Muhammad Ekramul haque

Muhammad Ekramul haque Assalamu Alaikum wa Rahmatullah. Dear Muslim brothers and sisters, I am Muhammad Ekramul Haque .

03/03/2026
কালকে জুম'আয় ইসকন বিষয়ক আলোচনার জন্য কিছু দালিলিক তথ্য,   #বিশ্বের_যেসব_দেশে_নিষিদ্ধ_ইসকন  ইসকন (ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ...
23/10/2025

কালকে জুম'আয় ইসকন বিষয়ক আলোচনার জন্য কিছু দালিলিক তথ্য,

#বিশ্বের_যেসব_দেশে_নিষিদ্ধ_ইসকন
ইসকন (ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেস) বা আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের যাত্রা শুরু হয় ৫৮ বছর আগে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় শতাধিক দেশে ইসকনের অস্তিত্ব রয়েছে। তবে কিছু দেশে সংগঠনটি নিষিদ্ধ।
ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে ১৯৬৬ সালের ১৩ জুলাই এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়। ইসকন মূলত বৈষ্ণব ধর্মের একটি অংশ এবং ভগবান কৃষ্ণকে কেন্দ্র করে তাদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ভক্তিযোগ বা কৃষ্ণভাবনামৃত সংস্কৃতি হাজার বছরের ধরে শুধুমাত্র ভারতবর্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে সময়ের ব্যবধানে বিশ্বের বহু দেশে সম্প্রসারণ ঘটেছে সংগঠনটির।
#ইসকনের_কর্মসূচি
ইসকনের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে মন্দির নির্মাণ, ধর্মীয় উপদেশ দেওয়া, শ্রীমদ্ভগবদগীতা প্রচার, ভক্তি কার্যক্রম এবং দাতব্য সংস্থা পরিচালনা।
মন্দির রক্ষণাবেক্ষণ এবং আধ্যাত্মিক অনুশীলনও করে থাকে ইসকন। সংস্কৃতি চর্চার অংশ হিসেবে যোগব্যায়াম এবং জীবনযাত্রার উপর শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম করে থাকে সংগঠনটি। অভাবীদের বিনামূল্যে নিরামিষ খাবারও বিতরণ করে থাকে ইসকন।
#যেসব_দেশে_নিষিদ্ধ
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে ১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশকে ইসকনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ইসকন রাশিয়া এবং অন্যান্য প্রাক্তন সোভিয়েত রাজ্যে কাজ করতে সক্ষম হয়।
চীনে ইসকনের কার্যক্রমের অনুমতি নেই। ইসকনসহ বিদেশি ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলিকে প্রকাশ্যে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয় না দেশটিতে।
মালয়েশিয়ায়ও নিষিদ্ধ ইসকন। দেশটিতে ইসকনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ধর্মান্তরকরণের অভিযোগ আছে। শিয়াশাসিত ইরানে ইসকনের ক্রিয়াকলাপের অনুমতি নেই। এ ছাড়া সৌদি আরব ও আফগানিস্তানে ইসকনের কর্মকাণ্ডের অনুমতি নেই।
#কিছু_দেশে_আংশিক_নিষিদ্ধ
ইন্দোনেশিয়ায় আংশিক নিষিদ্ধ ইসকন। কিছু শর্ত মেনে দেশটিতে কার্যক্রম চালাতে পারে সংগঠনটি।
এ ছাড়াও তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানে ইসকনের কার্যক্রমের ওপর কঠোর নজরদারি জারি রয়েছে।
#যেসব_দেশে_সক্রিয়_ইসকন
ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রাজিল, জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকা, কেনিয়া, তাঞ্জানিয়া, উগান্ডা, অস্ট্রেলিয়া, দুবাই ও ইসরাইলে ব্যাপক সক্রিয় ইসকন।
এ ছাড়াও মেক্সিকো, কানাডা, জাপান, থাইল্যান্ড, মরিশাস, ফিজি, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়ায় ইসকনের কর্মসূচি রয়েছে।
#বাংলাদেশে_ইসকনের_অস্তিত্ব
বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাপকভাবে সক্রিয় ইসকন। দেশজুড়ে বেশ কয়েকটি মন্দির পরিচালনা করে তারা। সত্তরের দশকের শুরুতে এ দেশে সংঘটির কার্যক্রম শুরু হয়। রাজধানী ঢাকার স্বামীবাগ মন্দির, যা বর্তমানে ইসকনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এটি সংগঠনটির প্রথম কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যতম।
ইসকনের বাংলাদেশ শাখা তাদের বিভিন্ন ধর্মীয় এবং সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যেমন ধর্মপ্রচার, মন্দির পরিচালনা, এবং বার্ষিক রথযাত্রা উৎসবের আয়োজন। স্বামীবাগ মন্দিরে ভক্তরা নিয়মিত কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করেন এবং ভগবানের সেবা করে থাকেন।
[সূত্র: যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০২৪ ঈ.]

23/10/2025

আগামীকাল 24/ 10/ 2025 ইং জুমার খুতবায় ভার #তের মদদ পুষ্ট" র" এর এজেন্ট হিন্দুত্ববাদী ইসকনের অপকর্ম তাদের লক্ষ্য মিশন ভিশন আলোচনা-পূর্বক নিষিদ্ধের দাবি তুলুন।

✦ মুসলিম নারীর ইজ্জত রক্ষাই উম্মাহর ইজ্জত ✦❖ প্রিয় মুসলিম ভাই!আজকের দিনে মুসলিম সমাজকে ধ্বংস করার জন্য মুশরিক ও ইসলামবি...
02/09/2025

✦ মুসলিম নারীর ইজ্জত রক্ষাই উম্মাহর ইজ্জত ✦

❖ প্রিয় মুসলিম ভাই!
আজকের দিনে মুসলিম সমাজকে ধ্বংস করার জন্য মুশরিক ও ইসলামবিদ্বেষীরা নতুন নতুন ষড়যন্ত্র করছে। তাদের একটি প্রধান হাতিয়ার হলো—মুসলিম তরুণীদের উপর আক্রমণ, অপহরণ, ধর্ষণ ও নির্যাতন। তারা জানে, মুসলিম নারীর ইজ্জত নষ্ট হলে পুরো উম্মাহ দুর্বল হয়ে পড়ে।

❖ কুরআনের হুঁশিয়ারি
আল্লাহ বলেন—

وَلَنْ تَرْضٰى عَنكَ الْيَهُوْدُ وَلَا النَّصٰرى حَتّٰى تَتَّبِعَ مِلَّتَهُمْ
“ইহুদী ও খ্রিস্টানরা কখনোই তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ না তুমি তাদের ধর্ম অনুসরণ কর।”
(সূরা আল-বাকারাহ ২:১২০)

➡ এই আয়াত প্রমাণ করে—কাফের-মুশরিকরা মুসলিম উম্মাহর শত্রু, তারা সর্বদা আমাদের দুর্বল করার চেষ্টা করবে।
❖ ধর্ষণকারীর শাস্তি ইসলামে
আল্লাহ বলেন—

إِنَّمَا جَزَاءُ الَّذِينَ يُحَارِبُوْنَ اللّٰهَ وَرَسُوْلَهُ وَيَسْعَوْنَ فِي الْأَرْضِ فَسَادًا أَنْ يُقَتَّلُوْا أَوْ يُصَلَّبُوْا أَوْ تُقَطَّعَ أَيْدِيْهِمْ وَأَرْجُلُهُمْ مِنْ خِلَافٍ أَوْ يُنْفَوْا مِنَ الْأَرْضِ
(সূরা মায়িদাহ ৫:৩৩)

➡ ধর্ষণকারীর শাস্তি হলো—

হত্যা করা, অথবা শূলে চড়ানো, অথবা হাত-পা কেটে ফেলা, অথবা দেশ থেকে নির্বাসন।

❖ মুসলিম সমাজের করণীয়
1. ঐক্যবদ্ধ হওয়া – মুসলিমরা বিভক্ত নয়, বরং এক উম্মাহ। একজন বোনের ইজ্জত লাঞ্ছিত হলে তা গোটা উম্মাহর ইজ্জত লাঞ্ছিত হওয়ার শামিল।
2. আইনী ও শরীয়াহভিত্তিক দাবি – ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
3. সচেতনতা বৃদ্ধি – মসজিদ, মাদ্রাসা, সমাজ সভা ও সামাজিক মাধ্যমে নারীর সম্মান রক্ষার গুরুত্ব প্রচার করতে হবে।
4. পরিবারকে সতর্ক করা – সন্তানদের ঈমানি শিক্ষা দিতে হবে এবং তরুণ প্রজন্মকে আল্লাহভীরু করে গড়তে হবে।
5. আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা – দো‘আ, কুরআন তিলাওয়াত, ও নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাইতে হবে।

❖ দাওয়াতি বার্তা
মনে রাখুন! মুসলিম নারীর ইজ্জত নষ্ট করা মানে পুরো উম্মাহর ইজ্জত নষ্ট করা।
মুশরিকরা এ কাজের মাধ্যমে মুসলিমদের দুর্বল করতে চায়।
তাই আসুন, আমরা সবাই একজোট হয়ে মুসলিম বোনদের ইজ্জত রক্ষার অঙ্গীকার করি, অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই, এবং আল্লাহর শরীয়াহ অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করি।

আল্লাহ বলেন—

إِنْ تَنْصُرُوا اللّٰهَ يَنْصُرْكُمْ وَيُثَبِّتْ أَقْدَامَكُمْ
“তোমরা যদি আল্লাহর দীনকে সাহায্য করো, আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করবেন এবং তোমাদের পদক্ষেপ দৃঢ় করবেন।”
(সূরা মুহাম্মদ ৪৭:৭)
✦ মুসলিম উম্মাহ! আসুন, আমাদের বোনদের ইজ্জত রক্ষার মাধ্যমে আল্লাহর দীনকে সাহায্য করি। ✦

ঘটনাটির ভিডিও লিংক কমেন্ট বক্সে

18/06/2025

🌐 সোশ্যাল মিডিয়া:

ইসলামি দৃষ্টিকোণে এর ক্ষতি ও করণীয়
🕌 মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতি হৃদয়ছোঁয়া আহ্বান

✨প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যেখানে সোশ্যাল মিডিয়া জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি যেমন আমাদের সংযোগ বাড়াচ্ছে, তেমনি ধ্বংস করে দিচ্ছে আমাদের ঈমান, আমল, চরিত্র ও আত্মিক শান্তি। আপনাদের সামনে ইসলামের আলোকে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষতিকর দিকগুলো এবং করণীয় তুলে ধরছি।
আসুন, আমরা ফিরে যাই কুরআন ও সুন্নাহর পথে।

১. সময়ের অপচয়: এক অদৃশ্য ধ্বংস

🔹 আল-কুরআন:
وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ
"মুমিনরা অসার ও অর্থহীন কাজ থেকে দূরে থাকে।"
(সূরা মু'মিনূন ২৩:৩)

📌 প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রল করা, অপ্রয়োজনীয় ভিডিও দেখা — এগুলো আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের ক্ষতি করছে।

২. গীবত, অপবাদ ও পরনিন্দা

🔹 আল-কুরআন:
وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا
"তোমরা একে অপরের গীবত করো না।"
(সূরা হুজুরাত ৪৯:১২)

📌 সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ ব্যঙ্গ, অপমান, ও সমালোচনার মাধ্যমে অনলাইন গীবতের অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ছে।

৩. অশ্লীলতা ও ফিতনা ছড়ানো

🔹 আল-কুরআন:
إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَن تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ ... لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ
"যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়াতে চায়, তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।"
(সূরা নূর ২৪:১৯)

📌 সোশ্যাল মিডিয়া এখন অশ্লীলতা ছড়ানোর সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হয়ে গেছে।

৪. আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হওয়া

🔹 আল-কুরআন:
وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَلْبَهُ عَن ذِكْرِنَا
"তুমি তার অনুসরণ করো না, যাকে আমি আমার স্মরণ থেকে গাফেল করে দিয়েছি।"
(সূরা কাহফ ১৮:২৮)

📌 সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি মানুষকে কুরআন, সালাত, জিকির থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

৫. রিয়া ও লোক দেখানো

🔹 আল-কুরআন:
الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ
"যারা লোক দেখানোর জন্য কাজ করে।"
(সূরা আল-মাউন ১০৭:৬)

📌 ইসলাম শেখানো, দান করা, ওমরাহ করার ছবি — এসবের উদ্দেশ্য যদি ‘লোকে কী বলবে’, তাহলে তা রিয়া (লোক দেখানো)।

৬. হারাম সম্পর্ক ও ব্যভিচারে পতনের রাস্তা

🔹 আল-কুরআন:
وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَىٰ
"ব্যভিচারের কাছেও যেও না।"
(সূরা আল-ইসরা ১৭:৩২)

📌 সোশ্যাল মিডিয়ার বন্ধুত্ব, ইনবক্স, লাইক-কমেন্ট — এগুলো হারাম সম্পর্কের ফাঁদ।

৭. অহংকার ও আত্মপ্রেম

🔹 আল-কুরআন:
إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَخُورٍ
"আল্লাহ অহংকারী ও গর্বিতকে ভালোবাসেন না।"
(সূরা লুকমান ৩১:১৮)

📌 “আমার লাইফস্টাইল, আমার সাজ, আমার সফলতা” — এসব দেখিয়ে আমরা অহংকারের দিকে ধাবিত হচ্ছি।

✅ করণীয় — হালাল ব্যবহার ও রক্ষা পাওয়ার উপায়:

🔹 ইসলাম প্রচার, হাদীস শেয়ার, দাওয়াহ কাজ।
🔹 দৈনিক নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে ব্যবহার।
🔹 পর্দা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা।
🔹 ইনবক্স ও ছবি নিরাপদ রাখা, ফেতনা থেকে দূরে থাকা।
🔹 সবকিছুতে নিয়্যত বিশুদ্ধ রাখা।

✨প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
"সোশ্যাল মিডিয়া একদিকে হতে পারে সওয়াবের ভাণ্ডার, আবার হতে পারে জাহান্নামের রাস্তা। আপনি কোনটি বেছে নিচ্ছেন?"

❗আসুন, আমরা সবাই নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার করি, নিজেদের আত্মাকে রক্ষা করি, এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে দাওয়াহ ও নসীহতের জন্য কাজে লাগাই।

17/06/2025

📘 দাওয়াতি কাজের অংশ বিশেষ:

“সত্যের পথে আহ্বান: হিন্দু ভাইদের প্রতি”

🕉️ হিন্দু শাস্ত্র ও 📖 ইসলাম — এক আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন

✨ প্রিয় হিন্দু ভাই ও বোন,
আপনারা সত্য ও ধর্মের অন্বেষণকারী জাতি। আপনার ধর্মগ্রন্থগুলোতে এমন অনেক নির্দেশনা ও ভবিষ্যদ্বাণী রয়েছে, যা একমাত্র সত্য ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ, এবং তাঁর শেষ রসূল মুহাম্মদ ﷺ-এর প্রতি নির্দেশ করে। আসুন, নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে নিজ ধর্মের বই থেকেই জানি সত্যের দিশা।

🔹 অধ্যায় ১: একজনই সৃষ্টিকর্তা — যাঁর কোনো মূর্তি নেই

🕉️ যজুর্বেদ ৩২.৩

संस्कृत: “Na tasya pratima asti”
বাংলা উচ্চারণ: না তস্য প্রতিমা অস্থিতি
অর্থ: তাঁর কোনো প্রতিমা নেই।

📖 আল কুরআন – সূরা ইখলাস ১-৪

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ۝ اللَّهُ الصَّمَدُ ۝ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ۝ وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ ۝
বাংলা অনুবাদ: বলুন, তিনি আল্লাহ, একমাত্র। আল্লাহ সবকিছুর মুখাপেক্ষী নন। তিনি কাউকে জন্ম দেননি, জন্মও নেননি। এবং তাঁর কোনো সমকক্ষ কেউ নেই।

🔹 অধ্যায় ২: সত্য এক, নাম ভিন্ন

🕉️ ঋগ্বেদ ১.১৬৪.৪৬

संस्कृत: “Ekam sat viprah bahudha vadanti”
বাংলা উচ্চারণ: একং সত্ বিপ্রা বহুধা বাদন্তি
অর্থ: সত্য এক, জ্ঞানীরা একে নানা নামে ডাকেন।

ব্যাখ্যা: এই শ্লোক সত্যের একত্ব ঘোষণা করছে। সেই এক সত্যই আল্লাহ।

🔹 অধ্যায় ৩: শেষ নবীর আগমনের ভবিষ্যদ্বাণী

🕉️ ভবিষ্য পুরাণ (প্রতিসর্গ পার্ব ৩.৩)

संस्कृत: “Muhammad iti nāma mahāmahāvishnur...”
বাংলা উচ্চারণ: মুহাম্মদ ইতি নাম মহামহাবিষ্ণুর
অর্থ: তাঁর নাম মুহাম্মদ; তিনি মহান বিষ্ণুর শেষ বার্তাবাহক।

📖 আল কুরআন – সূরা আস-সাফ ৬

وَإِذْ قَالَ عِيسَى ٱبْنُ مَرْيَمَ يَـٰبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ إِنِّى رَسُولُ ٱللَّهِ إِلَيْكُم... مُبَشِّرًۭا بِرَسُولٍۢ يَأْتِى مِنۢ بَعْدِى ٱسْمُهُۥٓ أَحْمَدُ
বাংলা অনুবাদ: এবং স্মরণ করো যখন মারইয়ামের পুত্র ঈসা বললেন, “হে বনী ইসরাঈল! আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর রসূল... আমার পরে যাঁর আগমন হবে তাঁর নাম আহমদ।”

🔹 অধ্যায় ৪: মুক্তি শুধুই এক আল্লাহর ইবাদতে

🕉️ ব্রহ্মসূত্র ১.১.১:

संस्कृत: “Athāto Brahmajijñāsā”
বাংলা উচ্চারণ: অথাতো ব্রহ্মজিজ্ঞাসা
অর্থ: এখন ব্রহ্মকে জানার আকাঙ্ক্ষা করো।

ব্যাখ্যা: প্রকৃত জিজ্ঞাসা ও মুক্তি ব্রহ্ম বা সর্বশক্তিমান আল্লাহকে চেনার মধ্যেই।

📖 আল কুরআন – সূরা জারিয়াত ৫৬

وَمَا خَلَقْتُ ٱلْجِنَّ وَٱلْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
বাংলা অনুবাদ: আমি জ্বিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদতের জন্য।

শেষ কথাঃ
প্রিয় ভাই, আপনি যদি সত্যকে ভালোবাসেন, তাহলে নিজের ধর্মগ্রন্থকে খুঁটিয়ে দেখুন — সেখানেও আপনি ইসলাম ও মুহাম্মদ ﷺ-এর কথা পাবেন। ইসলাম কোনো নতুন ধর্ম নয়; এটি সেই আদিপুস্তক সত্য যা সব নবীর ধর্ম ছিল — “এক আল্লাহর ইবাদত”।

🛐 আসুন এই সত্যকে গ্রহণ করি:

> لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ مُحَمَّدٌۭ رَّسُولُ ٱللَّهِ
"আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল।"

📥 আপনি যদি সত্য জানতে চান...

👉 কুরআনের অনুবাদ পড়ুন ও আপনাদের ধর্মীয় গ্রন্থগুলো পড়ে যাচাই করতে পারেন।

ওয়াকফ সংশোধনী বিলের মাধ্যমে ভারত আবারও প্রমাণ করল, তারা নামেই ধর্মনিরপেক্ষ, কাজে সম্পূর্ণ হি$ন্দু$ত্ববাদী দেশ। সচেতন মান...
05/04/2025

ওয়াকফ সংশোধনী বিলের মাধ্যমে ভারত আবারও প্রমাণ করল, তারা নামেই ধর্মনিরপেক্ষ, কাজে সম্পূর্ণ হি$ন্দু$ত্ববাদী দেশ।

সচেতন মানুষ মাত্রই জানেন, মুসলমানদের ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সসম্মানে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলো ওয়াকফ।

প্রাতিষ্ঠানিক সম্পত্তির দিক থেকে গোটা ভারতবর্ষের তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্পত্তির মালিক ভারতীয় ওয়াকফ বোর্ড।

এর মাধ্যমে শত শত বছর ধরে ভারতের হাজার হাজার মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা-সহ নানামুখী কল্যাণমুখী কাজ পরিচালিত হয়ে আসছে।

এটা ভারতের মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সামাজিক অধিকারের বিষয়। কিন্তু সেই অধিকার খর্ব করার জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের ওয়াকফ বোর্ডে অমুসলিমদের ঢোকানোর নতুন আইন পাস করেছে ভারত সরকার।

মুসলিম সম্প্রদায় এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রবল আপত্তির মধ্যেও ১৩ ঘণ্টার দীর্ঘ বিতর্কের পর লোকসভা ও রাজ্যসভায় পাস হয়েছে বিতর্কিত ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল, ২০২৫। অথচ এই বিলের বিপক্ষে মত দিয়েছেন ২৩২ জন সাংসদ।

বিতর্কিত এই আইন কার্যকর হলে শত শত বছর ধরে চলে আসা মুসলমানদের ওয়াকফকৃত সম্পত্তি পরিচালনায় হি$ন্দুদের হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি হবে। মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা-সহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তাদের স্বকীয়তা ও ঐতিহ্য হারাবে। মুসলমানদের সম্পত্তি হি$ন্দু কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করার সুযোগ তৈরি হবে।

তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ওয়াকফ সংশোধনী বিল দেশের মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ।

যে দেশের হি$ন্দু$ত্ববাদী গোষ্ঠী হোলির রং না মাখা কিংবা গরুর গোশত খাওয়ার 'অপরাধে' মুসলমানদের দিন-দুপুরে শেষ করে দেয়, সেই তাদের হাতে মুসলমানদের ওয়াকফকৃত সম্পত্তি কতটা নিরাপদ থাকবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

ভারতের হিন্দুরা কি মেনে নেবে, তাদের মন্দির পরিচালনায় মুসলমানদের হস্তক্ষেপ? যদি না মানে, তবে মুসলমানদের ওয়াকফকৃত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় কেন অমুসলিমদের ঢোকানোর পাঁয়তারা চলছে? এই কি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতার নমুনা?

আমরা এই আইনের তীব্র বিরোধিতা ও নিন্দা জানাচ্ছি।

সবাই গর্জে উঠুন!
13/03/2025

সবাই গর্জে উঠুন!

Address

Chapani Blazer, Dimla,, Nilphamari
Rangpur
5350

Telephone

+8801723534524

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Ekramul haque posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share