Golpo-Kotha

Golpo-Kotha আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।🌷☘️
Welcome to the page ❤️।
Follow &like 🍁
(1)

১৯ বছর বয়সে মাসিক না হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি নারী, ডাক্তারের পরীক্ষায় মিললো পুরুষের ক্রোমোজমও অন্ডকোষ ☣️বাহ্যিকভাবে তিনি এ...
19/08/2026

১৯ বছর বয়সে মাসিক না হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি নারী, ডাক্তারের পরীক্ষায় মিললো পুরুষের ক্রোমোজম
ও অন্ডকোষ ☣️

বাহ্যিকভাবে তিনি একজন পূর্ণাঙ্গ নারী, দেখতে লম্বা ও স্বাভাবিক সুন্দর শারীরিক গঠন। অথচ ১৯ বছর পার হয়ে গেলেও জীবনে কখনো তাঁর মাসিক (Period) হয়নি! বিষয়টিকে প্রথমে তেমন গুরুত্ব না দিলেও, বিয়ের পর এক বছর চেষ্টা করার পরও সন্তান না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে যান এই দম্পতি।

অবশেষে স্ত্রীরোগ চিকিৎসকের (Gynecologist) কাছে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় প্রকাশ পায় অবিশ্বাস্য এক সত্য! বাহ্যিক শারীরিক গঠন একজন নারীর মতো হলেও আল্ট্রাসাউন্ড ও এমআরআই (MRI) রিপোর্টে দেখা যায়— তাঁর তলপেটে গর্ভাশয় (Uterus) বা ডিম্বাশয় (O***y) বলে কিছু নেই!

বরং ক্যানাল বা কুচকির কাছে দুটি বিশেষ গঠন দেখা যায়, যা আসলে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় "Undescended Testicles" বা **অণ্ডকোষ**! এমনকি রক্তের টেস্টে পুরুষদের মতো উচ্চমাত্রার টেস্টোস্টেরন হরমোন এবং '46,XY' পুরুষের ক্রোমোজোম ধরা পড়ে!

**চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি কী?**
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই বিরল অবস্থাকে বলা হয় **‘কমপ্লিট অ্যান্ড্রোজেন ইনসেনসিটিভিটি সিন্ড্রোম’ (CAIS)**। এই ক্ষেত্রে শিশু জিনগতভাবে পুরুষ ক্রোমোজোম (46,XY) নিয়ে জন্ম নিলেও, গর্ভস্থ অবস্থা থেকে শরীর পুরুষ হরমোনের (Androgen) প্রতি কোনো সাড়া দেয় না। ফলে শিশুটির বাহ্যিক রূপ, স্তন ও অঙ্গসমূহ সম্পূর্ণ নারীর মতো গড়ে ওঠে, কিন্তু শরীরের ভেতরে অণ্ডকোষ রয়ে যায় এবং জরায়ু থাকে না।

নারীদের এই বিরল ও অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আপনার কী মতামত?

**Disclaimer:** *This post summarizes a rare medical condition known as Complete Androgen Insensitivity Syndrome (CAIS) based on clinical case reports.*
১৯ বছর বয়সে মাসিক না হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি নারী, ডাক্তারের পরীক্ষায় মিললো পুরুষের ক্রোমোজম

~copied🌿🍁

10/08/2026

 #যত্ন ভালোবাসলে যত্ন নিও 💓
09/08/2026

#যত্ন
ভালোবাসলে যত্ন নিও 💓

07/08/2026

একটা জিনিস দেখেছি ,যে সব পুরুষ বউকে সম্মান দেয়!
বউয়ের কথায় দাম দেয় , মানুষ সামনে ও বউয়ের সম্মান রেখে কথা বলে।
সে সব পুরুষেরদের অধিকাংশ ই জীবনে অনেক উন্নতি করে।এদের সংসারে রহমত,বরকত,শান্তি থাকে।
অন্য দিকে খেয়াল করে দেখবেন যারা বউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলে।
বউকে মা বোনের কথা ধরে কষ্ট দেয়,এদের না থাকে জীবনে শান্তি না হয় উন্নতি।
নিজের জীবনে উন্নতি শান্তি চাইলে নিজের বউকে আদরে ,সযত্নে ও সম্মানে রাখুন। ❤️‍🩹
©️

বাবাদের বলছি, আপনার নিপল ইউজলেস, আপনি না। গবেষণায় দেখা গেছে, মায়ের মানসিক শান্তি ও আরামের সাথে দুধ তৈরির হরমোন (অক্সিটোস...
03/08/2026

বাবাদের বলছি, আপনার নিপল ইউজলেস, আপনি না। গবেষণায় দেখা গেছে, মায়ের মানসিক শান্তি ও আরামের সাথে দুধ তৈরির হরমোন (অক্সিটোসিন ও প্রোল্যাক্টিন) সরাসরি জড়িত। মা যখন দুশ্চিন্তামুক্ত এবং সতেজ থাকেন, তখন দুধের ফ্লো ভালো হয়। তাই ​বাবা এবং হাজবেন্ড হিসেবে আপনি যেভাবে এই মহৎ কাজে সাহায্য করতে পারেন:

- মায়ের পুষ্টি ও হাইড্রেশন নিশ্চিত করতে মা যখন সন্তানকে দুধ খাওয়াচ্ছেন, তখন তাকে এক গ্লাস পানি, ডাবের পানি, গরম দুধ ইত্যাদি লিকুইড খাবার এগিয়ে এনে দিতে পারে। মায়ের শরীর পানিশূন্য হলে দুধের উৎপাদন কমে যেতে পারে।

- সুষম খাবার নিশ্চিত করতে মায়ের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালরি ও পুষ্টিকর খাবার সময়মতো সামনে এনে দিতে পারে।

- দুধ তৈরীর অন্যতম উপাদান ক্যালসিয়াম, তাই মায়ের শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হতে পারে। আয়রন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার কিনে আনুন, খাওয়া নিশ্চিত করুন।

- বাচ্চার খাওয়া হয়ে গেলে বাচ্চাকে নিয়ে নিন। মাকে রেস্ট করতে/ঘুমাতে দিয়ে বাচ্চাকে নিজের কাছে রাখুন, ডায়পার বদলান, বার্প করান। মায়ের ঘুম ঠিকমতো না হলে শরীর ভেঙে পড়বে, দুধের সাপ্লাই এফেক্টেড হতে পারে।

- নেগেটিভ মানুষের নেগেটিভ কমেন্ট হ্যান্ডেল করুন।

- সে যে কত বড় একটা সাহসিকতার মহৎ কাজ করছে তার জন্য তার প্রশংসা করুন। যদি আপনার "দুধ তো সব মাই খাওয়ায়, প্রশংসার কী আছে?" মানসিকতা থাকে, আগে আমার এই লেখা পড়ে নিন: https://www.facebook.com/share/1EPDeP4TdM/

- মা দুধ খাওয়ানো নিয়ে স্ট্রাগল/দুশ্চিন্তা করলে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ বা ল্যাক্টেশন কন্সাল্ট্যান্টের কাছে নিয়ে যান।

- ​মা ছাড়াও বাবার সাথে বাচ্চার স্কিন-টু-স্কিন স্পর্শ বাচ্চার স্ট্রেস কমায়, কান্না থামায়। বাচ্চা শান্ত থাকলে মায়ের মেন্টাল স্ট্রেসও কমে। দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস let-down reflex ব্যাহত করতে পারে, যা দুধের সাপ্লাইতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

- প্রতি ফিডিং এর সময় চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব আশেপাশে থাকা যেন এটা ওটা এগিয়ে দিতে পারেন।

- একসাথে সময় কাটান। গল্প করুন। এতে মায়ের FOMO কমে গিয়ে অক্সিটোসিন হরমোন রিলিজ করতে সহায়তা করতে পারে।

- Postpartum depression নিয়ে জানার চেষ্টা করুন, সচেতন হোন।

মনে রাখবেন, এসময় আপনার উপস্থিতি অনেক ম্যাটার করে।

Fariha Rashid
©

আপনি কি জানেন? একজন মায়ের শুধু বুকের দুধ উৎপাদন করতেই শরীরকে প্রতিদিন কতটা কাজ করতে হয়?
শিশুর জন্য দুধ তৈরী করা মানে শুধু খাবার তৈরী নয়, এটা মায়ের শরীরের ওপর চলা এক নীরব যুদ্ধ।

একজন ব্রেস্টফিডিং মা যদি সারাদিন শুধু খায় আর ঘুমায়ও, শুধু দুধ তৈরি করতেই মায়ের শরীর প্রতিদিন অতিরিক্ত শক্তি, পানি আর পুষ্টি খরচ করে, যা সাধারণত আমাদের চোখে পড়ে না এবং এ নিয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞানই বেশিরভাগ মানুষের নেই।

- প্রতিদিন প্রায় ৫০০-৭০০ ক্যালোরি শুধু দুধ তৈরিতেই ব্যয় হয়, যা প্রায় একটা ম্যারাথনে দৌঁড়ানোর মতো খরচ হওয়া এনার্জি। ম্যারাথন দৌঁড় শেষ হলে মেডেল, পানি, বিশ্রাম, বাহবা পাওয়া যায়। আর মা কী পান? "সারাদিন বাসায় বসে কাজটা কী?" এই প্রশ্ন।

- মায়ের শরীর নিজের রিজার্ভ থেকে ক্যালসিয়াম নেয় দুধ তৈরী করতে, ফলে হাড় দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, এবং এই সমস্যায় বাংলাদেশের বেশিরভাগ মা ভোগেন।

- অনেকে আয়রন ডেফিসিয়েন্সিতে ভোগে। ফলাফল- ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট।

- এছাড়া ভিটামিন B12 ও ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি হয় অনেকের, ফলাফল- স্মৃতিভ্রংশ, অবসাদ, ঝিমুনি। ভিটামিন D-এর অভাবে হাড় ও মাংসপেশিতে ব্যথা হয়।

সেই মায়ের দুধ খেয়ে বড় হয়ে এরা এই ধরনের কমেন্ট করে।

Fariha Rashid
Parenting page: The Cycle Breaker Mom

28/07/2026

একজন মা সারাদিন বাচ্চাকে ব্রেস্টফিডিং করাতে গিয়ে যে পরিমাণ শক্তি হারান, তা প্রায় ৭ মাইল হাঁটার সমান ক্লান্তি তৈরি করে।

বুকের দুধ তৈরি করতে প্রতিদিন মায়ের শরীরের প্রায় ২৫% শক্তি খরচ হয়— যেখানে মানুষের ব্রেইন সারাদিনে মাত্র ২০% শক্তি ব্যবহার করে।

সন্তান জন্মের পর হরমোনাল পরিবর্তন, ঘুমহীন রাত, মানসিক চাপ আর পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন সামলে আবার আগের মতো স্বাভাবিক হতে একজন মায়ের প্রায় ২–৩ বছর সময় লেগে যেতে পারে।

মায়েদের বিচার নয়, প্রয়োজন একটু সহানুভূতি। ❤️

পরিবার আর স্বামীর সামান্য সহযোগিতা ও মানসিক সমর্থনই একজন মায়ের জন্য অনেক বড় শক্তি।☺️

27/07/2026

পুরুষদের স্ত্রীর রাগ আর জেদ হজম করা শেখা উচিত। কারণ, বাবার ঘর নারীর আর বিয়ে হলে থাকে না। আবার স্বামী মারা গেলে স্বামীর ঘর হয়ে যায় সন্তানদের ঘর। বাবার বাড়িতে অধিকার খাটায় না মেয়ে বলে আবার সন্তানদের ঘরে অধিকার খাটায় না মা বলে। অধিকার খাটানোর একটা নারীর একটায় জায়গা সেইটা স্বামীর ঘর। এই একটা ঘরেই সে রাগ জেদ দেখাতে পারে। এই একটা জায়গাকে প্রভুত্ব খাটিয়ে শেষ করা উচিত না। পৃথিবীর সবচাইতে হতভাগা সেই নারী নয় যার পরিবার ভাল না। পৃথিবীর সবচাইতে হতভাগা সেই নারী নয় যার সন্তানরা ভাল না। পৃথিবীর সবচাইতে হতভাগা সেই নারী যার স্বামী ভাল না।
~ কালেক্টেড 🍁
#গল্পকথা

💓
24/07/2026

💓

বাবাদের মনে রাখা উচিত 😔 আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছেন না তো?
23/07/2026

বাবাদের মনে রাখা উচিত 😔
আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছেন না তো?

🍁❤️
23/07/2026

🍁❤️

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Golpo-Kotha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share