21/09/2025
১৯৮৬ সালের কথা। পাবনা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত হোন্ডা চালিয়ে যাওয়া তখন রীতিমতো এক দুঃসাহসিক অভিযান। আমরা ছিলাম ১৬ জন বন্ধু, সাথে ছিল ৮টা হোন্ডা—যেনো ছোট্ট একটা বাইক স্কোয়াড!
সকালে খুব উৎসাহ নিয়ে রওনা দিয়েছিলাম, কিন্তু প্রথম ৫০ কিলোমিটারের মধ্যেই বুঝলাম—এটা শুধু ট্যুর না, এটা রীতিমতো পরীক্ষা! ধুলো-বালি, খানাখন্দ, মাঝে মাঝে বৃষ্টির ফোঁটা—সব কিছু পার করে চলেছি। পথে পথে গ্রামের মানুষ অবাক হয়ে দেখছে—একসাথে এতগুলো বাইক, এতগুলো পাবনার পাগল ছেলে কোথায় যাচ্ছে!
খাবার খেয়েছি রাস্তার ধারের হোটেলে, চা খেয়েছি কত অচেনা চায়ের দোকানে। মাঝে মাঝে কোনো বাইক খারাপ হয়ে থেমে গেছে, তখন সবাই মিলে ঠেলাঠেলি করে আবার চালু করেছি। হাসাহাসি, ঠাট্টা, কখনো ঝগড়া—সব মিলিয়ে ছিল রোমাঞ্চে ভরা এক যাত্রা।
যখন অবশেষে কক্সবাজারে পৌঁছলাম, তখন মনে হলো—পুরো পৃথিবী জয় করে ফেলেছি! সমুদ্রের ধারে দাঁড়িয়ে হোন্ডাগুলোকে সারি করে রেখে ছবি তুললাম, বাতাসে চুল উড়ছে, মুখে একরাশ বিজয়ের হাসি।
আজ এত বছর পরও মনে হয়—সেটা শুধু একটা ভ্রমণ ছিল না, বরং আমাদের তারুণ্যের এক অমূল্য স্মৃতি। তখনকার সেই সাহস, সেই উচ্ছ্বাস—এখনও মনে পড়লে বুক ভরে যায়। যে বন্ধুরা একসাথে গিয়েছিলামঃ আমি,বগা,হিরোক,সামু,শাহিন পাথরতলা,মিতা মাছুম,আযম,মতিন,সোহেল,ফরজনতো শরীফ,আতিকুল,আম বেলাল,লিও,মাহফুজ(লালু সর্দার),স্বপন। বন্ধুদের মধ্যে এখন পৃথিবীতে নেই হিরোক,সামু,আতিকুল,ফরজন্ত হাজির ছেলে শরীফ।....... এই বাইকটা আমার তরুন জীবনের প্রথম বাইক
ছবি এবং লেখা : km Hasan Kabir Arif