28/06/2026
আলহামদুলিল্লাহ ৮ম বারের মত র ক্ত🩸দান।
আজকে একটু বেশি লেখা একটু দয়া করে পড়বেন। 🥰
এতবার রক্তদান করার পরেও এখন কেন জানি মনে হচ্ছে রক্তদান থেকে বিরত নিই। আবার যখন রক্তদানের সময় হয় তখন নিজের থেকেই সংগঠনকে বলি যে আমার রক্তদানের সময় হয়েছে, কারো লাগলে জানাবেন। আসলে মানুষ রে সন্তুষ্ট করার জন্য আমাদের এই যাত্রাটা না। একমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করাই আমাদের লক্ষ্য। তারপরেও রক্তদান বিষয়টা এমন সহজ করে ফেলেছে আমাদের সংগঠন। যেকোনো রোগী চাইলেই সাথে সাথে পেয়ে যায়, যার ফলে ডোনার কোন মূল্যায়ন পায় না। রক্ত দিতে গিয়ে মনে হয় আমরা রক্তদাতারাই দায়ে পড়ে আছি তাদের। আমরা দাঁতারা গিয়ে বসে থাকি, তারপরে রিলাক্সে আসে রোগীরা। মনে হয় তাদের রক্ত দিতে আমাদের ঋণ পরিশোধ করলাম।
🩸রক্ত দাতা আসলে কি চায়?
চাই একটু সম্মান, একটু ভালোবাসা❤️, একটু দোয়া, আরেকটু গুরুত্ব।
পৃথিবীতে এই একটামাত্র ঋণ কারো শোধ করার মতো না।
পরিশেষে আমাদের রক্তদাতা সংগঠনের দায়িত্বে থাকা ভাইদের কাছে একটাই আবদার, আপনার যাদের রক্ত ম্যানেজ করে দিবেন, রোগীকে বলবেন আগে থেকে তিনটা জিনিস খেয়াল রাখতে।
১. দাতাদের গুরুত্ব বোঝানো,
২. রক্ত দেওয়ার আগে পরে নাস্তার ব্যবস্থা
৩. রক্তদাতা কে অন্তত একবার হলেও ফোনে খোঁজ নেওয়া যে তার শারীরিক অবস্থা কেমন।
৪. পরিশেষে অন্তত গাড়ি ভাড়া যদিও আমাদের কেউ নেয় না, তারপরে অন্তত বলা যে আপনার গাড়ি ভাড়া টা, কারণ রক্তদাতা তারা বেশিরভাগই বেকার, আবার যারা কর্মসংস্থানে আছে, তারা নিজেদেরকে কর্ম ফেলে গিয়ে রক্ত দিয়ে আসে। কর্ম ফেলে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা কতটুকু যৌক্তিক? বিষয়টা আপনারা খেয়াল রাখবেন যারা রক্ত ম্যানেজ করে দেন। প্রয়োজনে রোগীকে হাসপাতালে এনে পরে ডোনারকে ফোন দিবেন। যাতে রক্তদাতা ওখানে গিয়ে সাথে সাথেই তার কার্য সম্পাদন করে, সাথে সাথে চলে আসতে পারে।
ধন্যবাদ।