27/01/2026
স্কুল লাইফ থেকে প্রেম শুরু, কলেজ লাইফ শেষ করে বিয়ে, অঃতপর একসাথে মেডিক্যাল কমপ্লিট! ঐশীর।
ছেলে বা মেয়ে যেই বলেন মূল কথা হল মানুষ হওয়া জরুরী। আপনার পার্টনার যদি লয়্যাল না হয়, এইরকম চি/টার বাট০পারর হয় তাইলে আপ্নে যত সুন্দ্রিই হোন আর সেগসি হোন লাভ নাই।আপ্নার পার্টনাররে চাঁদ এনে দিলেও সে ঘুরে ফিরে ঐ পচা শামুকের দিকেই চোখ যাবে।
ঐ যে বলে না অনেকগুলো বছর একসাথে থেকেও মানুষ চেনা যায় না, আবার এক মুহূর্তেও চেনা যায়, শুধু প্রয়োজন কে কেমন, কতটুকু মুখোশ পড়ে আছে এইটা বুঝা,জানা।
খালি সুদর্শন, হ্যান্ডসাম,লম্বাচূড়াও খুজতে যাইয়েন না বুঝে শুনে একটা ভালো মানুষকে খুইজেন যে দিন দুনিয়ায় কেয়া!মত হয়ে গেলেও যেন আপনি ছাড়া আর কিছু না বুঝে।মানুষ চেনা বড্ড দায়, এক বিছানাতে ঘুমায়েও চেনা যায় না,অনেক গুলো দিন একসাথে থেকেও বুঝা যায় না কে কখন কিভাবে বদলে যায়,প্রতা!রণা করে,কে কখন কাকে কিভাবে ঠকায়,কিভাবে ছেড়ে যায়।
এই লোকটার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হওয়া উচিত,যাতে এইরকম ঘৃণ্য কাজ শুধু মেডিক্যাল কমিউনিটি কেন সারা দেশেও যেন কেউ এরকম কাজ করার সাহস না পায়,একজন ছেলের জন্য বা একজন মেয়ের জন্য পুরো দুনিয়াতে ব!দনাম কুড়ানোর দরকার নেই, মূলত যে মানুষ খারাপ সে খারাপই, তার আলাদা করে কোন জাত-পাত,কূল,ধর্ম,বংশ বা লিঙ্গ দিয়ে ডিপেন্ড করে না হয় না।মেয়েটা থানায় গেসে আশা করতেসি সে ন্যায়, ইনসাফের বিচার পাবে,তার এবং তার সাথের মেয়েদের সাথে হওয়া প্রতারণা'র, চোখের পানির ফল অবশ্যম্ভাবী। উনার জন্য পুরো মেডিক্যাল কমিউনিটি'র বদনাম হইতেসে, যতদ্রুত সম্ভব এহেন ঘৃণ্য কাজের উপযুক্ত শা!স্তি কাম্য।