Monika moni

Monika moni Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Monika moni, Digital creator, Rangpur.

আব্বাস খানের বিরুদ্ধে কেসটা সাজিয়া বানু কেন জিতেছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে সাজিয়া বানুর সতিন,সায়রা। সায়রা তার স্বাম...
17/01/2026

আব্বাস খানের বিরুদ্ধে কেসটা সাজিয়া বানু কেন জিতেছিলেন?

এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে সাজিয়া বানুর সতিন,সায়রা।

সায়রা তার স্বামী আব্বাসকে বলেছিলেন, ও তোমার চে ভালো শরীয়া জানে, ভালো কুরআনও জানে।

ইয়েস। দিস ইজ দ্য মেসেজ।

বহুদিন পর এক সেকেন্ড ব্রেক না নিয়ে একটা হিন্দি মুভি দেখে শেষ করেছি।

চমৎকার কিছু মেসেজ এই সিনেমা থেকে পেয়েছি।

যেমন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্কুলের নাম পরিবার।

আব্বাস খান এত শিক্ষিত হয়েও যে শিক্ষা পান নাই, সাজিয়া কম শিক্ষিত হয়েও সেই সাহস আর শিক্ষা পেয়েছিলেন বাবার কাছে থেকে।

আব্বাসের সমস্ত শয়তানির সাপোর্টার ছিল তার মা।

সাজিয়ার সমস্ত সাহসের উৎস ছিল তার বাবা।

ভালো একটা পরিবার আমাদের জীবনে এমনকি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দুই, জাস্ট পরিবার পাশে থাকলে সন্তানদের আর কাউকে লাগে না। বাবার একটা কথা, সাজিয়া, তুমি ঠিক, এইটুক পেয়েই সে দুনিয়া জয় করে আসছে।

তিন, ঠিক ভুল নির্ধারণের সবচেয়ে বড় প্যারামিটারের নাম, নিজের সন্তান। আব্বাস শেষ পর্যন্ত স্বীকার করে নাই যে সে অন্যায় করসে, বাট সাজিয়া যখন বলসে তার মেয়ের সাথে যদি এমন হয়, সে মাইনা নিতে পারবে কি না?

ঐ মুহুর্তে আব্বাসের মাথা নিচু হয়ে গেছিল।

যদি কখনও কোন মেয়ের সাথে ঠিক করছেন নাকি ভুল করছেন বুঝতে না পারেন, জাস্ট চোখ বন্ধ করে কল্পনা করবেন, সেইম কাজটা কেউ আপনার মেয়ের সাথে করতেসে।

কাজটা করা ঠিক নাকি ভুল, বুইঝা যাবেন।

সাজিয়ার ফিউচার প্ল্যান ছিল, সে মেয়ে বাচ্চাদের কুরআন পড়াতো।

আব্বাস ধর্মের নামে তার সাথে এতবড় অন্যায় করলো, তাকে হুজুররা একঘরে করলো বাট সে ধর্মের সাথে বিদ্রোহ না করে, স্টাডি করলো আরও বেশি।

বাচ্চাদের পড়ানো শুরু করলো। সে সবাইকে বলত কুরআনের সেই প্রথম শব্দ, ইকরা। পড়ো।

যত যাই করেন, পড়া থামানো যাবেই না।

মানুষের জন্য সে ধর্মকে ত্যাগ করে নাই।

খোদার সাথে তার বোঝাপড়া সে ঠিক রাখছিল, যতই মানুষ তাকে কাফের বলুক।

ভালোবাসা সাজিয়া পায় নাই। ভালোবাসা পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের কপালেই জোটে না, এটাই নির্মম সত্য।

কে আপনাকে ভালোবাসবে কে বাসবে না, এটা আপনার হাতে নাই। একজনের জন্য জীবন দিয়ে দিলেন, সে আপনাকে ভালোবাসলো না। কী করবেন?

বাট, সম্মান জিনিসটা আদায় করে নিতে হয়।

সাজিয়া বানু যেটা আদায় করে নিয়েছিলেন।

ভালোবাসা ছাড়াও মানুষ বাঁচতে পারে, বাট সম্মান ছাড়া পারে না। ভালোবাসা পান বা না পান, সম্মানের সাথে কম্প্রোমাইজ করা যাবে না একটু।

শেষ করি মুভির শুরুটা দিয়ে।

মুভির শুরুতেই সাজিয়া ক্লিয়ার করে বলেন, আমি কিন্তু আব্বাসকে অনেক ভালোবাসতাম।

এন্ড এই ভালোবাসাই আব্বাসকে কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল।

সাজিয়া যদি আব্বাসকে ভালো না বাসতেন, এই ফাইটটা তিনি করতে পারতেন বলে আমার মনে হয় না।

প্লাস যতক্ষন সাজিয়ার বিশ্বাস ছিল, আব্বাস তাকে ভালোবাসে, সে লিটারালি সবকিছুই সহ্য করে গেছে। অবহেলা, অসম্মান, অন্যায়।

কিন্তু যেই মুহূর্তে সে জানতে পারসে, আব্বাস তাকে ভালোবাসে নাই। সে লোহার মত শক্ত হয়ে গেছে।

ভালোবাসা আর বিশ্বাস হারানো মানুষেরা ভয়ংকর হয়।

এদের শেষ সম্বল থাকে সম্মান।

এন্ড এরা এই সম্মান রক্ষার জন্য এককালের ভালোবাসা এমনকি পুরো পৃথিবীই তছনছ করে ফেলতে পারে।

আর এই মুভির শেষ লার্নিং হলো, নিজের মেয়ে বা বোনের সংসার কেমন হবে, স্বামী কেমন হবে,সেটা আমাদের হাতে না থাকলেও, ভালো একজন বাবা কিংবা ভাই হওয়া না হওয়া কিন্তু আমাদের হাতেই থাকে!

©️

বি. দ্র. -
এই সিনেমা কোনো ছেলেদের ভালো লাগবে না, কিন্তু সব মেয়েদের অনুপ্রেরণা ॥

"HAQ" (হক) মুভিতে ইয়ামি গৌতমের অভিনয় এতটাই নিখুঁত যে তাকেই  সত্যিকারের শাহ বানু বেগম মনে হচ্ছে প্রতিটি সিনে!এত ভালো অভ...
16/01/2026

"HAQ" (হক) মুভিতে ইয়ামি গৌতমের অভিনয় এতটাই নিখুঁত যে তাকেই সত্যিকারের শাহ বানু বেগম মনে হচ্ছে প্রতিটি সিনে!এত ভালো অভিনেত্রীকে বলিউড সেইভাবে ব্যবহার করতে পারল না! এর আগেও প্রতিটা সিনেমায় উনি অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

হক মুভিটি ভারতীয় আইন সংশোধনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কে তুলে ধরেছে।

ভারতের ইতিহাসে নারী অধিকার ও ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে শাহবানু বেগমের মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শাহবানু বেগম ছিলেন মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর জেলার একজন মুসলিম নারী। ১৯৩২ সালে তাঁর বিয়ে হয় মোহাম্মদ আহমদ খান নামক এক আইনজীবীর সঙ্গে। দীর্ঘ ৪৩ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ১৯৭৮ সালে তাঁর স্বামী একজন কম বয়সী নারীকে বিয়ে করেন এবং বানুকে তালাক দেন এবং ভরণপোষণ দিতে অস্বীকার করেন।কিছু দিনের জন্য তিনি শাহ বানোকে মাসে মাসে ২০০ টাকা করে পাঠাতেন। অবশেষে তাও বন্ধ হয়ে যায়। অর্থ বা সহায়তা না পেয়ে এর পর শাহ বানো আদালতের দ্বারস্থ হন এবং ১৯৭৩ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ধারা ১২৫-এর অধীনে ভরণপোষণের জন্য আবেদন করেন ।প্রথমে জেলা আদালত এবং পরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট তাঁর পক্ষে রায় দেয়।

এই মামলাটি পরে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছায়। ১৯৮৫ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ঐতিহাসিক রায় দিয়ে জানায় যে, ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেক নারীর ভরণপোষণের অধিকার রয়েছে এবং শাহবানু বেগম ভরণপোষণ পাওয়ার যোগ্য।

এই রায়ের ফলে সারা দেশে তীব্র বি তর্ক শুরু হয়।
ধ র্মীয় আইন বনাম সংবিধানিক অধিকার নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে ওঠে। পরে ১৯৮৬ সালে ভারত সরকার “মুসলিম নারী (তালাকের পর অধিকার সংরক্ষণ) আইন” প্রণয়ন করে।

শাহবানু বেগমের এই সংগ্রাম ভারতের নারী অধিকার আন্দোলনে এক নতুন দিশা দেখায়। তিনি প্রমাণ করেন যে ন্যায়ের জন্য সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করলে পরিবর্তন সম্ভব।

গতকাল রাতে Haq মুভিটা দেখলাম।দেখার আগেই চারপাশে এত প্রশংসা, এত রিভিউ—স্বাভাবিকভাবেই এক্সপেকটেশন ছিল আকাশছোঁয়া।কিন্তু মুভ...
16/01/2026

গতকাল রাতে Haq মুভিটা দেখলাম।
দেখার আগেই চারপাশে এত প্রশংসা, এত রিভিউ—স্বাভাবিকভাবেই এক্সপেকটেশন ছিল আকাশছোঁয়া।
কিন্তু মুভিটা শেষ হওয়ার পর বুঝলাম,
এইটা শুধু ভালো সিনেমা না, এইটা একটা চুপচাপ চিৎকার।
কোনো অযথা মাসালা নেই, বাড়াবাড়ি নাটক নেই।
খুব সিম্পল ভাবে দেখানো হয়েছে—একটা মেয়ের জীবনের যুদ্ধ আসলে কতটা নীরব, কতটা একা, আর কতটা নির্মম হতে পারে।

আমি গল্প, প্লট বা কাস্টিং নিয়ে লিখবো না।
আমি লিখবো একটা জিনিস নিয়ে—যেটা পুরো সিনেমা জুড়ে আমাকে নাড়িয়ে দিয়েছে।
- নায়িকার বাবা।
পুরো সিনেমা জুড়ে আমার মাথায় একটাই কথা ঘুরেছে, এই মেয়েটা শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার শক্তি পেলো কীভাবে?

উত্তর একটাই, তার বাবা।

প্রতিটা মেয়ের জীবনে তার প্রথম হিরো আসলেই তার বাবা।
Haq মুভিটার সবচেয়ে সুন্দর দিক আমার কাছে এইটাই!
একটা সময়ে দাঁড়িয়ে, যে সময়ে মেয়েদের সত্যিই বোঝা মনে করা হতো,
সেই সময়ে একজন বাবা নিজের মেয়ের পাশে দাঁড়ানোর সাহস দেখিয়েছে।

এইটা শুধু সিনেমার দৃশ্য না। এইটা একটা স্টেটমেন্ট।
এইটা একটা বার্তা।সময় থাকলে Haq দেখবেন।
হয়তো সিনেমা হিসেবে না—
একটা মেয়ের নীরব যুদ্ধ বোঝার জন্য।

-

আমি এত এত রিভিউ পড়েছি এই মুভিটার। কিন্তু সব থেকে পরিপূর্ণ হচ্ছে এই লেখা টা। সাজিয়া বানুর বাবার চরিত্র টা ভীষণ শক্তিশালী একটা চরিত্র। এইখানে বাবার চরিত্র টা সবচেয়ে বেশি মনে রাখার মতোন।
যখনই কেউ বানুকে অন্য নামে বা মেয়ে বলে বলতেন। তখন ওর বাবা বলতেন 'সাজিয়া বানু' মেরি বেটিকা নাম।
এটা খুবই পাওয়ার ফুল একটা কথা একটা মেয়ের জন্য...🌸

তোমারে দেখিয়া পরাণো ভরিয়া!❤️‍🩹
17/11/2025

তোমারে দেখিয়া পরাণো ভরিয়া!❤️‍🩹

মেসি একবার বলেছিলেন, আমি আন্তোনেলাকে চিনি যখন সে সাত বছর বয়স থেকে। কিশোর বয়সে যখন আমি বার্সেলোনায় চলে আসি, তখন আমরা সবস...
17/11/2025

মেসি একবার বলেছিলেন, আমি আন্তোনেলাকে চিনি যখন সে সাত বছর বয়স থেকে। কিশোর বয়সে যখন আমি বার্সেলোনায় চলে আসি, তখন আমরা সবসময় কথা বলতে পারতাম না। আমরা হয়তো সপ্তাহে একবার কথা বলতাম কিন্তু সারা জীবন আমি তাকে আমার মাথায় রেখেছি এবং মৃদু হেসেছি।

সফল হওয়ার পরও, সে কখনও বদলায়নি। পুরো বিশ্ব তার জন্য পাগল, কিন্তু সে কখনও অন্য বিকল্প খুঁজতে যায়নি।

Such a beautiful bond, a beautiful family and the best husband.💗

তাদের বউদের সিজারে বেবি হয়েছে তাই সবাই তাদের বউ এবং সন্তানদের জন্য সারা রাত এই ভাবেই রুমে এর  বাহিরে বারান্দায় ঘুমিয়েছিল...
12/11/2025

তাদের বউদের সিজারে বেবি হয়েছে তাই সবাই তাদের বউ এবং সন্তানদের জন্য সারা রাত এই ভাবেই রুমে এর বাহিরে বারান্দায় ঘুমিয়েছিলো.. তারা চাইলেই রাত টুকু বাড়িতে যেয়ে থাকতে পারতো কিন্তু তারা যায়নি এটাইতো ভালোবাসা জীবনে আর কি চাওয়া একজন বন্ধু এবং স্বামি হিসেবে সব কিছুতেই পাশে থাকা, যে কোনো বিপদেই হাতটা শক্ত করে ধরা।

উপরে মেঘলা আকাশ, নিচে সবুজ প্রকৃতি। এ যেন এক বিধাতার সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি।
07/11/2025

উপরে মেঘলা আকাশ, নিচে সবুজ প্রকৃতি। এ যেন এক বিধাতার সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি।

07/11/2025

হারিয়ে যাওয়া সৃতি গুলো ゚viralシfypシ゚viralシ

05/11/2025

আমার সাথে খুব সহজেই অভিমান করা যায় 🥀 ゚viralシfypシ゚viralシ

04/11/2025

এইযে আমি তোমাকে দেখছি 🫣🥰 ゚viralシfypシ゚viralシ

03/11/2025

সামুদ্র বিলাস 🖤 ゚viralシfypシ゚viralシ

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Monika moni posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share