Mr.Santo marma

Mr.Santo marma আসা ছাড়তে নেই,
ঝড়ে পড়া ফল থেকেও নতুন গাছের জন্ম হয়।
(43)

03/02/2026
05/12/2025

゚viralシfypシ゚viralシalシ

14/11/2025

পড়াশোনা ছেড়ে ২৮ বছরেই ৩৬০ কোটি ডলারের (৪৩,২০০ কোটি টাকা!) মালিক ভাবা যায়!পড়ালেখা বাদ  না নিলে হয়ত আজকে ছাত্রই থাকতেন। য...
12/09/2025

পড়াশোনা ছেড়ে ২৮ বছরেই ৩৬০ কোটি ডলারের (৪৩,২০০ কোটি টাকা!) মালিক ভাবা যায়!

পড়ালেখা বাদ না নিলে হয়ত আজকে ছাত্রই থাকতেন। যেমন আমাদের দেশের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রী ঔ বয়সে ছাত্রই থাকে।

১৯ বছর বয়সে স্ট্যানফোর্ড ছেড়ে, ২৮ বছরেই ৩৬০ কোটি ডলার (৪৩,২০০ কোটি টাকা!)—এটা কোনো ফ্যান্টাসি নয়, বাস্তব!

আলেকজান্দ্রা ওয়াং—বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী সেলফ-মেইড বিলিয়নিয়ার। তাঁর গল্প শুনলে আপনার বিশ্বাসই হবে না যে, একজন মানুষ এত অল্প বয়সে কিভাবে এত বড় সাফল্য পেতে পারে!

কীভাবে সম্ভব হলো?
১৯ বছর বয়সেই স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ছেড়ে স্কেল এআই (Scale AI) প্রতিষ্ঠা করেন।

এআই ডেটা প্রসেসিংয়ে বিপ্লব ঘটিয়ে গুগল, উবার, OpenAI-র মতো বড় কোম্পানিগুলোকে সেবা দিচ্ছেন।

২০২৪ সালে মাত্র ১০০ কোটি ডলার ফান্ডিং পেয়ে কোম্পানির মূল্য দাঁড়ায় ১৩৮০ কোটি ডলার!

১৪% শেয়ার থাকায় তাঁর সম্পদ এখন ৩৬০ কোটি ডলার (৪৩,২০০ কোটি টাকা!)

কী শেখা যায়?
ডিগ্রি নয়, দক্ষতাই মূলধন!—আলেকজান্দ্রা প্রমাণ করেছেন, "সাহস + দক্ষতা + নতুন আইডিয়া = বিলিয়নিয়ার হওয়ার ফর্মুলা!"
এই যুগে প্রযুক্তিই সবচেয়ে বড় সুযোগ!—কোডিং, এআই, স্টার্টআপ নিয়ে কাজ করলে আপনিও হতে পারেন পরবর্তী আলেকজান্দ্রা!
ঝুঁকি নিতে ভয় পাবেন না!—স্ট্যানফোর্ড ছেড়ে ব্যবসা শুরু করা সহজ ছিল না, কিন্তু বড় স্বপ্ন দেখার সাহসই তাঁকে সাফল্য এনে দিয়েছে।

ছাত্র-তরুণদের জন্য বার্তা:
"এই যুগে ট্রাডিশনাল ক্যারিয়ারের চেয়ে প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা আপনাকে দ্রুত সাফল্য দেবে!
আজই শুরু করুন—কোডিং শিখুন, এআই এক্সপ্লোর করুন, বা নিজের স্টার্টআপ গড়ুন!"

কমেন্টে জানান—আপনি কোন ফিল্ডে সাফল্য চান? কোডিং, এআই, নাকি ব্যবসা?

#সাফল্য #এআই
#বিলিয়নিয়ার #উদ্যোক্তা #টেকনোলজি

সাইকোলজি মতে -      মানুষ অভাবে নাকি স্বভাব নষ্ট; আসলেই কি তাই❓🤔বাস্তবে মানুষ তার স্বভাবের কারণেই অভাব দেখা দেয়। বাকিটা ...
16/07/2025

সাইকোলজি মতে -
মানুষ অভাবে নাকি স্বভাব নষ্ট; আসলেই কি তাই❓🤔
বাস্তবে মানুষ তার স্বভাবের কারণেই অভাব দেখা দেয়। বাকিটা নিজ জ্ঞানে বুঝে নিবেন সবাই।

গুগল ম্যাপের মাধ্যমে একটি ভালোবাসার গল্প।প্রতিটি ছবিতে ক্যাপশন পড়ুন।২০১৫ সালে দুই বৃদ্ধ দম্পতি পাশাপাশি বসে এক প্লেটে খ...
09/07/2025

গুগল ম্যাপের মাধ্যমে একটি ভালোবাসার গল্প।
প্রতিটি ছবিতে ক্যাপশন পড়ুন।

২০১৫ সালে দুই বৃদ্ধ দম্পতি পাশাপাশি বসে এক প্লেটে খাবারের খাওয়ায় বাড়ির পাশে।

এক বছর পরে,২০১৬ সালে,ক্যামেরা আবার তাদের বন্দী, এখনও একই জায়গায় বসে,শুধুমাত্র ভিন্ন আসন। তাদের পৃথিবী ছোট,কিন্তু একে অপরের যত্নবান দুটি হৃদয়ের জন্য যথেষ্ট।

২০১৭ সালে শুধু ঠাকুমাকে দেখা গিয়েছিল এক চেয়ারে বসে সামনে তাকিয়ে। কিন্তু দাদুকে আর ছবিতে দেখা যাবে না😢

২০১৮ সালে,দাদী এখনও সেখানে ছিলেন,কিন্তু তিনি আর তার স্বাভাবিক চেয়ারে বসেন না। ঘরের অর্ধবন্ধ দরজার সামনে বসেছিলেন,শরীর দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন।

২০২০ সালে দাদী আবার স্বাভাবিক চেয়ারে ফিরে এলেন, চিন্তায় এলোমেলো হয়ে বসে,কুচকে যাওয়া হাত দিয়ে থুতুকুকে আদর করে, যেন এমন কারো অপেক্ষায় যে আর ফিরবে না।

২০২১ সালে তার শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে,তার পদক্ষেপ আর স্থিতিশীল ছিল না। সে শুধু তার অতীতের ছায়া,
আজও স্মৃতি আঁকড়ে আছে।

২০২২ সালে নীল ঘরের দরজা শক্ত করে বন্ধ ছিল। ঠাকুমার কোন খোঁজ নেই। হয়তো সে তার প্রিয়তমার সাথে গিয়েছিল। তারা সম্ভবত এখন আরো শান্তিপূর্ণ জায়গায় একসাথে।

২০২৩ সালে বাড়ির চারপাশে আগাছা বেড়ে গেল,তার রঙ ম্লান হয়ে গেল,এবং দরজা বন্ধ হয়ে গেল। সিট খালি আছে আগের মত বের করা হয় নি

২০২৪ সালে আগাছা সরিয়ে ফেলা হয়েছিল,কিন্তু ঘরটা চুপ করে ছিল। চেয়ারগুলো দাঁড়িয়ে আছে,অপেক্ষা করার মত,কিন্তু দেখা হয়নি।

এবং এখন, ২০২৫ সালে,বাড়িটি চলে গেছে,গ্রাউন্ডেড। সেখানে তাদের কোন সন্ধান নেই। শুধু স্মৃতি,শুধু ছবি। ভালোবাসা... সত্যিই সুন্দর। সত্যিকারের ভালোবাসারও বিচ্ছেদ হতে হয়।

এদের সম্পর্কে কেউ গল্প বলে না। আমি বাদে। গুগল ম্যাপের মাধ্যমে।

সংগৃহিত💔💔💔

অনেক সময় যাকে আমরা শত্রু ভাবি,কিন্তু তারা হয় আসল জীবন রক্ষাকারী। একদা এক কৃষক তার ভুট্টাক্ষেতে রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করত...
06/07/2025

অনেক সময় যাকে আমরা শত্রু ভাবি,কিন্তু তারা হয় আসল জীবন রক্ষাকারী। একদা এক কৃষক তার ভুট্টাক্ষেতে রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করতেন। তার ফলন ছিল চোখে পড়ার মতো, কিন্তু এই প্রাচুর্য তার জন্য নতুন এক সমস্যার জন্ম দিল। একদল চতুর বানর প্রতিদিন ক্ষেতে হানা দিত আর পাকা ভুট্টা চুরি করে নিয়ে যেত। কৃষক লাঠি হাতে তাদের তাড়া করতেন, ফলে বানরগুলো পেট ভরে খেতে পারত না। কৃষকের ভয়ে তারা সব সময় তটস্থ থাকত।
একদিন হঠাৎ করেই কৃষকের মৃত্যু হলো। এ খবর শুনে বানরদের আনন্দের সীমা ছিল না! "যাক বাবা, আপদ বিদায় হলো!"—এই ভেবে তারা বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতে উঠল। তাদের মনে হলো, এবার বুঝি স্বাধীনভাবে, ইচ্ছেমতো ভুট্টা খাওয়া যাবে। কোনো তাড়া নেই, কোনো ভয় নেই!
প্রথম প্রথম সব ঠিকই ছিল। বানরগুলো মনের সুখে ভুট্টা খেতে লাগল। কিন্তু বছর ঘুরতেই প্রকৃতির নিয়ম বদলে গেল। ক্ষেতে আর নতুন ভুট্টা জন্মাল না। কৃষকের অবর্তমানে কেউ তো আর মাটি চষে, বীজ বুনে নতুন ফলনের ব্যবস্থা করেনি! ফলস্বরূপ, একসময় ভুট্টাক্ষেত শূন্য হয়ে গেল। খাবার না পেয়ে বানরগুলো ক্ষুধার জ্বালায় ছটফট করতে লাগল।
সেই মুহূর্তে তারা মর্মান্তিক এক সত্য উপলব্ধি করল। যাকে তারা এতদিন শত্রু ভেবেছিল, যার তাড়ায় তারা অতিষ্ঠ ছিল, সেই কৃষকই ছিলেন তাদের খাদ্যের মূল উৎস। তার কঠোর পরিশ্রমেই ক্ষেতে ভুট্টা ফলত আর তারা খাবার পেত। আজ কৃষক নেই, তাই খাবারও নেই।
শিক্ষা:
এই গল্প আমাদের শেখায় যে, জীবনের অনেক সম্পর্ক বা পরিস্থিতিকে আমরা তুচ্ছ মনে করি বা গুরুত্ব দিই না। কিন্তু অনেক সময় আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তিগুলো লুকিয়ে থাকে সেসব উৎসতেই, যা আমরা হয়তো শত্রু ভাবি বা অবহেলা করি। কোনো কিছু বা কারো মূল্য তখনই বোঝা যায়, যখন সে আর আমাদের জীবনে থাকে না। অতএব, প্রতিটি সম্পর্ক এবং প্রতিটি মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত, কারণ আমরা জানি না কে কখন আমাদের জীবনের অপ্রত্যাশিত উৎস হয়ে ওঠে।
#জীবনেরশিক্ষা #শিক্ষণীয় ✅

Address

Rangamati
Rangamati

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mr.Santo marma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mr.Santo marma:

Share