত তাঁর অনুসরণ করলেন। অবশেষে যখন কাদা নামক স্থানে পৌঁছলেন, তখন তিনি পেছন থেকে ডেকে বলেন, হে ইবরাহিম! আপনি আমাদের কার কাছে রেখে যাচ্ছেন? ইবরাহিম (আ.) বলেন, আল্লাহর কাছে।
হাজেরা (আ.) বলেন, আমি আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট।
বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর হাজেরা (আ.) ফিরে এলেন, তিনি মশক থেকে পানি পান করতেন আর শিশুর জন্য দুধ বাড়ত। অবশেষে যখন পানি শেষ হয়ে গেল। তখন ইসমাঈল (আ.)-এর মা বললেন, আমি যদি গিয়ে এদিক-সেদিকে তাকাতাম! তাহলে হয়তো কোনো মানুষ দেখতে পেতাম।
বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর ইসমাঈল (আ.)-এর মা গেলেন এবং সাফা পাহাড়ে উঠলেন আর এদিকে ওদিকে তাকালেন এবং কাউকে দেখেন কি না এ জন্য বিশেষভাবে তাকিয়ে দেখলেন। কিন্তু কাউকে দেখতে পেলেন না। তখন দ্রুতবেগে মারওয়া পাহাড়ে এসে গেলেন এবং এভাবে তিনি কয়েক চক্কর দিলেন। পুনরায় তিনি বললেন, যদি গিয়ে দেখতাম যে, শিশুটি কী করছে। অতঃপত তিনি গেলেন এবং দেখতে পেলেন যে, সে তার অবস্থায়ই আছে।
সে যেন মরণাপন্ন হয়ে গেছে। এতে তাঁর মন স্বস্তি পাচ্ছিল না। তখন তিনি বলেন, যদি সেখানে যেতাম এবং এদিক-সেদিকে তাকিয়ে দেখতাম। সম্ভবত কাউকে দেখতে পেতাম। অতঃপর তিনি গেলেন, সাফা পাহাড়ের ওপর উঠলেন এবং এদিক-সেদিক দেখলেন এবং গভীরভাবে তাকিয়ে দেখলেন। কিন্তু কাউকে দেখতে পেলেন না। এমনকি তিনি সাতটি চক্কর পূর্ণ করলেন।
তখন তিনি বলেন, যদি যেতাম তখন দেখতাম যে সে কী করছে। হঠাৎ তিনি একটি শব্দ শুনতে পেলেন। অতঃপর তিনি মনে মনে বললেন, যদি আপনার কোনো সাহায্য করার থাকে তবে আমাকে সাহায্য করুন। হঠাৎ তিনি জিবরাঈল (আ.)-কে দেখতে পেলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন তিনি (জিবরাঈল) তাঁর পায়ের গোড়ালি দ্বারা এরূপ করলেন অর্থাৎ গোড়ালি দ্বারা জমিনের ওপর আঘাত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখনই পানি বেরিয়ে এলো। এ দেখে ইসমাঈল (আ.)-এর মা অস্থির হয়ে গেলেন এবং গর্ত খুঁড়তে লাগলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ প্রসঙ্গে আবুল কাসিম [রাসুলুল্লাহ (সা.)] বলেছেন, হাজেরা (আ.) যদি একে তার অবস্থার ওপর ছেড়ে দিতেন তাহলে পানি বিস্তৃত হয়ে যেত।
বর্ণনাকারী বলেন, তখন হাজেরা (আ.) পানি পান করতে লাগলেন এবং তাঁর সন্তানের জন্য তাঁর দুধ বাড়তে থাকে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর জুরহুম গোত্রের একদল উপত্যকার নিচু ভূমি দিয়ে অতিক্রম করছিল। হঠাৎ তারা দেখল কিছু পাখি উড়ছে। তারা যেন তা বিশ্বাসই করতে পারছিল না আর তারা বলতে লাগল এসব পাখি তো পানি ব্যতীত কোথাও থাকতে পারে না। তখন তারা সেখানে তাদের একজন দূত পাঠাল। সে সেখানে গিয়ে দেখল, সেখানে পানি মজুদ আছে। তখন সে তার দলের লোকদের কাছে ফিরে এলো এবং তাদের সংবাদ দিল। অতঃপর তারা হাজেরা (আ.)-এর কাছে এসে বলল, হে ইসমাঈলের মা। আপনি কি আমাদের আপনার নিকট থাকা অথবা (বর্ণনাকারী বলেছেন), আপনার নিকট বসবাস করার অনুমতি দেবেন? [হাজেরা (আ.) তাদের বসবাসের অনুমতি দিলেন এবং এভাবে অনেক দিন কেটে গেল]। অতঃপর তাঁর ছেলে বয়ঃপ্রাপ্ত হলো। তখন তিনি (ইসমাঈল) জুরহুম গোত্রেরই একটি মেয়েকে বিয়ে করলেন।
বর্ণনাকারী বলেন, পুনরায় ইবরাহিম (আ.)-এর মনে জাগল তখন তিনি তাঁর স্ত্রীকে (সারাহ) বলেন, আমি আমার পরিত্যক্ত পরিজনের অবস্থা সম্পর্কে খবর নিতে চাই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এলেন এবং সালাম দিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ইসমাঈল কোথায়? ইসমাঈল (আ.)-এর স্ত্রী বলল, তিনি শিকারে গিয়েছেন। ইবরাহিম (আ.) বললেন, সে যখন আসবে তখন তুমি তাকে আমার এ নির্দেশের কথা বলবে, ‘তুমি তোমার ঘরের চৌকাঠখানা বদলিয়ে ফেলবে।’ ইসমাঈল (আ.) যখন এলেন, তখন স্ত্রী তাঁকে খবরটি জানালেন, তখন তিনি স্ত্রীকে বলেন, তুমি সেই চৌকাঠ। অতএব তুমি তোমার পিতামাতার কাছে চলে যাও।
বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর ইবরাহিম (আ.)-এর আবার মনে পড়ল। তখন তিনি তাঁর অন্য স্ত্রী (সারাহ)-কে বলেন, আমি আমার নির্বাসিত পরিবারের খবর নিতে চাই। অতঃপর তিনি সেখানে এলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, ইসমাঈল কোথায়? ইসমাঈল (আ.)-এর স্ত্রী বলল, তিনি শিকারে গিয়েছেন। পুত্রবধূ তাঁকে বলেন, আপনি কি আমাদের এখানে অবস্থান করবেন না? কিছু পানাহার করবেন না? তখন ইবরাহিম (আ.) বললেন, তোমাদের খাদ্য ও পানীয় কী? স্ত্রী বলল, আমাদের খাদ্য হলো গোশত আর পানীয় হলো পানি। তখন ইবরাহিম (আ.) দোয়া করলেন, ‘হে আল্লাহ! তাদের খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যের মধ্যে বরকত দিন।’
বর্ণনাকারী বলেন, আবুল কাসিম রাসুল (সা.) বলেছেন, ইবরাহিম (আ.)-এর দোয়ার কারণেই বরকত হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, আবার কিছুদিন পর ইবরাহিম (আ.)-এর মনে তাঁর নির্বাসিত পরিজনের কথা জাগল। তখন তিনি তাঁর স্ত্রী (সারাহ)-কে বললেন, আমি আমার পরিত্যক্ত পরিজনের খবর নিতে চাই। অতঃপর তিনি এলেন এবং ইসমাঈলের দেখা পেলেন, তিনি জমজম কূপের পেছনে বসে তাঁর একটি তীর মেরামত করছেন। তখন ইবরাহিম (আ.) ডেকে বলেন, হে ইসমাঈল! তোমার রব তাঁর জন্য একখানা ঘর নির্মাণ করতে আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। ইসমাঈল (আ.) বলেন, আপনার রবের নির্দেশ পালন করুন। ইবরাহিম (আ.) বলেন, তিনি আমাকে এ-ও নির্দেশ দিয়েছেন যে তুমি যেন আমাকে এ বিষয়ে সহায়তা করো। ইসমাঈল (আ.) বলেন, তাহলে আমি তা করব অথবা তিনি অনুরূপ কিছু বলেছিলেন। অতঃপর উভয়ে উঠে দাঁড়ালেন। ইবরাহিম (আ.) ইমারত (ঘর) বানাতে লাগলেন আর ইসমাঈল (আ.) তাঁকে পাথর এনে দিতে লাগলেন আর তাঁরা উভয়ে এ দোয়া করছিলেন, হে আমাদের রব! আপনি আমাদের এ কাজ কবুল করুন। আপনি তো সব কিছু শোনেন ও জানেন।
বর্ণনাকারী বলেন, এর মধ্যে প্রাচীর উঁচু হয়ে গেল আর বৃদ্ধ ইবরাহিম (আ.) এতটা উঠতে দুর্বল হয়ে পড়লেন। তখন তিনি (মাকামে ইবরাহিম) পাথরের ওপর দাঁড়ালেন। ইসমাঈল তাঁকে পাথর এগিয়ে দিতে লাগলেন আর উভয়ে এ দোয়া পড়তে লাগলেন, হে আমাদের রব! আপনি আমাদের এ কাজটুকু কবুল করুন। নিঃসন্দেহে আপনি সব কিছু শোনেন ও জানেন। (সুরা : আল-বাকারা, আয়াত : ১২৭; বুখারি, হাদিস : ৩৩৬৫)
শিক্ষা
আল্লাহর নির্দেশকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তাঁর সন্তুষ্টির জন্য প্রয়োজনে স্ত্রী-পুত্রসহ সব কিছু ত্যাগ করতে হবে। সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকতে হবে এবং তাঁর ওপর ভরসা করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ধৈর্যহারা হওয়া চলবে না। পরিবার ও সন্তান-সন্ততির জন্য দোয়া করতে হবে। একক নয়; বরং যৌথ উদ্যোগে সামাজিক কাজ সম্পাদন করতে হবে। হাজেরার মতো সুদৃঢ় ঈমানের অধিকারিণী হওয়ার জন্য মা-বোনদের সচেষ্ট হতে হবে।
আল্লাহর আনুগত্য ও ধৈর্যের পরিণাম সর্বদা কল্যাণকরই হয়।

11/06/2023

যে-কারণে-সোশ্যাল-মিডিয়া-থেকে-বিরতি-নিয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী কাজল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরাবরই বেশ সক্রিয় কাজল। মেয়ে নিসার কাছে ইনস্টাগ্রামের খুঁটিনাটি শেখবার পর থেকে দৈনন্দিন জীবনের নানান ঝলক সেখানে তুলে ধরেন অভিনেত্রী। কিন্তু ওয়েব শোয়ের প্রচারের জন্য এইভাবে ভক্তদের বোকা বানাবেন কাজল তা আশা করেননি কেউই। এ নিয়ে চলছে সমালোচনার ঝড়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরাবরই বেশ সক্রিয় বলিউড অভিনেত্রী কাজল। শুক্রবার দুপুরে আচমকাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে বিরতি নেন কাজল। শুধু তাই নয়, পুরনো সব পোস্ট মুছে ফেলেন নায়িকা।

তিনি পোস্ট করেন, ‘জীবনের কঠিনতম পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।’

অভিনেত্রীর এই পোস্ট দেখে হইচই পড়ে গেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে কি ব্যক্তিগত জীবনে কোনো ঝড়ের মধ্যে পড়লেন কাজল? ভক্তদের মনে একটাই প্রশ্ন, সব ঠিক আছে তো?

তবে সন্ধ্যা গড়াতেই পরিষ্কার হয়ে গেল সবকিছু। আসলে কাজলের জীবনের এখন একমাত্র ‘পরীক্ষা’ হল তার আসন্ন ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ট্রায়াল’। ডিজনি প্লাস হটস্টারে মুক্তি পেতে যাচ্ছে এই সিরিজ। শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘দ্য ট্রায়াল’-এর পোস্টার সামনে আনলেন অভিনেত্রী। জনপ্রিয় ওয়েব শো ‘দ্য গুড ওয়াইফ’-এর হিন্দি রিমেক এটি।

সিরিজের পোস্টার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে কাজল লেখেন, ‘যত কঠিন পরীক্ষা (ট্রায়াল) হবে, তত শক্তিশালী হয়ে তুমি ফিরে আসবে! আমার আসন্ন ওয়েব সিরিজ দ্য ট্রায়ালের- পেয়ার, খুন, ধোঁকার ট্রেলার মুক্তি পেতে চলেছে ১২ই জুন।’

পোস্টারে আইনজীবীর লুকে দেখা গেল কাজলকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরাবরই বেশ সক্রিয় কাজল। মেয়ে নিসার কাছে ইনস্টাগ্রামের খুঁটিনাটি শেখবার পর থেকে দৈনন্দিন জীবনের নানান ঝলক সেখানে তুলে ধরেন অভিনেত্রী। কিন্তু ওয়েব শোয়ের প্রচারের জন্য এইভাবে ভক্তদের বোকা বানাবেন কাজল তা আশা করেননি কেউই। এ নিয়ে চলছে সমালোচনার ঝড়।

এক ব্যক্তি লেখেন, ‘এই ধরনের প্রচার কৌশল খুব বিরক্তিকর।’

আরেক ব্যক্তি লেখেন, ‘পরেরবার আপনি সত্যি সমস্যার কথা বললে কেউ বিশ্বাস করবে না, অনুচিত কাজ’।

তবে ভক্তরা অবশ্য স্বস্তিতে। তারা এতেই খুশি যে ব্যক্তিগত জীবনে কোনো সমস্যায় পড়েননি কাজল।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘দ্য ট্রায়াল’ সিরিজ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সুপর্ণ ভর্মা। আগামী দিনে অভিনেত্রী কাজলকে দেখা যাবে ‘লাস্ট স্টোরিজ ২’ সিরিজে।

11/06/2023

একদিনে রেকর্ড ১৮৯ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে, দুজনের মৃত্যু

চলতি মৌসুমের সব রেকর্ড ভেঙে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ ১৮৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগে ১০ জুন একদিনে ১৫৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার রেকর্ড ছিল।

চলতি মৌসুমের সব রেকর্ড ভেঙে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ ১৮৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগে ১০ জুন একদিনে ১৫৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার রেকর্ড ছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোববার জানিয়েছে, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৮৯ জন। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুইজনের। চলতি জুন মাসে এ নিয়ে ১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৮৯ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩৬ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৫৩ জন।

বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬০৩ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে ৪৯৭ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ১০৬ জন।

চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩ হাজার ২১০ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন দুই হাজার ৫৮৩ জn

11/06/2023

‘বছরে ১ লাখ ৬১ হাজার প্রাণ কাড়ছে তামাক’

বছরে-১-লাখ-৬১-হাজার-প্রাণ-কাড়ছে-তামাক
খুলনা সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা

এছাড়া দেশের মোট মৃত্যুর ৬৭% শতাংশ অসংক্রামক রোগের কারণে হয়। এই অসংক্রামক রোগের পেছনে তামাকের ব্যবহার বহুলাংশে দায়ী।

দেশের জনসংখ্যার ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ বা ৩ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ ধূমপানসহ বিভিন্ন তামাকজাত দ্রব্যে আসক্ত। তামাকজনিত রোগে বছরে এক লাখ ৬১ হাজার লোক মারা যায় এবং তামাকজনিত রোগের চিকিৎসায় বছরে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। এ ছাড়া দেশের মোট মৃত্যুর ৬৭% শতাংশ অসংক্রামক রোগের কারণে হয়। এই অসংক্রামক রোগের পেছনে তামাকের ব্যবহার বহুলাংশে দায়ী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের মাধ্যমে এ সব তথ্য জানান জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের কারিগরি উপদেষ্টা সৈয়দ মাহবুবুল আলম।

তিনি বলেন, “আইন অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, শিশুপার্ক ও খেলাধুলার স্থান থেকে এক শ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষেধ। তামাকজাত দ্রব্য অথবা সিগারেট ফেরি করে বা ভ্রাম্যমান দোকানের মাধ্যমে বিক্রি করা যাবে না। সিগারেটের বিজ্ঞাপন প্রচার ও নাটক-সিনেমার দৃশ্যে ধূমপান ও মাদক গ্রহণের দৃশ্য প্রদর্শন করা নিষিদ্ধ। পাবলিক প্লেস, গণপরিবহন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে ‘ধূমপানমুক্ত এলাকা’ সাইন বোর্ড স্থাপনা না করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আর্থিক জরিমানার মুখোমুখি করা হয়।

“ধূমপান মানে জেনেশুনে বিষপান। তামাকজাত দ্রব্য অথবা ধূমপানের ইতিবাচক কোনো প্রাপ্তি নেই বরং ক্ষতির অনেক দিক রয়েছে। ধূমপায়ী ব্যক্তি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আশপাশে থাকা মানুষদেরও ক্ষতি করে।”

কালের বিবর্তনে তামাকের ব্যবহারেও ভিন্নতা এসেছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তামাক, জর্দা, হুক্কা, বিড়ি, সিগারেট পেরিয়ে তরল নিকোটিন বহনকারী ক্ষতিকর ই-সিগারেটের ব্যবহারও এখন দৃশ্যমান।’

এ সময় তামাক চাষ বন্ধের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘তামাক চাষ কৃষি জমির উর্বরতা নষ্ট করে। সরকার ২০৪০ সালের মধ্যে বিড়ি, সিগারেট, জর্দার মতো তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে দেশের মানুষ তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পাবে।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সহযোগিতায় খুলনা বিভাগীয় প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. ফিরোজ শাহের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের পরিচালক মো. হুসাইন শওকত।

সেমিনারে বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।

11/06/2023

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৮ জুন
জাহাঙ্গীরনগর-বিশ্ববিদ্যালয়ের-ভর্তি-পরীক্ষা-শুরু-১৮-জুনজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা ১৮ জুন শুরু হবে। চলবে ২২ জুন পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ভর্তি পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী, ১৮ জুন কলা ও মানবিক অনুষদ এবং বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের ‘সি ইউনিট, ইনস্টিটিউট অফ বিজনেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, সি-১-এর নাটক ও নাট্যতত্ত্ব এবং চারুকলা বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা হবে।

১৯ জুন সমাজবিজ্ঞান অনুষদ ও আইন অনুষদের ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে এবং একই দিন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ‘ই’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

গাণিতিক ও পদার্থ বিজ্ঞান অনুষদ এবং ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজির ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২০ জুন।

জীববিজ্ঞান অনুষদের ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২১ ও ২২ জুন।

এ ছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ জুন নাটক ও নাট্যতত্ত্ব এবং চারুকলা বিভাগের ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে।

11/06/2023

সরকারের দুর্নীতির ধারাবাহিকতার ঘোষণাপত্র এই বাজেট: বিএনপি

সরকারের-দুর্নীতির-ধারাবাহিকতার-ঘোষণাপত্র-এই-বাজেট-বিএনপিপ্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেই। স্মার্ট বাংলাদেশে সরকার স্মার্ট লুটপাটের বাজেট দিয়েছে। তারা চুরিতে স্মার্ট। ভোট চুরি, ব্যাংক চুরি, অর্থপাচার- এসব কিছুতেই। স্মার্টলি লাখ লাখ কোটি টাকার দুর্নীতি, ব্যাংক লুটপাট, সিন্ডিকেট পরিচালনা, জনগণের সম্পদ লুটের পাকা বন্দোবস্ত করা হয়েছে এই বাজেটে।’

জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটকে গণবিরোধী ও বাস্তবায়ন অযোগ্য বলে উল্লেখ করেছে বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘এই বাজেট সরকারের দুর্নীতির ধারাবাহিকতার ঘোষণাপত্র। এটি স্রেফ দুর্নীতিবাজ বর্তমান সরকারের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লুটের লক্ষ্যে প্রণীত অর্থ লুটেরাদের বাজেট।’

রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বুধবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষে এমন বক্তব্য তুলে ধরেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম।

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বিএনপির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাজেটে চলমান অর্থনৈতিক সংকট, ক্রমবর্ধমান আয়-বৈষম্য, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে যাওয়া, বেপরোয়া অর্থপাচার, জনগণের কাঁধে রাষ্ট্রীয় ঋণের বোঝা একবারের জন্যও স্বীকার করা হয়নি। পরিত্রাণের উপায়ও বলা হয়নি। তেমনিভাবে সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে সুশাসন ও ন্যায়বিচারের ধারণাকে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই বাজেট পরিচালনা ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৩ দশমিক ৪ শতাংশ এবং উন্নয়ন ব্যয় ৩৬ দশমিক ৪ শতাংশ। এই অর্থের সংস্থান হবে ৫ লাখ ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা আয় থেকে। আর ঘাটতি ২ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা আসবে ঋণ থেকে।

‘রাজস্ব আয়ের ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ পরোক্ষ কর (ভ্যাট) এবং ৩০ দশমিক ৭ শতাংশ প্রত্যক্ষ কর। এরই সঙ্গে সরকার জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মুদ্রাস্ফীতির হার ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার প্রত্যাশা করছে। এই বাজেট জনকল্যাণের নয়। এটি বাস্তবতা বিবর্জিত, প্রতারণামূলক, লোক দেখানো বাজেট।’

তিনি বলেন, ‘বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি ও বিনিয়োগসহ সামষ্টিক অর্থনীতির যেসব প্রক্ষেপণ করা হয়েছে তা অর্জনযোগ্য নয়। জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করলেও তা কীভাবে অর্জন হবে তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা বাজেটে নেই।

‘চলতি অর্থবছরেও ঢাকঢোল পিটিয়ে ঘোষণা করা হয়েছে যে প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। সংশোধনী বাজেটে তা পরে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ পুনঃনির্ধারণ করা হয়। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এবারও এই প্রবৃদ্ধির টার্গেট অর্জন সম্ভব হবে না। কেননা অর্থনীতি এমনিতেই চাপে আছে।’

মূল্যস্ফীতি কমাতে বাজেটে কার্যকর পদক্ষেপ নেই বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উচ্চ মূল্যস্ফীতি। গত মে মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ, যা গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

‘অর্থনীতিবিদরা মনে করেন বাস্তবে এই মূল্যস্ফীতি ১৮ থেকে ২০ শতাংশের উপরে হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি, পরিবহন এবং খাদ্যের পাশাপাশি তেল, চাল, আদা, চিনি, ডিম, মুরগিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য অনেক আগেই মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।’

‘দেশের অর্থনীতি মহাবিপর্যয়ে’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ প্রায় তলানিতে এসে ঠেকেছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি মহাবিপর্যয়ে রয়েছে। ডলারের সংকট প্রকট। পণ্য আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে গেলে প্রায় সব ব্যাংক ফিরিয়ে দিচ্ছে। সরকারি হিসাব মতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে গেছে। আইএমএফের হিসাব বলছে, প্রকৃত রিজার্ভ দাঁড়ায় ২১ বিলিয়ন ডলারের ঘরে।’

ফখরুল বলেন, ‘২০০৯ সালে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। পুনঃতফসিলকৃত ঋণ যোগ করলে প্রকৃত খেলাপি ঋণ ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গত বছরের প্রথম ৯ মাসেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩৩ হাজার কোটি টাকা। আর গত ৩ মাসেই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা। দেশে এভাবে খেলাপি ঋণ বাড়ার প্রধান কারণ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা।’

তিনি বলেন, ‘গত ৬ বছরে বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। চীন ও রাশিয়া থেকে নেয়া কঠিন শর্তের ঋণ শোধ করা শুরু হলে ২০২৪ সাল থেকেই বর্তমানের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে। সে সময় পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়বে।’

‘মধ্যবিত্তের ওপর জুলুম চলছে’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘করযোগ্য আয় না থাকা মানুষেরও ৪৪ ধরনের সেবা নিতে কর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটা মধ্যবিত্তের ওপর জুলুম। প্রশ্ন হলো, যার আয় কম তিনি কি ওইসব রাষ্ট্রীয় সেবা পাবেন না?

‘একদিকে ন্যূনতম আয়কর সীমা বাড়িয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা প্রস্তাব করেছে, অপরদিকে আয় না থাকলেও ন্যূনতম ২ হাজার টাকা আয়কর ধার্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটা সাংঘর্ষিক, ন্যায়নীতি বর্জিত এবং আয়ের ওপর করনীতির পরিপন্থি।’

পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে কোনো আশার আলো নেই উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শেয়ার বাজারে সর্বস্বান্ত হাজার হাজার মানুষের আহাজারি সরকারের কানে পৌঁছায় না। এই সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে শেয়ার বাজারের সংকট দূর হবে বলে কেউ বিশ্বাসও করে না। শেয়ার বাজার বিপর্যয়ের ওপরে গঠিত তদন্ত রিপোর্ট আজও প্রকাশিত হয়নি।’

‘সম্পদ লুটের পাকা বন্দোবস্ত’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশে এবার সরকার স্মার্ট লুটপাটের বাজেট দিয়েছে। তারা চুরিতে স্মার্ট। ভোট চুরি, ব্যাংক চুরি, অর্থপাচার- এসব কিছুতেই। স্মার্টলি লাখ লাখ কোটি টাকার দুর্নীতি, ব্যাংক লুটপাট, সিন্ডিকেট পরিচালনা, জনগণের সম্পদ লুটের পাকা বন্দোবস্ত করা হয়েছে এই বাজেটে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট দেশের প্রধান জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে। গণতান্ত্রিক সরকার না থাকলে সরকারের জাবাবদিহিতা থাকে না। দেশের অর্থনীতির জন্য কল্যাণকর বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এই জাতীয় সংকট থেকে মুক্তি পেতে জবাবদিহি ও দায়বদ্ধমূলক নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল হোসেন জবিউল্লাহ।

10/06/2023

wellcome to Ajker Potrika

Address

Rajbari
Rajbari
7700

Telephone

+8801778438186

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ajker Potrika posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ajker Potrika:

Shortcuts

Share

Category