Random Content

Random Content দৈনন্দিন জীবনে, আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া অনেক কিছুই আমরা খেয়াল করিনা।
এই পেজে সেই সব ভিডিওই দেওয়া হয়, যা হয়ত আপনি হাজার বার দেখেছেন, কিন্তু তবুও যেন নতুন।

ব্যতিক্রমী পোশাকে পুরুষদের দিয়ে খাবার পরিবেশন করিয়ে লিঙ্গ বৈষম্যের ধারণায় চপেটাঘাত করেছিল এক রেস্তোরাঁ।ছবিটিতে দেখা য...
10/11/2025

ব্যতিক্রমী পোশাকে পুরুষদের দিয়ে খাবার পরিবেশন করিয়ে লিঙ্গ বৈষম্যের ধারণায় চপেটাঘাত করেছিল এক রেস্তোরাঁ।

ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে ১৯৪০ সালের টেক্সাসের ডালাস শহরের Log Lodge Tavern নামের এক ড্রাইভ-ইন রেস্তোরাঁর সামনে দুই তরুণ পুরুষ শর্টস ও কাউবয় বুট পরে গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে কোলা পরিবেশন করছেন। তখন আমেরিকায় গাড়ি সংস্কৃতি জনপ্রিয়তার শীর্ষে, আর ড্রাইভ-ইন রেস্তোরাঁ ছিল এক নতুন সামাজিক ধারা, যেখানে মানুষ গাড়ি থেকে না নেমেই খাবার বা পানীয় অর্ডার দিতেন। সাধারণত এসব স্থানে তরুণী কর্মচারীরাই “কারহপ” হিসেবে কাজ করতেন, যারা প্রায়শই রোলার স্কেটে ঘুরে গ্রাহকদের কাছে খাবার পৌঁছে দিতেন। কিন্তু এই বিশেষ রেস্তোরাঁটি ব্যতিক্রম ঘটিয়েছিল, এখানে পুরুষদের শর্টস ও কাউবয় বুট পরে সার্ভিসে নিয়োজিত করা হয়েছিল।

Log Lodge Tavern ছিল ডালাসের Lemmon Avenue ও Midway Road সংলগ্ন একটি জনপ্রিয় খাবারের জায়গা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক আগে এই রেস্তোরাঁর মালিক নতুন গ্রাহক আকর্ষণের জন্য এক অভিনব প্রচারণা শুরু করেন। স্থানীয় এক সংবাদপত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, এক নারী গ্রাহক রসিকতা করে বলেছিলেন—“মেয়েদের পা দেখা এখন পুরোনো ব্যাপার, এবার পুরুষদের পালা!” সেই মন্তব্য থেকেই নাকি এই মজার ধারণার জন্ম। রেস্তোরাঁ মালিক সিদ্ধান্ত নেন, তরুণ ও বলিষ্ঠ পুরুষদেরকে ছোট শর্টস, সাদা জামা ও কাউবয় বুট পরিয়ে কারহপ হিসেবে দাঁড় করানো হবে। যাদের দায়িত্ব ছিল গাড়ির পাশে গিয়ে বোতলজাত কোলা, বার্গার বা হালকা খাবার পরিবেশন করা।

এই দৃশ্য দ্রুতই স্থানীয় সংবাদপত্রে “Adonis and Apollo of the Roadside” নামে প্রকাশিত হয়, যেখানে তাদের সৌন্দর্য ও পোশাকের প্রসঙ্গ নিয়ে রীতিমতো আলোচনা শুরু হয়। কেউ এটিকে মজার ও সাহসী উদ্যোগ বলে প্রশংসা করেছিলেন, আবার কেউ বলেছিলেন, “কাউবয় সাজিয়ে পুরুষত্বের প্রতীককে হেয় করা হচ্ছে।” নানান বিতর্ক সত্ত্বেও সেসময় Log Lodge Tavern প্রচুর জনপ্রিয়তা পায় এই “পুরুষ কারহপরা”দের জন্য।

কীভাবে সামান্য চিন্তাভাবনার রদবদলে কোনো ব্যবসায় অমূল পরিবর্তন আনা যায়, Log Lodge Tavern তার জ্বলন্ত উদাহরণ। শুধু যে অভিনব চিন্তা ছিল তা নয়, এই ধারণা ছিল লিঙ্গ বৈষম্যের উপর চপেটাঘাত করে সামাজিক ভারসাম্যকে প্রতিষ্ঠা করারও এক ক্ষুদ্র প্রয়াস। ডালাসের Log Lodge Tavern আজ আর নেই, কিন্তু ব্যতিক্রমী পোশাকে পুরুষদের খাবার পরিবেশন করা আজও ইতিহাসের পাতায় অম্লান হয়ে আছে এক প্রতিবাদী ও কৌশলগত বাণিজ্যিক বিপণনের উদাহরণ হিসেবে।

লেখা: সৈকত বিশ্বাস
ছবি: সংগৃহীত

পেজটি ভালো লাগলে লাইক ও ফলো করে আমাদের উৎসাহ জোগাবেন, আর শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দেবেন।

দিনের পর দিন প্রকাশ্যে এই খাঁচায় বন্দি করে তিল তিল করে মারা হতো খুনিদের।চীনের এক রাস্তায় কাঠের খাঁচার ভেতর দাঁড়িয়ে আ...
09/11/2025

দিনের পর দিন প্রকাশ্যে এই খাঁচায় বন্দি করে তিল তিল করে মারা হতো খুনিদের।

চীনের এক রাস্তায় কাঠের খাঁচার ভেতর দাঁড়িয়ে আছে এক মানুষ। বিবর্ণ মুখ, ক্লান্ত শরীর আর চোখে মৃত্যুভয়। কেউ তাকে সাহায্য করতে পারছে না, শুধু দূর থেকে দেখছে মজা বা করুণার চোখে, কারণ সে সমাজ ও আইনের চোখে দণ্ডিত। আর এই শাস্তি দেওয়ার কাঠের খাঁচাটিকে বলা হতো ক্যাং (Cangue) যা অপরাধীদের শাস্তি প্রদানের বহু পুরোনো উপায়ের একটি।

ক্যাং নানান রকমের ছিল। যার প্রকারভেদ নির্ভর করত অপরাধের মাত্রার ওপর। হালকা ক্যাং ব্যবহৃত হতো ছোটখাটো অপরাধে। যে শাস্তিতে অপরাধীর গলায় প্রায় ১০–১৫ কেজি ওজনের এক কাঠের তক্তা ঝুলিয়ে কয়েকদিন জনসমক্ষে দাঁড় করিয়ে রাখা হতো। মাঝারি ক্যাং প্রয়োগ করা হতো তুলনামূলক বেশি অপরাধে, সেই ক্ষেত্রে ওজন থাকত ২০–৩০ কেজির মতো এবং শাস্তির মেয়াদ প্রায় এক সপ্তাহ। সবচেয়ে কঠোর ছিল ৪০–৫০ কেজি পর্যন্ত ওজনের ভারী ক্যাং, যা হত্যার মতো অপরাধে ব্যবহৃত হতো। এই শাস্তিতে অপরাধীকে গলায় তক্তা ঝোলানোর সাথে সাথে কাঠের খাঁচায় বেঁধে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়, যাতে সে না বসতে পারে, না মাথা নিচু করতে পারে, এমনকি নিজের মুখে জল তুলতেও না পারে। এইভাবেই জনসম্মুখ্যে দিনের পর দিন রোদ, জল, ঠান্ডা গরম আর ক্ষুধা তৃষ্ণায় ধীরে ধীরে সে মৃত্যুর কলে ঢলে পড়ত।

এই শাস্তির উদ্দেশ্য ছিল কেবল মৃত্যুদান নয়, বরং অপরাধীর প্রকাশ্যে লজ্জা দেওয়া আর সমাজের কাছে এক বার্তা পৌঁছে দেওয়া যাতে অপরাধীর কষ্ট দেখে বাকিরা যেন শিক্ষা নেয় আর এহেন ভুল করা থেকে বিরত থাকে।

১৯৩০-এর দশকে আশেপাশে আধুনিক শহরে নতুন বিচারব্যবস্থা শুরু হলেও, গ্রামাঞ্চলে তখনও এই পুরোনো প্রথা টিকে ছিল। পরবর্তীকালে বিদেশি মিশনারি ও সাংবাদিকেরা এমন অনেক ঘটনার ছবি তুললে সেই ছবিগুলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, আর বিশ্ববাসী জানতে পারে এই শাস্তির কথা এবং এর মানবিকতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আস্তে আস্তে এই শাস্তির প্রথা চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।

লেখা: সৈকত বিশ্বাস
ছবি: সংগৃহীত

#সৈকত_বিশ্বাস ©️ #কথোপকথন #বংDoze

পেজটি ভালো লাগলে লাইক ও ফলো করে আমাদের উৎসাহ জোগাবেন, আর শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দেবেন।

রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে যেসকল স্মার্ট টিপস আপনাকে একদিন সাহায্য করতে পারে :) ১) অপরিচিত কোন ব্যাক্তির গাড়ি থেকে দূরে থাক...
31/08/2025

রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে যেসকল স্মার্ট টিপস আপনাকে একদিন সাহায্য করতে পারে :)

১) অপরিচিত কোন ব্যাক্তির গাড়ি থেকে দূরে থাকুন । অপরিচিত কোন ব্যাক্তি যদি আপনাকে জোর করে তার গাড়ি তে উঠতে সে আপনাকে লিফট দিবে । তাহলে তার চেহারা যতোই মায়াবী হৌক যেই বয়সীই হৌক , যে জেন্ডারেরই হৌক না কেন আপনার ঠিকই জানা আছে পরের রুল , তাইনা ?

২) প্রটেকটিভ আইটেম সাথে রাখুন প্রতিদিন । নিজেকে বাচানোর অ্যাবিলিটি জোগার করুন । একটা পেপার স্প্রে বানানো কঠিন কিছু না । আপনার ব্যাগে পেপার স্পে এবং ফ্ল্যাশ লাইট রাখতে পারেন আপনার সিচ্যুয়েশন এর উপর ডিপেন্ড করে আপনি অ্যান্টি কাটার ও রাখতে পারেন অথবা লাইসেন্স প্রাপ্ত পিস্তল ।

৩) সেলফ ডিফেন্স শিখুন । আজকাল ইউটিউব থাকতে কোন প্রয়োজন নেই বাইরে সেলফ ডিফেন্স শিখার । আপনি রাস্তায় নিজেকে প্রটেক্ট করতে Bare Knuckle boxing, Wung Chun , Krav maga ,BJJ, Foul Tactis & No rules টাইপ্স টেক্টিস আয়ত্ব করতে পারেন । ট্রাস্ট মি ৩ মাসেই বস হয়ে উঠবেন ।

৪) কেও রাস্তায় আপনাকে ডিস্টার্ব করলে দয়া করে তার প্রতি দয়াশীল হবেন না । রাস্তা দয়াশীল মানুষ কে বেশী ভালনারেবল মানে । আপনি এদের ধমক দিয়ে ইগ্নোর করে চলে আসুন । কেও যদি কোন কিছু বিক্রি করার জোর চেষ্ঠা করে তাহলে এমন ভাব ধরুন যে জিনিস টা নোংরা দেখবেন আপনা আপনিই উক্ত লোক টি চলে যাবে।

৫) বন্ধু বলেই যে তাকে ট্রাস্ট করে যেখানে খুশী সেখানে চলে যাবেন তা হতে পারেনা । আজকাল বন্ধুরাই বেশী আরেক বন্ধুর ক্ষতি করে থাকে । তাই বিকেয়ারফুল উইথ ইউর ফ্রেন্ডস টু......।

৬) পরিচিত দের নাম্বার দরকারি নাম্বার সমূহ মুখস্ত রাখুন । কোনভাবেই সেলফোনের উপর ডিপেন্ড হবেন না । ইমার্জেন্সি সিচ্যুয়েশন এ সেলফোনের সময় কই ?

৭) পাবলিকলি রাখুন অনলাইন ডেটিং। আপনি যদি কাওকে অনলাইন অ্যাপ্সে পান তাহলে তার সাথে ডেটিং করতে কখনোই সিসি ক্যামেরা নাই এমন জায়গাইয় যাবেন না । সিসি ক্যামেরা সমৃদ্ধ এলাকা দিয়ে যাবেন ।

৮ ) আপনার প্রাইভেসি প্রটেক্ট করুন । এমন স্কিল অর্জন করুন যেভাবে নিজের পারসোনাল ইনফো শেয়ার না করা লাগে । নিজের এমন কিছু শেয়ার করবেন না যাকে আপনি চেনেন না ।

৯) কেও আপনাকে ধরলে বা বিপদে পরলে বাচান বা আমাকে হেল্প না করুন বলে বলতে পারেন আগুন আগুন।
এক রিসার্চে দেখা গেছে মানুষ "হ্যাল্প , হ্যাল্প "এসব শুনে খুব কমই আসে তার চেয়ে বেশী "আগুন আগুন" এসব শুনলে মিনিটে পুরো এলাকা ভরে যাবে । এতে আপনি রক্ষা পাবেন আপনার সাথে খারাপ কিছু হওয়া থেকে ।

১০) নিজেকে লো প্রফাইল রাখুন । গলায় গোল্ডের চেইন হাজারো জুয়েলরি পরে রাস্তায় বের হইয়েন না । এতে রাস্তার ত্রাস গুলো আপনাকে ভাববে হেটে যাওয়া মানি ব্যাগ । শো অফ করে দুনিয়াতে কোন লাভ নাই । এসব সাময়িক আপনাকে বড় করবে কিন্তু কোন একটা এক্সিডেন্ট একদম আজীবন আপনার ক্ষতি করবে । আজকাল গলা টান দিয়ে ছিন্তাই , ক ব্জি কেটে পার্স ছিন্তাই এসব ঘটনা অহরহ ঘটে ।

১১) ত্রাস হয় এরকম এলাকা দিয়ে গেলে আপনার মানি ব্যাগে অল্প কিছু টাকা রাখেন । আর বাকী টাকা আর ক্রেডিট কার্ড গুলো মোজার ফাকে গুজে রাখুন অথবা গোপন ব্যাগে রাখুন যা বের করতে আপনারই অনেক সময় লাগে । ছিন্তাই কারী খুব তাড়াতাড়ী ভাগতে চায় এতে আপনার শুধু মাত্র কিছু টাকা যাবে ।

১২) যেকোন বিপদের মুহুর্তে স্বাভাবিক নিশ্বাস নিন । মনে রাখবেন ঠান্ডা মাথায় ভাল বুদ্ধি নিতে পারবেন

ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্টের ওপর যা বই পড়েছি তার সামারি মোটামুটি এরকম:১. আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করবেন না।২. কখনো ঋণ করবেন না।৩...
30/08/2025

ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্টের ওপর যা বই পড়েছি তার সামারি মোটামুটি এরকম:

১. আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করবেন না।
২. কখনো ঋণ করবেন না।
৩. আয়ের একটা নির্দিষ্ট অংশ (১৫-২০%) বিনিয়োগ করুন। ইনডেক্স ফান্ড বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ।

নিচের এই পয়েন্টগুলো একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ :

১. প্রত্যেক মাসের বাজেট করুন।
২. ছয় মাসের ইমার্জেন্সি ফান্ড হাতে রাখুন।
৩. লোক দেখানোর জন্য কখনোই কোনো পণ্য কিনবেন না।
৪. যেই জিনিস আপনি নগদ টাকা দিয়ে কেনার ক্ষমতা রাখেন না, সেটা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কিনবেন না। ক্রেডিট কার্ড একটা ফাঁদ। এটা থেকে সাবধান।
৫. প্রয়োজন এবং বিলাসিতার মধ্যে পার্থক্য বুঝুন। 'ইমপালসিভ বায়িং' (এটা ছাড় দিয়েছে/দেখতে সুন্দর, কিনে ফেলি) থেকে দূরে থাকুন।
৬. Asset তৈরি করুন; Liability না।
(Asset হচ্ছে সেটা যেটা আপনার পকেটে টাকা ঢুকায়। আর Liability হচ্ছে সেটা, যেটা আপনার পকেট থেকে টাকা বের করে নেয়।)

বোনাস ফিলোসোফি:

১. আপনার আর্থিক স্বচ্ছলতার ৮০% নির্ভর করে আপনার আচরণের ওপর। আপনি যদি দশ হাজার টাকা ম্যানেজ করতে না পারেন, আপনাকে দশ লাখ টাকা দিলেও আপনি পারবেন না।

২. আপনাকে আসলেই বদ্ধপরিকর হতে হবে, মানসিকভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে আপনি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হবেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

বিশ্বাস করুন, বড় বড় যত বই-ই লিখুক, ঘুরেফিরে কথা একই। ওপরের এই কয়টা পয়েন্টের সাথে আরো দুএকটা কমন কথাবার্তা এবং এগুলোই সেল করা হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। মজার ব্যাপার কী জানেন? এগুলা আসলে কাজ করে। বিশ্বাস হয় না? নিজে প্রয়োগ করে দেখুন।

রাত তখন ১১টা ৪৩ মিনিট। ঘর নিঃস্তব্ধ। হালকা চাঁদের আলো জানালার কাচে ধাক্কা খাচ্ছে। এই জোছনার রাতে গায়ে চাঁদের আলো মাখতে ...
03/07/2025

রাত তখন ১১টা ৪৩ মিনিট। ঘর নিঃস্তব্ধ। হালকা চাঁদের আলো জানালার কাচে ধাক্কা খাচ্ছে। এই জোছনার রাতে গায়ে চাঁদের আলো মাখতে মাখতে গার্লফ্রেন্ডের সাথে ফিসফিস করে কথা বলার মজাই আলাদা। কিন্তু আমি জন্মের পর থেকেই সিঙ্গেল। তাই চাঁদের আলো দিয়ে গোসল না করে পানি দিয়ে গোসল করার জন্য বাথরুমে ঢুকলাম।

হঠাৎ নজর পড়লো টয়লেট শেলফের দিকে। কী সুন্দর একটা বোতল! গায়ে লেখা CeraVe Foaming Cleanser। এটা দিয়ে প্রথমে মুখ ধুয়েছি। আর বাথরুমে সাবান ছিল না বলে একটু শরীরেও লাগালাম…

আর এটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। পরদিন সকালে ছোটবোন শুধু আমার গায়ে হাত তোলেনি, বয়সে বড় বলে হয়তো বেঁচে গেছি। ফেসওয়াশ আলমারিতে তালাবন্ধ করে রেখে দিয়েছে।

বুঝলাম না, সামান্য একটু ফেসওয়াশ ব্যবহার করেছি বলে বড় ভাইয়ের সাথে কেউ এমন ব্যবহার করবে? কী আছে এই ফেসওয়াশে? এটা কি সোনা-রুপা দিয়ে বানানো, নাকি এটা দিয়ে মুখ ধুলে সবাই আলিয়া ভাট হয়ে যায়?

পরে অবশ্য যখন ফেসওয়াশের দাম জানলাম তখন ছোট বোনের প্রতি আমার সম্মান বেড়ে গেলো। নিতান্ত ভদ্র বলে আমাকে মারে নাই। আমার বোনের জায়গায় অন্য কেউ হলে নির্ঘাত মাইর খাইতাম।

আপনার গার্লফ্রেন্ড যদি cerave প্রোডাক্ট সবসময়ই ব্যবহার করে থাকে তাহলে আপনার আ*ত্মার মাগফিরাত কামনা করা ছাড়া আমার আর কিছু বলার নাই..

একজন অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছিলেন। ক্লাস শুরু হতেই এক ছাত্র শিস দিয়ে বসল।অধ্যাপক থেমে গিয়ে বললেন:— "কে শিস দিল...
02/07/2025

একজন অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছিলেন। ক্লাস শুরু হতেই এক ছাত্র শিস দিয়ে বসল।

অধ্যাপক থেমে গিয়ে বললেন:
— "কে শিস দিল?"

কেউ কোনো উত্তর দিল না।

তিনি আবার পাঠ দেওয়া শুরু করলেন। কিছুক্ষণ পর সেই ছাত্র আবার শিস দিল।
অধ্যাপক আবার থেমে জিজ্ঞেস করলেন:
— "কে শিস দিচ্ছে?"

তবুও কেউ উত্তর দিল না।

তিনি আবার ক্লাস শুরু করলেন। কিন্তু এবার যখন তৃতীয়বারের মতো শিস এল,
তিনি কলম বন্ধ করলেন এবং বই গুটিয়ে বললেন:
— "আজকের ক্লাস এখানেই শেষ। তবে আমি তোমাদের একটা গল্প শোনাব।"

ক্লাসে নেমে এলো নিস্তব্ধতা, সবাই মনোযোগ দিল।

অধ্যাপক বললেন:
"এক রাতে ঘুম আসছিল না, অস্থির হয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গাড়ি চালিয়ে কোথাও যাচ্ছিলাম। কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য ছিল না।

হঠাৎ দেখি এক বৃদ্ধা মহিলা, হাতে ভারী বোঝা নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।
আমি গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, 'মা, কিছু সাহায্য লাগবে কি?'
তিনি খুশি হলেন, গাড়িতে উঠলেন।

চলতে চলতে বুঝলাম, তিনি আমাকে ভালোভাবেই চেনেন।
তিনি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন:

— ‘ডক্টর সাহেব, আমার একটা অবৈধ সন্তান আছে, সে আপনার ইউনিভার্সিটিতেই পড়ে। আমি চাই আপনি তার পাশে থাকুন, তাকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন।’

আমি বললাম:
— 'নিশ্চয়ই মা, কিন্তু নামটা বললে তো আমি তাকে চিনতে পারব।'

তিনি হেসে বললেন:
— 'নাম বলার দরকার নেই। আপনি নিজেই তাকে চিনে ফেলবেন — সে খুব দুষ্ট, সব সময় ক্লাসে শিস দেয়।'"

এই কথা শুনে ক্লাসের সব ছাত্র ঘুরে তাকাল সেই শিস দেওয়া ছাত্রের দিকে!

অধ্যাপক তখন বললেন:
"এসো ছোট ভাই, তুমি কি ভাবছ আমি এই পিএইচডি সার্টিফিকেট গাধার হাট থেকে কিনেছি?"।।।।।।।।
゚viralシ #একটি_শিক্ষণীয়_পোস্ট

প্রায় ২৫০০ বছর আগে গ্রিক কুস্তিগীর মাইলো অফ ক্রোটন তখনকার পরিচিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হতেন।...
14/06/2025

প্রায় ২৫০০ বছর আগে গ্রিক কুস্তিগীর মাইলো অফ ক্রোটন তখনকার পরিচিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হতেন। অসাধারণ শক্তি ও ক্রীড়াশৈলীর অধিকারী এই ব্যক্তি আমাদের পেশী গঠনের তিনটি মৌলিক নীতি শিখিয়েছেন: খুব হালকা ওজন দিয়ে শুরু করা, নিয়মিত অনুশীলন করা, এবং ধাপে ধাপে ধৈর্য ধরে ওজন বৃদ্ধি করা।

মাইলো একদিন একটি নবজাতক ষাঁড়কে কাঁধে তুলে নেন এবং প্রতিদিন সেটিকে বহন করে হাঁটতে শুরু করেন। ষাঁড়টি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে, আর মাইলোও প্রতিদিন সেই বাড়তে থাকা ওজন নিয়ে হাঁটতে থাকেন। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছর পার হতে হতে ছোট্ট সেই ষাঁড়টি একটি পূর্ণবয়স্ক বিশাল ষাঁড়ে পরিণত হয়, কিন্তু মাইলো তখনও সেটিকে কাঁধে নিয়ে হাঁটতে পারতেন!

চাপ নেয়া শিখতে হবে।

গুলিস্থান ফ্লাইওভারের নিচে পুরাতন জুতার মার্কেট বসে। প্রথম যখন দেখেছিলাম তখন অবাক না হয়ে পারি নি। বিস্ময়কর বিষয় সেখানে...
06/06/2025

গুলিস্থান ফ্লাইওভারের নিচে পুরাতন জুতার মার্কেট বসে। প্রথম যখন দেখেছিলাম তখন অবাক না হয়ে পারি নি। বিস্ময়কর বিষয় সেখানে মেয়ে বা বাচ্চাদেরদের পুরাতন জুতা নাই/বিক্রয়ও হয় না।

এক দোকানীর সাথে এই ব্যাপারে কথা বললাম, দোকানী বললো " মামা মেয়েদের বা বাচ্চাদের পুরাতন জুতা বিক্রি করলে কে কিনবে.?
আপনিকি কিনবেন কখনো? কোন স্বামী বা বাবা নিজে পুরাতন জুতা কিনে পরলেও নিজের স্ত্রী-সন্তানের জন্য কোন দিন পুরাতন জুতা কিনবে না, কেনা পছন্দ করবে না। অনেক স্বামী ও বাবাকে নিজের জন্য পুরাতন জামা-কাপড় কিনতে দেখেছি কিন্তু স্ত্রী-সন্তানদের জন্য পুরাতন জামা-কাপড় ও জুতা কিনতে দেখিনি কখনো।

ভেবে দেখলাম কথা সত্য, স্ত্রী ও সন্তানরা হয়তো এভাবে কোনোদিন ভাববেও না🙂
পুরুষ পরিবারের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে রাতদিন খেটে যায়, সেই পুরুষই দিনশেষে কি পায়?

(সংগৃহীত)

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়! অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না।সেদিন এক ধনকুব...
06/06/2025

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়! অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না।

সেদিন এক ধনকুবের মারা গেলেন। ভদ্রলোকের বিধবা স্ত্রী ২০০ কোটি টাকার মালিক হয়ে তার মৃত স্বামীর ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেললেন। সদ্য বিবাহিত ড্রাইভার মনে মনে বলল, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করেছি। এখন দেখি আমার হৃদয়বান মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!

নিরেট সত্যটি হচ্ছে, অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে সুস্থ শরীর এবং দীর্ঘজীবন লাভ করা অনেক বেশি জরুরি।

তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়ে তোলা উচিত।

আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায়। যেমন:

* দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।

* একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।

* প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

* কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

* আপনার সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্য। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার জন্য প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না।

তাহলে করণীয় কী?

✓ অসুস্থ না হলেও সুযোগ থাকলে মেডিকেল চেকআপ করুন।

✓ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।

✓ মানুষকে ক্ষমা করে দিন।

✓ রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন, কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।

✓ পিপাসার্ত না হলেও জল পান করুন। শরীরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এর বিকল্প নেই।

✓ সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।

✓ যতই বয়স হোক না আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসঙ্গীর সাথে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও হাত ধরে হাঁটুন, রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যান। তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।

✓ ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।

✓ সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে সামর্থ্য অনুযায়ী নিজের দেশকে এমনকি ভিনদেশে বেড়াতে নিয়ে যান।

✓ ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন। মনে রাখবেন, সকল ধনী লোক কিন্তু মানসিক শান্তিতে থাকে না।

✓ মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয়, রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না।

✓ বৃষ্টিজলে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১বার গায়ে রোদ লাগান।

✓ মাঝে মাঝে উচ্চস্বরে হাসবেন।

জীবন তো একটাই, তাই পরিপূর্ণভাবে বাঁচার চেষ্টা করুন।

১৯২৯ সালে, এক ২৫ বছরের তরুণ ডাক্তার নিজের হাতে কাটাকুটি করে একটা ক্যাথেটার ঢুকিয়ে দিলেন নিজের হার্টে।☕️ না ছিলো কারো অন...
03/06/2025

১৯২৯ সালে, এক ২৫ বছরের তরুণ ডাক্তার নিজের হাতে কাটাকুটি করে একটা ক্যাথেটার ঢুকিয়ে দিলেন নিজের হার্টে।
☕️ না ছিলো কারো অনুমতি, না ছিলো কারো তদারকি—শুধু একরাশ পাগলামো আর আত্মবিশ্বাস।
☕️মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েও প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন এক তত্ত্ব, যেটা কেউ বিশ্বাসই করত না।
☕️আর এই ‘পাগলামো’ই পরে কোটি কোটি প্রাণ বাঁচালো।

এই গল্পের নায়ক—ভেরনার ফোরসমান।
☕️মাত্র ২৫ বছর বয়সে, বার্লিনের কাছাকাছি এক ছোট্ট হাসপাতালের ইন্টার্ন ছিলেন।
☕️তাঁর মাথায় একটা অদ্ভুত ভাবনা এসেছিল—হার্টে সরাসরি না কেটে যদি ভেতর থেকে পৌঁছানো যায়?
সবার চোখে সেটা ছিল পাগলের প্রলাপ। সিনিয়ররাও শুনে উড়িয়ে দেন।

☕️কিন্তু ফোরসমান দমলেন না।
অপারেশন করার সরঞ্জাম জোগাড় করলেন, আর দরকার ছিল একটা 'টেস্ট সাবজেক্ট'।
তখনকার নার্স গার্ডা ডিটজেনকে বললেন—"তোমার শরীরে করব এই পরীক্ষা।"
আসলে মিথ্যে বলেছিলেন।
☕️শেষ মুহূর্তে নার্সকে টেবিলে বেঁধে রেখে, নিজেই নিজের হাতে কাটলেন।
☕️লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া দিয়ে নিজের বাঁ হাতের কনুইয়ের পাশে কেটে ফেললেন চামড়া।
ভেতরের শিরায় ঢুকিয়ে দিলেন ক্যাথেটার।
ধীরে ধীরে ঠেলে নিয়ে যেতে লাগলেন, হার্টের দিকে।

☕️তখন কেউ জানত না—এই কাজ করলে সে মরে যাবে কিনা।
কিন্তু সে তো থামার লোক না।
ক্যাথেটার শরীরে রেখেই নার্সকে ছেড়ে দিলেন, আর দুজনে দৌড়ে গেলেন এক্স-রে রুমে।
☕️কারণ দরকার ছিল প্রমাণ!
ফ্লুরোস্কোপ মেশিনের নিচে দাঁড়িয়ে ক্যাথেটার ঠেলতে ঠেলতে দেখলেন—ঠিকঠাক হার্ট অবধি পৌঁছেছে!

☕️সেই সময় হাসপাতাল জুড়ে হুলুস্থুল কাণ্ড!
সহকর্মীরা ছুটে এসে তাঁকে আটকাতে চাইছিল,
কিন্তু ততক্ষণে তিনি এক্স-রে তুলে ফেলেছেন।
☕️নিজের শরীরে পরীক্ষা চালিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছেন—হার্টে না কেটেও পৌঁছানো যায়।

☕️কিন্তু গল্প এখানেই শেষ নয়।
আরও দশ বছর পর, আমেরিকার দুই ডাক্তার—আন্দ্রে কুরনান্দ আর ডিকিনসন রিচার্ডস,
ফোরসমানের কাজ খুঁজে বের করেন।
তাঁরা সেই পদ্ধতিকে উন্নত করে দেখিয়ে দেন—এই ক্যাথেটার দিয়ে হার্টের প্রেসার মাপা, রোগ নির্ণয়, এমনকি চিকিৎসাও সম্ভব।

☕️ফোরসমানের পাগলামো যে আসলে ভবিষ্যতের পথ দেখিয়েছিল, সেটা প্রমাণ হয়ে যায়।
১৯৫৬ সালে—তিনজন একসঙ্গে পান চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার।
☕️যে কাজের জন্য চাকরি খোয়াতে হয়েছিল, সেটা-ই আজ কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছে।

☕️আজকের আধুনিক কার্ডিওলজির ভিত গড়ে দিয়েছেন এই মানুষটা।
হার্টে ক্যাথেটার ঢুকিয়ে যা সম্ভব হয়েছে—তা চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব এনে দিয়েছে।

☕️শেষমেশ, ফোরসমান শুধু ডাক্তার ছিলেন না—
তিনি ছিলেন এক বিদ্রোহী, এক দুঃসাহসিক, আর এক ভবিষ্যৎদ্রষ্টা।
আর এসব করেছেন শুধু এই বিশ্বাসে—
"রোগীদের ভালো করার আরও ভালো উপায় নিশ্চয়ই আছে।"

(লেখা ও ছবি : সুতীর্থ ভট্টাচার্য এর wall থেকে সংগৃহীত )
সৌজন্যে - বং ডোজ

বাপের বাড়ি থেকে বউ বাসায় এসেই হৈ চৈ শুরু করছে।বিষয় বস্তু ছবিতে দেওয়া এই জিনিষ নাকি অর্ধেক হয়ে গেছে! কে করলো! কিভাবে হলো!...
02/06/2025

বাপের বাড়ি থেকে বউ বাসায় এসেই হৈ চৈ শুরু করছে।বিষয় বস্তু ছবিতে দেওয়া এই জিনিষ নাকি অর্ধেক হয়ে গেছে! কে করলো! কিভাবে হলো!

আমি কনফিউজড! বুঝতেছি না বলবো কি না যে এই কাজ আমি ই করছি! লাস্ট দুই দিন হলো এটারে আমি হ্যান্ড ওয়াশ মনে করে ইউজ করছি।আমি আরো বলতে চাইছিলাম কি হ্যান্ড ওয়াশ আনছো ফেনাই হয় না! কত্ত গুলা নেওয়া লাগলো!
কিন্তু করছি তো করছি! এতো চিল্লা চিল্লির কি আছে?

এখন এসে শুনতেছি এটার দাম ৩৬০০ টাকা! আর এটা একটা ফেস ওয়াশ।এখন আমি চি'ল্লা'চিল্লি করবো কি না বুঝতেসি না! এতো দামী ফেস ওয়াশ তো বাপ জন্মেও দেখি নাই! সারা জীবন সাবান ডইল্লা মুখ ক্লিন রাখছি তাও সেই সাবান আলামিন এর!

কিন্তু সাহস পাইতেছি না! বললে আরো রেগে যাবে মনে হইতেছে।

পোষ্ট টা অবিবাহিত ভাইয়েরা শিক্ষা হিসেবে নিতে পারেন।
কে কি শিখবে সেটা যার যার পারসোনাল ব্যাপার।🙂

Address

Radio Colony, Jahangir Nagar Society
Savar
1343

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Random Content posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category