Team for Amzad

Team for Amzad Public figure
(1)

08/06/2026

আসুন, মাদককে দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলি এবং সুস্থ সমাজ গড়ে তুলি

- অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন

সামনে জাতির গুরুত্বপূর্ণ বাজেট অধিবেশন। দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ আজ তাকিয়ে আছে সেই বাজেটের দিকে—যেখানে শুধু সংখ্যার...
07/06/2026

সামনে জাতির গুরুত্বপূর্ণ বাজেট অধিবেশন। দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ আজ তাকিয়ে আছে সেই বাজেটের দিকে—যেখানে শুধু সংখ্যার হিসাব নয়, মানুষের দীর্ঘশ্বাসেরও মূল্য থাকবে।

আজ বাজারে গেলে একজন নিম্নবিত্ত বাবা হিসাব মেলাতে পারেন না। একজন মা রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে চোখের জল লুকিয়ে কমিয়ে দেন সন্তানের পাতে খাবারের পরিমাণ। মধ্যবিত্ত মানুষটিও প্রতিদিন যুদ্ধ করছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে। এই বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে যদি শুধু বিত্তবানদের সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য বাজেট তৈরি হয়, তবে সেই বাজেট কখনোই জনগণের বাজেট হতে পারে না।

রাষ্ট্রের শক্তি কেবল উঁচু দালান বা বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পে নয়; রাষ্ট্রের আসল শক্তি তার সাধারণ মানুষ। যে কৃষক মাঠে ঘাম ঝরায়, যে শ্রমিক দিন শেষে ক্লান্ত শরীরে ঘরে ফেরে, যে রিকশাচালক সন্তানকে মানুষ করার স্বপ্ন দেখে—তাদের বাঁচিয়ে রাখার মধ্যেই রাষ্ট্রের টিকে থাকার সক্ষমতা লুকিয়ে আছে।

সাধারণ মানুষের একটাই প্রত্যাশা—এবারের বাজেটে যেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। যেনো চাল, ডাল, তেল, ওষুধ, বিদ্যুৎ—সবকিছু মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে। যেনো একজন মানুষ সৎভাবে উপার্জন করে সম্মানের সঙ্গে পরিবার নিয়ে বাঁচতে পারে।

এই বাজেট হোক মানুষের কান্না বোঝার বাজেট, ক্ষুধার কষ্ট অনুভব করার বাজেট, বেঁচে থাকার স্বপ্নকে রক্ষা করার বাজেট। কারণ জনগণ বাঁচলে রাষ্ট্র বাঁচবে, মানুষের মুখে হাসি ফিরলেই দেশের সত্যিকারের উন্নয়ন হবে।

হরিশপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক ৫ বছর বয়সী শিশুর জরুরি অপারেশনের জন্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়ত...
06/06/2026

হরিশপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের এক ৫ বছর বয়সী শিশুর জরুরি অপারেশনের জন্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

মানবিক এই উদ্যোগের সার্বিক সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনায় ছিল এ কে ফাউন্ডেশন। অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবকল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া এ কে ফাউন্ডেশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকা, কষ্ট লাঘবে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। এটাই আমাদের অঙ্গীকার। ❤️🤝

ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসা ও সেবাই ছিল আমার রাজনীতির লক্ষ্য— অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইনআমি মূলত জনগণের প্রতিনিধি হতে...
05/06/2026

ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসা ও সেবাই ছিল আমার রাজনীতির লক্ষ্য
— অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন

আমি মূলত জনগণের প্রতিনিধি হতে চেয়েছিলাম—কোনো পদ, ক্ষমতা কিংবা প্রভাবের জন্য নয়; মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস আর দোয়ার জায়গাটা অর্জন করার জন্য। আমি বিশ্বাস করি, একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জনগণের প্রকৃত ভোট। কারণ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে মানুষের সাথে এক ধরনের আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হয়, একটা আন্তরিকতা জন্ম নেয়, একটা টান তৈরি হয়। তখন মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না নিজের জীবনের অংশ হয়ে যায়।

আমি সবসময় ভেবেছি, যেখানে জনগণের সমস্যা, সেখানেই ছুটে যাওয়া হবে আমার দায়িত্ব। কোনো মা চিকিৎসার অভাবে কষ্ট পেলে, কোনো কৃষক ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশ হলে, কোনো তরুণ বেকারত্বের যন্ত্রণায় ভেঙে পড়লে—সেই কষ্টগুলো অনুভব করাই হবে একজন প্রকৃত প্রতিনিধির কাজ। আমি রাজনীতিতে এসেছি মানুষের খেদমত করার উদ্দেশ্যে, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে। রাজনীতি আমার কাছে কখনো ব্যবসা ছিল না, ছিল মানুষের জন্য কিছু করার এক গভীর অঙ্গীকার।

নির্বাচনের সময় বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন মহল থেকে আমাকে অনেক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল—“ভালো পরিমাণ টাকা খরচ করতে পারলে আপনাকে সন্দ্বীপের এমপি বানিয়ে দেওয়া সম্ভব।” কিন্তু আমি সেই পথে হাঁটতে চাইনি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, টাকার বিনিময়ে কেনা পদ কখনো মানুষের হৃদয় জয় করতে পারে না। অনৈতিক উপায়ে নির্বাচিত হয়ে মানুষের প্রতিনিধি হওয়ার চেয়ে, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে সাধারণ একজন মানুষ হয়ে বেঁচে থাকাও অনেক সম্মানের।

আমি চাইনি ক্ষমতার চেয়ারে বসে নিজেকে বড় করতে; আমি চেয়েছিলাম মানুষের সেবক হতে। আমি চেয়েছিলাম জনগণ যেন গর্ব করে বলতে পারে—“এই মানুষটি আমাদের ভোটে, আমাদের ভালোবাসায় নির্বাচিত হয়েছে।” কারণ জনগণের সত্যিকারের প্রতিনিধি সেই ব্যক্তি, যার কাছে মানুষের অধিকার, মানুষের সম্মান আর মানুষের কল্যাণ সবকিছুর ঊর্ধ্বে।

আমার বিশ্বাস, সততা কখনো পরাজিত হয় না। হয়তো সাময়িকভাবে টাকার শক্তি, প্রভাবের রাজনীতি কিংবা ষড়যন্ত্র সামনে এগিয়ে যায়, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয় কেবল সেই মানুষ, যে নিঃস্বার্থভাবে মানুষের জন্য কাজ করে। আমি সেই ভালোবাসার রাজনীতি করতে চেয়েছি—যেখানে ক্ষমতার অহংকার নয়, মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধই সবচেয়ে বড় পরিচয়।

এই পৃথিবীতে আমার যা কিছু অর্জন, যা কিছু প্রাপ্তি, যা কিছু সম্মান—সবই আমার মহান রবের অসীম করুণা। আমি ভালো করেই জানি, আমার...
04/06/2026

এই পৃথিবীতে আমার যা কিছু অর্জন, যা কিছু প্রাপ্তি, যা কিছু সম্মান—সবই আমার মহান রবের অসীম করুণা। আমি ভালো করেই জানি, আমার নিজের বলে কোনো শক্তি নেই, কোনো ক্ষমতা নেই। মানুষ শুধু চেষ্টা করতে পারে, কিন্তু সফলতার দরজা খুলে দেন একমাত্র আল্লাহ। তাই আজ আমি জয়-পরাজয়ের হিসাব থেকে নিজেকে মুক্ত করে দিয়েছি। হারলে আমি ভেঙে পড়ি না, আর জিতলেও অহংকার করি না। কারণ আমি জানি, সবকিছুই আমার রবের পক্ষ থেকে আসে—পরীক্ষাও, পুরস্কারও।

আজ আমি আমার সকল দুশ্চিন্তা, সকল ভয়, সকল অস্থিরতা আমার রবের হাতে সঁপে দিলাম। আমি ক্লান্ত হৃদয় নিয়ে তাঁর দরজায় দাঁড়িয়েছি, কিন্তু নিরাশ নই। কারণ আমার রব কখনো তাঁর বান্দাকে একা ফেলে দেন না। তিনি নীরব থাকলেও শুনছেন, দেরি করলেও ফিরিয়ে দেন না। হয়তো তিনি আমাকে আরও সুন্দর সময়ের জন্য প্রস্তুত করছেন।

আমি জানি পথ কঠিন হবে। মানুষ ভুল বুঝবে, সময় আমাকে কাঁদাবে, অনেক স্বপ্ন ভেঙেও যাবে। তবুও আমি থেমে যাবো না। কারণ আমার ভরসা মানুষের উপর নয়, আমার ভরসা সেই রবের উপর—যিনি অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারেন। আমি চেষ্টা চালিয়ে যাবো, নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো। প্রতিদিন আরও ভালো হবো, আরও শক্ত হবো, আরও ধৈর্যশীল হবো। আর প্রতিটি সিজদায়, প্রতিটি দোয়ায়, প্রতিটি চোখের পানিতে আমি আমার রবের কাছেই চাইতে থাকবো।

আমি বিশ্বাস করি, একদিন আমার অপেক্ষার শেষ হবে। একদিন আমার দোয়া কবুল হবে। একদিন আমি আমার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবোই—ইনশাআল্লাহ। কারণ আমার রব হতাশ করেন না। তিনি কখনো খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না।

আজ আমি মুক্ত—মানুষের বিচার থেকে, ব্যর্থতার ভয় থেকে, ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা থেকে। কারণ আমি আমার সবকিছুর দায়িত্ব আমার রবের উপর ছেড়ে দিয়েছি। এখন আমার কাজ শুধু চেষ্টা করা, ধৈর্য ধরা, আর বিশ্বাস রাখা।

প্রবল নদীভাঙনের মুখে আজ দিশেহারা উড়িরচরের মানুষ। বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকার নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে দিন কাটছে ত...
03/06/2026

প্রবল নদীভাঙনের মুখে আজ দিশেহারা উড়িরচরের মানুষ। বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকার নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের।

সন্দ্বীপের অন্যতম অবহেলিত ইউনিয়ন উড়িরচর। নদীর ভাঙা গড়ার নির্মম বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে এই জনপদের মানুষ যুগের পর যুগ নিজেদের মাতৃভূমি আঁকড়ে ধরে বসবাস করে আসছেন। নির্বাচনের সময় উড়িরচরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। সেখানে গিয়ে দেখেছি মানুষগুলো কতটা আন্তরিক, অতিথিপরায়ণ এবং মাটির কাছাকাছি জীবনযাপন করেন।

উড়িরচর ঘুরে এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে যে বাস্তবতা জেনেছি, তা সত্যিই উদ্বেগজনক। সেখানে নেই একটি মানসম্মত হাসপাতাল, নেই উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকেও দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত এই জনপদের মানুষ।

আজ নতুন করে যোগ হয়েছে ভয়াবহ নদীভাঙনের হুমকি। উড়িরচরকে রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর ও টেকসই নদীভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।

দুঃখজনক হলেও সত্য, নির্বাচনের সময় সবাই উড়িরচরে যায়, মানুষের সমর্থন চায়, নানা প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে সেই মানুষগুলোর খোঁজ নেওয়ার মতো কাউকে আর দেখা যায় না। বছরের পর বছর উড়িরচর পড়ে থাকে অবহেলা ও বঞ্চনার মধ্যে।

উড়িরচরের মানুষ করুণা নয়, তাদের ন্যায্য অধিকার চায়। তারা উন্নয়ন চায়, নিরাপত্তা চায়, শিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ চায়। আমি বিশ্বাস করি, উড়িরচরের মানুষ একদিন মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, ইনশাআল্লাহ।

উড়িরচরের উন্নয়ন কোনো অনুগ্রহ নয় এটি সেখানকার মানুষের ন্যায্য অধিকার।

শুরুটা কাউকে না কাউকে করতেই হয়। সেই বিশ্বাস থেকেই সন্দ্বীপের মাটি ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রত্যয়ে পথচলা শুরু করেছি...
02/06/2026

শুরুটা কাউকে না কাউকে করতেই হয়। সেই বিশ্বাস থেকেই সন্দ্বীপের মাটি ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রত্যয়ে পথচলা শুরু করেছি।

মাদক, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও লুটপাটমুক্ত একটি সুন্দর সমাজ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আমার এই সংগ্রাম। যত বাধা-বিপত্তিই আসুক, লক্ষ্য অর্জনের আগে এই পথ থেকে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের স্বার্থে সমাজ পরিবর্তনের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
সন্দ্বীপের কল্যাণে, মানুষের পাশে আমাদের এই পথচলা চলবেই। ✊🏻🇧🇩

- অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন

সন্দ্বীপ পৌরসভা সেনেরহাটের উত্তর পাশে সেরাজুল হক কেরানীর বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ঘর পরিদর্শন করেছেন এ কে ফা...
01/06/2026

সন্দ্বীপ পৌরসভা সেনেরহাটের উত্তর পাশে সেরাজুল হক কেরানীর বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ঘর পরিদর্শন করেছেন এ কে ফাউন্ডেশনের দায়িত্বশীলবৃন্দ। এসময় এ কে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাক্তিকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

আজকের এই পথচলা হয়তো সহজ নয়। প্রতিটি দিন নতুন সংগ্রাম, নতুন পরীক্ষা আর নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে। কখনো ক্লান্তি ভর করে, ...
31/05/2026

আজকের এই পথচলা হয়তো সহজ নয়। প্রতিটি দিন নতুন সংগ্রাম, নতুন পরীক্ষা আর নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে। কখনো ক্লান্তি ভর করে, কখনো মনে হয় পথটা অনেক দীর্ঘ। তবুও আমি থেমে যাই না, কারণ আমার হৃদয়ে একটি স্বপ্ন বেঁচে আছে, একটি লক্ষ্য আমাকে প্রতিনিয়ত সামনে এগিয়ে যেতে সাহস জোগায়।

আমি বিশ্বাস করি, কোনো পরিশ্রমই বৃথা যায় না। হয়তো আজ আমার চেষ্টা মানুষের চোখে পড়ছে না, হয়তো আমার কষ্টের গল্প কেউ জানে না; কিন্তু আল্লাহ সব দেখেন, সব জানেন। আমার প্রতিটি দোয়া, প্রতিটি অশ্রু, প্রতিটি নির্ঘুম রাত এবং প্রতিটি সৎ প্রচেষ্টা তাঁর কাছেই সংরক্ষিত আছে।

যখন চারপাশে অন্ধকার নেমে আসে, তখন আমি আশার আলো খুঁজি। আমি নিজেকে মনে করিয়ে দিই যে সফলতা রাতারাতি আসে না; এর পেছনে থাকে ধৈর্য, ত্যাগ, অধ্যবসায় এবং অটুট বিশ্বাস। তাই আমি হাল ছাড়বো না। যত বাধাই আসুক, যতবারই ব্যর্থ হই না কেন, আমি আবার উঠে দাঁড়াবো। কারণ আমার বিশ্বাস, আল্লাহ যাকে তাঁর রহমত ও সাহায্যে এগিয়ে নেন, তাকে কেউ থামিয়ে রাখতে পারে না।

একদিন হয়তো আমি সেই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে দাঁড়িয়ে পিছনে তাকাবো। তখন আজকের সব কষ্ট, সব অপেক্ষা, সব সংগ্রামকে সার্থক মনে হবে। তখন আমি কৃতজ্ঞ হৃদয়ে বলবো— “আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমার ধৈর্য, পরিশ্রম এবং বিশ্বাসকে বিফলে যেতে দেননি।”

ইনশাআল্লাহ, আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করবো, আমার লক্ষ্যে পৌঁছাবো, এবং সেই দিনটি হবে আমার ধৈর্য ও বিশ্বাসের সবচেয়ে সুন্দর পুরস্কার।

Address

Sandwip

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Team for Amzad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share