25/03/2026
"তাকে কত করে বললাম, ২৯ মার্চ আমার ডিউটি আছে, তোমরা বাড়িতেই থাকো। কিন্তু বউটা শুনলোই না, বললো, 'আব্দুল্লাহর বাপ, তোমারে না দেখলে আমার ভালো লাগে না, অস্থির লাগে।' এখন আমাকে একা ফেলে তোমরা কোথায় চলে গেলে, আমি এখন একা কীভাবে বাঁচবো!" রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাসের বেঁচে ফেরা এক অভাগা স্বামীর আর্তনাদ এটি।
সৌহার্দ্য পরিবহনের ওই বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিল, যাদের মধ্যে মাত্র ৪-৫ জন প্রাণ নিয়ে উপরে উঠতে পেরেছেন। এই লোকটির চোখের সামনেই তার আদরের ছোট্ট ছেলে আব্দুল্লাহ এবং ভালোবাসার স্ত্রী পদ্মার বুকে তলিয়ে গেছে, যারা এখনো নিখোঁজ। বউটা শুধু স্বামীকে একা ছাড়তে চায়নি বলেই আজ এই ম*র্মান্তিক পরিণতি মেনে নিতে হলো পুরো পরিবারকে!
সাধারণ মানুষের জীবনের কি আসলেই কোনো মূল্য নেই এই দেশে? একটু দ্রুত আর সঠিক উদ্ধার তৎপরতা হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারতো আব্দুল্লাহ আর তার মায়ের মতো আরও অনেকগুলো তাজা প্রাণ। প্রিয়জন হারানোর এই বু*কফাটা কা/ন্না আর কতকাল আমাদের অসহায়ভাবে দেখতে হবে?