Akram Hossain

Akram Hossain Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Akram Hossain, Digital creator, Ramganj.
(17)

~জানো তুমি কে?
তুমি হচ্ছ একটা ঐশ্বরিক চিঠির খসড়া,
তুমি একটা আয়না আর দেখাচ্ছ একটা মহৎ চেহারা,
মহাবিশ্ব তোমার বাইরে নয়,
নিজের ভিতরে তাকাও,
তুমি যা চাও সবই তুমি নিজে!

~রুমি (রঃ) 🌸
Akram Hossain Akru Fashion Akrelis Attire Welle Touch Akru Styles

27/11/2025

Then there was a misunderstanding!❤️‍🩹

27/11/2025

Only lovers understand this love language!

আমি রিদ্বান। ঢাকা শহরের নামীদামি পত্রিকায় আমি তথ্য-অনুসন্ধানী রিপোর্ট লিখি। লোকে আমাকে 'ভূত সাংবাদিক' বলত বটে কিন্তু আমি...
23/11/2025

আমি রিদ্বান। ঢাকা শহরের নামীদামি পত্রিকায় আমি তথ্য-অনুসন্ধানী রিপোর্ট লিখি। লোকে আমাকে 'ভূত সাংবাদিক' বলত বটে কিন্তু আমি জানতাম আমি কেবল সেই সত্যের খোঁজ করি যা দিনের আলোয় চাপা পড়ে যায়।

​সময়টা ছিল জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ। আমার টেবিলে একটা কাগজের স্লিপ আসে। অভিযোগটা একই: "প্ল্যাটফর্ম ১ এর বাথরুমে রাতে কেউ নেই, কিন্তু ভেতর থেকে ফিসফিসানি আসে। আর যে ঢোকে সে আর স্বাভাবিক থাকে না।"
​আমি প্রথমে হেসেছিলাম। ঢাকা শহরের নোংরা পাবলিক টয়লেট, সেখানে গ্যাসের গন্ধ নাকি ভূতের ফিসফিসানি? কিন্তু আমার হাসি থেমে যায় যখন জানতে পারি গত এক মাসে তিনজন ভিন্ন ভিন্ন লোক সেই টয়লেট থেকে বেরোনোর পর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের সবার একটাই কথা: ভিতর থেকে কেউ যেন কথা বলছিল, কিন্তু তার মুখ দেখা যায়নি।
​জাহিদ স্যার শুধু বললেন, “রিদ্বান এটা একগুচ্ছ লোকের অভিজ্ঞতা। যাচাই করো সত্যি কি না।”

​সাহস নয় দায়িত্ব আমাকে টেনে নিয়ে গেল কমলাপুর। তারিখটা ছিল ২৯ জুলাই রাত তখন ঠিক বারোটা বেজে চল্লিশ।

রাত প্রায় একটা। প্ল্যাটফর্ম ১ এ পৌঁছাতে পারলাম। সময় ঠিক মনে নেই কিন্তু অন্ধকারের মধ্যে সব কিছু স্থির মনে হচ্ছিল।

ট্রেন চলাচলের কারণে অন্য প্ল্যাটফর্মগুলো তখনও কিছুটা সরগরম। কিন্তু প্ল্যাটফর্ম ১ এর একেবারে শেষ মাথার দিকে যেতেই একটা অদ্ভুত অনুভূতি হলো শব্দগুলো যেন কমে আসছে। ট্রেনের হুইসেল বা ঘোষণা সবকিছুই খুব দূরে মনে হচ্ছিল। যেন কেউ নিঃশব্দে চারপাশের সব আওয়াজ টেনে নিয়েছে।
​টয়লেটের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। দরজাটা সামান্য খোলা। ভেতর থেকে আসছে কিছু যেন ফিসফিস করে সরাসরি কানে লাগছে। আমি অচেতনভাবে ধীরে ধীরে পেছনে সরে গেলাম।

​শব্দটা মানুষের গলার নয় বরং যেমন কেউ আপনার কানের কাছে এসে খুব নিচু স্বরে শ্বাস ছাড়ে ঠিক তেমনই। আমার শরীরের লোম দাঁড়িয়ে গেল। এটা কি মনের ভুল?
​আমি আমার ছোট রেকর্ডারটা অন করলাম। শব্দের গ্রাফে তাকালাম হ্যাঁ, একটা অস্বাভাবিক উচ্চ-কম্পাঙ্কের শব্দ সেখানে ধরা পড়ছে।
​এরপর যা টের পেলাম তা আরও ভয়ানক। একটা অদ্ভুত পোড়া গন্ধ। কিছুটা মাংস পোড়ার মতো আর সাথে প্লাস্টিকের মতো কাঁপানো গন্ধ। এতটা প্রকৃত মনে হলো আমার নাকটাও খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
টয়লেটের ভেতরে এমন গন্ধ আসা স্বাভাবিক নয়।
​হঠাৎ টয়লেটের ভেতরে একটি কল খুলে গেল। স্বাভাবিক শব্দ। কিন্তু চাপ কম থাকা সত্ত্বেও পানি ঝরার শব্দ এমন স্পষ্ট কেন? আমি ইতস্তত না করে ভেতরে ঢুকে পড়লাম।

​টয়লেটের ভেতরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে মনে হলো আমি যেন একটা ঠাণ্ডা জলের কুয়োর ভেতরে নেমে এসেছি। চারপাশের সমস্ত শব্দ পুরোপুরি থেমে গেল। একদম মৃত নীরবতা। আমার নিজের হৃদপিণ্ডের ধুকপুক আর শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ কানে জোরে বাজছিল।
​ভেতরে সব সাধারণ দুটো শৌচাগার কক্ষ , প্রস্রাব করার জায়গা আর একটা ভাঙা আয়না।
​আমি চোখ তুলে আয়নায় তাকালাম। আর তখনই দেখলাম,
​আয়নার ডানদিকে একটা কালো ছোপ। যেন কেউ জোরে হাত ঘষে একটা কিছু মুছতে চাইছে কিন্তু পারছে না। আর সেই কালো ছোপটা স্থির নয়। সেটা সামান্য নড়ছে।
​আমি দ্রুত আমার ক্যামেরা তুলে ফ্ল্যাশ মারলাম। তীব্র আলো জ্বলল। এক সেকেন্ডের জন্য আমি স্পষ্ট দেখলাম আয়নার একেবারে পিছনে মুখবিহীন একটি কালো আকৃতি দাঁড়িয়ে। মানুষের মতো কিন্তু কোনো মুখ-চোখ নেই। ফ্ল্যাশ নেভার সঙ্গে সঙ্গে সব উধাও। আয়না পরিষ্কার।

​আয়নার ঘটনা শেষ হতে না হতেই চারপাশের বাতাস যেন হঠাৎ দশ গুণ ভারী হয়ে গেল। যেন কেউ এই ছোট ঘরটাকে বাইরে থেকে চেপে ধরেছে।
​তারপর সেই ফিসফিসানি। এবার আর একটা নয় যেন বহু কণ্ঠে এক সঙ্গে:
​“এখানে… এসো… কথা বলি…”
​শব্দটা ডানদিকের শৌচাগার কক্ষের ভেতর থেকে আসছে। এতটাই কাছে যে মনে হলো শব্দটা আমার কানের ভেতর থেকেই তৈরি হচ্ছে। আমি সাহস করে সেই কক্ষটির দরজা ঠেললাম।
​ভেতরে কিছুই নেই। কিন্তু টাইলসের ওপর পানি পড়ার দাগের মধ্যে দুটো মানুষের পায়ের ছাপ দেখলাম। মনে হলো পায়ের ছাপ দুটো এইমাত্র এখান থেকে হেঁটে গেছে।
​আমি যখন ছবি তোলার জন্য ঝুঁকলাম ঠিক তখনই দরজার উপরের ফাঁকা অংশ দিয়ে,
​টুপ… টুপ… টুপ…
​কে যেন উপর থেকে আঙুল দিয়ে দরজায় টোকা মারছে। আমি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে ক্যামেরাটা উপরে তুললাম। চোখের সামনে স্পষ্ট দেখলাম একটা কালচে পোড়া-পোড়া আঙুল সেই টাইলস ধরে দরজার ওপরে সরে গেল।
​আতঙ্কে আমার গলা শুকিয়ে গেল।

​হঠাৎ বাথরুমের বাতিটা নিভে গেল। পুরো ঘর অন্ধকার।
​ঠিক এই মুহূর্তে দরজার দিকে দৌড়ে যেতেই
​ধাম!
​দরজা নিজে থেকে বন্ধ হয়ে গেল। খুব জোরে। অথচ ভেতরে কোনো ছিটকিনি ছিল না। আমি ধাক্কা দিলাম
কিন্তু দরজা নড়ছে না। দরজার ওপাশে কেউ যেন বাইরে থেকে জোর দিয়ে চেপে ধরে আছে।
​ভেতর থেকে ফিসফিসানি আরও জোরে হলো, যেন হাসছে:
​“কেন বের হবে? এত দিন পর কেউ এসেছে…”
​আমি মরিয়া হয়ে দরজা ঠেলতে লাগলাম কিন্তু বাইরে থেকে চাপ এত বেশি যে দরজা নড়ছেই না। আমার মনে হলো আমার বুক ফেটে যাবে। আমি দরজার নিচে দিয়ে উঁকি মারলাম।
​যা দেখলাম তা আমার মেরুদণ্ড হিম করে দিল।
​দরজার একদম নিচে বাইরে থেকে এক জোড়া পায়ের ছায়া দেখা যাচ্ছে। ছায়া দুটো স্থির। কিন্তু অস্বাভাবিক হলো পা দুটো উল্টো দিকে ঘুরে আছে। পায়ের আঙুলগুলো দরজার নিচ দিয়ে আমার দিকে উল্টো ঘুরে আছে!
​তার সঙ্গে মিশে আসছে খুব কাছে থেকে কারও দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ। আমি কোনোমতে ফোনের আলো দরজার ফাঁক দিয়ে দিলাম। চোখে পড়ল একটি মুখ। কিন্তু মুখটি সম্পূর্ণ কালো। চোখের গর্ত নেই নাক নেই। শুধু একটা মুখের আকার। আর সেই মুখ... ধীরে ধীরে দরজার ফুটোর দিকে ঝুঁকে আসছে।
​আমি চিৎকার করতে পারলাম না। শুধু আমার শরীর আপনা-আপনি কাঁপতে শুরু করল।

​ঠিক তখনই প্ল্যাটফর্মে দূর থেকে একটি ট্রেন ঢোকার তীক্ষ্ণ হুইসেল বাজল। সেই শব্দে গোটা টয়লেট ঘরটা কেঁপে উঠল। অদ্ভুতভাবে বাইরের চাপটা সেই মুহূর্তে আলগা হয়ে গেল। আমি জোরে ধাক্কা দিয়ে বেরিয়ে এলাম এবং না থেমে প্ল্যাটফর্মের দিকে দৌড় লাগালাম।
​বাইরে এসে দেখি সব স্বাভাবিক। মানুষজন হাঁটছে ট্রেন ঢুকছে। কেবল আমিই ভেঙে পড়েছিলাম।
​সেখানে একজন বয়স্ক পরিচ্ছন্নতাকর্মী ছিলেন, নাম আব্দুল সাহেব। তিনি আমাকে দেখে দ্রুত পানি এগিয়ে দিলেন। তিনি বললেন, "বাবা, আমি জানতাম। রাতে ওই বাথরুমে কেউ ঢোকে না।"
​আব্দুল সাহেব ধীরে ধীরে বললেন, "আমি পনেরো বছর ধরে এই স্টেশনে কাজ করি। ১২ বছর আগে এখানে এক লোক মারা গেছিল। নাম: মোজাম্মেল হোসেন। প্ল্যাটফর্মেই ছোট দোকান ছিল তার। রাত ১টার দিকে সে টয়লেটের ভেতরে ছিল। কেউ বা কারা বাইরে থেকে তালা মেরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। সে বাঁচার জন্য দরজা খোলার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু বাইরে থেকে কেউ চেপে ধরে রেখেছিল।"
​তিনি থামলেন। তার চোখ ভিজে এলো।
​"যখন দরজা ভাঙা হলো, ততক্ষণে সব শেষ। শরীরটা পুড়ে কয়লা হয়ে গেছিল, মাথাটা নাকি আলাদা হয়ে গিয়েছিল। তখন থেকেই রাতে ফিসফিসানি শোনা যায়। মোজাম্মেল তখন দরজা খুলতে পারেনি। তাই এখন সে চায় যে ভেতরে ঢোকে, সেও যেন সহজে বের হতে না পারে।"
​আব্দুল সাহেব শেষ করলেন, "যেদিন কেউ ভেতরে ঢোকে... সে ওর পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকে। কারণ মোজাম্মেলের পা দুটোই থাকে উল্টো হয়ে। সে এখনো বিশ্বাস করে কেউ তাকে বের হতে দেবে না।"
​আমার হাত তখনও কাঁপছিল। আমি স্পষ্ট বুঝে গেলাম আমি যা দেখেছি তা মোজাম্মেল হোসেনের ১২ বছরের জমাট বাঁধা আতঙ্ক এবং ক্রোধ।

​আজ তিন দিন পেরিয়েছে। আমি স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারি না। রাতে ঘুমালে বাথরুমের দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ শুনি। ফিসফিসানি ঠিক কানের ভেতর,
​“কেন বের হলে? আবার এসো…”
​আমি ডাক্তার দেখিয়েছি কোনো শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতার প্রমাণ নেই। কিন্তু এখনো বাথরুমে ঢুকতে দরজা খুললে সেই পোড়া-মাংসের গন্ধ পাই। এবং মনে হয় আমার পেছনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে।
​এই লেখাটি ছাপা হবে না। কারণ এই সত্যের কোনো প্রমাণ আমি দিতে পারব না। শুধু একটি অনুরোধ:
​যদি কোনোদিন রাত ১টার পর কমলাপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ১ এর টয়লেটের সামনে দিয়ে হেঁটে যান, আর যদি দেখেন দরজাটা সামান্য খোলা আর ভেতর থেকে আসছে ফিসফিসানির শব্দ... কখনো ভুল করেও ভেতরে ঢুকবেন না।
​কারণ মোজাম্মেল হোসেন এখন আর একা নেই। সে আপনার মতো একজন সঙ্গী খুঁজছে যে তার যন্ত্রণা দেখবে, আর বের হতে পারবে না।

“এইটা পড়া যদি তোমার কাছে সহজ লাগে তবে প্ল্যাটফর্ম ১-এর বাথরুমে রাত ১টার পর দাঁড়িয়ে দেখো।
শুধু শেয়ার করলেই বুঝবে-তোমাকে কেউ দেখছে কিনা।”

#প্ল্যাটফর্ম_১_এর_টয়লেট

#কমলাপুর_রাতের_ভয়
#নীরব_ফিসফিসানি
#রাত_১টার_রহস্য

ঘন ঘন ভূমিকম্প কিসের আলামত?হযরত আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুল (ﷺ) ইরশাদ করেন-عَنْ أَبِي ه...
23/11/2025

ঘন ঘন ভূমিকম্প কিসের আলামত?

হযরত আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুল (ﷺ) ইরশাদ করেন-

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يُقْبَضَ الْعِلْمُ، وَتَكْثُرَ الزَّلاَزِلُ، وَيَتَقَارَبَ الزَّمَانُ، وَتَظْهَرَ الْفِتَنُ، وَيَكْثُرَ الْهَرْجُ ـ وَهْوَ الْقَتْلُ الْقَتْلُ ـ حَتَّى يَكْثُرَ فِيكُمُ الْمَالُ فَيَفِيضُفَيَفِيضُ

হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেয়ামত কায়েম হবে না, যে পর্যন্ত না ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। হারজের ব্যাখ্যায় বলেন, হারজ অর্থ খুনখারাবী। তোমাদের সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে।*
(ইমাম বুখারী, আস-সহিহ, হা/১০৩৬)

মহান রব আমাদেরকে আল্লাহর গজব থেকে হেফাজত করুন। আমীন

আবার যদি আসে সেই সুগন্ধের দোলাহে বন্ধু! এবার যেন হাত শুন্য থেকে না যায়।~রুমি 🥀
22/11/2025

আবার যদি আসে সেই সুগন্ধের দোলা
হে বন্ধু! এবার যেন হাত শুন্য থেকে না যায়।

~রুমি 🥀

22/11/2025

❤️‍🩹❤️‍🩹

Free Blue verified 😇
22/11/2025

Free Blue verified 😇

Masha Allah
23/10/2025

Masha Allah

ভার্সিটির ফ্রি মিক্সিং মেয়ে বিয়ে করলে আর যাই হোক সন্তানকে একজন লজ্জাশীল মা উপহার দিতে পারবেন না ❌
13/08/2025

ভার্সিটির ফ্রি মিক্সিং মেয়ে বিয়ে করলে আর যাই হোক সন্তানকে একজন লজ্জাশীল মা উপহার দিতে পারবেন না ❌

🕋 নবী ও রসূলদের প্রতি সম্মান – ঈমানের অপরিহার্য অংশ🕌 নবীগণ সাধারণ কেউ নন, তাঁদের সাথে সাধারণ ভাষা বা উপাধি ব্যবহার করা ক...
20/07/2025

🕋 নবী ও রসূলদের প্রতি সম্মান – ঈমানের অপরিহার্য অংশ

🕌 নবীগণ সাধারণ কেউ নন, তাঁদের সাথে সাধারণ ভাষা বা উপাধি ব্যবহার করা কি ঈমানহানিকর? বিশদ আলোচনা প্রমাণসহ

---

🌟 ভূমিকা

নবী ও রসূলগণ হলেন আল্লাহর পক্ষ থেকে মনোনীত শ্রেষ্ঠতম মানুষ, যাঁদের মাধ্যমে মানবজাতিকে হেদায়েত দেওয়া হয়েছে। আজ দুঃখজনকভাবে কিছু মানুষ নবীদের সম্পর্কে সাধারণ ও হালকা শব্দ ব্যবহার করে, যেমন:
🔴 “আদম (আঃ) ছিলেন দর্জি”,
🔴 “নবী মুহাম্মদ ﷺ ছিলেন পিয়ন, কাউবয়, বা সাধারণ ব্যবসায়ী” ইত্যাদি।

❗কিন্তু প্রশ্ন হলো — এটা কি কেবল ইতিহাসের আলোচনা, নাকি নবীদের অসম্মান?
এবং এর পরিণতি কি কেবল ভুল, নাকি ঈমানের জন্য হুমকি?

---

📖 কোরআনের আলোকে নবীদের মর্যাদা

🔸 নবীর সামনে আওয়াজ উঁচু করলেও ঈমান ধ্বংস হতে পারে:

> "يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ..."
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা রাসূলের কণ্ঠের ওপরে নিজের কণ্ঠ উঁচু করো না, যেন তোমাদের আমল বরবাদ না হয়ে যায়।”
📚 সূরা হুজুরাত, আয়াত ২

🔍 শুধু আওয়াজ উঁচু করলে যদি আমল ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে নবীদের সম্পর্কে পিয়ন, কাউবয়, দর্জি বা হালকা শব্দ ব্যবহার করা কত বড় ধৃষ্টতা ও ঈমানহানিকর, তা সহজেই অনুমেয়।

---

🕊️ নবী ﷺ সম্পর্কে সাধারণ ভাষা ব্যবহার – স্পষ্ট নিষেধ

> "لَا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُم بَعْضًا"
“তোমরা রাসূলকে ডাকার ব্যাপারে নিজেদের একে অপরকে ডাকার মতো করো না।”
📚 সূরা নূর, আয়াত ৬৩

🔍 আল্লাহ সরাসরি নিষেধ করেছেন, নবীকে সাধারণ লোকের মতো করে ডাকতে। তাহলে তাঁর নামের পাশে "পিয়ন", "গরুর রাখাল", "রাজনীতিবিদ" এসব শব্দ ব্যবহার করা কেমন বেয়াদবি?

---

📚 হাদীস ও ইমামদের বক্তব্য

✅ হাদীস শরীফ:

> "من سب نبيا فقد كفر"
“যে ব্যক্তি কোনো নবীকে গালি দেয় বা অসম্মান করে, সে কাফের হয়ে যায়।”
📚 ইমাম তাহাবি, আকীদা তাহাবিয়্যাহ

✅ ইমাম কাদী আয়াদ (রহ.):

> "من استخف برسول الله ﷺ أو نسبه إلى نقص أو عيب، كفر بالإجماع"
“যে ব্যক্তি রাসূল ﷺ-এর প্রতি অসম্মান করে বা কোনো দোষারোপ করে, সে সর্বসম্মতভাবে কাফের।”
📚 আশ-শিফা, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২৩৮

---

🌍 সকল নবীর প্রতি সম্মান ফরজ

> "لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ"
“আমরা আল্লাহর কোনো রাসূলের মাঝে পার্থক্য করি না।”
📚 সূরা বাকারা, আয়াত ২৮৫

✅ কোনো নবীকে হালকা করে দেখা বা কটূক্তি করা শরীয়তসম্মত নয় বরং কুফরি।

---

📜 ইতিহাস থেকে শিক্ষা

🟠 আদম (আঃ)-কে দর্জি বলা নিয়ে প্রশ্ন:

হাদীসে আছে যে আদম (আঃ) জান্নাতে ছিলো এবং পাতা দিয়ে নিজেদের আবরণ করতেন।
➡️ “আদম (আঃ) কাপড় সেলাই করতেন”—এটি ইবনে আবি শাইবা বা দুর্বল বর্ণনায় আছে, কিন্তু কেউ তাঁকে "দর্জি" বললে সেটা উপাধি নয় বরং তাঁর প্রতি সাধারণকরণ, যা বেয়াদবি।

---

🟠 ইয়াহুদিরা ঈসা (আঃ)-কে “কাঠমিস্ত্রি” বলে কটাক্ষ করতো

এর জবাবে আল্লাহ বলেন:

> "لُعِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِن بَنِي إِسْرَائِيلَ..."
“ইসরাইল বংশীয় কাফেররা অভিশপ্ত হয়েছে দাউদ ও ঈসা (আঃ)-এর মুখে।”
📚 সূরা মায়েদা: আয়াত ৭৮

---

🟠 কুরাইশরা নবী ﷺ-কে “পাগল”, “জাদুকর” বলত

আল্লাহ তাদের জবাবে বলেন:

> "مَا أَنتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ"
“আপনি আপনার রবের অনুগ্রহে পাগল নন।”
📚 সূরা ক্বলম: আয়াত ২

---

🔥 উপাধি যেমন হোক, প্রসঙ্গ নবী হলে সতর্ক হোন

"পিয়ন", "রাজনীতিক", "দর্জি", "চাষি", "গরুর রাখাল" – এসব শব্দ আমাদের সমাজে সাধারণ কাজে ব্যবহৃত হয়।
কিন্তু যখন নবীদের ব্যাপারে ব্যবহার হয়, তখন তা হয়ে যায়:

🔴 বেয়াদবি,
🔴 সম্মানহানিকর
🔴 এবং অনেক সময় ঈমান বিনষ্টকারী।

---

🕯️ করণীয়

✅ নবীদের নামের সাথে শ্রদ্ধাসূচক শব্দ যুক্ত করুন:
👉 “আলাইহিস সালাম”, “ﷺ”, “সাইয়্যিদুনা”, “ইয়া নাবিয়াল্লাহ”

✅ দীন শিখুন – কোরআন ও হাদীস থেকে নবীদের মর্যাদা জানুন।

✅ যারা ভুলবশত সাধারণ ভাষা ব্যবহার করে, তাদের কোমলভাবে কোরআনের ভাষায় সংশোধন করুন।

---

🤲 উপসংহার

নবীগণ হলেন সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ, তাঁরা সাধারণ মানুষ নন।
তাঁদের প্রতি বিন্দুমাত্র অসম্মান ঈমানের জন্য বিষতুল্য।
সুতরাং, বুঝে-বুঝে কথা বলা, নবীদের নামে উপাধি ব্যবহারে সচেতন হওয়া, ও নবীজির আদব বজায় রাখা ফরজ।

📣 "নবীদের সম্পর্কে একটিও অসম্মানসূচক শব্দ - ঈমান হরণ করতে পারে!"

---

📚 উৎস:

কুরআন শরীফ

সহীহ বুখারী ও মুসলিম

আশ-শিফা – কাদী আয়াদ

আকীদা তাহাবিয়্যাহ – ইমাম তাহাবী

তাফসিরে ইবনে কাসির

---

🔁 পোস্টটি শেয়ার করুন।
❝ হয়তো আপনার এক শেয়ারে কেউ ঈমান রক্ষা করতে পারবে ❞

---

🕌 নবীদের সম্মান ইমানের শর্ত – সাধারণ ভাষায় সম্বোধন কি বেয়াদবি ও ঈমানহানিকর?✒️ আলোচনায়: কোরআন, হাদীস ও ইমামদের বক্তব্যসহ-...
20/07/2025

🕌 নবীদের সম্মান ইমানের শর্ত – সাধারণ ভাষায় সম্বোধন কি বেয়াদবি ও ঈমানহানিকর?

✒️ আলোচনায়: কোরআন, হাদীস ও ইমামদের বক্তব্যসহ

---

🌟 ভূমিকা

নবীগণ হলেন আল্লাহর নির্বাচিত ও পবিত্র বান্দা। তারা শুধু সমাজ সংস্কারক নয়, বরং তারা হচ্ছেন আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো পথপ্রদর্শক। তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা শুধুই ভদ্রতা নয় – বরং এটি ঈমানের আবশ্যক অংশ।

আজকের দিনে অনেকেই না বুঝে নবীগণকে সাধারণ মানুষের মতো উপাধিতে ডাকে – যেমন "দর্জি", "পিয়ন", "কাউবয়", "সাধারণ নেতা" ইত্যাদি।
কিন্তু এই ধরণের ভাষা কি বৈধ? কোরআন ও হাদীস কী বলে? আসুন জানি।

---

📖 কোরআন কী বলছে?

🔸 ১. নবীর সামনে আওয়াজ উঁচু করাও হারাম

> يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ...
“হে ঈমানদারগণ! নবীর কণ্ঠস্বরের ওপর তোমরা তোমাদের কণ্ঠস্বর উঁচু করো না…”
📚 সূরা হুজুরাত, আয়াত ২

📌 ব্যাখ্যা:
কেবল আওয়াজ উঁচু করলে আমল বরবাদ হয়ে যেতে পারে, তাহলে যদি কেউ নবীকে সাধারণ মানুষের মতো "পিয়ন", "দর্জি", "রাজনীতিবিদ" বলে, তাহলে কি তা ভয়ানক বেয়াদবি নয়?

---

📘 হাদীসের ভাষ্যে স্পষ্ট ঘোষণা

🔸 ২. নবীর অপমান মানেই কুফরি

> من سبّ نبيا فقد كفر
“যে ব্যক্তি কোনো নবীকে গালি দেয় (অপমান করে), সে কাফের হয়ে যায়।”
📚 ইমাম তাহাবি, আকীদা গ্রন্থ

---

🏛️ ইমামদের ফতোয়া

🔸 ৩. ইমাম কাদী আয়াদ (রহ.) বলেন:

> من استخفّ برسول الله ﷺ أو نسبه إلى نقص أو عيب، كفر بالإجماع
“যে ব্যক্তি রাসূল ﷺ-কে অবমূল্যায়ন করে বা কোনো দোষারোপ করে, সে সর্বসম্মতভাবে কাফের।”
📚 আশ-শিফা, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ২৩৮

---

🌍 সকল নবীকে সম্মান করা ফরজ

🔸 ৪. কোরআন বলছে:

> لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ
“আমরা রাসূলগণের মাঝে কোনো পার্থক্য করি না।”
📚 সূরা বাকারা, আয়াত ২৮৫

📌 ব্যাখ্যা:
কোনো নবীকে সাধারণভাবে ডাকা, তার পেশাকে কটাক্ষ করা, বা উপহাস করা – সকল ক্ষেত্রেই বড় গুনাহ এবং ঈমানের জন্য হুমকি।

---

📜 অতীতের ঘটনা – যেখান থেকে শিক্ষা

🟠 ঘটনা ১: এক সাহাবি নবী ﷺ-এর সামনে জোরে কথা বলেছিলেন।

তার আমল বরবাদ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয়, পরে তিনি কান্না করে তওবা করেন। এই ঘটনা প্রকাশ পেলে “أن تحبط أعمالكم” আয়াত নাজিল হয়।
📚 সূরা হুজুরাত

🟠 ঘটনা ২:

ইয়াহুদিরা হযরত ঈসা (আঃ)-কে "নজরানের কাঠমিস্ত্রি" বলে কটাক্ষ করত।
এই অপমানের কারণে তাদের উপর আসমানি লানত এবং অভিশাপ নেমে আসে।
📚 সূরা আল-মায়েদা: আয়াত ৭৮

🟠 ঘটনা ৩:

কুরাইশরা নবী ﷺ কে "সাহির", "কাহিন", "পাগল" বলতো – আল্লাহ তাদেরকে কোরআনে ঘোষণা করে “অপরাধী ও মিথ্যুক” বলেছেন।
📚 সূরা ক্বলম: আয়াত ২-৪

---

🕋 নবী ﷺ এর নাম নেয়ার আদব

> لَا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُم بَعْضًا
“রাসূলকে ডাকাকে নিজেদের মতো করে ডেকো না।”
📚 সূরা নূর, আয়াত ৬৩

📌 সাহাবীগণ কখনো নবীকে নাম ধরে ডাকেননি। তারা বলতেন: "ইয়া রাসূলুল্লাহ", "ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ", "ইয়া হাবীবাল্লাহ"

---

❌ আজকের দিনে কিছু ভুল ধারণা

⛔ “মুহাম্মদ একজন ভালো নেতা ছিলেন”
⛔ “নবী একজন সাধারণ ব্যবসায়ী ছিলেন”
⛔ “নবী ছিলেন দর্জি, পিয়ন, কাউবয় – এতে অপমান নেই”

🔴 এগুলো সবই ঈমানের জন্য হুমকি। এসব শব্দ সাধারণ মানুষের জন্য হলেও, নবীদের জন্য নয়।

---

✅ করণীয়

✔️ নবীদের নাম নিলে সম্মানসূচক উপাধি ও সালাওয়াত দিন:
👉 “সাইয়্যিদুনা”, “আলাইহিস সালাম”, “ﷺ”, “রসূলুল্লাহ”

✔️ হাদীস ও কোরআনের আলোকে নবীদের মর্যাদা শিখুন, শিখান।

✔️ যারা না বুঝে নবীদের সাধারণ ভাষায় ডাকে, তাদের সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিন।

---

🤲 উপসংহার

নবীগণ আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের পথপ্রদর্শক।
তাদের সম্পর্কে কোনো সাধারণ, হালকা, অসম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা শুধু বেয়াদবি নয়, বরং ঈমানের শত্রু।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে নবীদের সঠিক সম্মান প্রদর্শনের তাওফিক দান করুন।
আমীন।

---

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন যেন সবাই বুঝে —
“নবীর অসম্মান মানেই ঈমানের ঝুঁকি”

---

📚 উৎস: কোরআন, হাদীস, কাদী আয়াদ, তাফসিরে ইবনে কাসির, আশ-শিফা, আকীদা তাহাবিয়্যাহ

---

Address

Ramganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Akram Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Akram Hossain:

Share