Cht Times

Cht Times পার্বত্য চট্টগ্রামের ধর্মীয় - সামাজিক, রাজনীতির সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ ঘটনাবলি তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য।

সত্যে প্রচারে সর্বদা প্রস্তুত, সাথেই থাকুন।

চবিতে সুর্দশন চাকমা,মহামনি চাকমা ও ক্যাচিংহ্লা মার্মার নেতৃত্বে পিসিপি'র কমিটিচবি প্রতিনিধি২১ আগস্ট ২০২৬,শুক্রবারবৃহত্তর...
21/08/2026

চবিতে সুর্দশন চাকমা,মহামনি চাকমা ও ক্যাচিংহ্লা মার্মার নেতৃত্বে পিসিপি'র কমিটি

চবি প্রতিনিধি
২১ আগস্ট ২০২৬,শুক্রবার

বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২২তম কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে সুদর্শন চাকমা সভাপতি, মহামনি চাকমা সাধারণ সম্পাদক ও ক্যাসিংহ্লা মারমা সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

সম্মেলনের মুলপ্রতিপাদ্য ছিল " জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবি মেনে নাও"।

আজ সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ভবনে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

পিসিপি চবি শাখার সভাপতি ভূবন চাকমা'র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুদর্শন চাকমা'র সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি সমর চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রিতা চাকমা, পিসিপি'র সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ইউপিডিএফ'র সংগঠক সুনয়ন চাকমা এবং পিসিপি'র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সোহেল চাকমা। আরো উপস্থিত ছিলেন পিসিপি খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রাঞ্জল চাকমা, চট্টগ্রাম মহানগর শাখা সভাপতি অংহ্লাচিং মারমাসহ বাম সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কাউন্সিল শুরুতে ​পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের দলীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়। এরপর শোক প্রস্তাব পাঠ করেন পিসিপি চবি শাখার সদস্য মহামনি চাকমা। শোক প্রস্তাব পাঠ শেষে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারা দেশে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আত্মবলিদানকারী সকল শহীদদের স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

​অধিবেশনে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনটির চবি শাখার দপ্তর সম্পাদক ক্যাচিংহ্লা মারমা।

স্বাগত বক্তব্যে ক্যাচিংহ্লা মার্মা বলেন, জুম্ম জনগণের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও প্রাণের দাবি ‘পূর্ণস্বায়ত্তশাসন’ অর্জনের লক্ষ্যে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ আজও নিরন্তর লড়াই করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত সকল অন্যায়-নিপীড়নের বিরুদ্ধে পিসিপি চবি শাখা তাদের আপসহীন সংগ্রাম জারি রেখেছে। আজকের এই কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে আমাদের মুক্তির সংগ্রাম আরও বেগবান ও গতিশীল হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে অব্যাহত গুম, খুন, নিপীড়ন, অত্যাচার এবং শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক চাপিয়ে দেওয়া সেনাশাসনের বিরুদ্ধে পিসিপি'র লড়াই চলবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কেন্দ্রীয় সভাপতি সমর চাকমা বলেন, বর্তমানে রাষ্ট্রে দ্বৈত নীতি চলমান। সমতলের জন্য এক রকম নীতি হলেও, পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকার কাঠামোগত নিপীড়ন ও জাতিগত নিধনের নীলনকশা বাস্তবায়ন করে চলেছে। পাহাড়ের জনগণকে আজও নিজেদের ভূমি, শিক্ষা এবং নিজস্ব জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে নিরন্তর লড়াই করতে হচ্ছে।

তিনি সংবিধানের প্রসঙ্গ টেনে আরও বলেন, ২০১১ সালে পতিত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার চরম অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে দেশের সংখ্যালঘু জাতিসত্তাসমূহের স্বতন্ত্র ও ঐতিহাসিক পরিচয়কে অস্বীকার করেছে। অধিকারকামী এসব মানুষের ওপর জোরপূর্বক 'বাঙালি' জাতীয়তাবাদ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে সাত শতাধিক জুম্ম শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন, যাঁরা পাহাড়ের অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে এক তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। বর্তমানে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের গৌরবোজ্জ্বল নাম ভাঙিয়ে অনেকেই ভুঁইফোড় সংগঠন সৃস্টি করেছে ঠিকই,কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রকৃত লড়াই-সংগ্রাম এবং রাজপথের আপসহীন প্রতিবাদেই পিসিপি'র আসল পরিচয় ফুটে ওঠে।

তিনি ছাত্রসমাজকে উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতের সকল ভুলভ্রান্তি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে এবং সকল প্রকার বিভ্রান্তি কাটিয়ে পাহাড়ের নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের এই সংগ্রামকে নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে সামনের দিকে আরও বেগবান করতে হবে। একমাত্র রাজনৈতিক সংগ্রামই নিপীড়িত জনগণকে মুক্তি দিতে পারে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি জনগণেরর মুক্তির জন্য পূর্ণস্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।

ইউপিডিএফ সংগঠক সুনয়ন চাকমা বলেন, বর্তমান সংকটময় সময়ে ছাত্রসমাজকে সকল দোলাচল ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব এড়িয়ে পাহাড়ের গণমানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে হবে। জাতির সূর্যসন্তানেরা কখনো সংগ্রামবিমুখ হয় না; বরং অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে তারা সর্বদা বুক চিতিয়ে সামনে এগিয়ে আসে। তিনি উল্লেখ করেন, ঐতিহাসিকভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণ কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেনি। ব্রিটিশ আমল থেকে আজ অবধি মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস জুম্মদের রয়েছে। পাহাড়ের জনগণের সামনে অধিকার আদায়ের সুযোগ বারবার এলেও সঠিক নেতৃত্বের অভাবে তা হাতছাড়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইউপিডিএফ প্রকৃত আন্দোলনে সক্রিয় রয়েছে বলেই রাষ্ট্রযন্ত্র তাদের ওপর বর্বরোচিত দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। ঠিক একইভাবে পাহাড়ের লড়াই-সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকায় পিসিপিকেও নানাভাবে দমন করা হচ্ছে। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনের বৃহত্তর লড়াইয়ের জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

​হিল উইমেন্স ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রিতা চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। পাহাড়ে নিয়মিত নারী ধর্ষণ, নির্যাতন এবং অধিকারকামী জনগণকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও ধরপাকড় করা হচ্ছে। দেশে সরকার পরিবর্তন হলেও ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক অন্যায়ভাবে জারি করা ১১ দফা নির্দেশনা আজও বলবৎ রয়েছে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পরেও পাহাড়ে ন্যক্কারজনক সাম্প্রদায়িক হামলা সংঘটিত হয়েছে। পুরো দেশে পরিবর্তনের হাওয়া লাগলেও পাহাড়ের বাস্তবতায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। যতদিন পূর্ণস্বায়ত্তশাসন অর্জনের মধ্য দিয়ে জুম্ম জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায় না হয়, ততদিন পিসিপি'র পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য তিনি নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।

​সভাপতির বক্তব্যে ভুবন চাকমা বলেন, শাসকগোষ্ঠী পাহাড়ের লড়াই-সংগ্রামকে দমন করার হীন উদ্দেশ্যে ছাত্রসমাজের মধ্যে একটি সুবিধাবাদী ধারার সৃষ্টি করেছে। বিগত চাকসু নির্বাচনেও এই সুবিধাবাদী অংশটি ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতিতে লিপ্ত হয়েছিল। তারা কেবল নাচ-গান ও সস্তা বিনোদনের মাধ্যমে ছাত্রসমাজকে প্রকৃত লড়াই থেকে বিমুখ করে রাখার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আজও সংখ্যালঘু জাতিসত্তাসমূহের ভাষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট চালু করা হয়নি। অতীশ দীপঙ্কর হলে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রাপ্য ৬০ শতাংশ আসন সঠিকভাবে বণ্টন করা হচ্ছে না, বৈসাবি উৎসবে ছুটি মঞ্জুর করা হয় না এবং চাকসুতে জাতিসত্তা বিষয়ক কোনো পদ রাখা হয়নি। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, শাসকগোষ্ঠী পাহাড়েও নীরব শিক্ষা-নিধন চালাচ্ছে। বর্তমানে সাজেক কলেজে পাঠদানে বাধা দিয়ে সেনাবাহিনী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অর্জনের মৌলিক অধিকারে নগ্ন হস্তক্ষেপ করছে। তিনি সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে পাহাড়ের নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান করেন।

​কাউন্সিলের দ্বিতীয় অধিবেশনে চবি শাখার বিগত বছরের সাংগঠনিক প্রতিবেদন পেশ করা হয়।

এরপর পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কাউন্সিল অধিবেশনে উপস্থিত সকল প্রতিনিধির সর্বসম্মতিক্রমে সুদর্শন চাকমাকে সভাপতি, মহামনি চাকমাকে সাধারণ সম্পাদক এবং ক্যাচিংহ্লা মারমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২৭ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত কমিটিকে শপথ বাক্য পাঠ করান পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ-এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সোহেল চাকমা।

​শপথ গ্রহণ শেষে নবগঠিত কমিটির নেতৃত্বে এবং উপস্থিত নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শুভেচ্ছা মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি চাকসু ভবন থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বুদ্ধিজীবী চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

​কাউন্সিলে সাংবিধানিক গ্যারান্টিসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসন প্রদান, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেনা-গোয়েন্দা নজরদারি বন্ধ, পিসিপি’র শিক্ষা সংক্রান্ত ৫ দফা পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং পাহাড় থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহার করে গণতান্ত্রিক শাসন নিশ্চিত করার দাবি করা হয়।

এছাড়াও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংখ্যালঘু জাতিসত্তাসমূহের ভাষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট চালু করা, অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হল ও নবাব ফয়জুন্নেছা হলের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য ৬০ শতাংশ আসন বরাদ্দ নিশ্চিতকরণ, বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে সংখ্যালঘু জাতিসত্তাগুলোর সঠিক ইতিহাস সম্বলিত বই-পুস্তক সংরক্ষণ ও অধ্যয়নের জন্য উন্মুক্ত করা, হলের খাবারের মান উন্নয়ন ও আবাসন সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে ছুটির তালিকা প্রণয়নসহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট ৫ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।

#পিসিপি #চবি #২২তম #কাউন্সিল

🔴 অনলাইন লাইভ আলোচনা"২০ আগস্ট ১৯৪৭-এ পার্বত্য চট্টগ্রামের উপর আগ্রাসন এবং পাহাড়ি জনগণের অস্তিত্বের সংগ্রাম"১৯৪৭ সালের ২...
20/08/2026

🔴 অনলাইন লাইভ আলোচনা

"২০ আগস্ট ১৯৪৭-এ পার্বত্য চট্টগ্রামের উপর আগ্রাসন এবং পাহাড়ি জনগণের অস্তিত্বের সংগ্রাম"

১৯৪৭ সালের ২০ আগস্ট—পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টিকারী দিন। সেই ঘটনা কীভাবে পাহাড়ি জনগণের অস্তিত্বের সংগ্রামকে আজও প্রভাবিত করছে, তা নিয়েই আজ রাতে থাকছে বিশেষ অনলাইন আলোচনা।

আলোচনার সূত্রপাত ঘটাবেন ১৯৪৭ সালের ঘটনাবলীর একজন প্রত্যক্ষদর্শী। সাথে আলোচনায় অংশ নেবেন:

🎙️ অরুণাভ চাকমা — আহ্বায়ক, GAIPCHT
🎙️ ড. গৌতম চাকমা — ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত
🎙️ সুহাস চাকমা — প্রতিষ্ঠাতা, CDFI

হোস্ট থাকবেন: মাইকেল চাকমা — মানবাধিকার কর্মী ও জোরপূর্বক গুমের শিকার

📅 ২০ আগস্ট ২০২৬
🕖 সন্ধ্যা ৭:৩০ (বাংলাদেশ সময়) | সন্ধ্যা ৭:০০ (ভারত সময়)

দেশ-বিদেশ থেকে যুক্ত হবেন আরও অনেক আগ্রহী মানুষ। ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নিয়ে সরাসরি আলোচনায় যুক্ত থাকুন।

🔗 লাইভ দেখুন: https://www.facebook.com/ChetonaLive #জুম্মজনগণ #১৯৪৭ #পার্বত্যচট্টগ্রাম

Media

৪৭-এ পাকিস্তানের বেলুচ রেজিমেন্টের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সাজেকে শিশু-কিশোরদের ‌‘প্রতীকী প্রতিরোধ’  কর্মসূচি পালনসাজেক, বাঘা...
20/08/2026

৪৭-এ পাকিস্তানের বেলুচ রেজিমেন্টের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সাজেকে শিশু-কিশোরদের ‌‘প্রতীকী প্রতিরোধ’ কর্মসূচি পালন

সাজেক, বাঘাইছড়ি
২০ আগস্ট ২০২৬

রাঙামাটির সাজেকে ১৯৪৭-এ পাকিস্তানের বেলুচ রেজিমেন্টের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শিশু-কিশোরদের ‘প্রতীকী প্রতিরোধ’ ও ‘ব্রিটিশ আগ্রাসন প্রতিরোধের বীর নায়কদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

আজ বৃহষ্পতিবার সকাল ১০টার সময় ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে পাকিস্তানি আগ্রাসনের ৭৯ বছর’ উপলক্ষে সাজেকের বাঘাইহাট এলাকায় ‘অগ্রণী শিশু-কিশোর কেন্দ্র (এসিসি)’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে অগ্রণী শিশু কিশোর কেন্দ্র (এসিসি)-এর সাজেক শাখার জ্যোতি চাকমার সঞ্চালনায় সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ইউপিডিএফের সংগঠক ইয়ান চাকমা। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবাইকে শপথ পাঠ করান সমরিতা চাকমা।

কর্মসূচির শুরুতে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের বীর নায়ক সেনাপতি রনু খাঁ স্মরণে নির্মিত অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভে এবং অবিসংবাদিত জাতীয় নেতা স্নেহ কুমার চাকমার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক-ফুল অর্পণ ও স্যালুট প্রদর্শন করা হয়।

এরপর জাতীয় বীরদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে উপস্থিত শিশু, কিশোর-কিশোরীরা তিনটি দলে ভাগ হয়ে তীর-ধনুক ও বর্শা দিয়ে ’৪৭-এ অন্যায়ভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র আগ্রাসন চালানোর দায়ে বেলুচ রেজিমেন্টের কুশপত্তলিকার ওপর প্রতীকী আক্রমণ করে ঘৃণা প্রকাশ করেন। এতে শিশু-কিশোরা ছাড়াও বয়স্করাও যোগ দেন।

এরপর ইউপিডিএফ সংগঠক ইয়ান চাকমা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তিনি ১৯৪৭ সালের ২০ আগস্ট পাকিস্তানের বেলুচ রেজিমেন্ট কর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রামে আগ্রাসন ও এর পরবর্তী পাহাড়িদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতনের বিষয়ে তুলে ধরেন। তিনি অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতির অস্তিত্ব রক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন প্রজন্মকে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের লড়াইয়ে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান।

শেষে সমরিতা চাকমা উপস্থিত সবাইকে শপথ বাক্য পাঠ করানোর মধ্যে দিয়ে কর্মসূচি শেষ করা হয়।

২০১৮ সালে ১৮ আগস্ট সেনাসৃষ্ট ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী কর্তৃক ছাত্র -যুবনেতা তপন,এল্টন,পলাশসহ স্বনির্ভর হত্যাকান্ডে নিহতদের স্মরণ ...
18/08/2026

২০১৮ সালে ১৮ আগস্ট সেনাসৃষ্ট ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী কর্তৃক ছাত্র -যুবনেতা তপন,এল্টন,পলাশসহ স্বনির্ভর হত্যাকান্ডে নিহতদের স্মরণ খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন স্থানে স্মরণ সভা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন কর্মসূচী পালন করেছে সংগঠনের নেতাকর্মীরা

গুইমারায় নিখোঁজ হওয়া নবদ্বীপ কার্বারী পাড়ার কার্বারী যুদ্ধ কুমার চাকমার(জয়ন্ত বাপ)-এর লাশ পাওয়া গেছে বলে পরিবার সূত্রে জ...
16/08/2026

গুইমারায় নিখোঁজ হওয়া নবদ্বীপ কার্বারী পাড়ার কার্বারী যুদ্ধ কুমার চাকমার(জয়ন্ত বাপ)-এর লাশ পাওয়া গেছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। গতকাল আনুমানিক ১:৩০ মিনিট সময়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের দোকান থেকে বাড়িতে ফেরার সময় পিলাক নদীর পানিতে ভেঁসে যায়। কিছুক্ষণ আগে পিলাক নদীর ধামাইপাড়াস্থ টিলেইরিঘাট নামক স্থানে স্থানীয় ত্রিপুরা এলাকাবাসী যুদ্ধ কুমার চাকমার লাশ দেখতে পেয়ে চিহৃিত করে বলে জানা যায়।

গুইমারা বিজিবি হাসপাতাল সামনে মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহ/ত ১প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, জালিয়া...
15/08/2026

গুইমারা বিজিবি হাসপাতাল সামনে মাইক্রোবাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহ/ত ১

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, জালিয়াপাড়া এলাকায় বিজিবি সেক্টর হাসপাতাল সংলগ্ন স্থানে একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হন বলে জানা গেছে।

তবে নিহত মোটরসাইকেল চালকের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। দুর্ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
#খাগড়াছড়ি #গুইমারা

ইতিহাসের এই দিনে : ব্রিটেনের ‘ইউনিয়ন জ্যাক’ নামিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারত ও বার্মার পতাকা উত্তোলন (১৫ আগস্ট ১৯৪৭) ইতিহ...
15/08/2026

ইতিহাসের এই দিনে : ব্রিটেনের ‘ইউনিয়ন জ্যাক’ নামিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারত ও বার্মার পতাকা উত্তোলন (১৫ আগস্ট ১৯৪৭)

ইতিহাস ডেস্ক,
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

আজ ১৫ আগস্ট পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসে একটি বিশেষ দিন। ১৯৪৭ সালের এই দিনে অবিভক্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজধানী রাঙ্গামাটিতে স্নেহ কুমার চাকমা (স্নেহবাবু)-এর নেতৃত্বে ব্রিটেনের ‘ইউনিয়ন জ্যাক’-এর পরিবর্তে ভারতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়, যা পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বিশেষ আলোচিত অধ্যায় হয়ে রয়েছে। তৎকালীন ইংরেজ জেলা প্রশাসক কর্ণেল জি. এল. হাইড নিজেও উক্ত পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পতাকায় স্যালুট করেন। পরে কর্ণেল হাইড নিজের দপ্তরেও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। অন্যদিকে বান্দরবান সদরে বোমাং রাজ পরিবারের উদ্যোগে বার্মার পতাকা উত্তোলিত হয়।

‘পার্বত্য চট্টগ্রাম সংগ্রাম কমিটি’ (একশন কমিটি) আগের দিন অর্থাৎ ১৪ আগস্ট রাত ১২টায় (জিরো আওয়ার) ডিসি বাংলোতে ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাকের পরিবর্তে ভারতীয় পতাকা উত্তোলন করতে চেয়েছিল। স্নেহ কুমার চাকমার নেতৃত্বে ১০,০০০ যুবক মিছিল সহযোগে ডিসি বাংলোতে গিয়ে কর্ণেল হাইডকে ভারতীয় পতাকা উত্তোলনের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কর্ণেল হাইড তাতে সম্মতি প্রকাশ করলেও ‘ব্রিটিশ রীতিতে সূর্যোদয়ের সময়ই পতাকা উত্তোলন করতে হয়’ বলে পরের দিন ১৫ আগস্ট ভোরে রাঙ্গামাটি ফুটবল মাঠে (পুরাতন কোর্টবিল্ডিং মাঠ) পতাকা উত্তোলনের কথা বলেন এবং তিনি নিজেও তাতে অংশ নেবেন বলে তাদের কথা দেন। (দেখুন The Partition & The Chakmas and Other writings of Sneha Kumar Chakma, Edited by D.K.Chakma, pages : 4, 41)

কিন্ত এর একদিন পর ১৭ আগস্ট বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন পার্বত্য চট্টগ্রামকে মুসলিম অধ্যুষিত পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দেয়।

এরপর ১৯ আগস্ট ডিসি বাংলোতে ডিসি কর্ণেল হাইড-এর উপস্থিতিতে চাকমা রাজাসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশনের প্রধান সিরিল র‌্যাডক্লিফ-এর পার্বত্য চট্টগ্রামকে পাকিস্তানে অন্তর্ভূক্তির সিদ্ধান্ত না মানার প্রস্তাব গৃহীত হয়। সে প্রস্তাব মোতাবেক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে স্নেহ কুমার চাকমা ৮ জন সশস্ত্র স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে শক্তি সংগ্রহের লক্ষ্যে রামগড় হয়ে ত্রিপুরার উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম ত্যাগ করেন। এদিকে পাকিস্তানের বেলুচ রেজিমেন্ট কর্তৃক ২০ আগস্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম দখল হলে তিনি আর স্বদেশে ফিরতে পারেননি। ভারতে স্নেহবাবু প্রধানমন্ত্রী জওহুর লাল নেহেরুসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিকট ধর্ণা দিয়েও তেমন সাড়া পাননি। রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে পাকিস্তান বিরোধী নেতা-কর্মীগণ জীবনের ভয়ে ভারত ও বার্মায় আশ্রয় নেন। যারা দেশ ছেড়ে যাননি, তারা পাকিস্তান সরকারের হাতে গ্রেফতার হয়ে নির্যাতনের শিকার হন।

স্নেহ কুমার চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামের একজন স্বনামধন্য জাতীয় রাজনৈতিক নেতা। ১৯১৪ সালে খাগড়াছড়ির খবংপুজ্জ্যা গ্রামের এক সাধারণ পরিবারে তাঁর জন্ম। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হওয়া এবং প্রতিবাদী বৈশিষ্ট্যের কারণে স্কুল জীবনেই তিনি জেল খাটেন এবং আজীবন পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীর অধিকারের সপক্ষে সোচ্চার ছিলেন। পাকিস্তান সরকার তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল।

‘১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন’ (১৮ জুলাই ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে গৃহীত) মোতাবেক দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলসমূহ নিয়ে পাকিস্তান এবং মোটা দাগে হিন্দু ও অমুসলিমদের নিয়ে ভারত রাষ্ট্র গঠিত হয়। সে সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের শতকরা ৯৮ ভাগের বেশি ছিল অমুসলিম। কাজেই স্বাভাবিকভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামবাসী মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তান রাষ্ট্রে যোগ দিতে চায়নি। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ ও ভারতের ছিটমহল বিনিময়ের প্রাক্কালে ছিটমহলবাসীদের তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী বাংলাদেশ বা ভারত রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব বেছে নেবার অধিকার দেয়া হয়। সে মোতাবেক তারা নিজেদের পছন্দমত নাগরিকত্ব বেছে নেয়, একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী পর্যন্ত নিজ পছন্দমত দুই দেশের নাগরিকত্ব বেছে নিয়ে ভাগ হয়েছে। কিন্তু আক্ষেপের বিষয় হলো এই যে, ’৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় সিলেটসহ ভারতের অন্যান্য প্রদেশে গণভোট হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষকে নিজেদের পছন্দমত রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব বেছে নেবার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, যা চরম মানবিক অধিকার লঙ্ঘনও বটে।

এখানে প্রাসঙ্গিক কারণে উল্লেখ্য যে, ভারত বিভক্তিকালে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণও মুক্তির স্বপ্ন লালন করেছিল। তৎকালীন রাজনৈতিক সংগঠন ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসমিতি’র (জনসংহতি সমিতি নয়) সভাপতি ছিলেন কামিনী মোহন দেওয়ান (গৌতম দেওয়ানের পিতামহ) আর সাধারণ সম্পাদক স্নেহ কুমার চাকমা। বয়োবৃদ্ধ কামিনী মোহন দেওয়ান স্বাস্থ্যগত ও নানা কারণে ভারত বিভক্তির সময় সিদ্ধান্তহীনতা ও হতাশায় ভুগছিলেন। সে অবস্থায় তরুণরা ১৯৪৭ সালের মে মাসে একটি সংগ্রাম কমিটি (একশন কমিটি) গঠন করে, যার সভাপতি প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান আর ফিল্ড কমান্ডার ছিলেন ঘনশ্যাম দেওয়ান। এ সংগ্রাম কমিটি গঠনের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল স্নেহবাবুর ওপর। এ কমিটির নেতৃত্বেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্রিটিশ ইউনিয়ন জ্যাকের (ব্রিটেনের জাতীয় পতাকা) পরিবর্তে ভারতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়।

ব্রেকিং নিউজ: খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার গরুকাটা এলাকায় গতকাল রাতে (১৩ আগস্ট) এক সেটলার বাঙালির গোয়ালঘর আগুনে পুড়ে যা...
14/08/2026

ব্রেকিং নিউজ: খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার গরুকাটা এলাকায় গতকাল রাতে (১৩ আগস্ট) এক সেটলার বাঙালির গোয়ালঘর আগুনে পুড়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ঘটনার পর থেকে সেখানে সেনাবাহিনীর ৮টি ও বিজিবির ২টি গাড়ির উপস্থিতির পাশাপাশি মোটরসাইকেলযোগে প্রায় ২০০ জনের মতো সেটলার বাঙালি এসে অবস্থান নিয়েছে। এই বিপুল জমায়েত ও থমথমে পরিস্থিতিতে স্থানীয় নিরীহ জুম্ম জনগণ নতুন করে হামলা বা উচ্ছেদের আশঙ্কায় চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মশা-মাছির উপদ্রব থেকে গবাদিপশুদের রক্ষা করতে গোয়ালঘরে ধোঁয়া সৃষ্টির জন্য আগুন দেয়া হয়েছিল এবং ধারণা করা হচ্ছে সেখান থেকেই মূলত এই আগুনের সূত্রপাত। তবে স্থানীয়রা গভীরভাবে আশঙ্কা করছেন যে, এই দুর্ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে নেয়ার জন্য কোনো অপচেষ্টা চালানো হতে পারে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে এবং পাহাড়িদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

সাজেক কলেজে পাঠদানে বাধা দেয়ায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটবিবৃতিতে সাক্ষর করেন গণতান্ত্...
13/08/2026

সাজেক কলেজে পাঠদানে বাধা দেয়ায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট

বিবৃতিতে সাক্ষর করেন গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সালমান সিদ্দিকী, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি দিলীপ রায়, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি সায়েদুল হক নিশান, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি তামজিদ হায়দার চঞ্চল, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সভাপতি তাওফিকা প্রিয়া ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি সমর চাকমা।

প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হককে বলছি: আপনার যে বিষয়ে ধারণা নেই, সে বিষয়ে কথা বলা ঠিক নয়। আপনি পার্বত্য চট্টগ্রাম ও...
13/08/2026

প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হককে বলছি: আপনার যে বিষয়ে ধারণা নেই, সে বিষয়ে কথা বলা ঠিক নয়। আপনি পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সেখানকার জুম্ম জাতিগুলোর দাবি ও আন্দোলন সম্পর্কে আদৌ জানেন বলে মনে হয় না, যা আপনার বক্তব্য থেকে স্পষ্ট। (১২ আগস্ট “পার্বত্য চট্টগ্রামে ষড়যন্ত্র, সার্বভৌমত্বের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ” শীর্ষক সেমিনারে প্রদত্ত, এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত)
পাহাড়িরা যা চায় তা হলো সেনাশাসন ও সেনানিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা। সেনাশাসন ও নিয়ন্ত্রণ যদি ভালো হয়, তাহলে কেন বাঙালিরা সেনাশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে রক্ত দেন? কেন সারা দেশে সেনাশাসন চালুর দাবি করেন না?
নিজেদের আন্দোলনের ইতিহাস পাঠ করুন: জনগণের গণতান্ত্রিক ন্যায্য আন্দোলন দমনের ফল কী হয় তা জানুন ও বুঝতে চেষ্টা করুন।

এডমিন পোস্ট
১৩.০৮.২৬

Address

Devashish Nagar
Rangamati
4500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cht Times posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share