20/05/2025
আমাদের সাথে ইতিমধ্যে ভুক্তভোগীরা কথা বলেছে তারা জানায় যে জাহাঙ্গীর আলম বিভিন্ন প্রাইভেট ভার্সিটির সার্টিফিকেট জালিয়াতির ব্যবসার সাথে জড়িত। এমনকি নিজ কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনার কাজে নিরুৎসাহিত করে যাতে করে তার থেকে সার্টিফিকেট ক্রয় করে এতে তার বিশাল লাভ হয়।
চাকুরী দেওয়ার নাম করে বেশ কিছু ছাত্রদের থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কিন্তু বছরের পর বছর তারা ঘুরে চাকুরী না পেলে অর্থ ফেরত চাইলে প্রতারক জাহাঙ্গীর নানান তালবাহানা করতে থাকে। এছাড়া জাহাঙ্গীরের চরিত্র নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। কারণ তার নারী লিপ্সা রয়েছে। এবং কলেজের নানান ছাত্রীদের ভালো রেজাল্ট করিয়ে দেওয়ার বিপরীতে অনৈতিক কাজের প্রলোভন দেয় যার প্রামণ আমাদের হাতে আছে।
শিক্ষকরা যদি জাতীর মেরুদণ্ড হয়। তাহলে প্রশ্ন উঠে এমন নৈতিক অবক্ষয় এ নিমজ্জিত লোক বানেশ্বর সরকারি কলেজে কিভাবে বহাল থাকতে পারে। আমরা তার বিচার চাই, বহিষ্কার চাই।