07/07/2026
লিওনেল মেসির বাড়ির ওপর দিয়ে কোনো প্লেন উড়তে পারে না!
শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্যি।
বার্সেলোনায় মেসির যে বিখ্যাত বাড়িটি রয়েছে, তার ওপর দিয়ে কোনো বিমান চলাচলের অনুমতি নেই। স্পেনের পরিবেশগত আইনের কারণে ওই এলাকাকে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়েছে।
ইন্টারনেটে প্রায়ই একটা ছবি দেখা যায় একটি বাড়ি দেখতে হুবহু ফুটবলের মতো এবং ওপর থেকে দেখলে মনে হয় একটি বিশাল '১০' নম্বর লেখা।
স্থপতি লুইস ডি গ্যারিডো এটি ডিজাইন করেছিলেন। যদিও অনেক ভক্তই ভাবেন এটা মেসির আসল বাড়ি, কিন্তু পরবর্তীতে জানা যায় এটি আসলে একটি আর্কিটেকচারাল প্রজেক্ট ছিল, মেসি আনুষ্ঠানিকভাবে এই বাড়িতে কখনো থাকেননি।
বার্সেলোনার কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার দূরে পাহাড় আর সমুদ্রের মাঝখানে এক মনোরম পরিবেশে এই প্রাসাদসম বাড়িটি অবস্থিত।
এর পাশেই রয়েছে ভূমধ্যসাগর। জায়গাটি ভীষণ শান্ত এবং এখানে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে।
মেসির এই আলিশান বাড়িতে রয়েছে, একটি নিজস্ব ছোট ফুটবল মাঠ যেখানে তিনি সন্তানদের সাথে প্র্যাকটিস করেন।একটি বড় সুইমিং পুল। ইনডোর জিম এবং স্পা।
তার আদরের কুকুর 'হাল্ক'-এর জন্য বিশাল খেলার জায়গা।
মেসি যখন প্রথম এই বাড়িটি কেনেন, তখন তার পাশের বাড়ির প্রতিবেশীরা একটু বেশিই কোলাহল করতো এবং প্রায়ই লাউড স্পিকারে গান বাজাতো। নিজের ও পরিবারের মানসিক শান্তির জন্য মেসি পরে ওই প্রতিবেশীর পুরো বাড়িটাই কিনে নেন, যাতে কেউ তার ব্যক্তিগত জীবনে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে!
আমেরিকার ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর লিওনেল মেসি ফ্লোরিডার ফোর্ট লাউডারডেল এলাকার একটি অভিজাত গেটেড কমিউনিটি 'বে কলোনি'-তে একটি চমৎকার ওয়াটারফ্রন্ট ম্যানশন কিনেছেন।
যা প্রায় ১০.৮ মিলিয়ন ডলার আর বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৩০ কোটি টাকার বেশি। 😑
বাড়িটির পেছনেই রয়েছে সমুদ্রের খাঁড়ি এবং ১৭০ ফুট লম্বা নিজস্ব ওয়াটারফ্রন্ট। এছাড়া দুটি প্রাইভেট বোট ডক আছে, যেখান থেকে সরাসরি বোটে চড়ে সাগরে ঘোরা যায়।
পুরো ম্যানশনটিতে ১০টি বেডরুম থাকলেও, মেসির নিজের শোবার ঘরটিই প্রায় ১,৬০০ স্কয়ার ফুটের যা একটি মাঝারি সাইজের পুরো ফ্ল্যাটের সমান!
মেসি যে 'বে কলোনি' এলাকায় থাকেন, সেটি ফ্লোরিডার অন্যতম নিরাপদ এবং সুরক্ষিত এলাকা, যেখানে ২৪ ঘণ্টা কড়া নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব গার্ড-গেট রয়েছে। এই এলাকায় মেসির প্রতিবেশীদের মধ্যে রয়েছেন বাস্কেটবল দুনিয়ার সর্বকালের অন্যতম সেরা কিংবদন্তি লেব্রন জেমস।
ফোর্ট লাউডারডেলের এই মূল বাড়িটি ছাড়াও মায়ামিতে মেসির আরও কিছু বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো 'পোর্শে ডিজাইন টাওয়ার' -এর একটি ফ্ল্যাট।
এই টাওয়ারের বিশেষত্ব হলো, এতে একটি অত্যাধুনিক পেটেন্টেড কার এলিভেটর আছে।
মেসি তার গাড়ি নিয়ে সরাসরি লিফটে উঠে নিজের ৪৭ তলার ফ্ল্যাটে চলে যেতে পারেন এবং গাড়িটি বসার ঘরের ঠিক পাশেই পার্ক করে রাখা যায়!🤷♀️
টাকা থাকলে মানুষ কী না করতে পারে! তাই নাহ??
নিজের শান্তি আর প্রাইভেসির জন্য পুরো এলাকাটাই নিজের মতো করে নিতে পারে। হিহি!