Al-Amin Jubair

Al-Amin Jubair আমার মৃত্যুর কথা শুনে যদি যাচাই করার জন্য এখানে আসো, তবে আমার জন্য দোয়া করে যেও।

21/03/2026

ইদকথন

ইদ-উল-ফিতর ২০২৬ ইং

বিস্ফোরক তথ্যঃ জুলাই যোদ্ধাদের গুলীবিদ্ধ বুলেট-গুলো ৭.২ এর ছিল সেই কথা বলতে গিয়ে সাবেক বিগ্রেডিয়ার সাখওয়াত হোসেন  ভয়াবহ ...
02/03/2026

বিস্ফোরক তথ্যঃ

জুলাই যোদ্ধাদের গুলীবিদ্ধ বুলেট-গুলো ৭.২ এর ছিল সেই কথা বলতে গিয়ে সাবেক বিগ্রেডিয়ার সাখওয়াত হোসেন ভয়াবহ একটা বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,"আমি এবং সাবেক সেনাকর্মকর্তাদের একটা দল আন্দোলন এলাকায় হাঁটতে হাঁটতে যখন মহাখালীর শাহীন কমপ্লেক্স পর্যন্ত পৌঁছাই তখন আমার কাছে গোয়েন্দা সংস্থার কেউ একজন ফোন করে বললেন, 'স্যার আপনি স্নাইপারদের টার্গেট এরিয়ায় ঢুকে পড়েছেন, দ্রুত টার্গেট এলাকা ত্যাগ করুন।"
কী সাঙ্ঘাতিক ব্যাপার!

এখন কথা হলো বাংলাদেশে কোনো পুলিশের স্নাইপার ট্রেনিং নেই--- এ কথা সাবেক ব্রিগেডিয়ার সাখওয়াত হোসেন নিজেই বলেছেন। তিনি আরও বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের গুলীবিদ্ধ বুলেটগুলো বাংলাদেশের পুলিশের কাছে থাকে না।
প্রশ্ন হলো জুলাই আন্দোলনে যে স্নাইপাররা শুট করেছিল ওরা কারা? কোত্থেকে এসেছিল? তিনি যে স্নাইপার টার্গেট এলাকায় ভুলে প্রবেশ করেছিলেন সেই জায়াগাটি তিনি চিনেন। সেই গোয়েন্দা সংস্থার লোকটিকেও চিনেন অবশ্যই--- তাহলে এটার তদন্ত হলো না কেন?

বিভিন্ন সূত্র থেকে চাওড় হওয়া নিউজ থেকে জানা যায় হাসিনা যতবারই গণহত্যা চালিয়েছে ততবারই ভারত থেকে কিলার বাহিনী এনেছিল। যেমন--
@ বিডিআর গণহত্যায় ভারত থেকে কিলার বাহিনী এনে হত্যাযজ্ঞ করেছে।
@ শাপলা চত্ত্বরে হেফাজতিদের ওপর হত্যাযজ্ঞেও ভারত থেকে কিলার বাহিনী এনেছিল।
@ জুলাই গণঅভুত্থানেও ভারত থেকে কিলার বাহিনী এনেছিল।
ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত সাহেবকে গোয়েন্দা সংস্থার লোক যেহেতু ফোন দিয়ে সাবধান করেছেন নিশ্চয়ই ফোন করা সেই গোয়েন্দা সংস্থার লোকটি তারা দুজন দুজনার চেনা বলেই তাকে সাবধান করেছেন। সেই স্নাইপার টার্গেট মিশন এলাকাটাও সাখওয়াত সাহেবের চেনা--- অথচ এ নিয়ে রাষ্ট্রের কোনো মাথা ব্যথা নেই এবং জনরোষের রোষানলও নেই।
সাখাওয়াত সাহেব কিন্তু পুরা আপাদমস্তক একজন আওয়ামীলীগার। যে গোয়েন্দা সংস্থা থেকে তাকে সাবধান করা হয়েছিল তারাও তাহলে আওয়ামীলীগার এবং স্নাইপার টার্গেট মিশনের সম্পৃক্ত এবং এলাকাটি তাদেরই দখলে। আর সাখাওয়াত সাহেব আওয়ামীলীগার বলেই তাকে বিপদ থেকে বাঁচালেন। শাহীন টাওয়ার কিন্তু ক্যান্টমেন্টের সাথেই।
গুপ্ত কিলিং মিশনের জন্য এসব স্নাইপার যে হাসিনার আমদানি করা সেটা সাখাওয়াত সাহেব বুঝে গেছেন তাই হয়তো এটা নিয়ে আর জানাজানি করান নি।
তথ্য সূত্রঃ The Conversation Network

02/03/2026

বিচারহীনতার আরেকটি ফলাফল।

চেক কমেন্টস

28/02/2026

ইরানি ড্রোন বাহরাইন এর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার পর বাহরাইনের মানুষ উদযাপন করছে।

জাস্ট ইমাজিন, সাধারণ মানুষও জানে মেরিকা তাদের সাথে কি করছে। নিজের দেশে হা'মলায় তারা উচ্ছসিত।

28/02/2026

আমরা চাই বিরোধী দল ও মত থাক।

শুধু ধ্বংস হোক প্রতিহিংসার রাজনীতি।

বিঃ দ্রঃ এই ইফতারের সবচেয়ে দারুন ও মজার দৃশ্য কমেন্টে 🙂

28/02/2026

দেখে শান্তি লাগছে না?
মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর। আজকে বুম বুম বাহরাইন হয়ে গেল।

©️ মোহাইমিন পাটোয়ারী

ধ'র্ষণের খবর শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে যাননি তো? অভ্যস্ত হয়ে যাবেন না অন্তত এটাই অনুরোধ। নিন আরেকটা দুঃসংবাদ।গতকাল মধ্যরাত...
28/02/2026

ধ'র্ষণের খবর শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে যাননি তো? অভ্যস্ত হয়ে যাবেন না অন্তত এটাই অনুরোধ। নিন আরেকটা দুঃসংবাদ।

গতকাল মধ্যরাতে পাবনার ঈশ্বরদীতে বয়স্ক দাদিকে কু'পিয়ে খু'ন করে তার নাতনিকে তুলে নিয়ে ধ'র্ষণ এবং ধ'র্ষণ পরবর্তী হ'ত্যা করা হয়েছে! সকালবেলা দাদির লা'শ পাওয়া গেল বাড়ির উঠানে আর কিশোরী নাতনির লা'শ পড়ে ছিলো পাশের সরিষার ক্ষেতে।

আবারও বলছি বিচার হবে না। লিখে রাখুন। সর্বোচ্চ গ্রেফতার।

এই নরপিশাচরা বুঝে গেছে যে দেশে কোন আইন নেই, নেই কোন বিচার। যা খুশি করা যায়। অন্যায়ের স্বর্গরাজ্য। যেন এক 'ইউটোপিয়া'।

সরকারদলীয় ব্যক্তিবর্গ দ্রুত পদক্ষেপ নিন। সময় ফুরিয়ে যাবে শুরুর আগেই কারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকেই আছে সামনে মুভ করতে দ্বিতীয়বার ভাববে না। হারানোর কিছু না থাকলে ভয়াবহ ধ্বং'সযজ্ঞে মেতে উঠবে সাধারণ মানুষ কারণ, তাদের বাঁচতে হবে।

সরকার যদি জনগণের পাশে না দাঁড়ায় স্বভাবিকভাবেই জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। হয়তবা কিছু হাতে না থাকলে খালি হাতে।

ইয়া আল্লাহ এই রমজানে আমার দেশকে অশান্তির করাল গ্রাস থেকে বাঁচাও। শান্তি দাও এই ধরায়।

১৯ জুলাই ইটাখোলায় দুই বন্ধু একসাথে শহীদ হয়।প্রথমে পুলিশ মাদ্রাসার ছাত্র তামিন হৃদয়কে পায়ে গুলি করে, এরপর বুকে গুলি ক...
25/02/2026

১৯ জুলাই ইটাখোলায় দুই বন্ধু একসাথে শহীদ হয়।
প্রথমে পুলিশ মাদ্রাসার ছাত্র তামিন হৃদয়কে পায়ে গুলি করে, এরপর বুকে গুলি করে। তামিন রাস্তায় পড়ে যায়।

ঘন্টার পর ঘন্টা তার লাশ রাস্তায় পড়ে থাকে। চারপাশ রক্তে ভেসে যায়। এক পাশে ইটাখোলা পুলিশ ফাঁড়ির উপর যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষা করছে, আর অপর পাশে মানুষ বিভিন্ন অলিগলিতে আশ্রয় নিয়ে আছে। মাঝখানে পড়ে আছে তামিন।

পুলিশ অপেক্ষা করছে, তার লাশ কেউ নিতে এলে টার্গেট করে গুলি করবে। অপরদিকে জনতা অপেক্ষা করছে, কেউ সাহস করে গিয়ে লাশটি নিয়ে আসবে। কিন্তু রানিং ফায়ারিংয়ের কারণে কেউ এগোতে পারছিল না।

তামিনের শেষ নিঃশ্বাস বের হয়ে যাবে, এমন সময় আর সহ্য করতে না পেরে তার বন্ধু সুমন দৌড়ে রাস্তার মাঝখানে চলে আসে, বন্ধুকে টেনে ভেতরে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ঠিক তখনই পুলিশ তাদের টার্গেট পূরণ করে। সুমনের বুক বরাবর গুলি করা হয়। সেও বন্ধুর পাশেই লুটিয়ে পড়ে। একে অপরের দিকে তাকাতে তাকাতে, দুজনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে শহীদ হয়।

জানি, হয়তো সিনেমায় এমন হয়, হয়তো গল্পে এমন হয়, কিন্তু না, এটা আমাদের জুলাইয়ের অজানা ইতিহাস।

ছবিতে শহীদ তামিনের বাবা ও তার দাদি। তামিনের মা যখন সে মাত্র দুই বছরের, তখনই তাকে ছেড়ে চলে যান। এরপর কোলে-পিঠে করে এই দাদিই তামিনকে বড় করেছেন।

দাদি আমাদের কাছে অনেক কান্না করলেন, বলছিলেনঃ “আমার বয়স ৯০ হয়ে গেল, কিন্তু আমার নাতিটার বয়স ১৭ হতেই চলে গেল। ওর জীবনের অংশ আমি পার করে ফেলতেছি, এটা ঠিক হইলো না… এটা ঠিক হইল না।”

©️ আকিফ আব্দুল্লাহ

পরীক্ষাগারে মা হারানো এক বানরের জন্য ডেইলি মেইল ও বিবিসির মতো পশ্চিমা প্রধান সংবাদমাধ্যমগুলো গভীর শোকের কথা তুলে ধরে জান...
24/02/2026

পরীক্ষাগারে মা হারানো এক বানরের জন্য ডেইলি মেইল ও বিবিসির মতো পশ্চিমা প্রধান সংবাদমাধ্যমগুলো গভীর শোকের কথা তুলে ধরে জানায়, কীভাবে পুতুলটি তার একমাত্র নিরাপদ আশ্রয় ও মানসিক সান্ত্বনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

লাখো মানুষ সহানুভূতি প্রকাশ করতে ছুটে আসে; ছোট প্রাণীটির বঞ্চনার দৃশ্য দেখে অনেকেই অশ্রু ঝরায়। আবেগঘন শিরোনামে প্রাণীর অনুভূতি প্রকাশের ঘটনাটি কয়েকদিন ধরে “ট্রেন্ডিং” তালিকার শীর্ষে আছে।

অথচ হাজার হাজার ফিলিস্তিনি শিশুর অঙ্গহানি হওয়া, ইয়াতিম হওয়া, শহীদ হয়ে যাওয়া মিডিয়াগুলোতে কেবলই একটা পরিসংখ্যা হিসেবে হাজির হয়। কোন হৃদয়বিদারক গল্প হওয়ায় ফুসরত মেলে না।

একেই বলে সভ্যতা।

© Md Fahad Ibna Illius

15/02/2026

নব্বইয়ের অভ্যুত্থানে ছাত্ররা

১৯৮২ সালে স্বৈরাচার এরশাদের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয় সাধারণ ছাত্ররা। সেসময় প্রতিবাদ সমাবেশে গুলি চালায় পুলিশ। আমাদের ১৪ই ফেব্রুয়ারি শুধুমাত্র ভালোবাসা দিবস নয়; দিনটি হয়ে উঠেছে স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসেবেও।

স্মরণ করি সেইসব ছাত্রদের, যারা প্রতিবাদের সাহস করে রাস্তায় নেমেছিল বলেই, আমরা পেয়েছিলাম আজাদির এক পথ। স্বৈরাচারের এরশাদের পরিণতি দেখে শিক্ষা না নেয়ার কারণে আরেক স্বৈরাচার হাসিনার পরিণতি ছিল ভয়াবহ।

©️ July Records

Address

Notun Budhpara, Budhpara, Motihar
Rajshahi
6205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Amin Jubair posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share