AdSmart Digital

AdSmart Digital Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from AdSmart Digital, Social Media Agency, Shardarpara, Park mor, Rangpur, Rangpur.

ইনোভেটিভ ডিজিটাল মার্কেটিং সমাধানের মাধ্যমে ব্র্যান্ডকে শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। AdSmart Digital সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ডেটা-ভিত্তিক এবং সৃজনশীল সমাধানের মাধ্যমে এমন ক্যাম্পেইন তৈরি করে যা এনগেজমেন্ট বাড়ায় এবং কার্যকর ফলাফল নিশ্চিত করে।

বাঙালি যখন হেলিকপ্টার বানায়, আমি তখন খুবই আগ্রহ নিয়ে ব্যাপারটা দেখি।প্রথম হেলিকপ্টার বানাতে দেখি বছর দশেক আগে। খুলনা বা ...
10/10/2024

বাঙালি যখন হেলিকপ্টার বানায়, আমি তখন খুবই আগ্রহ নিয়ে ব্যাপারটা দেখি।
প্রথম হেলিকপ্টার বানাতে দেখি বছর দশেক আগে। খুলনা বা বাগেরহাট বা অন্য কোনো প্রত্যন্ত এক গ্রামে, এক কিশোর হেলিকপ্টার বানিয়েছেন। সেটা নিয়ে লোকাল মিডিয়ায় তখন সাংঘাতিক হৈ চৈ। একটা টেম্পুর মাথায় সিলিং ফ্যান উল্টা করে লাগানো হয়েছে। সুইচ দিলে সেই সিলিং ফ্যান ঘুরছে। টেম্পুর গায়ে লাগানো হয়েছে বাংলাদেশ বিমানের লোগো। লোগোর পাশে পরিষ্কার লেখা : বাংলাদেশ হেলিকপ্টার, মেকার: হানিফ।
হাজার হাজার মানুষ সেটা দেখতে এসেছে। সাংবাদিকরা আবেগঘন গলায় সেই হেলিক্পটারের বর্ণনা দিচ্ছে। ফেসবুকে সেই ভিডিও শেয়ার দিচ্ছেন লাখ খানেক মানুষ। সবার কথা একটাই, বাঙালি আসলে মেধাবী। শুধু বাংলাদেশে জন্মানোর কারণে তার মেধার সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না। ইউরোপ আমেরিকা হলে এই বাঙালি ফাটিয়ে দিতো।
সর্বশেষ হেলিকপ্টার বানানো দেখলাম দিন তিনেক আগে। স্টিলের রড দিয়ে হেলিকপ্টারের মতো একটা বডি বানানো হয়েছে। মাথার উপর দুই ব্লেডের পাখা। হেলিকপ্টারের মেকার নিজেই পাইলটের সিটে বসে সুইচ দিয়ে পাখা চালু করলেন। হাজার হাজার মানুষ হাততালি দিলো। সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করলেন, হেলিকপ্টারে বসার সিট একটা কেন?
পাইলট কাম হেলিকপ্টার মেকার উত্তর দিলেন, টাকার অভাবে একটা সিট রাখছি। সরকারি সাহায্য পেলে দশ সিট বসাতে পারবো।
ভিডিওতে হাজারো বাঙালির কমেন্ট, ইউরোপ আমেরিকা হলে ... শুধু বাংলাদেশ বলে আমরা আগাতে পারছি না ...
তবে এবার নতুন ধরণের কিছু কমেন্ট চোখে পড়লো। একজন লিখেছে, প্রায়ই দেখি আপনারা হেলিকপ্টার বানান। কিন্তু এইসব হেলিকপ্টার উড়ে না ক্যান? বিষয়টা কী?
আসল প্রশ্ন এটাই। হেলিকপ্টার উড়ে না ক্যান। দেখতে হেলিকপ্টারের মতো, উপরে পাখাও ঘুরে, বডির গায়ে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা হেলিকপ্টার। তবুও কেন এইসব হেলিকপ্টার উড়ে না ???
বাংলাদেশে যখন কেউ সংস্কারের কথা বলে, তখন আমার এইসব হেলিকপ্টারের কথা মনে পড়ে।
সংস্কারের কথা প্রথম জোরেশোরে শুনি এক এগারোর সময়। দেশে ব্যাপক সংস্কার আনা হবে। বিচার বিভাগ পৃথক হবে। স্বাধীন জুডিশিয়াল হবে। হ্যান হবে, ত্যান হবে। শেষমেষ যেটা হলো, সেটা হচ্ছে একটা হেলিকপ্টার। বাংলা হেলিকপ্টার। এই বস্তুর ঘুরন্ত পাখা আছে, বডি আছে এমনকি লেখাও আছে যে এই যন্ত্রটি হেলিকপ্টার। কিন্তু এটি উড়ে না।
আমাদের অনেকেরই ধারণা, সিস্টেম বদলালেই বোধহয় পরিবর্তন আসে। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা যারা বড় হয়েছি, তারা জানি, শুধু সিস্টেম দিয়ে কোনো পরিবর্তন আসে না। ভালো সিস্টেমের মধ্যে ভালো মানুষ, যোগ্য মানুষ, সৎ, বুদ্ধিমান ও দরদী মানুষ দরকার।
ষোল বছর পর আবারো সংস্কার শব্দটা উজ্জ্বল হয়ে জাতির সামনে এসেছে। এবার নাকি আমূল সংস্কার হবে। এরই দুই মাস পার হয়েছে। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, আমি এবারো জোরেশোরে একটা হেলিকপ্টারের নির্মাণের আয়োজন দেখছি। আমি দুঃখিত এই কথাটি বলার জন্য। সত্যি দুঃখিত।
আপনাদের নিয়ত নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। আপনারা আন্তরিকতা নিয়েও আমার কোনো দ্বিধা নেই। আপনাদের অনেককেই আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি।
শুধু এই পছন্দের তাগিদে বলি। আর হেলিকপ্টার বানায়েন না।
এই দেশের মানুষরা ক্লান্ত। তারা সত্যিকারের ম্যাজিক চায়। সত্যিকারের হেলিকপ্টার চায়, যেটা সত্যি সত্যি উড়ে।
This country needs to fly.
- Ashif Entaz Rabi

ব্রিটিশরা যখন ভারতবর্ষে প্রথম ব্যবসা করতে আসলো তার কিছুদিন পর স্থায়ী জায়গা চাইলো। আওরঙ্গজেব তখন পিটায়-পাটায় ব্রিটিশদের ভ...
25/06/2024

ব্রিটিশরা যখন ভারতবর্ষে প্রথম ব্যবসা করতে আসলো তার কিছুদিন পর স্থায়ী জায়গা চাইলো। আওরঙ্গজেব তখন পিটায়-পাটায় ব্রিটিশদের ভারত ছাড়া করলো।
তারও বহু বছর পর তারা আবার আসলো ওয়াইন আর ধাতু নিয়ে। সুবেদারদের ঢেলে ঢেলে ওয়াইন খাওয়ালো। দুটো জাহাজ ভেড়ানোর অনুমতি পেলো।
তার কিছুদিন পর জাহাজ রাখার ঘাট চাইলো, তারপর মালামাল রাখার ওয়্যারহাউজ। তারপর একদিন ওয়্যারহাউজে চুরি হলো, ওয়্যারহাউজে বাউন্ডারি দিলো। ব্যবসা বাড়লো।
তারপর ওয়্যারহাউজ চালাতে ব্রিটিশ অফিসার আসলো, তাদের থাকার বাংলো হলো। বাংলোর নিরাপত্তায় পাহাড়াদার এলো। উঁচু প্রাচীর হলো। সৈন্য এলো। দুর্গ হলো। এরপর মুঘলদের পতন হলো ব্রিটিশদের হাতে।
২০০ বছরের গোলামীর রাস্তা শুরু হয়েছিলো দুটো জাহাজ ভেড়ানোর ঘাট দিয়ে।
ভারত রেল ট্রানজিট নিবে, তারপর রেলে দামি পন্য বহন করবে, কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাঙালি (!) রেলে হামলা করবে। নিরাপত্তায় সৈন্য আসবে, ঘাটি হবে। ব্যবসা বাড়বে। দুর্গ হবে।
তারপর আমরা পাসপোর্ট ছাড়া বোম্বে, গুজরাট, কাশ্মীর ঘুরতে পারবো!

Address

Shardarpara, Park Mor, Rangpur
Rangpur
5400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AdSmart Digital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share