25/08/2026
বিয়ের প্রথম প্রথম অভিনয় করত,যত দিন যাচ্ছে নিজের রূপ দেখাচ্ছে⁉️
আপনার বউ আসলে ভালো না।
হ্যাঁ। অবশ্যই। জ্বি।
আমিও আপনার সাথে সহমত। 🙂
ছোটখাটোভাবে বউকে একটু বকা-টকা দেওয়া যেতেই পারে যে—বউ আসলে ভালো না।
তো আপনার বউ বেসিক্যালি কেন এমন, সেই জিনিসগুলো একটু বলে দিই। যেই কথা আপনাকে আপনার ফ্যামিলির কেউ বলবেনা কিংবা বলে নি!
আমরা তো প্রায় সময় বউদেরকে একটু জেরা-টেরা করে ধরি—
“সমস্যা কী আসলে আমার ফ্যামিলির সাথে?”
“তুমি আমার ফ্যামিলির মানুষজনকে পছন্দ করো না কেন?”
“এত দূরে দূরে থাকো কেন?”
“সবকিছু জানাতে চাও না কেন?”
তো এই “কেন”-গুলোর কারণের ভিতরে ইন জেনারেল যে কারণগুলো দেখা যায়, সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে—
আপনার বউ আপনার ফ্যামিলির মানুষজনকে পছন্দ করে না।
Because...বিয়ের পরে যখন সে প্রথম প্রথম আপনার ফ্যামিলির সাথে মেশা শুরু করেছিল, তখন সম্ভবত সবচেয়ে বেশি judge-ও তাকে আপনার ফ্যামিলির মানুষজনই করেছিল।
আপনার ফ্যামিলির লোকজন হয়তো তাকে আশ্বস্ত করেছিল—
“এটা তোমার নিজের বাড়ি।”
“নিজের ঘরের মতো মনে করবে।”
কিন্তু কাজে-কর্মে, ছোট ছোট ব্যবহারে তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে—
এই মহিলা আসলে এই বাড়িতে belong করে না।
আপনার বউ এখন আপনার ফ্যামিলির মানুষজনের সাথে নিজের ছোট ছোট বিষয়গুলো share করে না।
কারণ যখন প্রথম প্রথম সে ছোট ছোট জিনিসগুলো বলত, তখন হয়তো সেগুলো সুন্দরভাবে নেওয়া হতো না। কোনোটা নিয়ে কথা হতো, কোনোটা নিয়ে judgment হতো, কোনোটা নিয়ে অপ্রয়োজনীয় discussion হতো। ফ্যামিলি গসিপ এর টপিক হত!
তারপর সে আস্তে আস্তে শিখেছে—
কম বলাই ভালো।
আপনার বউ আপনার ফ্যামিলির মানুষজন থেকে একটু দূরে দূরে থাকে।
কারণ মানুষ যেখানে খুশি মনে নিজের ভালো কিছু জানাতে পারে, আর সেই ভালো জিনিসটা অন্য মানুষও সুন্দর মনে accept করতে পারে—সেখানে মানুষ এমনিতেই কাছে আসে।
আর যেখানে প্রতিটা কথা বলার আগে দশবার ভাবতে হয়—
“এটা বললে আবার কী হবে?”
সেখানে মানুষ আস্তে আস্তে দূরে সরে যায়।
আপনার বউ আপনার ফ্যামিলির মানুষজনকে একটু ignore করে চলে। অনেক কিছু জানাতে চায় না।
Because একটা সময় তার কাছে যখন কোনো authority ছিল না, power ছিল না—তখন ছোট ছোট বিষয়েও তাকে অনুমতি চাইতে হতো।
মিনা রাজুর তৈরি ""পায়খানা" খানায় যাওয়ার আগে কেনো ঘরের বউ অনুমতি নেয় নাই? সেই জবাবদিহি তার দিতে হতো!!
আর আপনার বউ যখন কোনো কিছুর অনুমতি চাইত, তখন হয়তো আপনার ফ্যামিলির মানুষজন অনুমতি দিত না।
এটা নিয়ে সে fight করত।
কষ্ট পেত।
রাগ করত।
তারপর একসময় সে শিখে গেছে—
অনুমতি চাওয়ার চেয়ে না জানানো সহজ।
আপনার বউ যখনই নিজের মতো করে কোনো plan করত, তখনই হয়তো আপনার ফ্যামিলির কারও হার্ট অ্যাটাক করে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়ে যেত। 😶
ট্যুর এর দিন ঘনিয়ে আসলে আপনার ফ্যামিলি মেম্বারদের কে দেখা যেত ""জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট"" এর icu তে ভর্তি!!
“এটা কীভাবে সম্ভব?”
“আমাদের না জানিয়ে?”
“এভাবে কেন?”
“আগে তো এমন ছিল না!”
তো হ্যাঁ ভাই—
আপনার বউ খারাপ।
আমিও মানতেছি, আসলে আপনার বউ খারাপ।
আপনার সাথে আমি সহমত। 🙂
কিন্তু আপনার বউ আজকে যে “খারাপ বউ” হয়েছে—
এই খারাপ হওয়ার পিছনে যথেষ্ট valid reason আছে।
মানুষ একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ করে দূরের মানুষ হয়ে যায় না।
বারবার uncomfortable হওয়ার পরে মানুষ কথা বলা কমায়।
বারবার judged হওয়ার পরে মানুষ share করা কমায়।
বারবার permission denied হওয়ার পরে মানুষ permission চাওয়া বন্ধ করে।
আর বারবার “তুমি এই পরিবারেরই একজন” শুনেও কাজে তার উল্টোটা দেখার পরে—
মানুষ একসময় সত্যিই ওই পরিবার থেকে নিজেকে আলাদা ভাবতে শেখে।
So, I'm so sorry to say—
আপনার বউ খারাপ হওয়ার গল্পটা বলার আগে,
সে কীভাবে খারাপ হলো—ওই গল্পটাও একটু শোনা দরকার।
পিও বড়ো ভাই, আমি আপনার পক্ষের লোক 🤌🤌
゚viralシ