Nusrat Jahan

Nusrat Jahan উল্লেখযোগ্য কিছু বলার নেই।

28/08/2025

04/08/2025

মানুষ কে প্রয়োজনের বেশি জানতে নেই। একটা মানুষকে পুরোপুরি জেনে যাওয়াটা অবহেলা বয়ে আনে। কথা ফুরিয়ে যায়, অজুহাত বাড়ে।

ফোনের স্ক্রিনে জমে আছে হাজারটা লেখা,হাজারটা কাউকে না বলা অনুভূতি।আজকাল এসব কাউকে বলি না—কারণ আমার এসব শোনার মতো কেউ বসে ...
14/06/2025

ফোনের স্ক্রিনে জমে আছে হাজারটা লেখা,
হাজারটা কাউকে না বলা অনুভূতি।
আজকাল এসব কাউকে বলি না—
কারণ আমার এসব শোনার মতো কেউ বসে নেই।
সবাই ব্যস্ত নিজের মতো করে…

এই শব্দগুলো আমি শুধু টাইপ করি না,
প্রতিটা অক্ষরের সঙ্গে মিশে থাকে নিঃশব্দ এক একটা দীর্ঘশ্বাস।
মনে হয়, বুকের ভেতরে জমে থাকা ভারটাই নামিয়ে রাখছি এখানে—
এই ফোনেই, এই আলোতে ভরা স্ক্রিনের ছোট্ট পর্দায়।

আমি লিখে যাই, কারণ বলা যায় না,
বিশ্বাস করে কিছু বললে—এই দুনিয়া সেটা ফিরিয়ে দেয় ব্যথা হয়ে।
তাই আজকাল বলার চেষ্টা করি না আর।
শুধু লিখে ফেলি, নিজের জন্য, নিঃশব্দে।

কেউ আর জিজ্ঞেস করে না—
“তুই কেমন আছিস?”
কারণ কারো সময় নেই শুনে নেয়ার,
আর আমারও শক্তি নেই বলার মতো করে কষ্ট ব্যাখ্যা করার।

এই ফোনই এখন আমার একমাত্র শ্রোতা।
যেখানে আমি নিজেকে বুঝিয়ে বলি—
"হ্যাঁ, আজও টিকে আছি…"
এই নোটগুলো হয়তো কারো জন্য না,
তবু প্রতিটি লাইনের ভেতরে আমি নিজেকেই খুঁজে নেই।

কারণ শুধু এখানেই আমি ভেঙে পড়লেও,
কেউ মুখ ফিরিয়ে নেয় না।

14/06/2025

মাঝরাতে হঠাৎ ঘুমটা ভেঙে গেলো।
ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে যাচ্ছে, অথচ আমার ভিতরের সময় থেমে আছে—
একটা নীরব শূন্যতা নিয়ে আমি তাকিয়ে আছি অন্ধকার ছাদের দিকে।
ইচ্ছে হলো কিছু লিখি…
কাগজে কলম নয়,
আজকাল আমার শব্দেরা জন্ম নেয় ফোনের এই ছোট্ট স্ক্রিনেই।
আঙুলেই জেগে ওঠে অনুভূতিরা।
আর সত্যি বলতে কী—
মন ভালো করার জন্য লেখার চেয়ে ভালো কোনো ওষুধ আমি আজও খুঁজে পাইনি।

জানো, চারপাশে আমার প্রিয়জনেরা আছে—
বাবা, মা, কিছু বন্ধু…
সব কিছু ঠিকঠাক,
তবুও কোথায় যেন একটা ফাঁকা জায়গা থেকে যায়।
একটা জায়গা—যেখানে কেউ নেই।
কেউ নেই যে বুঝে যাবে আমি ঠিক কেমন করে চুপ করে থাকি,
কেন থাকি।

অনেক সময় ইচ্ছে করে কারো প্রতি ভালোবাসা জন্মাক,
একটা মায়া তৈরি হোক বুকের গভীরে।
আবার নিজেরই মন থামিয়ে দেয় —
কারণ একবার মায়া জন্মালে, তার অনুপস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠে।
ভালোবাসার চেয়ে বোধহয় মায়া বেশি কষ্ট দেয়।

এই পৃথিবীটা খুব দ্রুতবেগে ঘুরছে,
সবাই ব্যস্ত, সবাই হিসেবি,
ভালোবাসাও যেন এখন মাপজোখে চলে।
তাই আমি ধীরে ধীরে শিখে ফেলেছি একা থাকা।
একা থাকলে কারো থেকে কিছু পাবার আশাও থাকে না,
হারানোর ভয়ও না।

তবুও, এই মধ্যরাতে, ঘুম ভাঙা চোখে,
মনে হয়…
হয়তো কোথাও একজন আছো তুমি।
একজন, যে আমায় দেখে না — অনুভব করে।
শব্দ শোনে না — নীরবতা বোঝে।

তুমি যদি থেকেও থাকো কোথাও,
জেনে রেখো—আমি আজও অপেক্ষা করছি।
ফোনের স্ক্রিনে আঙুল বুলিয়ে লিখে যাচ্ছি তোমার জন্যই,
যেন এই লেখাগুলো একদিন তোমার হৃদয়ে এসে ঠেকে।
হয়তো তুমি চিনে ফেলবে আমাকে,
চিনে ফেলবে এই নিঃশব্দ অপেক্ষাকে।

22/05/2025

কখনো কখনো নিজেকে সামলে নেওয়ার ভানটাই সবচেয়ে ক্লান্তিকর কাজ।
মনে হয় সবাই পাশে, অথচ ভিতরে ভীষণ একা লাগে।
চাইলেও কারো কাছে সব খুলে বলা যায় না—কারণ সবাই বোঝে, কিন্তু খুব কম মানুষ সত্যিই 'অনুভব' করে।
তবু বেঁচে থাকা মানে হয়তো এই—ভেঙে পড়ে আবার নিঃশব্দে জোড়া লাগা,
অভিনয় করতে করতে একদিন সত্যিকারের হাসি ফিরে আসার অপেক্ষা।

26/04/2025

ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিয়ে আজ নিজেকে সান্তনা দেই, জানি এটা মিথ্যে সান্ত্বনা, তবুও যে মিথ্যে আমাকে ভালো থাকতে দেয়, সে মিথ্যে আমার কাছে সত্যের থেকেও দামি।

25/04/2025

কোনো কারণ ছাড়া ভালোবাসা—এইটাই প্রেমের আসল রূপ।
যেখানে হিসেব নেই, প্রত্যাশা নেই, নেই কোনো শর্তের চুপচাপ চাপ।
যেখানে হৃদয় ডাকে—"তুই আমার", অথচ দাবী করে না কিছুই।
যে ভালোবাসায় প্রতিদান চাওয়া হয়, তা প্রেম নয়—
তা একপ্রকার লেনদেন, একরকম আত্মস্বার্থের মোড়কপড়া নাটক।
প্রেম যদি সত্যিই হয়, তাহলে তার উৎস হয় হৃদয়ের অতল থেকে,
না পাওয়া কিংবা হারানোর ভয় ছাড়াও সে বাঁচে, নিঃশব্দে, নিঃস্বার্থে।

11/04/2025

মাত্র খেয়াল করলাম আজকে শুক্রবার। কিছুক্ষণ ভাবতে লাগলাম সময় এতদ্রুত কিভাবে চলে যাচ্ছে। দুইদিন আগেই মনে হলো শুক্রবার গেছে। আজকে আবার।

কিভাবে জানি খুব দ্রুত গতিতে জীবনের সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, অথচ জীবন টাকে এখনো গোছানো বাকি।

11/04/2025

ফ্রেন্ডলিস্ট স্ক্রল করতে করতে একটা অদ্ভুত বিষয় খেয়াল করলাম— বিয়ের আগে অনেককেই দেখি ভীষণ বিরহে ডুবে থাকে। স্ট্যাটাসে কষ্টের কবিতা, আফসোসের ভরা কথা— ইশ! যদি একটা সত্যিকারের ভালোবাসা পেতাম..."

তারপর হঠাৎ করে একদিন তাদের বিয়ে হয়ে যায়! আর ফেসবুক যেন ঝলমল করে ওঠে— কখনো কফির কাপ হাতে ছবি, ক্যাপশনে লেখা, "My forever! তখন মনে হয় তারা পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ!

কিন্তু কিছুদিন পর দেখি সেই মানুষগুলোই আবার বিষণ্ণ স্ট্যাটাস দিচ্ছে— সবকিছুই একসময় বদলে যায়..."
(মানে কি? না ,পেলে কষ্ট, আর পেয়ে গেলে তাও কষ্ট?)

আর আমি?
আমি দাঁড়িয়ে আছি মাঝখানে—
চোখে বিস্ময়, মনে কনফিউশন— আসলে কোনটায় সত্যি ভালোবাসা ছিল? বিয়ের আগের অপেক্ষায়, নাকি পরে পাওয়া বাস্তবতায়? নাকি... কোথাওই না?

হোসেনরা কারো বন্ধু হয় না 💔এত সুন্দর একটা কাজ আসলো, অথচ কোথাও খুব একটা আলোচনা না দেখে হতাশই হলাম। প্রোমোশনের অভাবে এই কাজ...
08/04/2025

হোসেনরা কারো বন্ধু হয় না 💔

এত সুন্দর একটা কাজ আসলো, অথচ কোথাও খুব একটা আলোচনা না দেখে হতাশই হলাম। প্রোমোশনের অভাবে এই কাজগুলোই শেষমেশ আন্ডাররেটেড থেকে যায়।

হোসেন এর গল্প আমার খুব ভালো লেগেছে। ভালো বানিয়েছেন ইসতিয়াক রুমেল। পলাশ যে একটা নির্দিষ্ট জোন ছেড়ে রিসেন্ট বেশ কিছু কাজ করলেন, প্রত্যেকটা কাজই খুব ভালো। এমন কাজই করুন আপনি, প্লিজ। এমন কাজেই মানায় আপনাকে ।

23/03/2025

একটা বয়সের পর, অনেকেই নিজ বাড়িতে একপ্রকার অতিথি হয়ে যায়। পড়াশোনা হোক বা কাজের সুবাদে, সাধারণত পরিবার থেকে বাইরে থাকতে হয় তাদের। তবুও ঘরের টান কি উপেক্ষা করা যায়? রক্তের টান, এলাকার টান, নিজের চিরচেনা বেডরুমের টান... হয়তো যায় না! এ এক অদ্ভুত টান!

রোজার শেষদিকে এই ধরনের মানুষগুলোর মনে অন্যরকম এক আবহ বিরাজ করে। বাড়ি যাবো, বাড়ি যাবো! আর এই কয়দিন, আর এই কয়দিন। আসলে পৃথিবীতে যত ধরনের "সুন্দর অনুভূতি" আছে, তার মধ্যে ঘরে ফেরার অনুভূতিটা অন্যতম। বিশেষ করে 'ঘরকুনো' মানুষ হলে তো কথাই নেই! হোস্টেল, ম্যাস বা ভাড়ার বাসা এবং বাইরের জীবনের নানা অস্বস্তি পেছনে ফেলে, কিছুদিনের জন্য আবার নিজ নীড়ে...

Address


5400

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nusrat Jahan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share