07/01/2026
"শা/*উয়া মাউয়া ছিঁড়া ফেল"—এই গা/*লি কি ‘মজলুমের হাতিয়ার’, নাকি নারীদের কুপোকাত করার জন্য যত্রতত্র ব্যবহৃত এক পু/*রুষতান্ত্রিক অ/*স্ত্র?
আসেন, আলাপে যাই।
‘শা/*উয়া’ কী?
শা/*উয়া হলো একজন নারীর দেহের নিম্নভাগের গোপনাঙ্গের নাম। এবং এটি কোনো নিরীহ শব্দ নয়—এটি একজন নারীর প্রতি পু/*রুষতান্ত্রিক আচরণের সবচেয়ে কু/*ৎসিত, আ/*ক্রমণাত্মক ও অ/*পমানজনক গা/*লিগুলোর একটি।
এখন প্রশ্ন হলো—হাদির ভাষ্যমতে আপনি কি এটাকে ‘মজলুমের হাতিয়ার’ হিসেবে দেখতে পারেন?
শাহবাগে বসে অনেকে এই গা/*লি দিয়ে স্লোগান দিচ্ছে—এমনকি কিছু নারীও!
কতটা গ/*র্দভ হলে এমনটা করা যায়!
আমাদের সমাজে এই গা/*লিটা মূলত একজন নারীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে বি/*পর্যস্ত, হে/*য় ও চূড়ান্তভাবে অ/*পমান করার উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হয়। এখানে এসে কেউ আমাকে ল্যাপ দিয়া ছ্যাপ “ভিন্ন ব্যাখ্যা” বুঝাতে আসবেন না—পারবেন না। আমরা এসব গা/*লি না দিলেও, শুইনা বড় হওয়া জেনারেশন। ভুগিচুগি বুঝানোর সুযোগ নাই।
হাদি এদেশের আর দশটা পুরুষের মতোই একজন চরম নারী-বি/*দ্বেষী ব্যক্তি ছিল। সেই বি/*দ্বেষ থেকেই অতি উত্তেজনায় গালিটা ব্যবহার করতো সে।
খেয়াল করেন—গোপালগঞ্জে যারা হাদিদের ওপর আ/*ক্রমণ করেছিল, তারা সবাই পুরুষ ছিল, নারী নয়। আর আমরা জানি, পুরুষের শা/*উয়া হয় না—হয় ধো/*ন বা ল্যা/*ওড়া;
তাহলে স্বাভাবিকভাবে গা/*লিটা হওয়ার কথা ছিল, “ল্যা/*ওড়া ম্যাওড়া ছিঁড়া ফেল”
কিন্তু তা না বলে হাদি বলেছে—
"শা/*উয়া মউয়া ছিঁড়া ফেল"
এখানেই পয়েন্ট মেইক করে।
আমাদের দেশে রাস্তাঘাটে ই/*তরশ্রেণির লোকজনের মারামারি দেখলে একটা কমন দৃশ্য চোখে পড়ে—
তারা বলে, "তর মায়রে চু/*দি"
কখনো শুনবেন না কেউ বলে, "তর বাপেরে চু/*দি"
সুতরাং বটমলাইন পরিষ্কার।
ওসমান হাদি ছিল একজন ই/*তরশ্রেণির, চরম নারী-বি/*দ্বেষী পুরুষ। যাকে তার সাঙ্গপাঙ্গ ও কিছু রাজনৈতিক ফায়দাবাজ ‘হাদি ব্যবসায়ী’ মিলে আমাদের জাতীয় কবির পাশে কবরস্থ করেছে।
যা শুধু সাম্যের কবি, দ্রোহের কবি, প্রেমের কবি কাজী নজরুল ইসলামকে অ/*পমান নয়—পুরো জাতিকে অ/*পমান করার শামিল।