SonyHossain

SonyHossain একজন সাধারণ মানুষ, দেশের একজন সাধারণ নাগরিক

'গুলি খাওয়ার সাথে সাথে আমার পেটের নাড়িভুড়ি বাইর হয়া গেছিলো গা। প্রথমে যেই হসপিটালে নিয়া গেছিলো, ওইটাতে কোনো চিকিৎসা ছিলো...
31/08/2026

'গুলি খাওয়ার সাথে সাথে আমার পেটের নাড়িভুড়ি বাইর হয়া গেছিলো গা। প্রথমে যেই হসপিটালে নিয়া গেছিলো, ওইটাতে কোনো চিকিৎসা ছিলো না। ওরা জাস্ট নাড়িভুড়িগুলাসহ পেটে একটা কাপড় বাইন্ধা সোহরাওয়ার্দী হসপিটালে পাঠায়া দিছিলো।
রক্ত ঝরতেছিলো লাগাতার। ওই অবস্থাতেও আমি কোনো এম্বুলেন্স পাই নাই। রিশকায় কইরা সোহরাওয়ার্দীতে যাওয়া লাগছিলো।
কিডনির সাইডে গুলির গর্তটা দিয়া পেশাব বাইর হয়া যাইতো। ওইখানে একটা পলি ঝুলায়া দিছিলো।
প্রথম ৩ মাস আমার চোখে কোনো ঘুম আছিলো না। পেইনের লাইগা এমন দিন যায় নাই যেইদিন আমি নিজেরে মাইরা ফেলতে নিজের গলা চাইপা ধরি নাই...'
- মো: রিয়েল (পেটে লাইভ গুলিবিদ্ধ আহত, মিরপুর ১০, ঢাকা)

04/08/2026

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দমনে ব্যবহার করা হয়েছিল ব্রাজিলের তৈরি শটগান থেকে শুরু করে জার্মানি থেকে আমদানি করা সাবমেশিনগান।

24/07/2026

একটা আয়াত ৩১ বার — আল্লাহ কেন বারবার জিজ্ঞেস করছেন?

কুরআনে এমন একটা সূরা আছে — যেখানে আল্লাহ একটা প্রশ্ন ৩১ বার করেছেন।

একবার না। দুইবার না। ৩১ বার।

فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণ: ফাবিআইয়্যি আলাই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান।

"তোমরা তোমাদের রবের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে?"
(সূরা রহমান)

৩১ বার। একই প্রশ্ন। কিন্তু প্রতিবার ভিন্ন নেয়ামতের পর।

কেন ৩১ বার? কারণ আমরা ভুলে যাই। নেয়ামত পাই — খেয়াল করি না। শ্বাস নিচ্ছি — ভাবি না কে দিচ্ছে। চোখ দিয়ে দেখছি — শুকরিয়া করি না। সুস্থ আছি — মনে করি এটা স্বাভাবিক।

তাই আল্লাহ বারবার জিজ্ঞেস করছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে? বলো!"

সূরা রহমান মাদানী সূরা। আয়াত সংখ্যা ৭৮। নবীজি ﷺ বলেছেন —

এই সূরাকে "আরুসুল কুরআন" বলা হয় — কুরআনের সৌন্দর্য।

আজ দেখবো — আল্লাহ কোন কোন নেয়ামতের পর এই প্রশ্ন করেছেন। আর আমরা কোনগুলো প্রতিদিন পাই — কিন্তু শুকরিয়া করি না।

---

নেয়ামত ১: সূর্য ও চাঁদ — যা ছাড়া পৃথিবী অচল

الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ

উচ্চারণ: আশশামসু ওয়াল কামারু বিহুসবান।

"সূর্য ও চাঁদ হিসাব মতো চলে।"
(সূরা রহমান: ৫)

সূর্য প্রতিদিন ওঠে। চাঁদ প্রতি রাতে আলো দেয়। ঋতু বদলায়। ফসল ফলে। সময় চলে। সব "বিহুসবান" — নিখুঁত হিসাবে।

আপনি কি আজ সকালে সূর্য ওঠা দেখে শুকরিয়া করেছেন? করেননি। কারণ এটা "স্বাভাবিক" মনে হয়। কিন্তু আল্লাহ জিজ্ঞেস করছেন — "এই নেয়ামত অস্বীকার করবে?"

---

নেয়ামত ২: গাছপালা ও শস্য — যা থেকে খাচ্ছেন

وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ

উচ্চারণ: ওয়ান নাজমু ওয়াশ শাজারু ইয়াসজুদান।

"তারকা ও গাছপালা সেজদা করে।"
(সূরা রহমান: ৬)

গাছ থেকে ফল খাচ্ছেন। শস্য থেকে ভাত খাচ্ছেন। শাকসবজি খাচ্ছেন। কিন্তু গাছটা কে বানিয়েছে? বীজ থেকে বিশাল গাছ — কে করেছে?

আর সেই গাছও আল্লাহকে সেজদা করে — আপনি কি করেন?

---

নেয়ামত ৩: দুই সমুদ্র — যা মিশে যায় না

مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ ○ بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ

উচ্চারণ: মারাজাল বাহরাইনি ইয়ালতাকিয়ান। বাইনাহুমা বারযাখুল লা ইয়াবগিয়ান।

"তিনি দুই সমুদ্রকে মিলিত হতে দিয়েছেন। তাদের মাঝে একটি পর্দা — যা তারা অতিক্রম করে না।"
(সূরা রহমান: ১৯-২০)

মিঠা পানি ও নোনা পানি পাশাপাশি চলে — কিন্তু মিশে যায় না! এটা আধুনিক বিজ্ঞান ১৪০০ বছর পর আবিষ্কার করেছে — কুরআন আগেই বলে দিয়েছে।

"ফাবিআইয়্যি আলাই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান?" — কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে?

---

নেয়ামত ৪: মুক্তা ও প্রবাল — সৌন্দর্যের উৎস

يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ

উচ্চারণ: ইয়াখরুজু মিনহুমাল লুলুউ ওয়াল মারজান।

"সেখান থেকে বের হয় মুক্তা ও প্রবাল।"
(সূরা রহমান: ২২)

সমুদ্রের গভীর থেকে মুক্তা! নোনা পানিতে, অন্ধকারে — আল্লাহ সৌন্দর্য সৃষ্টি করেন। আপনার জীবনেও হয়তো অন্ধকার সময়ে আল্লাহ "মুক্তা" তৈরি করছেন — আপনি দেখতে পাচ্ছেন না।

---

নেয়ামত ৫: জান্নাত — যা অপেক্ষা করছে

وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ

উচ্চারণ: ওয়ালিমান খাফা মাকামা রাব্বিহি জান্নাতান।

"যে তার রবের সামনে দাঁড়ানোর ভয় রাখে — তার জন্য দুটি জান্নাত।"
(সূরা রহমান: ৪৬)

দুটি! একটা না — দুটি জান্নাত! আর সেখানে? ঝর্ণা, ফল, সুন্দরী হুর, চিরস্থায়ী সুখ — "ফিহিন্না খাইরাতুন হিসান" — সেখানে কল্যাণময় সুন্দরীরা।

তারপরও আল্লাহ জিজ্ঞেস করছেন — "ফাবিআইয়্যি আলাই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান?"

---

৩১ বার একই প্রশ্ন — এক নজরে

সূর্য-চাঁদ দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
গাছ-ফল দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
সমুদ্র দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
মুক্তা-প্রবাল দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
জান্নাত রেখেছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"

৩১ বার। আর প্রতিবার উত্তর একই হওয়া উচিত — "একটাও অস্বীকার করি না, ইয়া রব!"

জিনদের একটা দল যখন সূরা রহমান শুনেছিল, প্রতিটা "ফাবিআইয়্যি" শুনে বলেছিল — "লা বিশাইইম মিন নিআমিকা রাব্বানা নুকাযযিব" — আপনার কোনো নেয়ামত অস্বীকার করি না, হে রব! (জামে তিরমিযী: ৩২৯১)

জিনরা পেরেছে — আমরা কি পারি?

শুধু সূরা রহমান না — কুরআনের ১১৪টা সূরার প্রতিটায় জীবনের সমস্যার সমাধান আছে। কোন সূরায় কোন আমল, কোন আয়াত কীভাবে প্রয়োগ করবেন।
মনে রাখবেন!

আল্লাহ ৩১ বার জিজ্ঞেস করেছেন — আমরা একবারও উত্তর দিইনি।

আজ থেকে শুরু করুন। প্রতিদিন ৫টা নেয়ামতের শুকরিয়া করুন —

শ্বাস নিচ্ছেন — আলহামদুলিল্লাহ।
চোখ দিয়ে দেখছেন — আলহামদুলিল্লাহ।
পরিবার আছে — আলহামদুলিল্লাহ।
খাবার আছে — আলহামদুলিল্লাহ।
সুস্থ আছেন — আলহামদুলিল্লাহ।

আর আল্লাহ বলেছেন — "লাইন শাকারতুম লাআযীদান্নাকুম" — শুকরিয়া করলে বাড়িয়ে দেবো। (সূরা ইবরাহীম: ৭)

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করার তাওফিক দিন। আমিন।

রেফারেন্স:
— সূরা রহমান: ১-৭৮
— সূরা ইবরাহীম: ৭
— জামে তিরমিযী: ৩২৯১

__ সংগৃহীত

10/07/2026

#অভিশপ্ত_Bangladesh

"ব্রাজিলের গলি এবং বস্তি থেকে উঠে আসা ফুটবল প্লেয়ার গুলো যখন আয়শি  জীবনে মেতে উঠে" এটাই হচ্ছে ব্রাজিল ফুটবল টিমের অধঃপ...
06/07/2026

"ব্রাজিলের গলি এবং বস্তি থেকে উঠে আসা ফুটবল প্লেয়ার গুলো যখন আয়শি জীবনে মেতে উঠে" এটাই হচ্ছে ব্রাজিল ফুটবল টিমের অধঃপতনের অন্যতম কারণ।
ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের জন্ম কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ইউরোপীয় ল্যাবরেটরিতে হয়নি; এর জন্ম হয়েছিল রিও ডি জেনিরো বা সাও পাওলোর ধুলোমাখা, বস্তিঘেরা 'ফাবেলা'-র অলিগলিতে। সেখানে ফুটবল কোনো খেলা ছিল না, ফুটবল ছিল দারিদ্র্যের শেকল ছিঁড়ে বেরোনোর একমাত্র মুক্তির পাসপোর্ট। খালি পায়ে, ছেঁড়া বলে লাথি মেরে যে হলুদ পাখিরা একদিন পুরো বিশ্বকে সাম্বার জাদুতে সম্মোহিত করত, আজ সেই পাখিদের ডানা আক্ষরিক অর্থেই পক্ষাঘাতগ্রস্ত।

শহীদ ইসমাইল। রিকশাচালক। রামপুরার ডেল্টা হেলথ কেয়ারের সামনে পুলিশের গু* খেয়ে আছড়ে পড়ে সে। হামাগুড়ি দিয়ে সহযোগিতা চা...
04/07/2026

শহীদ ইসমাইল। রিকশাচালক। রামপুরার ডেল্টা হেলথ কেয়ারের সামনে পুলিশের গু* খেয়ে আছড়ে পড়ে সে। হামাগুড়ি দিয়ে সহযোগিতা চায় হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মীদের (গেট দারোয়ান) কাছে। The saddest part of the story is গেট দারোয়ানরা সেদিন গেট খুলে দেয়নি। তাড়া সেদিন দেখিয়েছে অমানবিকতা কেবল উপর শ্রেণির না নিম্ন শ্রেণির মধ্যেও বিদ্যমান।
​অতিরিক্ত র*ক্ত*ক্ষরণে সিঁড়ির ওপরেই প্রাণ হারায় শহীদ ইসমাইল। ফটোগ্রাফার তোলেন ছবি। পুলিশ চেয়ে চেয়ে দেখে ইসমাইলের মৃ*ত্যু, বু*লেটের বিজয়। আবার অনেকে বলেন সেই পুলিশের প্রতি মানবিকতা দেখিয়ে বুকে টেনে নিতে। ​এই পুলিশ কিন্তু এখনো বাইরে। শহীদ ইসমাইলের হা*ড় মিশে যাবে মাটিতে, ক*বরে জেগে উঠবে বাঁশের ঝাড়। কিন্তু পুলিশ ঘুরবে লোকালয়ে, স্বাধীনভাবে, খুনের দায় নিয়ে।

পৃথিবীর ইতিহাসে আজকে প্রথম একটা সাংবাদিককে পে*টা/নো হয়েছে 😜। জন্মের পরে আজকে আমি প্রথম সাংবাদিক পে"টা*তে দেখলাম ধানমন্ডি...
24/06/2026

পৃথিবীর ইতিহাসে আজকে প্রথম একটা সাংবাদিককে পে*টা/নো হয়েছে 😜।
জন্মের পরে আজকে আমি প্রথম সাংবাদিক পে"টা*তে দেখলাম ধানমন্ডিতে।
কারণ, প্রথম আলোতে সাংবাদিক পে*টা*নোর নিউজটা গত ৪ ঘন্টায় ৩ বার প্রকাশ করেছে।

আজ ১৭ই জুন ঠিক এই দিনে, ২০১৯ সালে কারাবস্থায় ইন্তেকাল করেন মিশরের অন্যতম বিপ্লবী মুসলিম সরকারপ্রধান
17/06/2026

আজ ১৭ই জুন ঠিক এই দিনে, ২০১৯ সালে কারাবস্থায় ইন্তেকাল করেন মিশরের অন্যতম বিপ্লবী মুসলিম সরকারপ্রধান

তোফায়েল আহমেদ কে?তোফায়েল আহমেদ ছিলেন স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাসিবাদ তথা একদলীয় শাসন বাকশালের অন্যতম প্রধান...
03/06/2026

তোফায়েল আহমেদ কে?

তোফায়েল আহমেদ ছিলেন স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম ফ্যাসিবাদ তথা একদলীয় শাসন বাকশালের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিলেন মুজিব বাহিনির ফোর হর্সম্যানের একজন। চার খলিফার এক খলিফা।

মুজিব বাহিনি কী? মুজিব বাহিনি ছিল ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (RAW) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি বাহিনি যারা মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকার কর্তৃক গঠিত মুক্তিবাহিনির কর্তৃত্ব অস্বীকার করে প্যারালাল একটি বাহিনি হিসেবে কাজ করেছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় এই বাহিনির কাজ ছিল আওয়ামী-বিরোধী ও ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী মুক্তিযোদ্ধাদের দমন করা।

মুক্তিযুদ্ধের পর এই বাহিনি থেকেই প্যারামিলিশিয়া রক্ষিবাহিনির সৃষ্টি হয়। এর ফলে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনির সাথে মারণঘাতী দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।

তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে রক্ষিবাহিনির অনানুষ্ঠানিক প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

রক্ষিবাহিনির হাতে জাসদসহ তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের রক্ত। অন্তত ২৫-৩০ হাজার জাসদ ও বামপন্থী নেতাকর্মীদের রক্ষিবাহিনি হত্যা করেছে বলে বিভিন্ন হিসাবে উঠে এসেছে।

১৯৭১ সালে ইন্ডিয়ার দেরাদুনে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (RAW) মুজিববাহিনিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। র-এর হয়ে তোফায়েলদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন ভারতীয় সেনা অফিসার মেজর জেনারেল উবান।

১৯৭১ সালে মুজিববাহিনির ওপর লিখিত উবানের বই “Phantoms of Chittagong: The Fifth Army in Bangladesh” পড়লে দেখা যায় মুজিববাহিনির চার খলিফার মধ্যে তোফায়েল ছিলেন উবানের বিশেষ আস্থাভাজন।

বাংলাদেশের রাজনীতি ও প্রশাসনে মুজিববাহিনির প্রভাব বিপুল। তা এতটাই যে প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে ‘তোফায়েল ক্যাডার’ বলতে আলাদা একটি ক্যাডারের অস্তিত্বের ব্যাপারে গুঞ্জন বিদ্যমান।

মুক্তিযুদ্ধের পর রাজনৈতিক বিবেচনায় মুজিববাহিনির যে সকল অনুগত ক্যাডারদের প্রশাসনে আত্মীকরণ করা হয়েছিল, তাদের জন্য এই নাম।

১৯৯৬ সালে কেন গোটা আমলাতন্ত্র বিএনপির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল, তা বিএনপি আগেও ধরতে পারে নাই। ভবিষ্যতেও পারবে না।

বাংলাদেশের রাজনীতি, আমলাতন্ত্র ও কালচারাল ইন্ডাস্ট্রিতে মুজিববাহিনির প্রভাব এখনো প্রবলভাবে বিদ্যমান।

[ছবি: মুজিববাহিনির প্রধান প্রশিক্ষক ভারতীয় সেনা অফিসার মেজর জেনারেল সুজন সিং উবানের সাথে মুজিববাহিনির চার কমান্ডার: সিরাজুল আলম খান, শেখ ফজলুল হক মণি, তোফায়েল আহমেদ ও আব্দুর রাজ্জাক, ১৯৭১]
©

Address

Sagorpara
Rajshahi
6100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SonyHossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share