tutu abid 333

tutu abid 333 আসসালামু আলাইকুম।
please following my page.

14/08/2026

অনেক যত্ন করে ........!

08/08/2026

আসল শকুন বিলুপ্তি হলেও 🤐
মানুষ রূপের শকুনের অভাব নাই!🤣
🤫

07/08/2026

তোমাকে খুব করে চাওয়াটা ছিল ভালোবাসা, 😘 তোমাকে আপন করে না পাওয়াটাই ছিল আমার ভাগ্য , 💔
অভিযোগ না করে মেনে নিতে পারলে জীবনটা সুন্দর ।🥀

04/08/2026

জ্ঞানী মানুষের জ্ঞানী কথা, এখন বুঝতে পারছি সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ কেন ছাত্রদের হাতে অস্ত্রের বদলে কলম রাখার কথা বলছিলেন!

❝রাতের নিঃসঙ্গতায় আপনি কখনোই একা নন❞রাত গভীর। চারদিকে নীরবতা। সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে, অথচ আপনার চোখে ঘুম নেই। বুকের ভেতর জমে ...
02/08/2026

❝রাতের নিঃসঙ্গতায় আপনি কখনোই একা নন❞
রাত গভীর। চারদিকে নীরবতা। সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে, অথচ আপনার চোখে ঘুম নেই। বুকের ভেতর জমে আছে কিছু না বলা কথা, কিছু দুশ্চিন্তা আর একরাশ ক্লান্তি। মনে হতে পারে—এই মুহূর্তে আমাকে বোঝার মতো কেউ নেই।
কিন্তু একজন আছেন, যিনি আপনাকে আপনার নিজের চেয়েও বেশি জানেন। যিনি আপনার নীরব কান্না, বুকের চাপা দীর্ঘশ্বাস আর মনের অপ্রকাশিত কথাগুলোও জানেন। তিনি আল্লাহ—যিনি তাঁর বান্দার খুব কাছেই আছেন।
আল্লাহ তা'আলা বলেন—
وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْ حَبْلِ الْوَرِيدِ
উচ্চারণ: ওয়া নাহনু আকরাবু ইলাইহি মিন হাবলিল-ওয়ারীদ।
অর্থ: “আমি তার গলার শিরার চেয়েও তার নিকটবর্তী।”
(সূরা কাফ: ১৬)
গলার শিরা আমাদের শরীরের অত্যন্ত নিকটবর্তী একটি অংশ, যা এক মুহূর্তের জন্যও আমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয় না। আল্লাহ এই উপমার মাধ্যমে আমাদের বুঝিয়েছেন যে, তাঁর নৈকট্য কোনো কল্পনা নয়; বরং তিনি তাঁর জ্ঞান, ক্ষমতা ও রহমতের মাধ্যমে সবসময় আমাদের সঙ্গেই আছেন।
তাহলে প্রশ্ন হলো, আমরা কেন অনেক সময় নিজেকে এত একা মনে করি?
কারণ আল্লাহ আমাদের থেকে দূরে সরে যান না, বরং আমাদের হৃদয় গাফলতের কারণে তাঁর নৈকট্য অনুভব করতে পারে না। যেমন মেঘ সূর্যকে ঢেকে দেয়, কিন্তু সূর্য কখনো আকাশ ছেড়ে চলে যায় না। তেমনি পাপ, গাফলত ও দুনিয়ার ব্যস্ততা আমাদের হৃদয়ের ওপর পর্দা ফেলে দেয়, অথচ আল্লাহ সবসময়ই কাছে থাকেন।
আল্লাহ তা'আলা আরও বলেন—
وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ ۖ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ
উচ্চারণ: ওয়া ইযা সাআলাকা 'ইবাদী 'আন্নী ফাইন্নী কারীব। উজীবু দা'ওয়াতাদ-দা'ই ইযা দা'আন।
অর্থ: “আর আমার বান্দারা যখন তোমার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, তখন বলে দাও—আমি তো নিকটেই আছি। যখন কোনো আহ্বানকারী আমাকে ডাকে, আমি তার ডাকে সাড়া দিই।”
(সূরা আল-বাকারা: ১৮৬)
লক্ষ করুন, এই আয়াতে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য কোনো মধ্যস্থতার কথা বলেননি। তিনি বলেননি—অমুক হওয়ার পর ডাকো, পাপমুক্ত হওয়ার পর ডাকো কিংবা বিশেষ কোনো ভাষায় ডাকো। তিনি শুধু বলেছেন—“যখন সে আমাকে ডাকে।”
আপনার চোখের অশ্রু যদি ভাষা না পায়, তবুও তিনি তা বোঝেন। আপনার দোয়া যদি সুন্দর শব্দে সাজানো না হয়, তবুও তিনি তা শোনেন। কারণ তিনি আপনার রব।
এই সত্যটি সবচেয়ে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছিল ইউনুস আলাইহিস সালামের জীবনে। সমুদ্রের গভীরে, মাছের পেটের অন্ধকারে—যেখানে পৃথিবীর কারো সাহায্য পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই ছিল না—তিনি তাঁর রবকে ডেকেছিলেন।
لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আন্তা, সুবহানাকা, ইন্নী কুনতু মিনায-যালিমীন।
অর্থ: “আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আপনি মহাপবিত্র। নিশ্চয়ই আমি নিজের প্রতি জুলুমকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।”
(সূরা আল-আম্বিয়া: ৮৭)
তিন স্তরের অন্ধকার—রাতের অন্ধকার, সমুদ্রের অন্ধকার এবং মাছের পেটের অন্ধকার—কোনোটিই তাঁর দোয়াকে আল্লাহর কাছে পৌঁছাতে বাধা দিতে পারেনি। কারণ আল্লাহ তাঁর বান্দার খুব কাছেই আছেন।
তাই জীবনের কোনো মুহূর্তে যদি নিজেকে একা মনে হয়, হতাশ হবেন না। মানুষের সব দরজা বন্ধ হয়ে গেলেও আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না। রাতের নিস্তব্ধতায় দুই হাত তুলে শুধু বলুন—
"ইয়া কারীব! তুমি আমার খুব কাছেই আছ। আমার অন্তরকে তোমার নৈকট্য অনুভব করার তাওফিক দাও। আমার দুঃখকে সহজ করে দাও এবং আমাকে তোমার স্মরণে জীবিত রাখো।"
মনে রাখবেন, নিঃসঙ্গতা সবসময় মানুষের অনুপস্থিতির নাম নয়; অনেক সময় তা আল্লাহর আরও কাছে যাওয়ার একটি সুযোগ। যে হৃদয় আল-কারীবকে চিনে নেয়, সে কখনো প্রকৃত অর্থে একা থাকে না।
"আপনি যদি আল্লাহকে কাছে পান, তাহলে পৃথিবীর কাউকে হারিয়েও আপনি নিঃস্ব নন। আর যদি আল্লাহর নৈকট্য হারিয়ে ফেলেন, তাহলে সবকিছু পেয়েও আপনার অন্তর শূন্য থেকে যাবে।"
— আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর নৈকট্য অনুভব করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

ছবিতে এই মহিলা সম্পর্কে নূন্যতম কিছু বলে যাবেন।
01/08/2026

ছবিতে এই মহিলা সম্পর্কে নূন্যতম কিছু বলে যাবেন।

31/07/2026

দেশের শিক্ষিত,
দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্কে কি বলে জান?
অশিক্ষিত সাধারণ মানুষ সম্পর্কে কিছু বলতে ভুলবেন না!

30/07/2026

ভালোবাসা যদি অর্থের বিনিময়ে কেনা যেত তাহলে আমি কিছু ভালোবাসা খরিদ করতাম । অর্থের বিনিময়ে ভালোবাসা না কেনা গেলেও অর্থ দিয়ে অনেক ভালোবাসাকে ধ্বংস করা যায়।

আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ,          আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদরব্বি ইন্নি লিমা আংঝালতা ইলাইয়া মিন খইরিং ফাক্...
27/07/2026

আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ,
আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদ
রব্বি ইন্নি লিমা আংঝালতা ইলাইয়া মিন খইরিং ফাক্বীর
অর্থ: হে আমার রব, আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাজিল করবেন আমি তার মুখাপেক্ষী।

আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারি 🥰

একটা আয়াত ৩১ বার — আল্লাহ কেন বারবার জিজ্ঞেস করছেন?কুরআনে এমন একটা সূরা আছে — যেখানে আল্লাহ একটা প্রশ্ন ৩১ বার করেছেন।এ...
26/07/2026

একটা আয়াত ৩১ বার — আল্লাহ কেন বারবার জিজ্ঞেস করছেন?

কুরআনে এমন একটা সূরা আছে — যেখানে আল্লাহ একটা প্রশ্ন ৩১ বার করেছেন।

একবার না। দুইবার না। ৩১ বার।

فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণ: ফাবিআইয়্যি আলাই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান।

"তোমরা তোমাদের রবের কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে?"
(সূরা রহমান)

৩১ বার। একই প্রশ্ন। কিন্তু প্রতিবার ভিন্ন নেয়ামতের পর।

কেন ৩১ বার? কারণ আমরা ভুলে যাই। নেয়ামত পাই — খেয়াল করি না। শ্বাস নিচ্ছি — ভাবি না কে দিচ্ছে। চোখ দিয়ে দেখছি — শুকরিয়া করি না। সুস্থ আছি — মনে করি এটা স্বাভাবিক।

তাই আল্লাহ বারবার জিজ্ঞেস করছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে? বলো!"

সূরা রহমান মাদানী সূরা। আয়াত সংখ্যা ৭৮। নবীজি ﷺ বলেছেন —

এই সূরাকে "আরুসুল কুরআন" বলা হয় — কুরআনের সৌন্দর্য।

আজ দেখবো — আল্লাহ কোন কোন নেয়ামতের পর এই প্রশ্ন করেছেন। আর আমরা কোনগুলো প্রতিদিন পাই — কিন্তু শুকরিয়া করি না।

---

নেয়ামত ১: সূর্য ও চাঁদ — যা ছাড়া পৃথিবী অচল

الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ

উচ্চারণ: আশশামসু ওয়াল কামারু বিহুসবান।

"সূর্য ও চাঁদ হিসাব মতো চলে।"
(সূরা রহমান: ৫)

সূর্য প্রতিদিন ওঠে। চাঁদ প্রতি রাতে আলো দেয়। ঋতু বদলায়। ফসল ফলে। সময় চলে। সব "বিহুসবান" — নিখুঁত হিসাবে।

আপনি কি আজ সকালে সূর্য ওঠা দেখে শুকরিয়া করেছেন? করেননি। কারণ এটা "স্বাভাবিক" মনে হয়। কিন্তু আল্লাহ জিজ্ঞেস করছেন — "এই নেয়ামত অস্বীকার করবে?"

---

নেয়ামত ২: গাছপালা ও শস্য — যা থেকে খাচ্ছেন

وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ

উচ্চারণ: ওয়ান নাজমু ওয়াশ শাজারু ইয়াসজুদান।

"তারকা ও গাছপালা সেজদা করে।"
(সূরা রহমান: ৬)

গাছ থেকে ফল খাচ্ছেন। শস্য থেকে ভাত খাচ্ছেন। শাকসবজি খাচ্ছেন। কিন্তু গাছটা কে বানিয়েছে? বীজ থেকে বিশাল গাছ — কে করেছে?

আর সেই গাছও আল্লাহকে সেজদা করে — আপনি কি করেন?

---

নেয়ামত ৩: দুই সমুদ্র — যা মিশে যায় না

مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ ○ بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ

উচ্চারণ: মারাজাল বাহরাইনি ইয়ালতাকিয়ান। বাইনাহুমা বারযাখুল লা ইয়াবগিয়ান।

"তিনি দুই সমুদ্রকে মিলিত হতে দিয়েছেন। তাদের মাঝে একটি পর্দা — যা তারা অতিক্রম করে না।"
(সূরা রহমান: ১৯-২০)

মিঠা পানি ও নোনা পানি পাশাপাশি চলে — কিন্তু মিশে যায় না! এটা আধুনিক বিজ্ঞান ১৪০০ বছর পর আবিষ্কার করেছে — কুরআন আগেই বলে দিয়েছে।

"ফাবিআইয়্যি আলাই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান?" — কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে?

---

নেয়ামত ৪: মুক্তা ও প্রবাল — সৌন্দর্যের উৎস

يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ

উচ্চারণ: ইয়াখরুজু মিনহুমাল লুলুউ ওয়াল মারজান।

"সেখান থেকে বের হয় মুক্তা ও প্রবাল।"
(সূরা রহমান: ২২)

সমুদ্রের গভীর থেকে মুক্তা! নোনা পানিতে, অন্ধকারে — আল্লাহ সৌন্দর্য সৃষ্টি করেন। আপনার জীবনেও হয়তো অন্ধকার সময়ে আল্লাহ "মুক্তা" তৈরি করছেন — আপনি দেখতে পাচ্ছেন না।

---

নেয়ামত ৫: জান্নাত — যা অপেক্ষা করছে

وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ

উচ্চারণ: ওয়ালিমান খাফা মাকামা রাব্বিহি জান্নাতান।

"যে তার রবের সামনে দাঁড়ানোর ভয় রাখে — তার জন্য দুটি জান্নাত।"
(সূরা রহমান: ৪৬)

দুটি! একটা না — দুটি জান্নাত! আর সেখানে? ঝর্ণা, ফল, সুন্দরী হুর, চিরস্থায়ী সুখ — "ফিহিন্না খাইরাতুন হিসান" — সেখানে কল্যাণময় সুন্দরীরা।

তারপরও আল্লাহ জিজ্ঞেস করছেন — "ফাবিআইয়্যি আলাই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান?"

---

৩১ বার একই প্রশ্ন — এক নজরে

সূর্য-চাঁদ দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
গাছ-ফল দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
সমুদ্র দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
মুক্তা-প্রবাল দিয়েছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"
জান্নাত রেখেছেন — "কোনটা অস্বীকার করবে?"

৩১ বার। আর প্রতিবার উত্তর একই হওয়া উচিত — "একটাও অস্বীকার করি না, ইয়া রব!"

জিনদের একটা দল যখন সূরা রহমান শুনেছিল, প্রতিটা "ফাবিআইয়্যি" শুনে বলেছিল — "লা বিশাইইম মিন নিআমিকা রাব্বানা নুকাযযিব" — আপনার কোনো নেয়ামত অস্বীকার করি না, হে রব! (জামে তিরমিযী: ৩২৯১)

জিনরা পেরেছে — আমরা কি পারি?

শুধু সূরা রহমান না — কুরআনের ১১৪টা সূরার প্রতিটায় জীবনের সমস্যার সমাধান আছে। কোন সূরায় কোন আমল, কোন আয়াত কীভাবে প্রয়োগ করবেন।
মনে রাখবেন!

আল্লাহ ৩১ বার জিজ্ঞেস করেছেন — আমরা একবারও উত্তর দিইনি।

আজ থেকে শুরু করুন। প্রতিদিন ৫টা নেয়ামতের শুকরিয়া করুন —

শ্বাস নিচ্ছেন — আলহামদুলিল্লাহ।
চোখ দিয়ে দেখছেন — আলহামদুলিল্লাহ।
পরিবার আছে — আলহামদুলিল্লাহ।
খাবার আছে — আলহামদুলিল্লাহ।
সুস্থ আছেন — আলহামদুলিল্লাহ।

আর আল্লাহ বলেছেন — "লাইন শাকারতুম লাআযীদান্নাকুম" — শুকরিয়া করলে বাড়িয়ে দেবো। (সূরা ইবরাহীম: ৭)

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করার তাওফিক দিন। আমিন।

রেফারেন্স:
— সূরা রহমান: ১-৭৮
— সূরা ইবরাহীম: ৭
— জামে তিরমিযী: ৩২৯১

Address

Satkhira Kararoya
Satkhira
9413

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when tutu abid 333 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share