21/07/2025
এথিক্যাল হ্যাকাররা সতর্কতা সংকেত দেয়।এদেরকে হোয়াইট হ্যাট বলা হয়। বিভিন্ন সিস্টেমের দূর্বলতা ও ইমেইল আদান-প্রদান থেকে ডার্ক ওয়েবে এরা এসব তথ্য কালেকশন করে।ছবিতে যাকে দেখছেন সে একজন এথিক্যাল হ্যাকার। শুধু স্কুল ভবন বিধ্বস্ত নয় , বুরকানো ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে হত্যার চক্রান্ত হচ্ছে সেই তথ্যও সে প্রকাশ করেছে এবং তাকে রক্ষার কথা বলেছে।
ফিশিং, স্যোশাল ইঞ্জিনিয়ারিং, দূষিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে হ্যাকাররা বিভিন্ন অগ্রিম তথ্য পেয়ে যায়। এক্ষেত্রে ওরা দুর্বল সফটওয়্যার যুক্ত ডিভাইসগুলোকে আক্রমণের কেন্দ্র বানায়। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমাদের সকলের জানা।তবে কি এই এথিক্যাল হ্যাকার একদিন আগেই তথ্য পেয়ে সতর্ক করেছে? প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কি এনসিপি ও গবাদিপশুর জন্য ঘাস কাটছিলো? এনসিপিকে সাঁজোয়া যান দিয়ে নিরাপত্তা দিতে গিয়ে দেশের ১৭ কোটি মানুষের জীবন এরা অনিরাপদ করে তুলেছে 🥲
হ্যাকাররা ইমেইল , মেসেজ ও বিভিন্ন ভূয়া লিংকের মাধ্যমে ফিশিং করে তথ্য হাতিয়ে নেয়। এছাড়াও ব্যাবহারকারীদের সাথে সামাজিক সম্পর্ক তৈরি করে , অথবা বিভিন্ন ম্যালওয়ার সফটওয়্যার ব্যবহার করেও তারা এই কাজটি করতে পারে।এসব হ্যাকাররা শুধু মোবাইল ও কম্পিউটার হ্যাক করে না। গাড়ি ট্র্যাকিং , ইলেক্ট্রনিক ও ডিজিটাল যন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করা । লেবাননে এই ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল সমগ্র বিশ্ব। বিভিন্ন বিমানের ফ্লাইট কন্ট্রোলিং সিস্টেম ও ডেটা এনক্রিপশন ব্যবহার করে নেভিগেশন সিস্টেম হ্যাক করেও হ্যাকাররা বিমান দূর্ঘটনা ঘটাতে পারে। ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি এমনি এক বিমান দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন।
কিন্তু এথিক্যাল হ্যাকারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় তিনি একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার। এবং তিনি চেষ্টা করেছেন অগ্রীম সতর্কতা দিতে। অন্যদিকে যারা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারস , তারা কখনোই আপনাকে কোন সতর্কবার্তা দিবে না। তাছাড়া তার প্রোফাইল ঘেঁটে তাকে কোন খারাপ হ্যাকার মনে হয়নি। যেকোনো মাধ্যম থেকেই হোক স্কুলের ভবন ধ্বসের বিষয়ে সে জানতে পেরেছে। হ্যাকাররা সবসময় সংক্ষিপ্ত কিছু শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করে সিগন্যাল হিসেবে।তার মানে হচ্ছে বাংলাদেশে স্কুলের ছাদে বিমান দূর্ঘটনা একটি পরিকল্পিত ঘটনা ছিলো।এটা পূর্বেই প্লান করা ছিল। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও একজন অপরিপক্ক পাইলটকে বিমান চালানোর অনুমতি কে দিয়েছে? এটা সুস্পষ্ট একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল গোপালগঞ্জ গণহত্যাকারী থেকে মানুষের দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার।
উড্ডয়নের মাত্র ১২ মিনিটের মাথায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। স্কুল ভবনে আঘাত না করে সে পাশ্ববর্তী অন্য কোথাও আঘাত করতে পারতো।এই ১২ মিনিটে তার কাছে সেই সুযোগটি ছিল। হ্যাকারদের একদিন আগে স্কুল ভবনের কথা বলা আর বিমানটি গিয়ে সোজা স্কুল ভবনে আঘাত করা এটা সম্পূর্ণ একটা মেটিকুলাস ডিজাইনের অংশ।যার মাধ্যমে চায়না থেকে বিমান কেনা বাদ ও আমেরিকার সাথে ইউনূসের একটি অলিখিত চুক্তির বিষয়েও ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।১৯ জন মানুষ নিহত হওয়া, ১৬৪ জন আহত হওয়া, রাজনৈতিক নেতাদের আহতদের ফেলে রাজনৈতিক ফটোসেশন! এসব ভাই , বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের খেলা।লুসিড ড্রিমরা এখানেই অবুঝ।।
এত বড় সচিবালয়ে ডিসেম্বরে কুকুর বসে থাকে।শুধু নাহিদ ও আসিফের কার্যালয় পুড়ে! এরপর শেঠ হাসিনা ষড়যন্ত্র, র ষড়যন্ত্র হয়ে তাই হয়ে যায় বৈদ্যুতিক লুজ কানেকশন! ইউনূসের মব বাহিনীর জাতিকে ভোদাই বানানোর এই মেটিকুলাস ডিজাইন আর কতদিন? সেনা কল্যাণ ভবনের কোথাও আগুন না লেগে ২১ তলায় গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যালয়ে লাগে! মেটিকুলাস ডিজাইন আর কত? ধপাস ধপাস পড়ে যাওয়া জিন্দা অলীও এই মেটিকুলাস ষড়যন্ত্রের একটা অংশ।
এই হ্যাকারের বক্তব্য পুরোপুরি সত্য না হলেও তার কাছে বিশ্বের কোথাও স্কুল ধ্বসে নিহত হওয়ার বিষয়ে তথ্য ছিলো যা পুরোটাই পূর্বপরিকল্পিত। হ্যাকাররা কখনোই স্পষ্ট কোন সিগনাল দিবে না।ওরা সতর্কতামূলক পোস্ট করে আপনাদের সতর্ক করার চেষ্টা করেছে। ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ বিপদ আসছে এটাও নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশকে একটি জ-ঙ্গী , অর্থব ও মেরুদন্ডহীন রাষ্ট্রে পরিণত করার ইউনূস ষড়যন্ত্র সফল হতে চলেছে।
জুলাই বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি অভিশপ্ত মাস হিসেবে দেখা দিয়েছে।১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনী দিয়ে গণহত্যা চালানো হয়েছে, ১৮ ই জুলাই সেনাকল্যাণ ভবনে আগুন, ১৯ শে জুলাই জিন্দা পীরের ধপাস তত্ত্ব, ২১ শে জুলাই মাইলস্টোন কলেজে বিমান দুর্ঘটনা। একটার পর একটা অঘটন ঘটেই চলেছে।
সত্য সবসময় সুন্দর।
লুসিড ড্রিম
২১ শেখ জুলাই, ২০২৫