Time-line01

Time-line01 Time-line

We know-You care
So please Share, Dear.! Smile and keep Supporting Us.

বাজারের মোড়ে একটি কালো কুত্তা থাকত। সবাই তাকে **কালু** বলে ডাকত। দোকানদাররা কেউ বিস্কুট দিত, কেউ ভাত। কিন্তু কালু প্রতি...
26/06/2026

বাজারের মোড়ে একটি কালো কুত্তা থাকত। সবাই তাকে **কালু** বলে ডাকত। দোকানদাররা কেউ বিস্কুট দিত, কেউ ভাত। কিন্তু কালু প্রতিদিন শুধু একজন মানুষের জন্য অপেক্ষা করত—রিকশাচালক করিম চাচা।

করিম চাচা প্রতিদিন রাতে বাড়ি ফেরার আগে কালুর জন্য দুটি রুটি কিনতেন। কালু লেজ নেড়ে তাকে স্বাগত জানাত।

একদিন করিম চাচা আর এলেন না।

পরের দিনও না।

তারপরও না।

তবু কালু প্রতিদিন একই সময়ে সেই মোড়ে বসে থাকত। দূরে কোনো রিকশার ঘণ্টা বাজলেই দৌড়ে যেত। কিন্তু ফিরে আসত হতাশ হয়ে।

কয়েক সপ্তাহ পরে লোকজন জানতে পারল, করিম চাচা অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।

এরপর থেকে বাজারের মানুষ কালুর খাবারের দায়িত্ব নিল। কিন্তু কালু প্রতিদিন সন্ধ্যায় সেই একই জায়গায় গিয়ে বসে থাকত, যেন এখনও বিশ্বাস করে—একদিন করিম চাচা রুটি হাতে ফিরে আসবেন।

**নীতিশিক্ষা:** মানুষের মতো প্রাণীরও ভালোবাসা, স্মৃতি ও অপেক্ষা থাকে। সত্যিকারের ভালোবাসা কখনও সহজে ফুরিয়ে যায় না।

21/06/2026

গ্রামের নাম কয়েলগাঁতি । সেখানে তামিম নামে এক কিশোর ছিল। তার সবচেয়ে প্রিয় খেলা ছিল ফুটবল। প্রতিদিন বিকেলে সে বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলতে যেত। স্বপ্ন ছিল একদিন বড় ফুটবলার হবে।

একদিন পাশের গ্রামের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হলো। গ্রামের সবাই খুব উত্তেজিত। তামিমকে দলের ফরোয়ার্ড হিসেবে নির্বাচন করা হলো।

ম্যাচের দিন মাঠে প্রচুর দর্শক জড়ো হলো। খেলা শুরু হতেই দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ করতে লাগল। কিন্তু প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করতে পারল না।

দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষ দল একটি গোল করে এগিয়ে গেল। স্কোর হলো ১-০। তামিমের দল কিছুটা হতাশ হয়ে পড়ল। কিন্তু তামিম সবাইকে বলল, “খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আশা হারানো যাবে না।”

শেষ পাঁচ মিনিট বাকি। তামিম বল পেল মাঝমাঠে। সে একজন, দুজন, তিনজন খেলোয়াড়কে কাটিয়ে এগিয়ে গেল। দর্শকরা দাঁড়িয়ে চিৎকার করতে লাগল। গোলপোস্টের সামনে পৌঁছে সে জোরে শট নিল।

গোওওল!

স্কোর হলো ১-১।

খেলার একেবারে শেষ মিনিটে আবার সুযোগ এল। তামিমের সতীর্থ বায়েজিদ একটি সুন্দর পাস দিল। তামিম বলটি নিয়ন্ত্রণ করে হেড করল। বল সোজা জালে জড়িয়ে গেল।

গোওওল!

রেফারি বাঁশি বাজালেন। ম্যাচ শেষ। কয়েলগাঁতি ২-১ গোলে জয়ী হলো।

গ্রামের মানুষ আনন্দে মাঠে নেমে এল। সবাই তামিম কে কাঁধে তুলে নিল। সেদিন তামিম বুঝতে পারল—পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস আর শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মনোভাব থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।

**নীতিশিক্ষা:** কখনো হাল ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়; শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়।

28/05/2026

ঈদ মোবারক 🌙

26/05/2026

ট্রেন চলেছে.....

এক ছিল ছোট্ট একটা গ্রাম—নাম তার সবুজডাঙা। গ্রামের মাঝখানে ছিল এক বিশাল আমগাছ। গাছটা এত পুরোনো ছিল যে গ্রামের বয়স্ক লোকের...
15/05/2026

এক ছিল ছোট্ট একটা গ্রাম—নাম তার সবুজডাঙা। গ্রামের মাঝখানে ছিল এক বিশাল আমগাছ। গাছটা এত পুরোনো ছিল যে গ্রামের বয়স্ক লোকেরা বলত, তাদের দাদারাও নাকি এই গাছের আম খেয়েছে।

গ্রীষ্ম এলেই গাছভরা টুপটুপে হলুদ আম দেখে সবার জিভে জল চলে আসত। কিন্তু একটা সমস্যা ছিল—গাছটার মালিক ছিলেন খুব কড়া মেজাজের মানুষ, নাম করিম চাচা। তিনি কাউকে আম পাড়তে দিতেন না।

গ্রামের ছোট্ট ছেলে রিফাত প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার পথে গাছটার দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলত। তার খুব ইচ্ছে ছিল একবার অন্তত সেই আম খাওয়ার। কিন্তু সাহস করে কখনো কিছু বলতে পারেনি।

একদিন বিকেলে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় উঠল। ঝড়ে আমগাছের অনেক ডাল ভেঙে গেল, আর অসংখ্য পাকা আম মাটিতে পড়ে ছড়িয়ে গেল। ঝড় থামার পর রিফাত দৌড়ে সেখানে গেল। সে দেখল করিম চাচা একা একা ভাঙা ডাল সরাতে কষ্ট পাচ্ছেন।

রিফাত একটু ভয় পেয়েও এগিয়ে গেল।

— “চাচা, আমি সাহায্য করি?”

করিম চাচা অবাক হলেন। গ্রামের অনেকেই আমের লোভে গাছের কাছে আসে, কিন্তু সাহায্য করতে কেউ আসে না।

দু’জনে মিলে অনেকক্ষণ কাজ করল। কাজ শেষে করিম চাচা হাঁপাতে হাঁপাতে হাসলেন।

— “তুই তো খুব ভালো ছেলে রে! বল, কী চাই তোর?”

রিফাত লাজুক গলায় বলল,

— “চাচা… একটা আম খেতে ইচ্ছে করছে।”

করিম চাচা হো হো করে হেসে উঠলেন। তারপর একটা ঝুড়ি ভর্তি সবচেয়ে বড় আর মিষ্টি আমগুলো রিফাতের হাতে তুলে দিলেন।

সেদিন রিফাত বুঝল—ভালোবাসা আর সাহায্যের মন থাকলে, সবচেয়ে মিষ্টি ফলও একদিন নিজের হাতেই এসে ধরা দেয়।

গ্রামের নাম ছিল কাশিপুর। চারপাশে সবুজ ধানক্ষেত, মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে সরু একটা খাল। সেই খালের ধারে জন্মাত এক অদ্ভুত গাছ—হ...
01/05/2026

গ্রামের নাম ছিল কাশিপুর। চারপাশে সবুজ ধানক্ষেত, মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে সরু একটা খাল। সেই খালের ধারে জন্মাত এক অদ্ভুত গাছ—হেলেংচা। গ্রামের লোকেরা এটাকে খুব একটা পাত্তা দিত না। “এটা আবার খাবার নাকি?”—অনেকে বলত।

কিন্তু রিনা দিদার কাছে হেলেংচা ছিল সোনা।

রিনা দিদা প্রতিদিন ভোরে একটা ছোট ঝুড়ি নিয়ে খালের ধারে যেতেন। যত্ন করে হেলেংচা পাতা তুলতেন। তারপর সেটা দিয়ে রান্না করতেন ভাজি, ঝোল, কখনো আবার শুঁটকি দিয়ে মেখে দিতেন। তার রান্নার গন্ধে পাশের বাড়ির বাচ্চারাও এসে হাজির হতো।

একদিন শহর থেকে রিনার নাতি, তানিম, বেড়াতে এলো। সে প্যাকেটের চিপস আর বার্গার ছাড়া কিছু খেতে চাইত না। দিদা যখন হেলেংচা ভাজি সামনে দিলেন, তানিম মুখ বাঁকিয়ে বলল,
“এগুলো তো ঘাসের মতো! আমি খাব না।”

দিদা শুধু হেসে বললেন, “একদিন বুঝবি।”

পরদিন সকালে তানিম খেলতে গিয়ে খালের ধারে পড়ে গেল। সামান্য কেটে গেল তার হাঁটু। দিদা তাড়াতাড়ি এসে কিছু হেলেংচা পাতা চটকে তার ক্ষতে লাগালেন। কয়েকদিনের মধ্যেই ক্ষত শুকিয়ে গেল।

তানিম অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “দিদা, এটা কি সত্যিই কাজ করে?”

দিদা বললেন, “হেলেংচা শুধু খাবার না, ওষুধও। আমরা যেগুলোকে তুচ্ছ ভাবি, সেগুলোর মধ্যেই অনেক সময় সবচেয়ে বেশি গুণ থাকে।”

সেদিন রাতে তানিম নিজেই বলল,
“দিদা, আজ হেলেংচা ভাজিটা একটু দেবে?”

দিদা মুচকি হেসে প্লেটে তুলে দিলেন।

খেতে খেতে তানিম বুঝল—যে জিনিসটাকে সে “ঘাস” ভেবেছিল, সেটার স্বাদই আলাদা। আর সেই সঙ্গে শিখল একটা বড় কথা—
**প্রকৃতির ছোট জিনিসগুলোকে কখনো অবহেলা করা উচিত না।**

গ্রামের নাম ছিল ফুলতলী। ছোট্ট এক নদীর ধারে গড়ে ওঠা এই গ্রামটা যেন রঙের এক নীরব উৎসব। বসন্ত এলে শিমুল-করবীর সঙ্গে সঙ্গে ...
24/04/2026

গ্রামের নাম ছিল ফুলতলী। ছোট্ট এক নদীর ধারে গড়ে ওঠা এই গ্রামটা যেন রঙের এক নীরব উৎসব। বসন্ত এলে শিমুল-করবীর সঙ্গে সঙ্গে উঠোনে উঠোনে ফুটে উঠত জিজিঙ্গা ফুল—ছোট, সাদা, নরম পাপড়ির সেই ফুলগুলোকে কেউ খুব একটা গুরুত্ব দিত না। কিন্তু গ্রামের এক মেয়ে, নাম তার মেহের, সে জিজিঙ্গা ফুলকে অন্য চোখে দেখত।

মেহেরের মা বলতেন, “এই ফুলের কোনো গন্ধ নেই, রঙও তেমন না—এগুলো নিয়ে এত ভাবিস কেন?”
মেহের মৃদু হেসে বলত, “সব সুন্দর জিনিস চোখে পড়ে না মা।”

মেহের প্রতিদিন ভোরে উঠোনে গিয়ে জিজিঙ্গা লতার পাশে বসে থাকত। শিশিরভেজা ফুলগুলোকে সে যেন বন্ধু মনে করত। তার বিশ্বাস ছিল, এই ফুলেরা কথা বলতে পারে—শুধু মন দিয়ে শুনতে হয়।

একদিন গ্রামে খবর এল, শহর থেকে একজন বড় শিল্পী আসছেন। তিনি গ্রামের সৌন্দর্য নিয়ে ছবি আঁকবেন। সবাই ব্যস্ত হয়ে উঠল—কে কোন ফুল দেখাবে, কোন জায়গা সাজাবে। কেউ জিজিঙ্গা ফুলের কথা বলল না।

মেহের চুপ করে রইল। পরদিন শিল্পী এলেন। তিনি ঘুরে ঘুরে সব দেখলেন—রঙিন ফুল, নদীর পাড়, সবই। কিন্তু তার চোখে যেন কিছু খুঁজে পাওয়ার আকুলতা।

শেষে মেহের সাহস করে বলল, “আপনি কি আমার উঠোনে আসবেন?”

শিল্পী একটু অবাক হলেও গেলেন। গিয়ে দেখলেন—এক কোণে ছড়িয়ে আছে জিজিঙ্গা লতা, তাতে ফুটে আছে ছোট ছোট সাদা ফুল। প্রথমে তিনি কিছু বললেন না। তারপর ধীরে ধীরে বসে পড়লেন ফুলগুলোর পাশে।

“এগুলোই তো আমি খুঁজছিলাম,” তিনি বললেন।

মেহের অবাক, “এই সাধারণ ফুল?”

শিল্পী হেসে বললেন, “সাধারণ বলে কিছু নেই। যে ফুল নিজের মতো করে ফোটে, চুপচাপ, কিন্তু থামে না—সেই ফুলই সবচেয়ে সত্য।”

তিনি সেই জিজিঙ্গা ফুলের ছবি আঁকলেন। ছবিটা পরে শহরের প্রদর্শনীতে গেল। সবাই অবাক—এত সাদামাটা ফুলেও এত সৌন্দর্য!

গ্রামে ফিরে মেহেরের মা ছবিটা দেখে বললেন, “তোর চোখটা বোধহয় আলাদা রে।”

মেহের হাসল। ভোরের আলোয় আবার সে গিয়ে বসল জিজিঙ্গা ফুলের পাশে। হালকা বাতাসে ফুলগুলো দুলছিল—মনে হচ্ছিল তারা যেন সত্যিই কথা বলছে।

আর মেহের জানত, সব গল্পই জোরে বলা লাগে না—কিছু গল্প জিজিঙ্গা ফুলের মতো, নীরবে ফুটে থাকে।

একটা ঘাসফুল ছিল পথের ধারে।কেউ তাকে দেখত না, কেউ তার দিকে ফিরে তাকাত না। বড় বড় গোলাপ, রজনীগন্ধা সবাই নিয়ে ব্যস্ত মানুষ।তব...
14/04/2026

একটা ঘাসফুল ছিল পথের ধারে।
কেউ তাকে দেখত না, কেউ তার দিকে ফিরে তাকাত না। বড় বড় গোলাপ, রজনীগন্ধা সবাই নিয়ে ব্যস্ত মানুষ।

তবু প্রতিদিন ভোরে শিশিরভেজা আলোয় সে চুপচাপ ফুটে উঠত।
একদিন এক ক্লান্ত পথিক হেঁটে যাচ্ছিল, হঠাৎ তার চোখে পড়ল ছোট্ট সেই ঘাসফুলটা।

সে থেমে গেল।
হালকা করে হাসল, আর বলল—
“এত সুন্দর হয়েও তুমি লুকিয়ে ছিলে?”

ঘাসফুল কিছু বলল না,
শুধু বাতাসে দুলে উঠল—
কারণ সে জানত, সত্যিকারের সৌন্দর্য কখনো চিৎকার করে না…
ঠিক সময়েই কেউ না কেউ তা খুঁজে নেয় 🌿✨

Address

Sirajganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Time-line01 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

l="false"> Add listing
  • Login
  • Subscribe

    We will notify you when anything happens in Sirajganj.