17/05/2026
বেরোবি ক্যাম্পাস যেনো শিক্ষার্থীদের মরণফাঁদ!
আজ সকালে ক্লাসে যাওয়ার পথে আমার প্রিয় ছাতা যখন বৃষ্টির সঙ্গে সংগ্রাম করে টিকে থাকতে পারছিলো, ঠিক সেসময় বৃষ্টির হাত থেকে শরীরের অবশিষ্ট এক তৃতীয়াংশ বাঁচাতে আশ্রয় নিতে হয় দেবদারু রোডের প্রান্তে ছাউনিতে। সেখানে দাড়িয়ে যেইনাএকটু প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করে নিজের মনকে প্রশান্তি দিচ্ছি ঠিক তখনি প্রকৃতি তার সৌন্দর্যের ভয়ঙ্কর রূপটাও দেখিয়ে দিলো। টিকে থাকার সংগ্রামে পরাজয় মেনে নিয়ে চোখের পলকেই মাটিতে সজোরে আছড়ে পড়লো একটি গাছ।
অথচ সেসময়ও আমার মতো বেরোবির বাকি শিক্ষার্থীরা উপস্থিতির ৭০% শতাংশ নিশ্চিত রাখতে কেউ ছাতার নিচে গুটিশুটি হয়ে, কেউবা রিকশা নিয়ে রওনা দিচ্ছে ক্লাসের দিকে। এখন কথা হচ্ছে ক্যাম্পাসে তাদের এই চলাফেরা কতোটা নিরাপদ? গাছটি পড়ার ১ মিনিট আগেও আমি নিজেই ওই গাছের নিচ দিয়ে আসছিলাম, একটা রিকশাও গিয়েছিলো। গাছটাতো কোনো শিক্ষার্থীর ওপরেও পড়তে পারতো। তখন কি হতো?
তারপর শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন করতো গাছের ডাল ছাটাইয়ের জন্য। একদল আবার তাদের বিপক্ষে গিয়ে এটা প্রকৃতির একটা স্বাভাবিক রূপ দাবি করে গাছের ডাল ছাটাই বা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের বিপক্ষে যেতো। কাউকে আবার হয়তো কাফনের দোকানের সামনেও ঘুরাঘুরি করতেও দেখা যেতো। কিন্তু এসব হওয়ার আগে প্রশাসন কেনো কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। বর্ষাকাল শুরু হওয়ার আগেই প্রশাসনের উচিত ছিলে সম্ভাব্য গাছগুলোকে চিহ্নিত করে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহন করা। তাই প্রশাসনের নিকট অনুরোধ থাকবে এবিষয়ে দ্রুত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং ক্যাম্পাসে সকল শিক্ষার্থীদের সাবধানে চলাফেরার জন্য অনুরোধ রইলো, ধন্যবাদ।