08/04/2025
হয়তো সে পায়রা উড়ল শুধু একটা পাখি হয়েনয়, আয়মানের স্বপ্ন, স্বাধীনতা আর সাহস হয়ে।
#শেয়ার
গাজা শহরের এক কোণে, ধ্বংসস্তূপের পাশে এক ছোট ছেলে থাকতো—তার নাম ছিল আয়মান। বয়স মাত্র আট, কিন্তু চোখে ছিল এমন এক পরিণত ঝলক, যেন হাজার বছরের কষ্ট জমে আছে সেখানে।
তার বাবা একদিন বলেছিল, "তুই একদিন আকাশে উড়বি, আয়মান, একেবারে স্বাধীন পাখির মতো।"
কিন্তু সে আকাশ প্রতিদিন দুঃস্বপ্ন নিয়ে আসত—ড্রোনের গুঞ্জন, বোমার শব্দ, ধ্বংস।
একদিন আয়মান একটা ছোট পায়রা পেল ধুলোভরা ইট-পাথরের মাঝে। ডানা ভাঙা, তবুও চোখে জীবনের আশা। সে পায়রাটাকে বাড়ি নিয়ে এল, যত্ন করল। নাম দিল—"হুরিয়া"। মানে, স্বাধীনতা।
দিন যায়, রাত যায়, চারদিকের যুদ্ধ থেমে থাকে না। কিন্তু আয়মান হুরিয়ার ডানা বেঁধে দেয়, ভালোবাসা দিয়ে। একদিন সকালে, সে হুরিয়াকে হাতে নিয়ে উঠে দাঁড়ায় ধ্বংসস্তূপের ওপর।
চোখ দুটো আকাশে।
"উড়ো, হুরিয়া। আমার হয়ে উড়ো।"
সে পাখিটাকে ছুঁড়ে দেয় আকাশে।
হুরিয়া উড়ে যায়... সামনের গুলি, পেছনের আগুন—সব পেরিয়ে সে উড়ে চলে যায়।
আর আয়মান? সে দাঁড়িয়ে থাকে, চোখে জল, ঠোঁটে একটুকরো হাসি—যেমন তার বাবা চেয়েছিল।