27/12/2025
সারা জীবন দেখেছি, এমপি প্রার্থীরা টাকা দিয়ে ভোট কিনে। কিন্তু হাদী জিনিসটাকে ১৮০ ডিগ্রি উল্টে দিয়েছিলেন।
সরাসরি লাইভে এসে স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, আমি জিতলে আপনাদের লাভ। সুতরাং আমার নির্বাচনী সকল খরচ আপনাদেরকেই বহন করতে হবে। আমি এখানে নিজের পকেট থেকে এক টাকাও খরচ করব না এবং আপনাদের টাকা থেকে এক টাকা নিজের ব্যক্তিগত খরচেও ব্যবহার করব না।
এটা কথিত রাজনৈতিক আবেগমার্কা বক্তব্য ছিল না। ছিল স্পষ্ট, দ্ব্যর্থতামুক্ত এবং শান্ত একটি সিদ্ধান্ত। এমনকি নির্বাচনী কাজবাজ চালানোর জন্য ঠিক কত টাকা দরকার সেটাও বলে দিয়েছিলেন। ২৫ লক্ষ টাকা। উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন ব্যাংক একাউন্ট, বিকাশ, নগদ, রকেট নাম্বারও। বলেছিলেন, এই ২৫ লক্ষের পুরোটাই আপনারা দিতে হবে। লোকজন টাকা দিতে শুরুও করেছিল অত্যন্ত স্বতঃস্ফুর্ততার সাথে।
বাংলাদেশের পলিটিক্যাল কালচারের গালে এটা ছিল একটা রাম থা/প্পর। একই সাথে তথাকথিত রাজনীতিবীদদের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জও, অস্বস্তিকর তো বটেই।
হাদী এভাবেই নানা ক্ষেত্রে পুরো সিস্টেমের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু সিস্টেম এটা মেনে নিবে কেন?
আমরা ছোটবেলা থেকে যে গণবান্ধব ও জনসেবক রাজনীতিবীদের স্বপ্ন দেখতাম, হাদী ছিলেন ঠিক তাই।
হাদী খুব গোপনে বাংলাদেশের গণমানুষের রক্তের ভিতরে একটি তুফান তৈরী করেছিলেন। এ তুফান থামবে না ইনশাআল্লাহ। - Saber Chowdhury