Md Rakib Hasan Riyad

Md Rakib Hasan Riyad I'm Riyad Ahmed & I'm professional digital Marketer. I can also provide you best service MMS, SEO, CONTENT,etc.

    পেমেন্ট গেটওয়ে কী?পেমেন্ট গেটওয়ে হলো একটি প্রযুক্তি বা সিস্টেম, যা অনলাইন পেমেন্ট গ্রহণ ও যাচাই করে। আপনি যখন কোনো...
03/12/2025





পেমেন্ট গেটওয়ে কী?

পেমেন্ট গেটওয়ে হলো একটি প্রযুক্তি বা সিস্টেম, যা অনলাইন পেমেন্ট গ্রহণ ও যাচাই করে। আপনি যখন কোনো ওয়েবসাইট, অ্যাপ বা ই-কমার্স স্টোর থেকে পেমেন্ট করেন—কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং বা অন্য ডিজিটাল পদ্ধতি—পেমেন্ট গেটওয়ে সেই তথ্য নিরাপদভাবে প্রক্রিয়া করে।

পেমেন্ট গেটওয়ে কীভাবে কাজ করে?

গ্রাহক পেমেন্ট করে – বিক্রেতার ওয়েবসাইট বা অ্যাপে গিয়ে পেমেন্ট অপশন নির্বাচন করে।

তথ্য নিরাপদভাবে যাচাই হয় – পেমেন্ট গেটওয়ে গ্রাহকের কার্ড/অ্যাকাউন্ট তথ্য এনক্রিপ্ট করে ব্যাংকে পাঠায়।

ব্যাংকের অনুমোদন – ব্যাংক তথ্য যাচাই করে অনুমোদন দেয়।

লেনদেন সম্পন্ন হয় – অনুমোদনের পর টাকা নিরাপদভাবে বিক্রেতার অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়।

পেমেন্ট গেটওয়ের কাজ কী?

🔹 গ্রাহকের পেমেন্ট তথ্য নিরাপদ রাখা
🔹 হ্যাকার ও প্রতারণা থেকে লেনদেন সুরক্ষিত করা
🔹 ব্যাংক ও বিক্রেতার মাঝে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা
🔹 দ্রুত ও নির্ভুলভাবে লেনদেন সম্পন্ন করা
🔹 গ্রাহকের বিশ্বাস তৈরি করা

কেন পেমেন্ট গেটওয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

আজকের ডিজিটাল যুগে ব্যবসার বড় অংশ অনলাইনে চলে। নিরাপদ পেমেন্ট ছাড়া কোন অনলাইন ব্যবসা টিকে থাকতে পারে না। তাই পেমেন্ট গেটওয়ে শুধু পেমেন্ট নেওয়া নয়—ব্যবসাকে আরও পেশাদার, নিরাপদ ও দ্রুতগতির করে তোলে।

সংক্ষেপে, পেমেন্ট গেটওয়ে হলো আপনার অনলাইন ব্যবসার ডিজিটাল ক্যাশিয়ার—যে আপনার গ্রাহকের টাকা নিরাপদে গ্রহণ করে এবং আপনার কাছে পৌঁছে দেয়। 😍🥰😘😁😎

  ভাবছেন কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন? তবে জেনে নিন সহজ কিছু ধাপ!ফ্রিল্যান্সিং এখন শুধু একটা কাজ নয়—এটা স্বাধীনভাবে ...
26/11/2025





ভাবছেন কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন? তবে জেনে নিন সহজ কিছু ধাপ!
ফ্রিল্যান্সিং এখন শুধু একটা কাজ নয়—এটা স্বাধীনভাবে নিজের স্কিলকে কাজে লাগিয়ে আয় করার দুর্দান্ত উপায়। অনেকেই শুরু করতে চান, কিন্তু জানেন না কোথা থেকে শুরু করবেন। চলুন সহজভাবে জেনে নেই:

১️⃣ নিজের স্কিল চিহ্নিত করুন
প্রথম ধাপ—আপনি কী পারেন? ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, কনটেন্ট রাইটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট—আপনার পারদর্শিতাই আপনার মূল শক্তি।

2️⃣ স্কিল উন্নত করুন
শুরুতেই এক্সপার্ট হওয়ার দরকার নেই। ইউটিউব, গুগল, অনলাইন কোর্স—সব মিলিয়ে আপনার স্কিলকে আরও একটু পালিশ করে নিন।

3️⃣ একটি শক্তিশালী পোর্টফোলিও বানান
ক্লায়েন্ট জানবে আপনি কী করতে পারেন—তাই কিছু ডেমো কাজ বা নিজের ক্রিয়েটিভ প্রকল্প সাজিয়ে রাখুন। এগুলোই আপনার পরিচয়পত্র।

4️⃣ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে শুরু করুন
Upwork, Fiverr, Freelancer, LinkedIn—শুরুতে যেকোনো একটি বেছে নিন। প্রোফাইল সুন্দরভাবে সেটআপ করুন। প্রোফাইলই ক্লায়েন্টের কাছে আপনার প্রথম ইমপ্রেশন!

5️⃣ ছোট কাজ দিয়ে শুরু করুন
শুরুতেই বড় কাজ বা উচ্চ বাজেটের প্রজেক্ট নেওয়া জরুরি নয়। ছোট কাজ দিয়ে অভিজ্ঞতা বাড়ান, রিভিউ সংগ্রহ করুন।

6️⃣ ক্লায়েন্টের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ রাখুন
টাইম ডেডলাইন মেনে চলা, পরিষ্কারভাবে কথা বলা, আপডেট দেওয়া—এসবই আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করবে।

7️⃣ ধৈর্য ধরুন, রেজাল্ট আসবেই
ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতা এক দিনে আসে না। তবে সঠিক পথ ধরে এগোলে আপনার পরিশ্রমের ফল অবশ্যই পাবেন।

🌟 মনে রাখবেন—ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি যাত্রা যেখানে আপনার স্কিলই আপনার সম্পদ। নিজেকে উন্নত করুন, নিয়মিত কাজ করুন, আর আপনার সাফল্য নিজেই কথা বলবে!😍😘😇🥰

    ভাবছেন কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন? তাহলে জেনে নিন আজ থেকেই কী করতে হবে! 💻🚀অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান, ক...
20/11/2025





ভাবছেন কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন? তাহলে জেনে নিন আজ থেকেই কী করতে হবে! 💻🚀
অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান, কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবেন— সেটাই বুঝে ওঠা কঠিন হয়ে যায়। আসলে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা তত কঠিন নয়, শুধু দরকার সঠিক দিকনির্দেশনা আর ধারাবাহিকতা।

এখানে সহজ ৫টি ধাপে শুরু করার পথ দেখানো হলো:

১️⃣ কোন স্কিল শিখবেন ঠিক করুন
ফ্রিল্যান্সিং-এ সফল হতে হলে অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট স্কিলে ভালো হতে হবে। জনপ্রিয় স্কিলগুলো হলো—
✔ গ্রাফিক ডিজাইন
✔ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
✔ ডিজিটাল মার্কেটিং
✔ ভিডিও এডিটিং
✔ কনটেন্ট রাইটিং
✔ UI/UX
যেটাতে আগ্রহ আছে, সেটাই বেছে নিন। আগ্রহ থাকলে শেখা সহজ হয়।

2️⃣ স্কিল শিখুন ও প্র্যাকটিস করুন
YouTube, Google, ফ্রি কোর্স— যাই ব্যবহার করুন, কিন্তু নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে হবে।
“প্র্যাকটিস ছাড়া স্কিল = শুধু জ্ঞান, কাজের নয়।”

3️⃣ একটা শক্তিশালী পোর্টফোলিও বানান
আপনি কি কাজ পারেন— সেটা ক্লায়েন্টকে দেখাতে হয়।
নিজে কিছু স্যাম্পল প্রজেক্ট তৈরি করে Behance, Dribbble বা নিজের ওয়েবসাইটে আপলোড করুন।
পোর্টফোলিও = আপনার অনলাইন CV।

4️⃣ ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলুন
ফাইভার (Fiverr)
আপওয়ার্ক (Upwork)
ফ্রিল্যান্সার (Freelancer.com)
এগুলোর যেকোনো একটিতে শুরু করুন। শুরুতে ছোট কাজ নিন, রিভিউ সংগ্রহ করুন— ধীরে ধীরে বড় কাজ আসবে।

5️⃣ ধৈর্য ধরুন ও লার্নিং মাইন্ডসেট রাখুন
শুরুতে কাজ পেতে সময় লাগে— এটা স্বাভাবিক। তবে প্রতিদিন একটু একটু করে স্কিল আপডেট করলে অবশ্যই সফলতা আসবে।
মনে রাখবেন—
✨ ফ্রিল্যান্সিং কোনো ম্যাজিক নয়, এটা একটি স্কিল-ভিত্তিক ক্যারিয়ার।

শেষ কথা
আজ শুরু করুন। কাল উন্নতি হবে। পরশু সফলতা আসবে।
চেষ্টা করলে আপনিও পারেন নিজের ঘরে বসে আয়ের সুযোগ তৈরি করতে! 💪🔥🥰😍

   Upwork অ্যাকাউন্ট কীভাবে খুলবেন১. Upwork ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুনপ্রথমে ব্রাউজারে গিয়ে লিখুন upwork.com এবং সাইটে প্রবেশ...
16/11/2025





Upwork অ্যাকাউন্ট কীভাবে খুলবেন
১. Upwork ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন
প্রথমে ব্রাউজারে গিয়ে লিখুন upwork.com এবং সাইটে প্রবেশ করুন। এরপর ডান দিকের উপরে Sign Up বাটনে ক্লিক করুন।

২. অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
আপনার ইমেল অ্যাড্রেস দিন

একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করুন

দেশ হিসেবে Bangladesh সিলেক্ট করুন

ইমেলে পাঠানো ভেরিফিকেশন কোডটি দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করুন

৩. ফ্রিল্যান্সার হিসেবে শুরু করুন
আপনি ক্লায়েন্ট নন, I’m a Freelancer নির্বাচন করে এগিয়ে যান।

৪. প্রোফাইল সেটআপ করুন
Upwork প্রোফাইল হলো আপনার অনলাইন পরিচয়। এখানে যা যা যুক্ত করবেন:

পেশাগত টাইটেল (Professional Title)

ডিটেইলড ওভারভিউ (About Description)

স্কিল নির্বাচন

পূর্বের কাজের অভিজ্ঞতা

এডুকেশন

পোর্টফোলিও (যদি থাকে)

৫. প্রোফাইল ছবির আপলোড
একটি পরিষ্কার, প্রফেশনাল হেডশট ছবি আপলোড করুন।

৬. ঘন্টাপ্রতি রেট নির্ধারণ করুন
আপনার স্কিল অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত একটি Hourly Rate সেট করুন। নতুন হলে কম রেট দিতে পারেন।

৭. অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন
Upwork মাঝে মাঝে ID Verification চায় – যেমন:

জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

লাইভ ভিডিও ভেরিফিকেশন
এগুলো সম্পন্ন করলে প্রোফাইল "Verified" দেখাবে।

৮. কাজ খোঁজা শুরু করুন
সবশেষে Find Work এ গিয়ে আপনার স্কিল অনুযায়ী জব খুঁজে প্রপোজাল পাঠাতে পারেন।

Kwork অ্যাকাউন্ট কীভাবে খুলবেন
১. Kwork ওয়েবসাইটে যান
ব্রাউজারে গিয়ে লিখুন kwork.com, তারপর Sign Up বা Join বাটনে ক্লিক করুন।

২. অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন
Kwork-এ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন:

ইমেলের মাধ্যমে

Google / Facebook অ্যাকাউন্ট দিয়ে

ইমেল ব্যবহার করলে:

ইমেল অ্যাড্রেস দিন

পাসওয়ার্ড দিন

ইমেল ভেরিফাই করুন

৩. প্রোফাইল সম্পূর্ণ করুন
প্রোফাইল তৈরি করার সময় যুক্ত করুন:

নাম

প্রোফাইল ছবি

স্কিল

সংক্ষিপ্ত Bio / Description

ভাষা ও দেশ নির্বাচন

৪. GIG বা Kwork তৈরি করা
Kwork-এ আপনার সেবা “Kwork” নামে প্রকাশ করা হয়। যেমন:

Logo Design

WordPress Website

Video Editing ইত্যাদি

প্রত্যেক GIG-এ যুক্ত থাকবে:

পরিষ্কার শিরোনাম (Title)

বিস্তারিত বিবরণ

মূল্য (Price)

ডেলিভারি সময়

পোর্টফোলিও বা উদাহরণ ছবি

৫. প্রোফাইল অপ্টিমাইজেশন
প্রফেশনাল ছবি ব্যবহার করুন

স্কিল ও বায়ো ভালোভাবে লিখুন

সঠিক ক্যাটাগরি বাছাই করুন

মূল্যের সাথে (Basic–Standard–Premium) প্যাকেজ দিন

৬. কাজ পাওয়া ও ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ
আপনার Kwork লাইভ হলে ক্লায়েন্ট আপনার অফার দেখে অর্ডার করবে।
অর্ডার পাওয়ার পর:

দ্রুত রিপ্লাই দিন

সময়মতো কাজ ডেলিভারি করুন😇😍😇😁😀

ভালো রেটিং পাওয়ার চেষ্টা করু🥰😘😍

    🌟 ক্যারিয়ার বুস্টিং কি?�ক্যারিয়ার বুস্টিং বলতে নিজের পেশাগত জীবন বা ক্যারিয়ারকে আরও উন্নতির পথে নিয়ে যাওয়ার প্রক...
11/11/2025





🌟 ক্যারিয়ার বুস্টিং কি?

�ক্যারিয়ার বুস্টিং বলতে নিজের পেশাগত জীবন বা ক্যারিয়ারকে আরও উন্নতির পথে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
ক ্যারিয়ার বুস্টিং বলতে নিজের পেশাগত জীবন বা ক্যারিয়ারকে আরও উন্নতির পথে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। বুস্টিং বলতে নিজের পেশাগত জীবন বা ক্যারিয়ারকে আরও উন্নতির পথে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
এটি এমন কিছু পদক্ষেপ, পরিকল্পনা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যম, যা একজন ব্যক্তিকে তার পেশায় আরও এগিয়ে যেতে, নতুন সুযোগ পেতে এবং নিজেকে আরও মূল্যবান করে তুলতে সাহায্য করে।

সহজভাবে বলতে গেলে —
👉 ক্যারিয়ার বুস্টিং মানে হলো নিজের কর্মজীবনের গতি বাড়ানো এবং সাফল্যের নতুন স্তরে পৌঁছানো।

🚀 ক্যারিয়ার বুস্টিং কেন করা প্রয়োজন?
আজকের প্রতিযোগিতামূলক যুগে শুধুমাত্র একটি চাকরি বা একটি ডিগ্রিই যথেষ্ট নয়।
নিজেকে নিয়মিতভাবে আপডেট না করলে পিছিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
তাই ক্যারিয়ার বুস্টিং জরুরি কারণ —

1️⃣ নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলা
নতুন দক্ষতা (যেমন – ডিজিটাল মার্কেটিং, কমিউনিকেশন, লিডারশিপ বা টেক স্কিল) অর্জন করলে কাজের মান বাড়ে এবং প্রতিষ্ঠানে নিজের মূল্য বৃদ্ধি পায়।

2️⃣ প্রমোশন ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা
যারা নিজেকে নিয়মিত উন্নত করেন, তাদের জন্য প্রমোশন, ভালো বেতন এবং নতুন চাকরির সুযোগ সবসময় বেশি থাকে।

3️⃣ পেশাগত আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি
নিজের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়লে আত্মবিশ্বাসও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ে, যা নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

4️⃣ সময় ও প্রযুক্তির সাথে তাল মেলানো
প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি ও কর্মক্ষেত্রের চাহিদার সাথে তাল মেলাতে ক্যারিয়ার বুস্টিং অত্যন্ত জরুরি।

5️⃣ দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল ক্যারিয়ার গড়া
নিয়মিত শেখা ও নিজেকে আপডেট রাখা মানে নিজের ক্যারিয়ারকে নিরাপদ ও টেকসই রাখা।

💡 উপসংহার
ক্যারিয়ার বুস্টিং কেবল চাকরি পাওয়া বা বেতন বাড়ানোর বিষয় নয়;
এটি হলো নিজেকে আরও ভালো সংস্করণে পরিণত করার এক ধারাবাহিক যাত্রা।
তাই, নিজের উন্নয়নে বিনিয়োগ করুন —
আজকের ছোট পদক্ষেপই আগামী দিনের বড় সাফল্যের চাবিকাঠি।🥰😍😘

   🧩 ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন কি?ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন (WordPress Customization) হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে এক...
06/11/2025



🧩 ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন কি?
ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন (WordPress Customization) হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের ডিজাইন, ফাংশন, ও কনটেন্ট নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন বা সাজানো যায়।
এটি করা হয় যাতে ওয়েবসাইটটি ইউনিক হয়, ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত হয় এবং ব্যবসার ধরন অনুযায়ী সাইটটি মানানসই হয়।

সহজভাবে বললে, কাস্টমাইজেশন মানে হলো — ডিফল্ট থিম বা প্লাগইনের বাইরে গিয়ে নিজের পছন্দমতো ডিজাইন ও ফিচার যোগ করা।

⚙️ কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন করা হয়
ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজ করার বিভিন্ন উপায় আছে। নিচে কিছু জনপ্রিয় পদ্ধতি দেওয়া হলো 👇

১️⃣ থিম কাস্টমাইজার ব্যবহার করে
ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডে গিয়ে Appearance → Customize এ যান।

এখান থেকে আপনি সাইটের লোগো, রঙ, হেডার, ফুটার, ফন্ট, ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারেন।

লাইভ প্রিভিউ দেখে সাথে সাথে পরিবর্তনের ফলাফল দেখা যায়।

২️⃣ পেজ বিল্ডার প্লাগইন ব্যবহার করে
Elementor, Divi, Beaver Builder, বা WPBakery এর মতো ড্র্যাগ-অ্যান্ড-ড্রপ পেজ বিল্ডার ব্যবহার করে খুব সহজেই কাস্টম ডিজাইন তৈরি করা যায়।

কোডিং না জেনেও আকর্ষণীয় ল্যান্ডিং পেজ বা প্রোডাক্ট পেজ বানানো সম্ভব।

৩️⃣ কাস্টম CSS/HTML যোগ করা
যদি কিছু বিশেষ ডিজাইন পরিবর্তন দরকার হয়, তাহলে Additional CSS সেকশনে কোড যোগ করা যায়।

এটি থিমের বিদ্যমান ডিজাইনকে আরও ব্যক্তিগতভাবে পরিবর্তন করতে সাহায্য করে।

৪️⃣ কাস্টম প্লাগইন বা ফাংশন যোগ করা
ডেভেলপাররা চাইলে functions.php ফাইল সম্পাদনা করে বা কাস্টম প্লাগইন বানিয়ে নতুন ফিচার যুক্ত করতে পারেন।

যেমন: কাস্টম পোস্ট টাইপ, শর্টকোড, বা ডাইনামিক ফর্ম ইত্যাদি।

💡 ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশনের উপকারিতা
✅ ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি তৈরি করে – কাস্টম ডিজাইন ও লেআউটের মাধ্যমে নিজের ব্র্যান্ডকে অন্যদের থেকে আলাদা করা যায়।

✅ ইউজার এক্সপেরিয়েন্স বাড়ায় – সহজ নেভিগেশন, সুন্দর ডিজাইন ও রেসপনসিভ লেআউট দর্শকদের জন্য সুবিধাজনক।

✅ এসইও অপ্টিমাইজেশনে সাহায্য করে – কাস্টম কোডিং বা অপ্টিমাইজড থিমের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন র‍্যাংক উন্নত হয়।

✅ পারফরম্যান্স উন্নত করে – অপ্রয়োজনীয় স্ক্রিপ্ট বাদ দিয়ে সাইটের স্পিড বৃদ্ধি করা যায়।

✅ ফিচার অ্যাডজাস্টমেন্ট – ব্যবসার ধরন অনুযায়ী নতুন ফিচার যেমন বুকিং সিস্টেম, পেমেন্ট গেটওয়ে, বা কন্টাক্ট ফর্ম যোগ করা যায়।

✅ দীর্ঘমেয়াদে খরচ বাঁচায় – কাস্টমাইজ করা সাইটে পরবর্তীতে ঘন ঘন থিম পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না।

🧠 উপসংহার
ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন হলো এমন একটি দক্ষতা যা একটি সাধারণ ওয়েবসাইটকে প্রফেশনাল, আকর্ষণীয় ও কার্যকরী করে তোলে।
চাইলে নিজে শিখে এটি করা যায়, আবার চাইলে অভিজ্ঞ ওয়েব ডেভেলপার বা ডিজাইনারের সাহায্য নেওয়া যায়।
যে পথেই এগোন না কেন, সঠিকভাবে কাস্টমাইজ করা ওয়েবসাইটই অনলাইন সফলতার মূল চাবিকাঠি।😘😍🥰

01/11/2025

Address

Handiyal Chatmohor Pabna
Rajshahi
6630

Opening Hours

Monday 06:45 - 07:45
Tuesday 07:15 - 06:00
Wednesday 06:45 - 06:00
Thursday 10:00 - 06:00
Friday 05:45 - 10:45
Saturday 05:15 - 11:00
Sunday 06:30 - 10:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Rakib Hasan Riyad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share