24/04/2026
অদ্ভুত, বেদনাদায়ক, আর ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এই বাস্তবতা! দেশে নিরীহ কুকুরকে নির্মমভাবে নির্যাতন করলে শাস্তি আছে—যা অবশ্যই মানবিক ও জরুরি। নারীর প্রতি ভয়াবহ নির্যাতনের বিরুদ্ধেও শক্ত, কঠোর আইন আছে—এটাও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, একজন অসহায়, নিঃশব্দে কষ্ট পাওয়া পুরুষ যখন মানসিক বা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়, তখন তার জন্য স্পষ্ট, কার্যকর সুরক্ষা কোথায়?
নীরবে সহ্য করা, ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়া—এটা কি কোনো পুরুষের প্রাপ্য? কেন এই অন্যায়, একপাক্ষিক দৃষ্টিভঙ্গি? কেন এই অবহেলিত বাস্তবতা?
নির্যাতন কখনোই লিঙ্গভিত্তিক হওয়া উচিত নয়—এটা নির্মম, নিষ্ঠুর একটি অপরাধ, যা যেকোনো মানুষের জীবনকে ধ্বংস করে দিতে পারে। একজন নারীর মতোই একজন পুরুষও সমানভাবে সম্মান, নিরাপত্তা আর ন্যায়বিচারের দাবিদার।
চলুন, সংবেদনশীল, সচেতন আর ন্যায়ভিত্তিক একটি সমাজ গড়ি—যেখানে প্রতিটি মানুষ, সে নারী হোক বা পুরুষ, সমানভাবে সুরক্ষিত, সম্মানিত এবং শোনা হবে।