Md. Motakabber Akanda - Mahir

Md. Motakabber Akanda - Mahir I am professional Data Entry,

এবার মনিটর বাদে সম্পূর্ণ কম্পিউটারটিকেই পকেটে রাখার ব্যবস্থা নিয়ে ইন্টেল বাজারে আনতে যাচ্ছে এইচডিএমআই কম্পিউটার স্টিক। য...
02/10/2018

এবার মনিটর বাদে সম্পূর্ণ কম্পিউটারটিকেই পকেটে রাখার ব্যবস্থা নিয়ে ইন্টেল বাজারে আনতে যাচ্ছে এইচডিএমআই কম্পিউটার স্টিক। যেকোনো এইচডিএমআই সমর্থিত ডিসপ্লে কিংবা টিভি'তে স্টিকটি যুক্ত করলেই ডিসপ্লেটি মুহূর্তেই রূপ নেবে ডেস্কটপ কম্পিউটারে। লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত সিইএস ২০১৫-এ প্রদর্শন করা হয় এই ডিভাইসটি। ইন্টেল জানিয়েছে, উইন্ডোজ ৮.১ অপারেটিং সিস্টেম চালিত এই পকেট সাইজ কম্পিউটারে আছে কোয়াড কোর ইন্টেল অ্যাটম প্রসেসর, ৩২ জিবি স্টোরেজ ক্যাপাসিটি, ২ জিবি র্যাম। এছাড়া আছে ইউএসবি পোর্ট, ব্লুটুথ, ওয়াইফাই প্রভৃতি। এছাড়া লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম চালিত অপর একটি সংস্করণ বাজারে আনতে পারে ইন্টেল যাতে থাকবে ১ জিবি র্যাম এবং ৮ জিবি স্টোরেজ। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চালিত ডিভাইসটির দাম পড়বে ১৪৯ ডলার এবং লিনাক্স চালিত ডিভাইসটির দাম পড়বে ৮৯ ডলার। পাওয়া যাবে চলতি বছরের মার্চ থেকেই।

06/05/2018

Software Evolution

The process of developing a software product using software engineering principles and methods is referred to assoftware evolution. This includes the initial development of software and its maintenance and updates, till desired software product is developed, which satisfies the expected requirements.



Evolution starts from the requirement gathering process. After which developers create a prototype of the intended software and show it to the users to get their feedback at the early stage of software product development. The users suggest changes, on which several consecutive updates and maintenance keep on changing too. This process changes to the original software, till the desired software is accomplished.

Even after the user has desired software in hand, the advancing technology and the changing requirements force the software product to change accordingly. Re-creating software from scratch and to go one-on-one with requirement is not feasible. The only feasible and economical solution is to update the existing software so that it matches the latest requirements.

29/04/2018

What is softwareengineering

Software engineering is the application of principles used in the field of engineering, which usually deals with physical systems, to the design, development, testing, deployment and management of software systems.



The field of software engineering applies the disciplined, structured approach to programming that is used in engineering to software development with the stated goal of improving the quality, time and budget efficiency, along with the assurance of structured testing and engineer certification.

Software engineering is typically used for large and intricate software systems rather than single applications or programs. Development, however, is simply one phase of the process. While a software engineer is typically responsible for the design of systems, programmers are often responsible for coding its implementation.



Software engineering involves a number of fields that cover the process of engineering software and certification including: requirements gathering, software design, software construction, software maintenance, software configuration management, software engineering managent, software development process management and creation, software engineering models and methods, software quality, software engineering professional practices as well as foundational computing and mathematical and engineering study.

Though the original use of the term is uncertain, the first software engineering conference was held and sponsored by NATO in 1968. The conference addressed the inconsistency and unreliability in software development as well as the need for better quality and reliability. The conference gathered international experts who agreed the systematic approach of physical world engineering should be applied to software development, as it already was developed with those goals in mind.

07/03/2018

গ্রামিনফোন নিয়ে এলো সম্পুর্ন একটি নতুন প্যাকেজ স্কীটো। এটা অন্যন্য প্যাকেজ আর সিম থেকে কেনো আলাদা সর্বপ্রথম এটা বলি। তারপর এটার সুযোগ সুবিধা টা কোথায় তা বলব
প্রথমেই normally sim এ balance চেক করতে *566 # ডায়াল করলে আসে কিন্তু এখানে এটা ডায়াল করলে আসবে না। এই সিম এর system এ সব ussd code গুলোই আলাদা।
দ্বিতিয়ত সিম টিতে recharge করতে হলে কোনো দোকানে গিয়ে আপনি নাম্বার দেওয়ার পর এটাও mention করতে হবে যে আপনার সিমটা গ্রামিনফোন স্কিটো সিম। তাছাড়া রিচার্জ আসবে না। এটা রিচার্জ এর কোড টাই আলাদা।
তৃতিয়ত গ্রামিনফোনে যেমন normaly বন্ধু প্যাকেজ থেকে নিশ্চিন্ত প্যাকেজে যাওয়া যায় এরকম বিভিন্ন প্যাকেজে মাইগ্রেট করা যায় তেমন গ্রামিন ফোন থেকে আপনি এটাতে মাইগ্রেট করতে পারবেন না। আপনাকে আলাদা করে সিম টি কিনতে হবে। যেকোনো গ্রামিনফোন কাস্টমার কেয়ারে গেলেই পেয়ে যাবেন সিম টি

আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহারে এলো দ্বিতীয় প্রজন্মের সিমbbarta24.net Feb 24, 2018 3:32 PMপ্রযুক্তিপ্রেমীদের আনলিমিটেড ইন্ট...
26/02/2018

আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহারে এলো দ্বিতীয় প্রজন্মের সিম
bbarta24.net Feb 24, 2018 3:32 PM

প্রযুক্তিপ্রেমীদের আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে দ্বিতীয় প্রজন্মের সিম বাজারে নিয়ে এলো চ্যাট সিম নামের একটি প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি ইটালির মিলান শহরে সিমটি বাজারে ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এটি চ্যাট সিমের ভার্সন টু। এটি দিয়ে যতখুশি তত ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি ইচ্ছেমত মেসেজিং, অডিও ও ভিডিও কল করা যাবে। সিমটিতে যেকোনো অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ রযেছে। সাথে রয়েছে সামাজিক যোগাযোগ ও মেসেঞ্জিং অ্যাপে আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ।

সোমবার থেকে স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠেয় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস ২০১৮ তে সিমটি টু প্রদর্শন করা হবে বলেও জানায় চ্যাট সিম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। তখন এই সিমের দাম ও কোন কোন দেশে এটি ব্যবহার করা যাবে সেটি জানানো হবে।

সিমটির বিশষে ফিচার হিসেবে রয়েছে, এটি দিয়ে ওয়াইফাই এক্সেস কিংবা রোমিং ছাড়াই আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে। তবে এটি কেনা ও ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট ফি গুনতে হবে। সূত্র : এনডিটিভি

23/11/2017

এন্ড্রোয়েড ফোনের স্পীড বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু টিপস

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত স্মার্টফোন এখন অনেকেই ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই এখনও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নানা বিষয় অজানা। অ্যান্ড্রয়েডচালিত আপনার ডিভাইসটি যাতে ঠিকঠাক চালানো যায়, সে জন্য টাইম ম্যাগাজিনের প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট টেকল্যান্ড সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনের আলোকে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি পরামর্শ নিয়েই এবারের মেইনবোর্ড।

হোমস্ক্রিন সাজাতে ব্যবহার করুন উইজেট

উইজেট ব্যবহার করে খুব সহজেই সাজাতে পারবেন স্মার্টফোনের হোমস্ক্রিনটি। হোমস্ক্রিন সাজাতে উইজেট ব্যবহারের জন্য মেইন অ্যাপ লঞ্চার থেকে অপশনটি সিলেক্ট করে নিন। উইজেট ব্যবহার করে আপনার পছন্দের জিনিসগুলোকে হোমস্ক্রিনে নিয়ে আসতে পারবেন। এতে করে আপনি সহজেই আপনার স্মার্টফোনটিকে ইচ্ছানুযায়ী সাজাতে পারবেন।

প্রয়োজনীয় নাম্বার রাখুন উইজেটে

একটি হলেও প্রয়োজনীয় ব্যক্তির নাম্বার রাখুন উইজেটে। এতে আপনার প্রয়োজনের মূহূর্তে নাম্বারটি খুঁজতে অপশনে যেতে হবে না। হোমস্ক্রিন থেকেই সরাসরি ফোন করতে পারবেন আপনি। উইজেটে নাম্বার রাখার জন্য আপনার হোমস্ক্রিন থেকে চালু করুন উইজেট এবং ডিফল্ট থেকে শর্টকার্টে পরিণত করুন উইজেটটিকে। এরপর পার্সন সিলেক্ট করে যে নাম্বারটি রাখতে চান, তা সিলেক্ট করুন।

গান স্ট্রিম করে শুনতে ব্যবহার করুন গুগল প্লে। কারণ গুগল প্লে আপনাকে দেবে অসংখ্য গান শোনার এবং সেগুলোকে নিজের প্লে লিস্টে রাখার সুযোগ। এমনকি অফলাইনে থাকলেও পছন্দের গান শোনার সুযোগ রয়েছে গুগল প্লেতে।

চালু রাখুন অটোমেটিক আপডেট

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটির অ্যাপগুলোতে অটোমেটিক আপডেট চালু রাখুন। এতে করে আপনি অ্যাপগুলোর নিত্যনতুন সেবা সহজেই উপভোগ করতে পারবেন। অটোমেটিক আপডেট চালু করার জন্য ফোনে সেটিংস অপশনে ‘অটো আপডেট অ্যাপ’ নামে একটি বক্স পাবেন। এখান থেকে চালু করে দিন অটো আপডেট।

ব্যবহার করুন পছন্দের কিবোর্ড

অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোতে নির্মাতারা কিবোর্ড দিয়ে দেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই আপনার পছন্দ নাও হতে পারে সে কিবোর্ড। এক্ষেত্রে আপনি পছন্দের ও সুবিধাজনক ভার্চুয়াল কিবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন। অনলাইন থেকে কিনে নিন আপনার পছন্দসই কিবোর্ড। এ রকম বেশকিছু কিবোর্ড অ্যাপ রয়েছে। যেমন

সুইফট কি, সোয়াইপ ইত্যাদি। কেনার আগে ফ্রি ট্রায়াল হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন এ রকম কিবোর্ড।

‘গুগল নাও’ এমন একটি অ্যাপ, যা প্রয়োজনীয় তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানিয়ে দেবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধরা যাক আপনি একটি রেল স্টেশনে আছেন। যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে ‘গুগল নাও’ ইনস্টল করা থাকে, তাহলে এটি আপনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানিয়ে দিবে পরবর্তী ট্রেন আসার সময়। তবে এ জন্য ট্রেনের সময়সূচি অনলাইনে থাকতে হবে। এ ছাড়াও এটি আপনাকে বিভিন্ন ইভেন্টের ব্যাপারে মনে করিয়ে দেবে আগেই।

ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহার করুন গুগল ক্রোম

সাধারণত প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে গুগল ক্রোম দেওয়া থাকে। তারপরেও যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে অন্য কোনো ডিফল্ট ব্রাউজার দেওয়া থাকে তবে তা পরিবর্তন করে নিন। গুগল প্লে থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন ব্রাউজারটি। গুগল ক্রোম ব্রাউজারটি সহজ এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন। কম্পিউটারে গুগল ক্রোম ব্যবহার করলে সেখান থেকে আপনার বুকমার্ক পেইজগুলো ক্রোমের মোবাইল অ্যাপটিতে ¯^য়ংক্রিয়ভাবে যোগ হয়ে যাবে।

এসএমএস পড়তে পারেন কম্পিউটারে

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বেশকিছু থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারে টেক্সট মেসেজ বা এসএমএস পড়ার সুযোগ দেয়। এমনকি সরাসরি কম্পিউটার থেকে উত্তরও দেয়া যায় মেসেজগুলোর। এ রকম অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি চাইলেও পড়তে পারেন ফোনে আসা মেসেজগুলো। এ রকম অ্যাপের ব্যাপারে টাইম ম্যাগাজিন ‘মাইটিটেক্সট’ অ্যাপটি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। মাইটিটেক্সটের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অ্যাপটি।

অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার করুন ‘শেয়ার’

অ্যান্ড্রয়েড ফোনটির বিভিন্ন অ্যাপে রয়েছে শেয়ারের অপশন। শেয়ারের মাধ্যমে একটি অ্যাপ আরেকটি অ্যাপের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনার মেসেজ অপশনে লেখা টেক্সটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পছন্দের সোশ্যাল নেটওয়ার্কে টিউন করে দেবে অ্যাপ। এতে করে সাইটটিতে না গিয়েও আপনি টিউন করতে পারবেন। শেয়ার অপশনটি চালু রাখার মাধ্যমে এভাবেই আপনি বাঁচাতে পারবেন মূল্যবান সময়।

অফলাইনে ব্যবহারের জন্য ডাউনলোড করুন ম্যাপ। এতে করে ইন্টারনেট সার্ভিস সমস্যা করলেও আপনাকে পোহাতে হবে না কোনো ঝামেলা। কোথাও যাবার সময় বা কোনো জায়গা খুঁজে বের করতে ইন্টারনেট সার্ভিস চালুও করতে হবে না। এ কাজটি করতে মোবাইলের ম্যাপ অপশনটিতে গিয়ে সিলেক্ট করে দিন ‘মেক অ্যাভেইলেবল ফর অফলাইন’। আর ম্যাপের যে অংশটি ডাউনলোড করতে চান, তা জুম করে ‘ডান’ অপশনটি সিলেক্ট করুন।

ছবি স্থানান্তরে পিসির সঙ্গে ফোন সংযুক্ত করুন

ছবি দ্রুত স্থানান্তরের জন্য পিসির সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারেন অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি। দ্রুত ছবি স্থানান্তরের জন্য ফোনটিকে পিসির ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে সংযুক্ত করুন। তারপর ফাইল ব্রাউজারে ইন্টারনাল স্টোরেজ ফোল্ডারটিতে ক্লিক করুন। সেখানে পাবেন ‘ডিসিআইএম’ নামের ফোল্ডার, যেখানে পাবেন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সব ছবি। এখান থেকেই দ্রুত ছবি স্থানান্তর করতে পারবেন পিসিতে।

স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ব্যাকআপ রাখুন

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে থাকা ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকআপ রাখতে পারেন চাইলেই। এ কাজটি করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ‘গুগল প্লাস’। এ জন্য আপনাকে যা করতে হবে, তা হল গুগল প্লাস অ্যাপটি চালু করে সেটিংসে গিয়ে ‘ইন্সট্যান্ট ফটো আপলোড’ অপশনটি চালু করতে হবে। এরপর থেকে আপনার সব ছবির ব্যাকআপ রাখবে অ্যাপটি।

রিমোট ওয়াইপের জন্য ব্যবহার করুন অ্যাপ

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রিমোট ওয়াইপ ফিচারটি নেই। তাই আপনার ফোনটি হারিয়ে গেলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অন্য ব্যক্তির হাতে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ঝামেলা থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহার করুন রিমোট ওয়াইপ সম্বলিত থার্ড পার্টি অ্যাপ। এ রকম অ্যাপের মাধ্যমে আপনি সহজেই হারিয়ে যাওয়া ফোনের সব ডেটা মুছে ফেলতে পারবেন। টাইম ম্যাগাজিন রিমোট ওয়াইপ অ্যাপ হিসেবে ‘অ্যান্ড্রয়েড লস্ট’ অথবা ‘সিরবিরাস’ ডাউনলোডের পরামর্শ দিয়েছে। অ্যাপগুলো ট্রায়াল ভার্সন হিসেবেও ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।

যে কোনো অ্যাপ কেনার পর ১৫ মিনিট সুযোগ থাকে অ্যাপটি পরীক্ষা করার। যদি এ ১৫ মিনিটে আপনি বুঝতে পারেন, অ্যাপটি আপনার প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম নয়; তাহলে অ্যাপটি ফিরিয়ে দিতে পারবেন। আর অ্যাপটি কিনতে ব্যবহৃত অর্থ ফেরত পেতে গুগল প্লের রিফান্ড সুযোগটি কাজে লাগান। এ জন্য আপনাকে গুগল প্লে থেকে যে অ্যাপটির মূল্য ফেরত পেতে চাচ্ছেন, সে পেইজে যেতে হবে। সেখানে আপনি রিফান্ড নামে একটি অপশন পাবেন। অপশনটিতে ক্লিক করলে আপনার ফোনে অ্যাপ্লিকেশনটি আনইনস্টল হয়ে যাবে এবং ফেরত আসবে ব্যবহৃত অর্থ।

23/11/2017

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল রুট করার কয়েকটি সুবিধা

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংবাদ ঃসবচেয়ে কাস্টমাইজেবল ওএসগুলোর মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড অন্যতম। আপনি হয়ত ভাবতে পারেন আপনার ডিভাইস রুট করার কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু আপনি রুট করার সুবিধাগুলো জেনে অবাক হয়ে যাবেন। চলুন জেনে নিই, রুট করার কয়েকটি সুবিধা।

১. হিডেন ফিচার আনলক করুন

রুট করার মাধ্যমে আর কিছু হিডেন ফিচার আনলক করতে পারেন। মাঝে মাঝে আপনার পছন্দের ফিচারগুলো আপনার ডিভাইসে থাকে না। রুট করার পর বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে আপনার ডিভাইসে পছন্দের ফিচার যোগ করতে পারেন। যেমন – এক্সপোসড্ ইন্সটলার।

২. ডিভাইসের স্পিড বুস্ট করুন

রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসের স্পিড বৃদ্ধি করতে পারবেন। বিভিন্ন অ্যাপ যেমন – সেটসিপিইউ (setcpu)। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসের cpu ওভারক্লক করে আপনার ডিভাইসের স্পিড বুস্ট করতে পারেন।

৩. ব্যাটারি লাইফ বুস্ট করুন

রুট করার আরেকটি সুবিধা হলো আপনি ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বুস্ট করতে পারবেন। সেটসিপিইউ (setcpu) অ্যাপটি দিয়ে আপনি আপনার ডিভাইসের cpu ডাউনক্লকও করতে পারেন। এতে আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফ বুস্ট হবে।

৪. অ্যাপের মধ্যে অ্যাড ব্লক করুন

রুট করার মাধ্যমে আপনি অ্যাপের মধ্যে অ্যাড ব্লক করতে পারেন। বিভিন্ন অ্যাপ যেমন – AdFree, Adblock Plus, Ad Away – এসব অ্যাপ আপনার ডিভাইসের অ্যাপগুলির অ্যাড ব্লক করে দিবে।

৫. ব্যাকআপ করুন

রুট করার মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার পুরো সিস্টেমের ব্যাকআপ নিতে পারেন। রুট ছাড়াও আপনি কিছু অ্যাপের ব্যাকআপ নিতে পারবেন। তবে রুট থাকলে আপনি পুরো সিস্টেমের ব্যাকআপ নিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু অ্যাপের সাহায্য নিতে হবে। যেমন – Titanium Backup

৬. প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপ মুছে ফেলুন

রুট করলে আপনি প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপ মুছে ফেলতে পারেন। Titanium Backup অ্যাপটি দিয়ে ব্যাকআপ করানো ছাড়াও অ্যাপটি দিয়ে আপনার ডিভাইসের প্রি-ইন্সটলড্ অ্যাপগুলি মুছে ফেলতে পারেন।

৭. কাস্টম রম ইন্সটল করুন

রুট করার পর আপনি আপনার ডিভাইসে অন্য কোনো রম(যেমন – CyanogenMod, Replicant ইত্যাদি) ইন্সটল করতে পারেন। এতে আপনার ডিভাইসে নতুন ফিচার যুক্ত হবে।

Address

Rangpur
5730

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Motakabber Akanda - Mahir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category