04/09/2026
৫ম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে।
৮ম শ্রেণিতেও বৃত্তি পেয়েছে।
SSC ও HSC-তে ভালো রেজাল্ট করেছে।
কিন্তু হঠাৎই তার পড়ালেখার অধঃপতন শুরু হয়। শত চেষ্টা করেও মেডিকেলে চান্স পায়নি।
পড়ালেখায় ভালো ছিল দেখে পরিবার-পরিজন ও শিক্ষকদের অনেক প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সেই প্রত্যাশার সামান্য অংশও পূরণ করা সম্ভব হচ্ছিল না।
ভালো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়াও তার জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়।
অবাক করার বিষয় হলো—
তার চেয়ে দুর্বল ছাত্ররাও যত গুলা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরিক্ষা দিয়েছে প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে'ই চান্স পেয়েছে।
এ সবের জন্য : হতাশা, চক্ষুল;জ্জা, মা'নসিক চাপ তার জীবনকে দু'র্বিষহ করে তোলে।
পেসেন্টের সমস্যা গুলো ছিলো:
• পড়তে বসলে অস্থিরতা কাজ করত
• মাথা ব্যথা করত
• পড়া ভুলে যেত
• পরীক্ষার হলে ঢুকলে শরীর কাঁপত
• মনোযোগ থাকত না
• মা'নসিকভাবে ভে'ঙে পড়ত
হঠাৎ একদিন একটি রুকইয়াহ সংক্রান্ত পোস্ট দেখে রুকইয়াহ গ্রহণের চিন্তা আসে তার মাথায়।
ডায়াগনোসিস সেশনে উঠে আসে — সে জা*দুর দ্বারা আ'ক্রান্ত।
একটি হাদিসের অংশ শুনুন:
"فَإِنَّ كُلَّ ذِي نِعْمَةٍ مَحْسُودٌ"
“প্রত্যেক নিয়ামতধারীই হিংসার শি'কার।”
জা*দুর প্রথম ধাপ — হিং;সা। কেউ আপনাকে কেন❓ জাদু করবে যদি হিং;সা না করে। আপনার উপর হিং;সা করার মতো যেকোনো কিছু থাকলেই আপনি টা'র্গেট হতে পারেন।
এই ছেলেটি ছিল মেধাবী — এটাই ছিল তার বড় এক নিয়ামত।
রাসূল (সা.) বলেছেন: “প্রত্যেক নিয়ামতধারীই হিংসার শিকার।”
হিং*সার পরবর্তী ধাপই জা*দু। জা*দুতে আ'ক্রান্ত হওয়ার জন্য বিশেষ কোনো কারণের দরকার নেই।
যে কোনো নিয়ামতই যথেষ্ট:
যেমন➡ টাকা, সম্মান, মেধা, সৌন্দর্য, পারিবারিক শান্তি
আল্লাহ তাআলা আমাদের হেফাজত করুন।
—🖋️ রাক্বী রাহাত আল আহনাফ
©️