PC Al Amin sarker

  • Home
  • PC Al Amin sarker

PC Al Amin sarker Artificial insemination & dairy healthy instruction.

বাংলাদেশের লড়াকু সৈনিক "ইন্না-লিল্লাহ হি ওয়া ইন্না ইলাহির রাজিউন"। আল্লাহ আপনাকে বেহেশত নসিব করুক।আমিন,,,,,,
18/12/2025

বাংলাদেশের লড়াকু সৈনিক "ইন্না-লিল্লাহ হি ওয়া ইন্না ইলাহির রাজিউন"। আল্লাহ আপনাকে বেহেশত নসিব করুক।আমিন,,,,,,

অ্যানথ্রাক্স রোগ সম্পর্কে কয়েকটি তথ্যঃঅ্যানথ্রাক্স (Anthrax) হলো একটি সংক্রামক রোগ, যা Bacillus anthracis নামের ব্যাকটের...
27/11/2025

অ্যানথ্রাক্স রোগ সম্পর্কে কয়েকটি তথ্যঃ

অ্যানথ্রাক্স (Anthrax) হলো একটি সংক্রামক রোগ, যা Bacillus anthracis নামের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়।
মূল তথ্য:
এটি সাধারণত গরু, ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া, উট ইত্যাদি তৃণভোজী প্রাণীতে বেশি দেখা যায়।
মানুষও আক্রান্ত হতে পারে (Zoonotic disease)।
সংক্রমণের উপায়:
1. দূষিত ঘাস বা খাদ্য খেয়ে প্রাণীরা আক্রান্ত হয়।
2. স্পোর (spore) – এই ব্যাকটেরিয়া দীর্ঘদিন মাটিতে জীবিত থাকে।
3. মানুষ যে ভাবে আক্রান্ত হয়:
আক্রান্ত পশুর মাংস, চামড়া, লোম স্পর্শ করলে।
দূষিত মাংস খেলে।
মাঝে মাঝে বায়ুর মাধ্যমে শ্বাসতন্ত্রে।
প্রাণীর লক্ষণ:
হঠাৎ মারা যায়।
নাক, মুখ বা পায়ুপথ দিয়ে কালচে রঙের রক্ত বের হয়।
শরীর দ্রুত ফুলে যায়।
মানুষের লক্ষণ:
ত্বকজাত (Cutaneous Anthrax): ক্ষতস্থানে কালো দাগ, ফুলে যাওয়া।
শ্বাসতন্ত্রজাত (Inhalation Anthrax): জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট → মারাত্মক হয়।
অন্ত্রজাত (Intestinal Anthrax): পেট ব্যথা, ডায়রিয়া, রক্তবমি।
প্রতিরোধ:
আক্রান্ত প্রাণীর মাংস বা দুধ ব্যবহার না করা।
গবাদি পশুকে নিয়মিত অ্যানথ্রাক্স টিকা দেওয়া।
আক্রান্ত মৃত প্রাণীকে গভীর গর্তে পুঁতে ফেলা (কখনো কেটে ফেলা যাবে না)।
মানুষের জন্য গ্লাভস, মাস্ক, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।
সংগ্রহ ঃ
আল আমীন সরকার
ফোন : 01644661950

একজন পুরুষ জন্ম নেওয়ার পর থেকেই বাবা, ভাই, স্বামী বা পুত্র হিসেবে একের পর এক দায়িত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হন।ফলে  পরিবারের মু...
23/11/2025

একজন পুরুষ জন্ম নেওয়ার পর থেকেই বাবা, ভাই, স্বামী বা পুত্র হিসেবে একের পর এক দায়িত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হন।ফলে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য তারা প্রায়শই নিজের ব্যক্তিগত স্বপ্ন এবং আকাঙ্ক্ষাগুলো বিসর্জন দেন।দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করাই তাদের জীবনের মূল লক্ষ্য হয়ে ওঠে, যাতে পরিবার নিশ্চিন্তে থাকতে পারে। পুরুষেরা পরিবারের জন্য এক দুর্ভেদ্য নিরাপত্তা বেষ্টনী এবং আশ্রয়ের প্রতীক হিসাবে কাজ করে। নিজের ভেতরের দুঃখ-কষ্ট বা মানসিক চাপ বাইরে প্রকাশ না করে, তারা সমাজের সামনে সবসময় শক্তিশালী থাকার অভিনয় করেন। তাদের জীবনের সমস্ত তৃপ্তি ও আনন্দ নির্ভর করে স্ত্রী, সন্তান বা বাবা-মায়ের সুখের উপর। বিবাহ ও সন্তানের আগমনের পর তাদের ত্যাগ ও দায়িত্ব আরও বহুগুণে বেড়ে যায়, যেখানে নিজের জন্য সময় প্রায় থাকেই না। পুরুষেরা পরিবারের একজন নীরব যোদ্ধা, যিনি নিজের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে নীরবে জয় ছিনিয়ে এনে পরিবারকে উপহার দেন। বার্ধক্যে পৌঁছানোর পরেও তারা নিজের কথা না ভেবে, সন্তানদের ভবিষ্যতের চিন্তা করে যান। এভাবেই একটি পুরুষ তার সারা জীবন অন্যের জন্য উৎসর্গ করে বাঁচেন, যা নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

খুরা রোগ সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য জানা দরকার। খুরা রোগ (Foot and Mouth Disease – FMD) হলো গবাদি পশুর একটি সংক্রামক ভাইরাসজনি...
22/11/2025

খুরা রোগ সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য জানা দরকার।

খুরা রোগ (Foot and Mouth Disease – FMD) হলো গবাদি পশুর একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি প্রধানত গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, শূকরসহ খুরওয়ালা প্রাণীতে হয়ে থাকে। মানুষের মাঝে সাধারণত দেখা যায় না, তবে আক্রান্ত প্রাণীর সংস্পর্শে এলে সামান্য জ্বর বা ফুসকুড়ি হতে পারে।
কারণঃ
FMD virus (Aphthovirus, পরিবার: Picornaviridae) দ্বারা হয়ে থাকে।
বাতাস, লালা, দুধ, মল, প্রস্রাব, ক্ষতস্থান কিংবা আক্রান্ত প্রাণীর সাথে সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়।
লক্ষণঃ
1. হঠাৎ জ্বর (104–106°F পর্যন্ত)।
2. মুখে, জিহ্বায়, দাঁতের গোড়ায়, ঠোঁটে ও খুরের ফাঁকে ফোঁটা বা ফোসকা ওঠা।
3. ফোসকা ফেটে গিয়ে ঘা হয়ে যায় → খেতে কষ্ট হয়, লালা ঝরে।
4. খুরে ঘা হলে ল্যাংড়া হয়ে যায়।
5. দুধ উৎপাদন হঠাৎ কমে যায়।
6. বাচ্চা পশুতে হৃদযন্ত্র আক্রান্ত হয়ে আকস্মিক মৃত্যু হতে পারে।
প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণঃ
আক্রান্ত পশু আলাদা করে রাখতে হবে (quarantine)।
গোয়াল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।
টিকা দেওয়া (FMD vaccine) সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
তবে,
বিভিন্ন জীবাণু নাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।
রোগ ছড়ালে গবাদি পশু কেনা–বেচা, হাটে নেওয়া বন্ধ করতে হবে।
ভেটেনারি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে।

Bovine Ephemeral Fever সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য  :গরুর তিন দিনের জ্বর আসলে একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Bovine ...
21/11/2025

Bovine Ephemeral Fever সম্পর্কে কয়েকটি তথ্য :

গরুর তিন দিনের জ্বর আসলে একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Bovine Ephemeral Fever (BEF)। বাংলায় একে সাধারণভাবে তিন দিনের জ্বর বলা হয়।
রোগের কারণঃ
এটি Ephemeral fever virus নামক ভাইরাস দ্বারা হয়।
ভাইরাসটি সাধারণত মশা ও মাছির মাধ্যমে ছড়ায়।
প্রধান লক্ষণঃ

1. হঠাৎ জ্বর ওঠে (১০৪'–১.৬° F পর্যন্ত হতে পারে)
2. জ্বর সাধারণত ২–৩ দিন থাকে (তাই নাম তিন দিনের জ্বর)।
3. গরু হঠাৎ খাবার ছেড়ে দেয়।
4. দুধ দেওয়া গরুর দুধ কমে যায়।
5. শরীর কাঁপে, শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
6. পেশীতে ব্যথা হয়, ফলে দাঁড়াতে কষ্ট হয়।
7. নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া দেখা যায়।
রোগের ক্ষতিঃ
গরু সাধারণত মারা যায় না, তবে দুধ উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতি হয়।
অসুস্থ অবস্থায় ওজন কমে যায়।
চিকিৎসাঃ
এ রোগের নির্দিষ্ট ওষুধ নেই, তবে উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা করা হয়:

জ্বর ও ব্যথা কমানোর ওষুধ (NSAIDs)দেওয়া।
পর্যাপ্ত পানি ও স্যালাইন দেওয়া।
ভালো খাবার ও বিশ্রাম দেওয়া।
প্রতিরোধঃ
আক্রান্ত গরুকে আলাদা রাখা।
মশা-মাছি নিয়ন্ত্রণ করা।

শুভ জন্ম দিন মর্তুজা ভাইয়া
05/10/2025

শুভ জন্ম দিন মর্তুজা ভাইয়া

শীতকালে গাভী বা গরুতে মিল্ক ফিভার (Milk Fever) বা হাইপোক্যালসেমিয়া বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে সদ্য বাচ্চা দেয়ার পর। এটি ম...
02/10/2025

শীতকালে গাভী বা গরুতে মিল্ক ফিভার (Milk Fever) বা হাইপোক্যালসেমিয়া বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে সদ্য বাচ্চা দেয়ার পর। এটি মূলত রক্তে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে হয়ে থাকে। তবে সঠিক যত্ন নিলে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। আসুন শীতকালে মিল্ক ফিভার থেকে বাঁচার কার্যকর উপায়গুলো জেনে নেই:
★শীতকালে মিল্ক ফিভার প্রতিরোধের উপায়:গর্ভধারণের শেষ ২-৩ সপ্তাহে সঠিক খাবার ব্যবস্থাপনা,যেমন-ক্যালসিয়াম কমযুক্ত খাবার দিন (Dry period-এ উচ্চ ক্যালসিয়াম খাবার না দেয়া উত্তম)।বেশি পরিমাণে খড়, ভুসি, ঘাস এবং অল্প পরিমাণে কনসেন্ট্রেট দিন।উচ্চ ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার (যেমন: ডাঁটা, তুষ, লুসার্ন, ডাল জাতীয় ঘাস) এড়িয়ে চলুন।বাচ্চা প্রসবের ঠিক আগে বা পরে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট দেওয়া,যেমন-ভেটেরিনারি পরামর্শ অনুযায়ী Calcium Propionate / Calcium Borogluconate (bolus বা liquid ) মুখে খাওয়ানো যেতে পারে।প্রসবের সঙ্গে সঙ্গে ক্যালসিয়াম ইনজেকশন (IV বা SC) দেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।
★শীতকালে শরীর গরম রাখুন:গবাদিপশুকে ঠান্ডা বাতাস থেকে রক্ষা করতে গরম বিছানা (dry bedding) ব্যবহার করুন।রাতে মোটা বস্তা / কম্বল / জুট বস্তা দিয়ে শরীর ঢেকে রাখুন।
★প্রসবের পর গরুর উপর অতিরিক্ত চাপ না দেওয়া,যেমন-দুধ পুরোপুরি হাতে টেনে না নিয়ে ধীরে ধীরে দোহন করতে হবে।প্রথম কয়েকদিন দিনে ৩ বার অল্প অল্প করে দোহন করুন যেন দুধের চাপ বেশি না পড়ে।
★নিয়মিত ভিটামিন আর মিনারেল সাপ্লিমেন্ট দিন,যেমন-খাদ্যে Vitamin D3, Magnesium এবং Phosphorus থাকা জরুরি।লিকুইড মিনারেল মিশ্রিত পানি খাওয়ানো যেতে পারে।
★মিল্ক ফিভারের প্রাথমিক লক্ষণ দেখলেই ব্যবস্থা নিন,যেমন-দাঁড়িয়ে থাকতে না পারা / কাঁপুনি ফলে গরমে ঢেকে ক্যালসিয়াম বোলাস দিন।ঘামা / শ্বাসকষ্ট হলে ভেট ডাকুন এবং ক্যালসিয়াম ইনজেকশন প্রস্তুত রাখুন।
সর্বোপরি মিল্ক ফেভার থেকে বাঁচাতে ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সংগ্রহ :
আল আমীন সরকার
ফোন : 01644-661950

Address

Saitontola Bazar
Rangpur City
5720

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PC Al Amin sarker posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share