27/07/2026
বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ,
সিলেট ও ময়মনসিংহ মানুষের প্রতি কেমন ও বিচার করছে একটু দেখে নেন,
বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ,
ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট,
ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী আর বরিশাল এখনো নেটওয়ার্কের বাহিরে এই দুটি বিভাগ বাদ দিলাম,
আর ৬টি বিভাগের কথা বলা যাক,
ঢাকা থেকে বিভিন্ন জেলায় আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে,
১। চট্টগ্রাম ৮টি ট্রেন,
২। রাজশাহী ৫টি ট্রেন,
৩। খুলনা ৩টি ট্রেন,
৪। রংপুর ৯টি ট্রেন,
৫। ময়মনসিংহ ৭টি ট্রেন,
৬। আর হতো ভাগা সিলেট মাত্র ৪টি ট্রেন,
এখন কিছু কথা বলা যাক,
আজকের ২৭ জুলাই প্রত্যেকটা অঞ্চলের মার্কেটিং নিয়ে কথা,
১। চট্টগ্রামের ৮টি ট্রেনের মধ্যে ২টি ট্রেন বন্ধ আর ৩টি ট্রেন ছেড়ে গেছে এক প্রভাতী অনেক সিট ফাঁকা নিয়ে গেছে শুধু তাই নয়,
এখনো ৩টি ট্রেনের অনেক টিকেট অবিক্রিত আছে, অর্থাৎ ২টি ট্রেন বন্ধ থাকার পরেও বাকি ট্রেনের টিকেটর প্রতি কোন চাপ নেই,
কেনো কেউ কি বলতে পারবেন,
২। রাজশাহীর ৫টি ট্রেনের মধ্যে ১টি ট্রেন ছেড়ে গেছে বাকি ৪টি ট্রেনের এখনো অনেক টিকেট অবিক্রিত আছে, বলতে গেলে এখনো লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার টিকিট অবিক্রিত আছে,
৩। খুলনা ৩টি ট্রেনের মধ্যে ১টি ট্রেন বন্ধ আর ১টি ট্রেন ছেড়ে গেছে বাকি ১টি ট্রেনের টিকিট এখনো অবিক্রিত আছে বলতে পারেন এই তিনটা ট্রেনের মধ্যে একটি ট্রেন বন্ধ থাকার পরেও কেনো টিকিটের প্রতি নেই কোন চাপ,
এই বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারবেন,
৪। রংপুর ৯টি ট্রেনের মধ্যে ৪টি ট্রেন ছেড়ে গেছে বাকি ট্রেনের শত শত টিকেট এখনো অবিক্রিত আছে বিশেষ করে এই অঞ্চলের কথা বলতে হয় প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার টিকেট অবিক্রিত থাকে আবার এই অঞ্চলের জন্য আরও একটি ট্রেন অনুমোদন রাখছে বিষয়টি হাস্যকর টিকেট বিক্রি করা লাগবে না শুধু অঞ্চলে ট্রেন নিলেই হয়,
৫। ময়মনসিংহ ৭টি ট্রেনের মধ্যে মাত্র একটি ট্রেনের টিকেট অবিক্রিত আছে তাও আবার রাতের ট্রেনের সেটা সময় আসার আগে বিক্রি হয়ে যাবে তাহলে বুঝা গেল এই অঞ্চলে আরও দুই একটা ট্রেন দিলে যাত্রীদের উপকার হবে,
৬। সর্বশেষ সিলেটের কথা কি আর বলবো ৪টি ট্রেনের ১ তারিখের অর্থাৎ ৬ থেকে ৭ দিন আগেও কোন টিকেট পাওয়া যাচ্ছে না,
অতএব প্রত্যেকটা অঞ্চলে শত শত টিকেট অবিক্রিত হাজার হাজার টাকার টিকেট অবিক্রিত নিয়ে সার্ভিস দিচ্ছে, সুতরাং এই অঞ্চলে একটা ট্রেন চালু করার জন্য শত শত মানুষ রাস্তায় নেমেছে তবুও এই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটা ট্রেন চালু করা হয়নি অপরদিকে লক্ষ লক্ষ টাকার টিকেট অবিক্রিত থাকে সেই অঞ্চলে অটো ভাবে ট্রেন চালু করা হয় কিন্তু সিলেট আর ময়মনসিংহ মানুষের মানুষ মনে করে না রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ,
অথচ এই সিলেটের অবদান বেশিই আছে এই বাংলাদেশে,
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাজকর্মে বোঝা যাচ্ছে সিলেট আর ময়মনসিং বাংলাদেশের বাহিরে,
অথচ দিনশেষে দেখা যায় চট্টগ্রামের আন্তঃনগর ও লোকাল, কমিটার ও সাটল সবমিলে ২৬ টি ট্রেন চলাচল করে আর সিলেটে মাত্র ৬টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে
তবুও দেখা যায় ২৬ টি ট্রেনের সাথে যুদ্ধ করে ৬টি ট্রেনের সমীকরণ নাম্বার ২ থেকে ৩ গিয়ে পৌঁছে আয়ের ক্ষেত্রে,
তাহলে সিলেটের সবকিছু ভোগ করবেন আর ধরিয়ে দিবেন হারিক্কেল,
এটা কেমন অবিচার,
তাই বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে অতীত শীঘ্রই এটা সমাধান করার জন্য,
তা না হলে সিলেটের মানুষ এইবার রাস্তায় নামলে ভয়ানক কিছু হবে, আন্দোলনের সময় আপনাদের কথা অনুযায়ী সিলেটের মানুষ চুপচাপ বসে আছে কিন্তু আপনাদের কাছ থেকে ভিন্ন কিছু দেখা যায় সিলেটের মানুষ চুপ করে আসে তাই দেব না কথা বলতে জানে না একবার ভেবে দেখবেন সিলেটের ট্রেন যদি সিলেট ঢুকতে না পারে তাহলে আয়ের সমীকরণটা আপনাদের হাতে হারিকেল থাকবে,
আশা করে কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের কথা বিবেচনা করে এগুলো সমাধান করবেন,
আর সকল ভাইদেরকে বলছি পোস্টটি শেয়ার করে দিবেন যাতে সবার নজরে আসে আর উপমহলে গিয়ে পৌঁছে রেলের কর্তৃপক্ষের এই কাজকর্ম।