Nahi's Diary

Nahi's Diary Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nahi's Diary, Digital creator, Savar.

"কলমে আমার কথা, তুলিতে আমার দেখা, সবই আমার অনুভব —"
আমি সুন্দর দেখাতে চাই না,
আমি সত্যি থাকতে চাই।
হয়তো রঙ ফিকে, শব্দ ভাঙা —
তবুও এখানেই আমি সত্য,
কারণ!!
🌿"Truth is Beauty,Beauty is Truth"🌿

13/07/2026

~Success is linked with difficulties
& motivation helps you to face and overcome these difficulties. 🌿
~Nahi

05/06/2026

মা....
আমি তোমার ছায়ায় ছায়ায় থাকি মা!!!..

তীর অথবা তরী- কিছুতো একটা মিলাইয়া দেন!!🤲
29/05/2026

তীর অথবা তরী- কিছুতো একটা মিলাইয়া দেন!!🤲

এই ছবিটা তুলেছিলেন এক ট্রাক চালক। রাত ২টা। বৃষ্টিভেজা নির্জন গ্রামীণ রাস্তা। দূরে যে লাল টেইল লাইট দেখা যাচ্ছে? ওটাই সেই...
19/05/2026

এই ছবিটা তুলেছিলেন এক ট্রাক চালক। রাত ২টা। বৃষ্টিভেজা নির্জন গ্রামীণ রাস্তা। দূরে যে লাল টেইল লাইট দেখা যাচ্ছে? ওটাই সেই গাড়ি, যে গাড়িটা তাকে ফেলে চলে যাচ্ছিল।

বিড়ালটা রাস্তার মাঝখানে বসে ছিল। চুপচাপ। ভিজে একাকার। সে দৌড়ায়নি, কাউকে ডাকেনি। শুধু তাকিয়ে ছিল — যতক্ষণ না লাল আলোটা বাঁক ঘুরে অদৃশ্য হয়ে যায়।

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। দক্ষিণ ক্যারোলিনার এক ফাঁকা কৃষিজমির রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন এক দীর্ঘপথের ট্রাক চালক। হঠাৎ হেডলাইটে তিনি দেখলেন ছোট্ট একটি বিড়াল রাস্তার মাঝখানে বসে আছে।

সে দক্ষিণমুখী হয়ে বসেছিল। ঠিক সেই দিকেই তাকিয়ে, যেদিকে একটু আগে একটা গাড়ি চলে গেছে।

চালক গাড়ি থামালেন। কিন্তু বিড়ালটা নড়ল না। তিনি কাছে গেলেন, তবুও না। শেষে তিনি ভেজা রাস্তায় হাঁটু গেড়ে বসলে বিড়ালটা ধীরে মুখ তুলে তার দিকে তাকায়।

পরে তিনি বলেছিলেন—

“৩১ বছর ধরে রাস্তায় আছি। অনেক কিছু দেখেছি। কিন্তু কোনো প্রাণী আমাকে এমনভাবে কখনো দেখেনি। ও ভয় পায়নি, রাগও করেনি। শুধু বিভ্রান্ত লাগছিল। যেন বুঝতে চাইছিল— সে কী ভুল করেছিল।”

তিনি বিড়ালটাকে কোলে তুলে নিলেন। কোনো বাধা দিল না। তার শরীর কাঁপছিল— শুধু ঠান্ডায় নয়, ভেতরের আতঙ্কে।

পরে ভেটেরিনারি ডাক্তার বলেন, সেই কাঁপুনি ছিল গভীর মানসিক আঘাতের লক্ষণ।

বিড়ালটার গলায় ছিল ফিকে নীল রঙের একটা কলার। কোনো নামফলক ছিল না। মাইক্রোচিপও না। কিন্তু বোঝা যাচ্ছিল, সে একসময় কারও আদরের ঘরের বিড়াল ছিল।

তারপর কোনো এক মানুষ তাকে রাত ২টায়, বৃষ্টির মধ্যে, এক অচেনা নির্জন রাস্তায় ফেলে রেখে চলে গেছে।

ট্রাকের কেবিনে বসানোর পরও বিড়ালটা একটানা সামনের রাস্তার দিকে তাকিয়ে ছিল— ঠিক সেই দিকটায়, যেদিকে গাড়িটা চলে গিয়েছিল। এক ঘণ্টারও বেশি সময় সে তাকিয়ে ছিল। চালক বলেছিলেন, “মনে হচ্ছিল, সে চোখই পলক ফেলছে না।”

বিড়ালটাকে তুলে নেওয়ার আগে তিনি একটা ছবি তুলেছিলেন। পরে বলেছিলেন—

“মনে হয়েছিল, মানুষকে এটা দেখা দরকার। আশ্রয়কেন্দ্রের পরের ছবি নয়। ঠিক সেই মুহূর্তটা— যখন কাউকে ফেলে যাওয়া হয়।”

“একটা ভেজা বিড়াল, অন্ধকার রাস্তা, দূরে মিলিয়ে যাওয়া লাল আলো, আর বৃষ্টি। সে বসে আছে, কারণ এখনো বুঝতে পারেনি— কেউ আর ফিরে আসবে না।”

পরদিন তিনি ছবিটা একটি ট্রাকার কমিউনিটি ফোরামে পোস্ট করেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটা ছড়িয়ে পড়ে। লাখ লাখ মানুষ ছবিটা শেয়ার করে। সবচেয়ে বেশি লেখা হয়েছিল পাঁচটি শব্দ—

“আশা করি তারা কখনো শান্তিতে ঘুমাতে না পারে।”

পরীক্ষা করে জানা গেল, বিড়ালটার বয়স প্রায় ৩ বছর। সে বন্য নয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, যত্নে বড় হওয়া ঘরের বিড়াল। নিয়মিত নখ কাটা হতো। টিকা দেওয়া ছিল। তাকে ভালোবাসা হতো।

কিন্তু কোনো এক বৃষ্টিভেজা রাতে, কেউ তাকে গাড়িতে তুলে এনে রাস্তার ধারে নামিয়ে রেখে চলে গেছে।

তার শরীরে কোনো বড় আঘাত ছিল না। কোনো অসুখও না। আচরণগত সমস্যাও না। অর্থাৎ তাকে ফেলে যাওয়ার কারণ সে নিজে ছিল না।

কিন্তু তার শরীর অন্য গল্প বলছিল।

তার শরীরের তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল। সে অনেকক্ষণ ঠান্ডা বৃষ্টিতে বসেছিল। তার স্ট্রেস হরমোন এত বেশি ছিল যে ডাক্তার বলেছিলেন— সে গভীর মানসিক ট্রমার মধ্যে আছে।

সে ৫ দিন কিছু খায়নি।

ফস্টার হোমে সে খাঁচার পেছনে মুখ ফিরিয়ে বসে থাকত। কারও ডাকে সাড়া দিত না। খেলত না। নিজেকে পরিষ্কারও করত না।

শুধু একটা জিনিসে প্রতিক্রিয়া দেখাত—

বাইরে কোনো গাড়ির শব্দ হলেই সে উঠে দরজার দিকে তাকিয়ে থাকত।

প্রতিবার।

একটা নির্দিষ্ট শব্দের অপেক্ষায়, যা আর কোনোদিন ফিরবে না।

ছয় দিনের মাথায় ট্রাক চালক ফোন করলেন। জানতে চাইলেন, কেউ কি তাকে নিতে এসেছে? না।

তিনি চার ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে তাকে নিতে এলেন।

ফস্টার ভলান্টিয়ার বলেছিলেন—

চালক যখন খাঁচার সামনে বসে দরজা খুললেন, বিড়ালটা অনেকক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে ছিল। তারপর ধীরে বেরিয়ে এসে তার কোলে উঠে বুকের সঙ্গে মুখ গুঁজে দেয়।

সে চিনতে পেরেছিল।

পৃথিবীর একমাত্র মানুষটাকে, যে থেমেছিল।

চালক তার নাম রাখলেন “ফোরটিন” — ১৪ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিতে।

তিনি বলেছিলেন—

“আমি চাই, সে দিনটাকে অন্যভাবে মনে রাখুক। যেদিন তাকে ফেলে যাওয়া হয়েছিল, সেদিন হিসেবে নয়। যেদিন কেউ তার জন্য গাড়ি থামিয়েছিল— সেই দিন হিসেবে।”

এখন ফোরটিন জর্জিয়ার এক ছোট্ট বাড়িতে থাকে। জানালার পাশে তার নিজস্ব বিছানা আছে। তার খাবারের বাটি কখনো খালি থাকে না।

তবু আজও সে একটা কাজ করে।

চালক যখনই বাইরে থেকে বাড়ি ফেরেন— কাজ শেষে, বাজার থেকে, কিংবা শুধু ডাকবাক্স পর্যন্ত গিয়েও— ফোরটিন জানালার পাশে দাঁড়িয়ে তাকে দেখে।

দেখতে থাকে, যতক্ষণ না তিনি দরজা খুলে ভেতরে ঢোকেন।

চালকের স্ত্রী বলেছিলেন—

“সে নিশ্চিত হতে চায়। প্রতিবার। যেন দেখে— তিনি ফিরে আসছেন, চলে যাচ্ছেন না।”

“আমার মনে হয়, সে এটা সারাজীবন করবে। কারণ শেষ যাকে সে বিশ্বাস করেছিল, সে বৃষ্টির রাতে তাকে ফেলে চলে গিয়েছিল।”

চালক এক বন্ধুকে বলেছিলেন—

“আমি মাঝে মাঝে ভাবি, যে মানুষটা তাকে ফেলে গেছে, সে হয়তো গাড়ির আয়নায় দেখেছিল— ছোট্ট বিড়ালটা এখনো রাস্তার মাঝে বসে আছে।”

“তারপর সে বাড়ি গেছে, ঘুমিয়েছে, সকালে উঠে কফি খেয়েছে, স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে গেছে… যেন বিড়ালটা কখনো ছিলই না।”

“কিন্তু আমি ভাবি সেই বিড়ালটার কথা। সে বসে ছিল। বৃষ্টিতে। অন্ধকার রাস্তায়। দৌড়ায়নি। শুধু বোঝার চেষ্টা করছিল।”

“এই অংশটাই আমি ক্ষমা করতে পারি না। ফেলে যাওয়া নয়— সে যে দৌড়ায়নি।”

“সে এতটাই বিশ্বাস করত, যে শুধু বসে অপেক্ষা করছিল। ভেবেছিল, তারা ফিরে আসবে।”

“আমি যখন তাকে পাই… তখনও সে অপেক্ষা করছিল।”

কিছু জিনিস সহিংসতায় ভাঙে না।

ভাঙে নীরবতায়।

একটা দরজা বন্ধ হওয়ায়। দূরে মিলিয়ে যাওয়া ইঞ্জিনের শব্দে। অন্ধকার হয়ে আসা রাস্তায়। আর ধীরে ধীরে বুঝতে পারায়— যাকে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করেছিলে, সে আর ফিরবে না।

তবু কখনো কখনো—

রাত ২টায়, কোনো নির্জন রাস্তায়, একটা ট্রাক থেমে যায়।

একজন অচেনা মানুষ নেমে আসে।

আর পৃথিবী তখন এমন একজনকে পাঠায়, যে মনে করে— অন্য কেউ ফেলে দিলেও, এই প্রাণটা থেমে যাওয়ার মতো নয়।

ফোরটিনকে বাঁচানো হয়েছিল, কারণ সে “বিশেষ” ছিল বলে নয়।

বরং কারণ, একজন মানুষ ভেজা অন্ধকার রাস্তায় বসে থাকা একটা বিড়ালকে দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল—

সে নিজেও “ফেলে চলে যাওয়া” ধরনের মানুষ নয়।

আর সেটাই বদলে দিয়েছিল দুজনের জীবন।

__Leo

26/01/2026

Ek din aap yun hamko mil jayengi...❤️




26/01/2026

Did you know that the quran literally fixes your brain?

25/01/2026

Ramadan is knocking at the door..Alhamdulillah.. ❤️


20/01/2026

তুমি যদি নিজেকে (ঠিকভাবে) চিনতে পারো, তাহলে তোমার ব্যাপারে কী বলা হল তাতে তোমার কোনো ক্ষতি নেই (কিছু আসে-যায় না)।

- সুফিয়ান আস-সাওরী (রাহিমাহুল্লাহ)
[হিলয়াতুল আউলিয়া]

إذا عرفت نفسك فلا يضرك ما قيل فيك

18/01/2026

"হাদিসটা পড়ুন, খুশিতে কাঁন্না চলে আসবে আল্লাহপাক যে কত মহান! হযরত মুসা (আঃ) একদিন আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃ
হে প্রভু! আমার অনুসারীদের মধ্যে কে সবচেয়ে বড় পা*পি?"

আল্লাহর উত্তরঃ "যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই পথ অতিক্রম করবে, সে ব্যক্তি-ই হলো তোমার অনুসারীদের মধ্যে বড় পাপি"

আল্লাহর কথানুযায়ী হযরত মুসা (আঃ) বসে দেখছেন, কিছুক্ষণ পর দেখলেন এক ব্যাক্তি ছোট একটি ছেলেকে কোলে করে পথ অতিক্রম করছে।
হযরত মুসা (আঃ) বুঝে ফেললেন এই সেই বড় পাপি

হযরত মুসা (আঃ) আল্লাহ কে বললেনঃ হে"প্রভু, এখন আমাকে সবচেয়ে নেকী মানুষটিকে দেখান।"

আল্লাহর উত্তরঃ "সূর্য ডুবার সাথে সাথে যে লোকটি তোমার পূর্বস্থান দিয়ে চলে যাবে সেই হইলো সবচেয়ে নেকী"

হযরত মুসা (আঃ) সূর্য ডুবার বেশ আগের থেকে বসে রইলেন যেই সূর্য ডুবছিলো দেখলেন সে সকালের ঐ ব্যাক্তি-ই ছোট ছেলেকে কোলে করে ফিরে যাচ্ছে।

মুসা (আঃ) হতভম্ব হয়ে আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ "প্রভু একই ব্যক্তি মহা পাপি আবার মহা নেকী" .

আল্লাহ বললেনঃ "হে- মুসা! সকালে যখন এই ব্যাক্তি ছেলেকে সাথে নিয়ে তোমাকে অতিক্রম করে জঙ্গলে প্রবেশ করলো, তখন কোলের ছেলেটি বাবাকে প্রশ্ন করে ছিলো, বাবা!
এই জঙ্গল কতবড়?
বাবা উত্তরে বলেছিলো,অনেক বড়।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, বাবা! জঙ্গল থেকে কি বড় কোনো কিছু আছে?
তখন বাবা বলেছিলো, হ্যাঁ বাবা! ঐ পাহাড়গুলো জঙ্গল থেকে বড়। ছেলে পুনরায় প্রশ্ন করলো,পাহাড় থেকে কি বড় কিছু আছে?
বাবা বললো, আছে, এই আকাশ।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, আকাশ থেকে কি বড় কিছু আছে?
সেই ব্যক্তি বললো, হ্যাঁ, আমার পাপ এই আকাশ থেকেও বড়। ছেলে বাবার এ উত্তর শোনে বললো, বাবা!

তোমার পাপ থেকে বড় কি কোনো কিছু নেই?
তখন বাবাটি চিৎকার দিয়ে ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললো আমার পাপ থেকেও অনেক অনেক বড় আমাদের আল্লাহর রহমত।

হে-মুসা! এই ব্যক্তির পাপের অনুভূতি ও অনুশোচনা আমার এতোই পছন্দ হয়েছে যে সবচেয়ে পাপি ব্যক্তিকে সবচেয়ে' নেককার ব্যক্তি বানিয়ে দিয়েছি।
মনে রেখো আমার শাস্তির হাত থেকে ক্ষমার হাত বহুগুন বড়।

হে আল্লাহ আপনি আমাদের সকলকে পিছনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে সামনের দিনগুলোকে সত্যপথে চলার তাওফিক দান করুন"
আমিন

রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ ওই ব্যক্তির চেহারা উজ্জ্বল করে দেন,যে আমার কোনো হাদিস শুনেছে। অতঃপর অন্যের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।🩵

আবু দাউদঃ ৫১৫ নং (৩৬৬০)

18/01/2026

কি সুন্দর কণ্ঠ, মা শা আল্লাহ 🔥

Address

Savar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nahi's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share