20/07/2026
আসসালামু আলাইকুম।
ছোটবেলা থেকেই জেনে আসছি, আমাদের এলাকার এই কবরটি একজন আল্লাহভীরু ও নেককার ব্যক্তির কবর হিসেবে মানুষের কাছে সম্মানিত। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ এটিকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে আসছে। কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, কিছু ব্যক্তি এই স্থানটিকে কেন্দ্র করে এমন কিছু কর্মকাণ্ড পরিচালনার চেষ্টা করছে, যা ইসলামের শিক্ষা ও সমাজের জন্য কল্যাণকর নয়।
আমাদের আশঙ্কা, ধর্মকে পুঁজি করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল, অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং কবরকে কেন্দ্র করে ভ্রান্ত ও ব্যবসায়িক সংস্কৃতি গড়ে তোলার অপচেষ্টা চলছে। কোনো পবিত্র স্থানকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করার অধিকার কারো নেই। ইসলামে কবরকে সম্মান করার শিক্ষা রয়েছে, কিন্তু কবরকে কেন্দ্র করে শিরক, কুসংস্কার বা ধর্মব্যবসার কোনো স্থান নেই।
সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের কিশোরগঞ্জে এতদিন এ ধরনের অপসংস্কৃতি ও ধর্মব্যবসার কোনো আস্তানা ছিল না। তাই আমাদের সকলের দায়িত্ব হলো বিষয়টি সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং সত্য ও ইসলামী আদর্শের আলোকে মানুষকে সচেতন করা।
আমি সকল সচেতন মুসলিম ভাইদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি—আমরা যেন ঐক্যবদ্ধ থাকি, শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত উপায়ে যেকোনো ভ্রান্ত ও অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। প্রয়োজনে গণসচেতনতা সৃষ্টি করি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করি।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করুন এবং আমাদের সমাজকে সব ধরনের কুসংস্কার, ধর্মব্যবসা ও বিভ্রান্তি থেকে হেফাজত করুন।
আমরা সজাগ থাকব, সচেতন থাকব এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকব, ইনশাআল্লাহ।