Mahfuz's BCS & other job cares

Mahfuz's BCS & other job cares Highly effective for 'BCS & other job cares'...

আজ অনুষ্ঠিত খাদ্য অধিদপ্তর এর উপ খাদ্য পরিদর্শক পদের পরীক্ষার Fullপ্রশ্নের সমাধান (২৫.১০.২০২৫সংগৃহীত
25/10/2025

আজ অনুষ্ঠিত খাদ্য অধিদপ্তর এর উপ খাদ্য পরিদর্শক পদের পরীক্ষার Fullপ্রশ্নের সমাধান (২৫.১০.২০২৫
সংগৃহীত

21/09/2025
আজকে অনুষ্ঠিত  িসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় আসা   প্রশ্নের সমাধান।Collected
19/09/2025

আজকে অনুষ্ঠিত িসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের সমাধান।
Collected

16/08/2025

বিসিএস (BCS) কথন: পর্ব ১

আজকের এই অংশে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) এর ১ম ধাপ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা সংক্রান্ত আলোচনা করবো। সাথে আমার পড়ার স্ট্র‍্যাটেজি এবং বিভিন্ন বিষয়াদি প্রশ্নোত্তর স্টাইলে তুলে ধরার চেষ্টা করবো। শুরু করা যাক।

১। ★★ বিসিএস পরীক্ষা কি? এর পদ্ধতি, আবেদনের যোগ্যতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া কেমন?

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বা বিসিএস পরীক্ষা মূলত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন (পিএসসি) এর মাধ্যমে নেওয়া হয়ে থাকে। একজন বিসিএস কর্মকর্তা হতে গেলে বেশ ক'টি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। চার বছর মেয়াদী বিএ/বিএসসি/অনার্স ইত্যাদি পাস করা সাপেক্ষে আবেদন, এরপর ২০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, ৯০০+২০০ মিলিয়ে মোট ১১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা, এরপর ২০০ নম্বরের ভাইবা বোর্ড। এরপর চুড়ান্ত ফলাফল। চুড়ান্ত ফলাফলের পর সুপারিশ করা হয়। এখানে একটা বিষয় বলে রাখা ভাল। অনেকেই ক্যাডারদের নামের পাশে "সুপারিশপ্রাপ্ত" শব্দটা শুনে ভেবে থাকেন যে কেও সুপারিশ করেছে কিনা 😂 বিষয়টা এমন না। মূলত, কর্ম কমিশন ফলাফল টা পাবলিশ করার সময় তা সরকারের নিকট পেশ করেন, মানে সুপারিশ করলেন যে এরা আসলে ক্যাডার অথবা নন ক্যাডার পদের জন্য যোগ্য। এরপর সরকার চাকরিতে নিয়োগ দেয়। অর্থাৎ, সুপারিশ করার দায়িত্ব পিএসসির, নিয়োগ দেয়ার ক্ষমতা সরকারের। যাই হোক, এখানেই কি শেষ কাজ? একদমই না। আরো বেশ কিছু পথ পাড়ি দিতে হবে। সুপারিশপ্রাপ্ত হবার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, গেজেট বা প্রজ্ঞাপন এবং পরিশেষে জয়েনিং। আবেদন থেকে জয়েনিং এর কার্যক্রম শেষ করতে মোটামুটি ৪-৫ বছর লেগে যায়। সুতরাং কারো যদি বিসিএস কর্মকর্তা হবার অভিপ্রায় থেকে থাকে, তাহলে সবার আগে যেটি লাগবে তা হলো ধৈর্য। ধৈর্য না থাকলে আগেই ছেড়ে দিয়ে মাইন্ড অন্যদিকে শিফট করাটাই যুক্তিযুক্ত। কেননা দিনশেষে সবই চাকরি। বেঁচে থাকার অবলম্বন। সৎ পথে সৎ উপার্জনের মাধ্যমে জীবিকা উপার্জনের হাজারটা পথ থাকে। ২০১৫ সালে প্রশ্ন ফাঁসের চক্করে মেডিকেলে পড়ার স্বপ্ন ধূলিসাৎ হবার পর আমার ইচ্ছে ছিল বিসিএস ক্যাডার হবার। এ যাত্রায় আল্লাহ আমাকে নিরাশ করেন নি। তার মানে এই নয় যে বিসিএস ছাড়া কিছু নেই। এই ক্রেজ টা আসলেই কমানো উচিত। গবেষণা, উন্নত শিক্ষা, ক্রিয়েটিভিটি এগুলার অনেক দরকার আছে একটা দেশের প্রকৃত অগ্রগতিতে। এরপরেও যাদের স্বপ্ন বিসিএস তারা বাকি অংশ পড়তে পারেন।

২। ★★ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা কি? কেন দিতে হয়? কতজন এ পরীক্ষায় অংশ নেয়?

বিসিএস পরীক্ষার প্রথম ধাপ প্রিলিমিনারি বা বাছাই পর্ব। মোটামুটিভাবে দশটি বিষয়ের উপর ২ ঘণ্টায় ২০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা দিয়ে বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ হলে আপনি দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষায় বসতে পারবেন। লিখিত পরীক্ষাই বিসিএস পরীক্ষার মূল ধাপ। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার নম্বর বিসিএস ক্যাডার প্রাপ্তিতে কোন ভূমিকা রাখেনা। প্রতি বছর গড়ে ৩-৪ লাখ পরীক্ষার্থী প্রিলিমিনারিতে অংশ নেয়। খুব সম্ভবত ৪১ বিসিএস পরীক্ষায় ডেইলি ক্যাম্পাস নিউজ করেছিলো "৫৯ দেশের জনসংখ্যাকে ছাড়ালো ৪১ তম বিসিএসের আবেদন।" সে বছর আবেদন মোটামুটি সাড়ে ৪ লাখের কাছাকাছি পৌছেছিলো। যাই হোক, আপনাকে এটা ধরে রাখতে হবে আনুমানিক ৩-৪ লাখের একটা সংখ্যার সাথে আপনার প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বসতে হবে।

৩। ★★ প্রিলিমিনারি টেকার ক্ষেত্রে প্রথম কাজটা কি? এক্ষেত্রে ব্যাসিক কতটা জরুরী?

সহজ বলতে আসলে দুনিয়ায় কিছু হয়না। যদি থাকে ওইটা বাবা মায়ের আদর ভালবাসা। এখন সহজ যেহেতু না, তাইলে উপায়? অনেক উপায় আছে। প্রথমত, আপনাকে কৌশলী হতে হবে। দ্বিতীয়ত, ব্যাসিক শক্ত থাকা বেশ জরুরি। আপনার ব্যাসিক ভাল থাকলে তো মাশআল্লাহ। আপনার পরিশ্রম অনেকটাই কমে যাবে। এখন অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, ব্যাসিক আসলে কিভাবে ভাল করতে পারি? দেখুন, ব্যাসিক একদিনে গড়ে উঠে না। ছোটবেলা থেকে পড়াশোনার বিভিন্ন স্টেজে আপনি ঠিক কিভাবে চেষ্টা করেছেন তার মাধ্যমেই ব্যাসিক গড়ে উঠবে। এর মানে এই না যে আপনার বর্তমান ব্যাসিকের অবস্থা খারাপ হলে আপনি তা কাটিয়ে উঠতে পারবেন না। বড়জোর অন্যের থেকে আপনাকে শ্রম, ধৈর্য কিছুটা বেশি দিতে হতে পারে। তবে অসম্ভব বলতে কিছু নেই। মনে রাখবেন, নেপোলিয়ন বলেছিলেন, "Impossible is the word found only in a fool's dictionary. Wise people create opportunities for themselves and make everything possible." কৌশলী হওয়া, ব্যাসিকের উপর জোর দেওয়া, ভাল বই বাছাই করে চোখ কান বন্ধ করে পড়তে বসা। চোখ কান বন্ধ মানে মোটামুটি বাইরের জগৎ থেকে। আবার বই পড়ার সময় চোখ কান বন্ধ কইরেন না 😁

৪। ★★ বই সিলেকশন বা বুক লিস্ট কেমন হতে পারে? এক বিষয়ের জন্য কয়টা বই পড়তে হবে?

প্রিলিমিনারি টেকার ক্ষেত্রে বই সিলেকশন খুব প্রয়োজনীয় একটি কাজ। আমার মনে হয় বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম ছেলেমেয়ে প্রিলি ফেল করে না বুঝে কয়েক গুচ্ছ আজগুবি বই কিনে হ-য-ব-র-ল স্টাইলে পড়ার কারণে। বিসিএস এর জন্য যেকোন প্রকাশনীর একটা বই পড়লেই হয়। এই লাইনটা ভালভাবে ফলো করেন "৪/৫ টা প্রকাশনীর বই কিনে একবার ছন্নছাড়া ভাবে পড়ার থেকে একটা ভাল প্রকাশনীর বই ৪/৫ বার করে পড়া অনেক ভাল।" কেও যদি একাধিক বই ভাল করে পড়তে পারেন, সেটা একান্তই নিজস্ব ব্যাপার। তবে এক্ষেত্রে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। পড়তে থাকেন, পেয়ে যাবেন আশা করি।

৫। ★★ আপনার পরামর্শ অনুযায়ী কি কি বই পড়া যেতে পারে? আপনি কি কি পড়ছিলেন?

আমি বেশির ভাগ জর্জ এমপি-৩ সিরিজের বই কিনেছিলাম। পরবর্তীতে খুব একটা চেঞ্জ করা হয়নি। তবে সত্যি বলতে, এখন বাজারে বেশ ভাল ভাল প্রকাশনীর বই আছে। আমি এখানে কোন মার্কেটিং করছি না। শুধু নিজে যা পড়েছিলাম, তার সাথে আর কিছু যোগ করে আপনাদের জানাচ্ছিঃ

ক) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: জর্জ এমপি-৩/অগ্রদূত
খ) ইংরেজি ভাষা: Master
গ) ইংরেজি সাহিত্য: মিরাকেল+ইন্টারনেট। সাহিত্য পড়ার কিছু কৌশল আছে। পরে শেয়ার করবো।
ঘ) বাংলাদেশ: জর্জ এমপি-৩
ঙ) আন্তর্জাতিক: জর্জ এমপি-৩
চ) গণিত: ৮/৯/১০ এর সাধারণ এবং উচ্চতর গণিতের বোর্ড বই+বিগত প্রশ্ন সমাধান
ছ) মানসিক দক্ষতা: ওরাকল/এমপি-৩+ বিগত প্রশ্ন
জ) ভূগোল: ৯/১০ এর বোর্ড বই থেকে টপিক ধরে [এই বিষয় বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক বই থেকে অর্ধেকের বেশি কাভার হয়ে যায়]
ঝ) সাধারণ বিজ্ঞান: জর্জ এমপি-৩ /সাইন্স আওয়ার/ ওরাকল
ঞ) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: ইজি কম্পিউটার/আলাল'স কম্পিউটার, ইন্টারের বোর্ড বই।
ট) নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন: বিগত প্রশ্নসমূহ ব্যাখ্যা সহ।

৬। ★★ দৈনন্দিন পড়ার পদ্ধতি কেমন হবে? কত ঘণ্টা করে পড়তে হবে? কয় মাস পড়তে হবে?

দেখুন, শুরুতেই বলে নিয়েছিলাম ব্যাসিকের কথা। আপনার ব্যাসিক স্ট্রং থাকলে আর আপনি কৌশলী হলে ৬-৮ মাসেই সব কাভার দিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনার দৈনিক মিনিমাম ৮-১০ ঘণ্টা সময় দিতেই হবে। আবার, ব্যাসিক তুলনামূলক দুর্বল এবং একদম শুন্য থেকে প্রস্তুতি নিতে চাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে এক থেকে দেড় বছর পর্যাপ্ত সময়। পড়ার টাইম দৈনিক ৮-১০ ঘণ্টা হওয়া উচিত। তবে মূল বিষয়টা হলো ধৈর্য আর কনসিস্টেন্সি। অধিকাংশেরই একটা সাধারণ সমস্যা হলো দুইদিন পড়লাম, আর সাতদিন খবর নাই। এ টাইপ পড়াশোনা কলেজ, ভার্সিটি এর এক্সামে মোটামুটিভাবে মানা যায়। কিন্তু বিসিএস এ এভাবে হবেনা। বরং আপনি যে পরিশ্রম টুকু করবেন সেটা পণ্ডশ্রম হবে। আমি অনেক ক্যান্ডিডেট দেখেছি যারা সাতদিন পাগলের মত পড়ে। এরপর আবার ২/৩ মাস ভ্যাকেশনে থাকে। বিসিএস এর ক্ষেত্রে এটা করলে অযথা আপনারই লস। হয় ধারাবাহিকতা রাখেন, নাহয় শুরুতেই ছেড়ে দেন। তবে হ্যাঁ, আপনি সপ্তাহে ৫ দিন পড়লেন খুব ভালভাবে, ২ দিন একটু ঘাটতি হলো, অথবা, একদিন ১২ ঘণ্টা, অন্যদিনে ৫/৬ ঘণ্টা পড়লেন, এগুলা মেকাপ করে নিতে পারবেন। লং টার্ম গ্যাপ হওয়া যাবেনা। মোটকথা, আপনার পড়ার মধ্যে ধারাবাহিকতা মেইনটেইন করে রাখতে হবে।

৭। ★★ পড়ার সময় ধারাবাহিকতা রাখতে হবে তা বুঝি। কিন্তু তার জন্য ধৈর্য টা রাখবো কিভাবে? আপনি কিভাবে ধৈর্য ধরে রাখছিলেন?

ধৈর্য না থাকলে ছেড়ে দিতে হবে সেটা সেই শুরুর আলোচনায় বলেছিলাম। আপনি সিভিল সার্ভিসে আসতে চান, ভাল জব পেতে চান, জব সিকিউরিটিও চান সেজন্য এতটুকু সেক্রিফাইস করতেই হবে। মনকে প্রশ্ন করেন যে আপনার চাকরিটা লাগবে কিনা। আপনার পরিবারের হাল আপনাকে ধরতে হবে কিনা। আগামী ৩০ বছর যদি আল্লাহ বাঁচায় রাখে তাহলে কিভাবে জীবনটাকে দেখতে চান, এসব ভাবনা ভাবুন, ধৈর্য এমনি চলে আসবে। আমার এমন অনেক সময় মনে হইছে ছেড়ে দেই। এসব উদ্ভট জিনিস কে পড়ে! কিন্তু আবার শুরু করছি। এমন অনেক অনেক দিন গেছে যে পড়তে পড়তে ঘুমে পড়ে যাচ্ছি, কিন্তু চোখে পানির ঝাপটা নিয়ে এসে আবার বসছি টেবিলে। আর এটা আমি নাহ। যারা সৎ উপায়ে একটা চাকরি পায়, তাদের সবার জীবনেই এমন কষ্টের দিন অতিবাহিত হয়েছে। টেবিলে বসে থাকতে থাকতে কোমড়, ব্যাকসাইড ব্যাথা হয়ে গেছে, একবার তো মাথা ঘুরে পড়েও গেছিলাম ভাই। হাল ছাড়লে হবে না। আর একটা কষ্টের অথচ মজার বিষয় শেয়ার করি আপনাদের। একবার আমি ভাত রান্নার জন্য রাইস কুকারে চাল ধুয়ে রান্নার জন্য দিছি। ঘণ্টা খানেক পরে পড়ার মধ্যে ব্রেক দিয়ে ভাত হইছে কিনা দেখতে গেছি। গিয়ে দেখি কুকারের ভেতরে পাত্র নেই। কই গেল? বেশ কিছুক্ষণ খুঁজে দেখি চালসহ পাত্র ফ্রিজে ঢুকায় রাখছি। পড়ার প্রেশারে আসলে খেয়াল ছিলনা যে পাত্র কই রাখছিলাম। মাথা ব্যাথা, ঘুমে ঢলে পড়া, বসে থাকতে থাকতে কোমড়, ব্যাক ব্যাথা হয়ে যাওয়া এসব হতেই থাকবে। কিন্তু ধৈর্যহারা হইয়েন না। যখনই ধৈর্য চলে যেতে যাবে, নামাজ পড়বেন আর ভাববেন আপনার চাকরিটা লাগবে কিনা।

৮। ★★ এতগুলো বই দেখলেই তো ভয় করে। শেষ হবে কখন এই ভয়ে বই খুলতেই মন চায়না। বই পড়ে শেষ করার কোন উপায় আছে আপনার কাছে? থাকলে সেগুলা কি কি? আর, পড়ার ক্ষেত্রে একটা একটা করে বই ধরে শেষ করবো নাকি রোজ কিছু বিষয় একসাথে?

যদিও এটা আপনার স্ট্র‍্যাটেজির উপর নির্ভর করে, তবে একটা করে শেষ করার মধ্যে ভুলেও ঢুকবেন না। আমার পরামর্শ থাকবে যে রোজ চার অথবা পাঁচটা বিষয় অন্তত কাভার দেয়ার চেষ্টা করেন। ভোরবেলা নামাজ কালাম পড়েই কোন এক বিষয় (আপনার ইচ্ছানুযায়ী) নিয়ে বসলেন। এরপর আরেক বিষয়। প্রতি বিষয়ে গড়ে ২/৩ ঘণ্টা করে রাখেন। এভাবে দৈনিক ১০/১২ ঘণ্টা হিসাবে ৪/৫ টা বিষয় কাভার করবেন। পরের দিন সকালে উঠে আগের দিন যেই বিষয় কম হইছে ওই বিষয় দিয়ে পড়া শুরু করবেন। এটা বেশ কার্যকরী সব বই একসাথে শেষ করার ক্ষেত্রে। গণিত এবং ইংরেজিকে এক্ষেত্রে রোজকার রুটিনে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

আরেকটা বিষয় শেয়ার করি। বই শেষ করার ক্ষেত্রে আমি এক অদ্ভুত স্ট্র‍্যাটেজি ফলো করতাম। কাজটা করতাম আমার বিরক্তিভাব কমানোর জন্য। এক পড়া পড়তে পড়তে বিরক্তি লাগেনা? বেশির ভাগ মানুষেরই তাই। এজন্য আমি বিক্ষিপ্তভাবে পড়তাম। মানে কোন সিরিয়াল মেইনটেইন করতাম নাহ। যেমন ধরেন, আমি বাংলাদেশ বিষয়াবলি পড়তেছি। শুরুর অংশ ভাল্লাগতেছে না কয়েকদিন পড়ার পর। এরপর আন্দাজে মাঝের দিকে একটা পেজ বের করে ওই অধ্যায় পড়া শুরু করতাম। এরপর সেই অধ্যায় শেষ হলে আবারো একইভাবে বিক্ষিপ্তভাবে অন্য আরেকটি অধ্যায়। অধ্যায় শেষ হলে সূচিপত্রে দাগিয়ে রাখতাম অবশ্যই। এই সিস্টেম আমি এজন্যই করতাম যেন আমার মনে না হয়, এতো পড়া কবে শেষ হবে। এভাবে করতে করতে একটা সময় দেখি অনেকটাই শেষ হয়ে যেতো। এভাবে বেশির ভাগ বইগুলা পড়ে শেষ করেছি। আপনি চাইলে এই পদ্ধতি ফলো করতে পারেন।

৯। ★★ আমি মাত্র অনার্স ফার্স্ট ইয়ার/সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। আমার এখন থেকে কিভাবে পড়া উচিত?

আপনি ভার্সিটিতে ১ম বা ২য় বর্ষে আছেন। এমনিতেই সেমিস্টার, মিড, প্রেজেন্টেশনের প্যাড়ার অভাব নেই। তাই এই দুই বছর বিসিএস এর চক্করে নিজের সুস্থ জীবনটা পাগল বানানোর একদমই দরকার নেই। চিল করেন, সিজিপিএ বাড়ানোর চেষ্টা করেন। এক্সট্রা কারিকুলার বিভিন্ন কাজ আছে, সেগুলাতে পার্টিসিপেট করবেন। তবে হ্যাঁ, একটা কাজ করতে পারেন বিসিএস এর জন্য। সেটি হলো, সম্ভব হলে টিউশনি করবেন। এতে আপনার সাবলম্বী হবার পথও বেশ খুঁলে যাবে। অন্তত গণিত এবং ইংরেজি এই দুই সাবজেক্টের টিউশনি করবেন। তবে ফাঁকিবাজি স্টাইলে পড়াবেন না। আগে নিজে হাতে কলমে বাসায় করবেন, বুঝবেন এবং তারপর স্টুডেন্ট কে শেখাবেন। এতে আপনার গণিত আর ইংরেজির যে কি উপকার পাবেন, সেটা পরেই টের পাবেন। আর যদি টিউশনি না পান, তাহলে এই কাজ দুইটাই বাসায় বসে বসে করবেন। ৮/৯/১০ এর গণিত বোর্ড বইগুলা একদম ধরে ধরে শেষ করবেন। আর ইংরেজির জন্য মাস্টার গ্রামার বই থেকে রোজ ২/৩ পাতা করে শেষ করে রাখেন। গ্রামারের পাশাপাশি রোজ কিছু ভোকাবুলারি শিখুন। অর্থাৎ, আমি বলতে চাচ্ছি, ১ম এবং ২য় বর্ষে ভার্সিটির চাপের পাশাপাশি আপনি শুধু গণিত আর ইংরেজি অংশটা পড়ে আগায় রাখেন। পড়ার কৌশলগুলা কেমন হবে তা বিস্তারিত জানতে পরবর্তী পোস্টগুলা ফলো করলে পেয়ে যাবেন।

১০। ★★ আমি ৩য় বর্ষে/চতুর্থ বর্ষে আছি। এখন আমার প্রিপারেশন কিভাবে নেওয়া উচিত?

বিসিএস প্রস্তুতির সময়কাল হিসেবে থার্ড ইয়ারের মাঝামাঝি সময়টা আমার কাছে উপযুক্ত মনে হয়। কারণ আমি নিজেও তাই করেছিলাম। যার ফলস্বরূপ, অ্যাপেয়ার্ড দিয়ে প্রথম বিসিএসে আল্লাহ আমাকে কবুল করেছেন। এক্ষেত্রে শুরুতে বাংলা, গণিত, ইংরেজি, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক এই ৫ টা বিষয় দিয়ে শুরু করবেন। প্রথম দিকে রোজ ৩/৪/৫/৬ ঘণ্টা সময় দিতে থাকবেন। কিছুদিন গেলে দেখবেন ভেতরে একটা পড়া পড়া ভাইব আসছে। এরপরে আস্তে আস্তে সময় কিছুটা বাড়িয়ে এডজাস্ট করে নিবেন। চেষ্টা করবেন অনার্স ফাইনাল ইয়ার পরীক্ষার অন্তত ১ মাস আগে সব শেষ করা। এরপর অনার্স এক্সাম শেষে পুরোদমে রিভিশন আর রিভিশন। তারপর শুরু হবে মডেল টেস্ট দেওয়া। মডেল টেস্ট বিষয়ে পরবর্তী প্রশ্নোত্তরে আলোচনা থাকবে।

★★ চলতে থাকবে.......!!

সৌজন্যে-

মোঃ আশরাফুল ইসলাম

বিসিএস ৪৪ (প্রশাসন) [সুপারিশপ্রাপ্ত]

এসএসসিতে জিপিএ-৩.২৫— ব্যর্থতা আর জেদ থেকে বিসিএস জয় আনিসুরের।যারা হতাশায় আছেন গল্পটি তাদের জন্য। গল্পটি একটু বড় তাই ধৈর...
09/08/2025

এসএসসিতে জিপিএ-৩.২৫— ব্যর্থতা আর জেদ থেকে বিসিএস জয় আনিসুরের।

যারা হতাশায় আছেন গল্পটি তাদের জন্য।
গল্পটি একটু বড় তাই ধৈর্য্য সহকারে পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো।

আমার গল্পে কেউ অনুপ্রাণিত হোক, হতাশার বেড়াজাল ছিড়ে স্বপ্নগুলো ডানা মেলে উড়ুক ঐ মুক্ত আকাশে। জীবনটা অমূল্য, সত্যিই অমূল্য। আমার বিসিএস জার্নিটা যদি কারো এতটুকু উপকারে আসে আমি সার্থক। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আমি মো. আনিসুর রহমান, পিতা— মো: আবদুল মোমেন, মাতা— কাউসার আক্তার। গ্রাম: বড়উঠান, উপজেলা: কর্ণফুলী, জেলা: চট্টগ্রাম। একটি শান্ত, সবুজ, শ্যামল গ্রামেই আমার বেড়ে উঠা। আমার বাবা একজন সরকারি চাকরিজীবী, মা গৃহিণী।

ছোটবেলা থেকে রক্ষণশীল পরিবারে আমার বেড়ে উঠা। আমার চার ভাইদের মধ্যে আমি সবার বড়। আমি ২০০৯ সালে দৌলতপুর বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম পাবলিক পরীক্ষা এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। বাবা—মায়ের শত চেষ্টায়ও পড়ালেখায় সিরিয়াস ছিলাম না। এসএসসিতে আমার জিপিএ ছিল ৩.২৫। আমার রেজাল্ট আমার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের কাছে করুণার একইসাথে চরম লজ্জার বিষয়বস্তুতে পরিণত হলো। আব্বার অফিসের গার্ড চাচার ছেলের জিপিএও ছিল আমার চেয়েও বেশি। আব্বু প্রচন্ড মন খারাপ করল। আমার ভবিষ্যত নিয়ে আমাদের ঘরে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। আমার যে রেজাল্ট তাতে আর যাই হোক কোন সরকারি কলেজে চান্স হবে না। কেউ বলল আমাকে আবার পরীক্ষা দিতে, কেউ বলল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে ডিপ্লোমা করতে, কেউ বলল গ্রামের কোন একটি কলেজ থেকে ফরম নিতে।

আমার তখন লজ্জায় মুখ লুকানোর মতো অবস্থা। মনে হচ্ছে যেন কোন পাপ করে ফেলেছি। যাই হোক আবারও পরীক্ষা দেয়ার বিষয়টি মোটামুটি চুড়ান্ত। লজ্জায়, অপমানে মনের মধ্যে একটা জিদ চলে এলো। আব্বুকে বললাম, যাই হোক আমি ইয়ার লস দিব না। আমি কলেজে ভর্তি হব। মনোযোগ দিয়েই পড়াশোনা করব। কলেজে ভর্তি হতে গিয়ে কোন সরকারি কলেজ থেকে ফরম পাই নি। শেষে দিলোয়ারা জাহান মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ভর্তি হই। প্রতিদিন ক্লাস করতাম। ২০১১ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে তুলনামুলকভাবে ভালো করি। এইচএসসিতে আমার জিপিএ ছিল ৪.০০। আমার এখনো মনে আছে, আমি এইচএসসিতে জিপিএ ৪.০০ পাওয়ায় আব্বা মসজিদে মিষ্টি বিলি করেছিল।

বিসিএসে বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জিপিএ কোন ফ্যাক্ট না। আমি এসএসসিতে ৩.২৫ জিপিএ নিয়ে আপনাদের সামনে কথা বলছি। আপনার মধ্যে যদি জেদ থাকে, কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকে, নিজের দুর্বলতাগুলো যদি আইডেন্টিফাই করতে পারেন, প্রতিদিন অন্তত ১২-১৪ ঘন্টা যদি পড়তে পারেন আপনি ইনশাআল্লাহ ফার্স্ট টাইম ক্যাডার হবেন।

এরপর শুরু হলো আমার আসল সংগ্রাম। আমার প্রথম প্রেম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। দিন-রাত পড়তাম। সকালে ফজরের নামাজ পড়ে পড়তে বসতাম। সকাল ১১টায় গ্রাম থেকে চট্টগ্রাম শহরে কোচিংয়ে যেতাম। বিকেলে ফিরে আবারো পড়তে বসতাম। রাত পর্যন্ত পড়তাম, রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে যেতাম। নিয়মিত নামাজ পড়তাম। আব্বু-আম্মু রাজি না থাকায় চট্টগ্রামের বাইরে কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফরম নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ইউনিট থেকে ফরম নেই। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওয়েটিং লিস্টে থাকলেও কোন ইউনিটে চান্স হয়নি।

মনটা ভেঙ্গে গেল। আবারও সিদ্ধান্ত নিলাম, যাই হোক আমি ইয়ার লস দিব না। ভেবেছিলাম চট্টগ্রাম শহরের কোন একটি কলেজে অনার্স করব। কিন্তু জিপিএ কম থাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গ্রামের গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে ফরম নিই। ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে অর্থনীতিতে ভর্তি হই। অনার্সে নিয়মিত ক্লাস করতাম। গ্রামের কলেজে খুব কম ক্লাস হতো। চট্টগ্রাম শহরের কলেজগুলোতে অনেক বেশি ক্লাস হতো। আমি আমার বন্ধুদের সাথে গিয়ে চট্টগ্রাম কলেজ, মহসিন কলেজে ক্লাস করতাম। এভাবে ফার্স্ট ক্লাস নিয়ে অনার্স শেষ করলাম। ফার্স্ট ক্লাস পাওয়ায় চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ফরম নিয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হলাম।

মাস্টার্সে পড়া অবস্থায় চট্টগ্রামের মুসলিম ইনস্টিটিউটে বিসিএস কনফিডেন্স কতৃর্ক আয়োজিত ৩৫তম বিসিএস ক্যাডারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি থেকে বিসিএস ক্যাডার হওয়ার সুপ্ত বাসনা মনের মধ্যে জেগে উঠে। তখন থেকেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন কোচিংয়ে ফ্রি ক্লাস, সেমিনারগুলোতে অংশগ্রহণ করতাম। এভাবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষ করি। অনার্স এবং মাস্টার্সে আমার সিজিপিএ ছিল ৩.২২।

অনার্স পাশের পর বিসিএস এর জন্য ম্যাথ, সাধারণ জ্ঞান পড়তাম। পুরোদমে আমার বিসিএস প্রস্তুতি শুরু হয় মাস্টার্সের পর। চট্টগ্রাম শহরে মেসে চলে আসলাম।

২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের সাকুর্লার হয়। ২০১৯ সালে বিসিএস কনফিডেন্সে প্রিলিমিনারি কোর্সে ভর্তি হই। প্রতিটি ক্লাস করতাম, প্রতিটি এ্যাসাইনমেন্ট লিখিত আকারে রেডি করতাম। অনেক কষ্ট হত তবুও যে টপিকের এ্যাসাইনমেন্ট থাকত তা লিখিত আকারে মূল জিনিসটা লিখতাম। সিলেবাস বুঝে বুঝে কোন টপিক থেকে প্রশ্ন বেশি হয় সেগুলো বেশি বেশি পড়তাম। যেগুলো থেকে কম প্রশ্ন হয় বা পারি না সেগুলো প্রথম দিকে বাদ দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে মূল টপিকগুলোতে ভালো প্রিপারেশন হওয়ার পর এগুলোতে সময় দিয়েছিলাম। মাঝামাঝি মানের ছাত্র ছিলাম। কিছুদিন পরেই করোনা মহামারির জন্য সব কোচিং বন্ধ হয়ে গেল। আমি মেস থেকে গ্রামে চলে গেলাম। গ্রামে থাকাকালীন সময়টায় বেকারত্ব, ডিপ্রেশনের জন্য অসুস্থ হয়ে পড়ি। আবার চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠি। আড্ডা, ঘুরাঘুরি, মোবাইল আসক্তি বন্ধ করে দিলাম। তারপর আমার পড়ালেখাই আমার ধ্যান-জ্ঞান। লকডাউনের প্রায় ৬ মাস দিনে ১২-১৫ ঘন্টা করে পড়েছি।

এভাবে ১৯ মার্চ ২০২১ সালে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা দিই। মনে হলো পাশ করব। কনফিডেন্সে লিখিত কোর্সে ভর্তি হই। এরমাঝে ৪৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ডেট দেয়। আমি সেদিনটির কথা কখনো ভুলব না। যেদিন প্রিলি পরীক্ষা ছিল সেদিন একটি প্রাইভেট ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষা ছিল ঢাকায়। একটি চাকরি আমার খুব প্রয়োজন ছিল। চট্টগ্রামে দুপুর ১২টায় প্রিলি দিয়ে বিমানযোগে ঢাকা গিয়ে দুপুর ৩ টায় ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি এবং ঐ চাকরির ভাইবার জন্য ডাক পাই। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আমার চাকরিটা হয়নি। খুব হতাশ হয়ে পড়ি। এভাবে পড়তে পড়তে একসময় বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ডেট দেয়। নিজের সবোর্চ্চটা দিয়ে লিখিত পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো গুছিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। প্রচুর ডেটা, কোটেশন মুখস্থ করেছি। নিয়মিত অনুবাদ চর্চা করেছি। প্রতিদিন অন্তত ১-২ ঘন্টা দুইটি বাংলা দৈনিক (প্রথম আলো ও ইত্তেফাক) পড়েছি।

বিগত বিসিএস এর সব প্রশ্ন বুঝে বুঝে সমাধান করেছি। একাধিক বই না পড়ে একসেট বই বারবার পড়েছি। অন্য বই থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মূল বইয়ের কোণায় কোণায় লিখে রেখেছি।

আমার হাতের লেখা খুবই ছোট এবং স্লো কিন্তু পরিস্কার। লিখিত পরীক্ষায় খুব সংক্ষেপে মূল বিষয়টা লিখার চেষ্টা করেছি। পয়েন্ট, কোটেশন, গুরুত্বপূর্ণ বাক্যগুলো নীল কালিতে লিখেছি। লিখিত পরীক্ষাও খুব ভালো হয়। ২০২১ সালের ২৯ ডিসেম্বর আমার লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। তারপর ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি আমি আরেকটি প্রাইভেট ব্যাংকে যোগদান করি। বর্তমানে সেখানেই কর্মরত আছি। আত্মবিশ্বাস ছিল লিখিত পাশ করব। আলহামদুলিল্লাহ এ যাত্রায়ও পাশ করে যায়।

৩ আগস্ট ২০২৩, বিসিএস ফাইনাল রেজাল্টের দিন সারাদিন অফিসেই ব্যস্ত ছিলাম। অফিসের কেউ জানতো না সেদিন রেজাল্ট হবে। অফিস শেষে আমি আমার একজন কলিগসহ চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিই। আমাকে মাঝপথে কুমিল্লা যেতে হবে, কিন্তু কোন গাড়ি পাচ্ছিলাম না। বাধ্য হয়ে সিট না পেয়ে একটি বাসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কুমিল্লার পথে যাত্রা করলাম। সকাল থেকে এর মধ্যে কত হাজার বার রেজাল্ট চেক করেছি। দিচ্ছে না, দিচ্ছে না। হঠাৎ দেখলাম সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে পিএসসির ওয়েবসাইটে রেজাল্ট আপলোড করা হয়েছে। আমি তখনো বাসে ঠাঁই দাঁড়ানো। ভয়ে ভয়ে রেজাল্ট ডাউনলোড করলাম। ইচ্ছা ছিল একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিজের রোল চেক করব। আল্লাহ ভাগ্যে যা রেখেছেন আলহামদুলিল্লাহ বলে মেনে নিব। বাসে দাঁড়িয়ে থাকায় সেটা সম্ভব হয়নি। বিসমিল্লাহ বলে নিজের রোল সার্চ দিলাম। আলহামদুলিল্লাহ বিসিএস সাধারণ শিক্ষা (অর্থনীতি) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি, মেধাক্রম ৪র্থ। কয়েকবার চেক করলাম। তারপর একটা বিকট চিৎকার দিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কলিগকে কয়েকবার জড়িয়ে ধরলাম। আর আল্লাহকে বললাম, আল্লাহ তুমি চাইলে কাউকে ঝুলিয়ে ঝুলিয়েও ক্যাডার বানাতে পারো। আলহামদুলিল্লাহ।

বিসিএসে বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জিপিএ কোন ফ্যাক্ট না। আমি এসএসসিতে ৩.২৫ জিপিএ নিয়ে আপনাদের সামনে কথা বলছি। আপনার মধ্যে যদি জেদ থাকে, কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকে, নিজের দুর্বলতাগুলো যদি আইডেন্টিফাই করতে পারেন, প্রতিদিন অন্তত ১২-১৪ ঘন্টা যদি পড়তে পারেন আপনি ইনশাআল্লাহ ফার্স্ট টাইম ক্যাডার হবেন। চাকরিটা যদি আপনার সত্যিই প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি অবশ্যই কাজগুলো করতে বাধ্য থাকবেন।

ভাই, জীবনের ৩০টি বছর ভাল থাকার জন্য একটি বছর অনায়াসেই বিনিয়োগ করা যায়। আর একটা কথা, এতকিছু করার পরও আপনার ভাগ্যের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আপনার রিজিক যেখানে, আপনি ঠিক সময়ে সে জায়গায় পৌছে যাবেন। আমার এসএসসিতে জিপিএ ছিল ৩.২৫।

আমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারিনি। আমার এসএসসি ও এইচএসসিতে অর্থনীতি অপশনাল সাবজেক্ট ছিল। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি ভুল করে অর্থনীতি ফার্স্ট চয়েচ দিই। আজ সে অথনীতিতেই সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েই আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি। আমি তখন বুঝতে পারিনি আমার দুর্বলতাগুলো আল্লাহ এত সুন্দর করে সাজিয়েছেন। নিশ্চয় আল্লাহর পরিকল্পনা আমাদের চেয়ে সুন্দর। তাই আমরা যে যে অবস্থানে আছি, সবসময় আল্লাহর শুকরিয়া করা উচিত।

আমার এ পথ চলাকে যদি একটি ছোট গল্প বলি তবে সে গল্পের নায়ক আমার বাবা। অবশ্যই আমার বাবা। বাবা আমাকে কখনো টাকার অভাব বোধ করতে দেয়নি। এছাড়া আমার পরিবার, শিক্ষকমন্ডলী, কাছের বন্ধুগণ, প্রিয় রুমমেট, কোচিংয়ের সহযোদ্ধা প্রত্যেকটা মানুষের কাছ থেকে সবসময় কিছু না কিছু শিখেছি।

আপনাদের প্রত্যেকের সাপোর্টের জন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। আমি আপনাদের কাছে ঋণী। আমার জন্য দোয়া করবেন যেন মানুষের সেবা করার মহান ব্রত নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারি। আপনার ভালবাসা, বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে পারি। ইনশাআল্লাহ আমি সেটার সবোর্চ্চ চেষ্টা করব।

BCS Preli ডে-৮ পরীক্ষা ⭐https://makemcq.com/v3/test/109385
09/08/2025

BCS Preli ডে-৮ পরীক্ষা ⭐

https://makemcq.com/v3/test/109385

Mahfuz 's BCS. Prepare for Bangladesh job exams and university admission tests for free with MakeMCQ! Access study materials, tips, and resources for BCS, Bank, Govt jobs, and Engineering, Medical, and General university admissions. Ace your exams with our all-in-one guide!

09/08/2025

📍প্রশ্ন: ফোকাস রাইটিং এর জন্য আমি কোন ব‌ইটি পড়েছি?
✓এই প্রশ্নের সরল উত্তর আমি কোন ব‌ই পড়িনি।

📍প্রশ্ন: তাহলে কীভাবে ফোকাস রাইটিং এর প্রস্তুতি নিয়েছি?
✓ নিয়মিত পত্রিকা পড়েছি, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নোট করেছি, তৈরি করা নোট গুলো রিভিশন দিয়েছি প্রতিটি পরীক্ষার আগে। ফল স্বরূপ ফোকাস রাইটিং এর জোরেই তিনটি Job ও একটি বিসিএস পরীক্ষায় সফলতা পেয়েছি।

✅ এবার মূল কথায় আসি; ফোকাস রাইটিং এর জন্য আমি গুরুত্বপূর্ণ কিছু টপিকস (পরিবেশ, অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতি ইত্যাদি) অনুযায়ী কয়েকটি কোটেশন মুখস্থ করেছিলাম, পত্রিকা থেকে সংগৃহীত খুব সুন্দর থেকে টপিক ওয়াইজ ভূমিকা ও উপসংহার রেডি করেছিলাম। বার বার রিভিশন দেয়াতে সেগুলো মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। পরীক্ষায় কমন টপিক আসলেই সোজা কপি পেস্ট!!!

✅ নিয়মিত পত্রিকা কাটিং পড়ার সুবিধা:
✓ ফোকাস রাইটিং এর প্রস্তুতি হয়ে যায়।
✓ বিশ্লেষণ দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, ফলে আনকমন টপিকের ফোকাস রাইটিং আসলেও ধারণা থেকে উত্তর করে আসা যায়।
✓ এক‌ই ডেটা দুই দিন পর পর ঘুরে ফিরে পড়া হয়, তাই নিজের অজান্তেই ডেটা মুখস্থ হয়ে যায়।
✓ অন্যদের চেয়ে আলাদা মানের উপস্থাপনা কৌশল রপ্ত করা যায়।
✓ নিয়মিত পড়াশোনার মধ্যে থাকা যায়, আপনি বুঝতেই পারবেন না যে আপনি পড়াশোনা করছেন, আপনার অজান্তেই প্রিলিমিনারি, রিটেন ও ভাইবার প্রস্তুতি নেয়া হয়ে যাবে।

আশরাফুল ইসলাম,

সহকারী পরিচালক, ডিপিডিটি, শিল্প মন্ত্রণালয় (৪৩ তম বিসিএস)

08/08/2025

💥💥💥 লিখিত পরীক্ষার জন্য আমি কী কী করেছিলাম/আপনার কী করা উচিত:

প্রথমেই বলে রাখি, প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পর লিখিত পরীক্ষার জন্য তেমন সময় পাওয়া যায় না (20-25 দিন পাবেন)। তাই আপনি সারাবছর প্রিলি প্রস্তুতি নিয়ে তুখোড় খেলোয়াড় হওয়ার সত্ত্বেও চাকরি পাবেন না। এর কারণ লিখিত খারাপ দেয়া। তাই আপনার উচিত শুরু থেকেই লিখিত প্রস্তুতি অল্প অল্প করে নিয়ে রাখা।

👉 আপনার প্রথম কাজ হচ্ছে একটি প্রশ্ন ব্যাংক কিনে পড়া শুরু করা, অর্থ্যাৎ প্রশ্নের প্যাটার্ন বুঝে নেয়া। এতে করে আপনি কী পড়তে হবে বা কী বাদ দিতে হবে তার সম্পর্কে ধারণা পাবেন।

👉 গণিত প্রস্তুতির ক্ষেত্রে টার্গেট রাখুন দুইদিনে একটি চ্যাপ্টার শেষ করার। এক্ষেত্রে আপনার স্ট্রং জোনের চ্যাপ্টার গুলো আগে সলভ করুন, এতে সুবিধা হচ্ছে দ্রুত অনেকগুলো চ্যাপ্টার করে ফেলতে পারবেন এবং আপনার কনফিডেন্স বাড়বে। পরবর্তীতে আপনি আপনার উইক জোনের চ্যাপ্টার গুলো সমাধান করুন। পরীক্ষার আগে বেশি বেশি করে রিভিশন দিবেন, যেগুলো পারবেন যাস্ট দেখে যাবেন, আর একটু কঠিন মনে হলে খাতায় লিখে প্র্যাকটিস করবেন।

👉 ফোকাস রাইটিং প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আমার পরামর্শ থাকবে নিয়মিত পত্রিকা পড়া ও নিজের নোট নিজে তৈরি করা। আমি পরীক্ষার আগে নিজের তৈরি নোট বার বার রিভিশন দিতাম, ফলে পুরো জিনিসটা আমার চোখের সামনে ভাসতো। পরীক্ষার হলে লেখার ক্ষেত্রে কমন আসলে অন্যরকম তৃপ্তি অনুভব করতাম।

✓নিয়মিত পত্রিকা থেকে পেপার কাটিং পড়লে ফোকাসের স্ট্রং প্রস্তুতি হয়, এটা অনেকেই জানে না বা অপ্রয়োজনীয় মনে করে। আমার পেইজে আমি প্রতিদিন সকালে 8-10 টা পত্রিকা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সব পেপার কাটিং আপলোড করি, সেগুলো দেখলেই যথেষ্ট। এছাড়া বাজারের প্রচলিত বিভিন্ন ব‌ইয়ের সহায়তা নিতে পারেন এক্ষেত্রে।

👉 অনুবাদের জন্য‌ও পত্রিকার সাহায্য নিতে পারেন। নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা পড়লে অনুবাদের প্রস্তুতি ৭০% হয়ে যায় । Dhaka Tribune পত্রিকার ২য় পাতায় দুইটি ছোট্ট মানসম্মত কলাম দেয়া থাকে প্রতিদিন। ওগুলো যদি আপনি প্রতিদিন ভেঙে ভেঙে অনুবাদ করেন তাহলে আপনার অনুবাদ ভীতি কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ। এছাড়া অনুবাদের জন্য আপনি The business standard পত্রিকা থেকে অর্থনীতি সম্পর্কিত টপিক গুলো প্র্যাকটিস করতে পারেন। বাজারে ভালো অনুবাদের ব‌ই থাকলে সেগুলো কিনতে পারেন।

👉 আরগুমেন্ট রাইটিং এর জন্য গুগল/ইউটিউব থেকে সুন্দর কয়েকটা ফরমেট দেখে নিজে একটা তৈরি করে ফেলুন। আরগুমেন্টের জন্য কনজাংশন এর ব্যবহার রপ্ত করুন। আইবিএর বিবিএ এমবিএর প্রশ্ন ব্যাংক থেকে আরগুমেন্ট এর কয়েকটা প্রশ্ন সমাধান করলেই হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আরগুমেন্টের জন্য নিজের বিশ্লেষণ সক্ষমতা বাড়াতেও পত্রিকা পড়ার গুরুত্ব রয়েছে।

👉 লিখিত সাধারণ জ্ঞানের জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পড়তে হবে। সাথে ব্যাংক, অর্থনীতি, পুরস্কার ও পদক, খেলাধুলা, সম্মেলন, সাহিত্যসহ প্রিভিয়াস প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ টপিক গুলো দেখতে হবে।

সর্বোপরি, আপনার প্রচেষ্টা ও সৃষ্টিকর্তার সহায়তা থাকলে আপনার কাঙ্খিত গন্তব্যে অপনি পৌঁছাবেন ইনশাআল্লাহ।

শুভকামনায়,
আশরাফুল ইসলাম,

সহকারী পরিচালক (সুপ্রা), ডিপিডিটি, শিল্প মন্ত্রণালয়।

**বিসিএস প্রস্তুতির ৩৬টি টিপস**০১. আবেগ কমান, Recent সাধারণ জ্ঞান পড়া কমান। বিসিএস Recent সাধারণ জ্ঞান পাণ্ডিত্যের খেলা...
07/08/2025

**বিসিএস প্রস্তুতির ৩৬টি টিপস**

০১. আবেগ কমান, Recent সাধারণ জ্ঞান পড়া কমান। বিসিএস Recent সাধারণ জ্ঞান পাণ্ডিত্যের খেলা নয়।

০২. আগে কী পড়েছেন, কিংবা পড়েননি, সেটা ভুলে যান। বেশি পড়লেই যেমন প্রিলি পাস করা যাবেই, এমন কিছু নেই; তেমনি কম পড়লেই যে প্রিলি ফেল করবেনই, তেমন কিছু নেই।

০৩. প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা করে সামনের ৬ দিন করে দিনে গুনে গুনে অন্তত ৬০ ঘণ্টা ঠিকভাবে পড়াশোনা করবেন, এর জন্য মানসিক প্রস্তুতি রাখুন। এটা করতে পারলে আগে কোনো কিছু না পড়লেও প্রিলি পাস করে যাবে।

০৪. প্রতিদিনে বাসায় মডেল টেস্ট দেবেন।

০৫. ভালো একটা প্রিলি ডাইজেস্ট আর বিভিন্ন প্রিলি স্পেশাল সংখ্যা সমাধান করুন। প্রিলির প্রশ্নব্যাংক আর দুটি জব সল্যুশন রিভিশন দিন।

০৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হবেন না। এই দিনে মোবাইল ফোন, টিভি, ফেসবুক, ইমো, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ থেকে যতটুকু সম্ভব দূরে থাকলে আপনার জীবন বৃথা হয়ে যাবে না।

০৭. সংবিধান, রাজধানী ও মুদ্রা, শাখানদী ও উপনদী, প্রকৃতি ও প্রত্যয়সহ কিছু ঝামেলাযুক্ত টপিক আছে, যেগুলো মনে রাখতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়, অথচ মার্কস পাওয়া যায় ১-২। কী দরকার? সময়টা অন্য দিকে দিন, বেশি মার্কস আসবে।

০৮. সব ধরনের রেফারেন্স বই থেকে ১০০ হাত দূরে
থাকুন। অত সময় নেই।

০৯. বেশি বেশি প্রশ্ন পড়ুন, আলোচনা অংশটা কম পড়বেন।

১০. শেষের দিকে পেপার পড়ার আর খবর শোনার দরকার।
-
১১. মানসিক দক্ষতা, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন—এ দুটি বিষয়ের কনফিউজিং প্রশ্নের উত্তর করবেন না। সাধারণ জ্ঞান থেকে অনেক উত্তর পেয়ে যাবেন।

১২. যা কিছু বারবার পড়লেও মনে থাকে না, তা কিছু পড়ার দরকার নেই।

১৩. কে কী পড়ছে, সে খবর নেওয়ার দরকার নেই।
যাঁদের প্রস্তুতি অনেক ভালো, তাঁদের সঙ্গে এই প্রিলি নিয়ে কোনো কথা বলবেন না।

১৪. বিজ্ঞানটা শুধু প্রিলির প্রশ্নব্যাংক আর জব সল্যুশন থেকে পড়ুন।

১৫. পাটিগণিত বাদে গাণিতিক যুক্তির বাকিগুলো প্র্যাকটিস করুন।

১৬. বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্যের জন্য শুধু সরকারি চাকরির প্রশ্নগুলো পড়ুন।

১৭. বাংলা ও ইংরেজি ব্যাকরণ আগে যা পড়েছেন, শুধু সেইটুকুই আরও একবার পড়ে নিন।

১৮. গত ৫ মাসের সাধারণ জ্ঞানের তথ্যগুলো কোনো একটি গাইড/বই থেকে এক নজর দেখে নিন।

১৯. ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মাধ্যমিকের সামাজিক বিজ্ঞান বইটি থেকে দেখতে পারেন।

২০. যে প্রশ্নগুলোর উত্তর অনেক দিন ধরেই পাচ্ছেন না, সেগুলো নিয়ে ভাবা বন্ধ করে দিন।

২২. পুরোপুরিই মোবাইল ফোন আর ফেসবুক মুক্ত সময় কাটান।

২৩. পরদিনের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখুন।

২৪. রাতে হালকা খাবার খেয়ে ১০টার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়ুন। প্রিলির আগের রাতে ভালো ঘুম না হলে যতই প্রস্তুতি থাক না কেন, পরীক্ষা খারাপ হওয়ার আশঙ্কা বেশি। অন্তত ৬ ঘণ্টা ঘুমাবেন।

২৫. পরীক্ষার দিন সকালে উঠে ১৫ মিনিট প্রার্থনা করুন। এরপর ফ্রেশ হয়ে হালকা নাশতা করে হাতে ‘সময় নিয়ে’ (কোনোভাবেই ‘বইপত্র নিয়ে’ নয়) হলের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়ুন। বের হওয়ার আগে আরও একবার দেখে নিন, প্রয়োজনীয় সবকিছু নিয়েছেন কি না।

২৬. পরীক্ষার হলে যে ভাবনাটা সবচেয়ে বেশি ম্যাজিকের মতো কাজ করে, সেটি হলো ‘আই অ্যাম দ্য বেস্ট’ ভাবনা। আপনার চেয়ে ভালো পরীক্ষা কেউই দিচ্ছে না, এটা বিশ্বাস করে পরীক্ষা দিন।

২৭. উত্তরপত্রে সেট কোডসহ অন্যান্য তথ্য ঠিকভাবে পূরণ করুন। এটা ভুল হলে সব শেষ।

২৮. সব প্রশ্নই উত্তর করার জন্য নয়। লোভে পাপ, পাপে নেগেটিভ মার্কস।

২৯. বুদ্ধিশুদ্ধি করে কিছু প্রশ্ন ছেড়ে না এসে উত্তর করতে হয়। এ রকম ৬টা প্রশ্ন ছেড়ে শূন্য পাওয়ার চেয়ে অর্ধেক ঠিক করে ১ দশমিক ৫ পাওয়া ভালো।

৩০. সাধারণত যেকোনো বিষয় নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবার সময় আমাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। প্রথম দেখায় যে প্রশ্নগুলোর উত্তর পারেন না মনে হবে, সেগুলো মার্ক করে পরেরটায় চলে যাবেন। সময় নষ্ট করার সময় নেই।

৩১. প্রশ্ন ভুল কি ঠিক, সেটা নিয়ে মাথা খারাপ করবেন না।

৩২. বৃত্ত ভরাট করতে করতে ক্লান্ত? একটু ব্রেক নিন। চাকরিটা পেয়ে গেলে আপনার জীবনটা কীভাবে বদলে যাবে, কাছের মানুষগুলোর হাসিখুশি মুখ একবার কল্পনায় আনুন; ক্লান্তি কেটে যাবে।

৩৩. কয়টা দাগালে পাস, এমন কোনো নিয়ম নেই। আপনি যেগুলো পারেন, সেগুলোর উত্তর করবেন। এরপর যেগুলো একেবারেই পারেন না, সেগুলো বাদ দিয়ে বাকিগুলোর ৬০ শতাংশ উত্তর করবেন।

৩৪. কোনো প্রশ্নেই বেশি গুরুত্ব দেবেন না। সব প্রশ্নেই ১ নম্বর।

৩৫. আপনার আশপাশে কে কয়টা দাগাচ্ছে, কোনটি দাগাচ্ছে, সেদিকে তাকাবেন না। এতে আপনি বেশ কিছু জানা প্রশ্ন ভুল দাগাতে পারেন।

৩৬.পরিচয় দেওয়ার মতো একটা চাকরি সবারই হোক। সিভিল সার্ভিসে আপনাদের স্বাগত জানাই।

#সংগৃহীত

"নিয়মিত পরীক্ষা দিন ও সফল হন "BCS Preli examMahfuz's BCS & other job cares ডে-৫ পরীক্ষা https://makemcq.com/v3/test/1092...
07/08/2025

"নিয়মিত পরীক্ষা দিন ও সফল হন "

BCS Preli exam

Mahfuz's BCS & other job cares

ডে-৫ পরীক্ষা

https://makemcq.com/v3/test/109294

Mahfuz 's BCS. Prepare for Bangladesh job exams and university admission tests for free with MakeMCQ! Access study materials, tips, and resources for BCS, Bank, Govt jobs, and Engineering, Medical, and General university admissions. Ace your exams with our all-in-one guide!

ডে-৪ BCS preli Examhttps://makemcq.com/v3/test/109262
06/08/2025

ডে-৪ BCS preli Exam

https://makemcq.com/v3/test/109262

Mahfuz 's BCS. Prepare for Bangladesh job exams and university admission tests for free with MakeMCQ! Access study materials, tips, and resources for BCS, Bank, Govt jobs, and Engineering, Medical, and General university admissions. Ace your exams with our all-in-one guide!

Address

Shaheb Bazar
Rajshahi
6000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahfuz's BCS & other job cares posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share