10/05/2026
বটগাছের অভিশাপ
পার্ট:১
গ্রামের নাম নিশ্চিন্তপুর। কিন্তু নাম নিশ্চিন্তপুর হলেও, গ্রামের মানুষ গত ১০০ বছর ধরে রাতের বেলা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে না। গ্রামের একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাচীন, বিশাল এক বটগাছই হলো তাদের সমস্ত ভয়ের কারণ।
গল্পটা শুরু হয়েছিল এক পূর্ণিমা রাতে। গ্রামের লোককাহিনী অনুসারে, শত বছর আগে এই বটগাছের নিচেই গ্রামের এক জমিদারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। মৃত্যুর সময় তিনি নাকি অভিশাপ দিয়ে গিয়েছিলেন—"আমার রক্ত এই গাছের শিকড়ে মিশে থাকবে। পূর্ণিমা রাতে আমি ফিরে আসব, এবং যার চোখে পড়ব, সে আর কখনো বাড়ি ফিরবে না।"
সময়ের সাথে সাথে বটগাছটা আরও বিশাল, আরও জটধারী হয়ে উঠেছে। দিনের বেলাতেও গাছটার নিচে একটা শীতল, থমথমে ভাব অনুভূত হয়। আর রাতের বেলা তো গ্রামের মানুষ ওই রাস্তা দিয়ে হাঁটাই বন্ধ করে দিয়েছে।
কিন্তু সেদিন ছিল ভিন্ন কথা। শুভ্রদা, গ্রামের তরুণ মাস্টার, শহর থেকে ফিরে ওই পথেই আসছিলেন। তার কাছে নিশ্চিন্তপুরের এই ভূত-প্রেতের গল্পগুলো শুধুই কুসংস্কার বলে মনে হতো। হাতে একটা টর্চ, আর মুখে একটা বাঁশি, তিনি আনমনে হাঁটছিলেন ওই মেঠো পথ দিয়ে।
রাত তখন গভীর। আকাশটা মেঘে ঢাকা থাকলেও, মেঘের ফাঁক দিয়ে উপচে পড়া চাঁদের আলো মাঠটাকে এক অদ্ভুত, ভৌতিক রূপ দিয়ে রেখেছিল। শুভ্রদা যখন বটগাছটার কাছাকাছি পৌঁছালেন, তখন চারিদিকটা যেন হঠাৎ নীরব হয়ে গেল। ঝিঁঝিঁর ডাক, কোলাব্যাঙের ডাক—সব কিছু বন্ধ। শুধু বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ আর তার নিজের পায়ের আওয়াজ,,,,,,,,, চলবে।
গল্প :সংগৃহীত
গল্পটি কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।
পরের পার্ট চাইলে কমেন্ট করুন।