10/07/2026
গল্প *নাম: চলতি রহস্য - পর্ব ১: নদীর নিচের ঘড়ি*
# # # # *পর্ব ১: শুরু - নতুন কেস*
মিতু স্কুলের হেডস্যার অনির্বাণ এখন আর শুধু স্কুল দেখে না। গ্রামের সব ‘আটকে যাওয়া রহস্য’ তার টেবিলে আসে।
একদিন ভোরে নদীর জেলে কাকা দৌড়ে এল: “স্যার... নদীতে একটা ঘড়ি ভাসতেছে। কিন্তু কাঁটা ঘুরতেছে উল্টা দিকে। আর টিক-টিক শব্দ... পানি থেকে উঠে আসতেছে।”
# # # # *পর্ব ২: বাঁক - উল্টো সময়*
অনির্বাণ নদীর ঘাটে গেল। সত্যি। পিতলের একটা বড় পকেট ঘড়ি। জলে ভাসছে, ভিজছে না।
ঘড়িতে সময়: `3:00`। কিন্তু সেকেন্ডের কাঁটা উল্টা ঘুরে `3:00` থেকে `2:59`... `2:58`... যাচ্ছে।
ঘড়ির পেছনে খোদাই: `রনি, ক্লাস 6B, ১৯৮`।
রনি? ৬ নম্বর ঘরের সেই বাচ্চাটা। যে হাসতে ভুলে গিয়েছিল।
# # # # *পর্ব ৩: অভিযান - ডুব*
অনির্বাণ জেলে কাকাকে নিয়ে নৌকা নিয়ে মাঝ নদীতে গেল। ঘড়িটা যেখানে ভাসছিল, ঠিক তার নিচে বাঁশ দিয়ে খোঁচাতেই ‘টং’ শব্দ।
পাথর না। কাঠ।
দুজন মিলে দড়ি ফেলে টানতেই উঠে এল একটা ডুবন্ত কাঠের বাক্স। তালা নেই। শুধু একটা চিরকুট বাঁধা: `সময় ফুরানোর আগে খোলো`।
বাক্স খুলতেই ভেতরে: 1. রনির ডায়েরি 2. একটা ভাঙা চাবি 3. আর একটা ছবি। ছবিতে 6B এর 24 জন বাচ্চা। সবার মুখে হাসি নেই। মাঝখানে ফাঁকা জায়গা। যেন কেউ দাঁড়াবে।
# # # # *পর্ব ৪: ক্লাইম্যাক্স - ঘড়ি থামল*
অনির্বাণ রনির ডায়েরি পড়ল। শেষ লাইন:
> “স্যার আমাদের হাসালো। আমরা মুক্ত হলাম। কিন্তু আমি একটা ভুল করে এসেছি। আমার ‘সময়’ নদীর নিচে রেখে এসেছি। ওটা ফেরত না আনলে... 6B আবার আটকে যাবে।”
ঠিক তখনই ঘড়ির কাঁটা `3:00` তে এসে থেমে গেল। আর নদীর জল এক মুহূর্তের জন্য স্থির। কোনো ঢেউ নেই।
নদীর ওপার থেকে একটা বাচ্চার গলা: “স্যার... আমার চাবিটা...”
# # # # *পর্ব ৫: শেষ... নাকি শুরু?*
অনির্বাণ তাকিয়ে দেখল, কুয়াশার মধ্যে একটা ছায়া দাঁড়িয়ে। হাতে ভাঙা চাবির আরেকটা টুকরো।
ছায়াটা বলল: “চাবি জোড়া লাগাতে হবে স্যার। নাহলে ৭ নম্বর ঘর খুলবে না। আর ৭ নম্বর ঘরে... বন্ধুত্ব আটকা।”
তারপর কুয়াশা সরে গেল। কেউ নেই। শুধু নদীর পাড়ে ভেজা পায়ের ছাপ। ছোট ছোট। স্কুল জুতোর।
অনির্বাণ পকেটে হাত দিল। ভাঙা চাবিটা গরম হয়ে উঠেছে।
*To Be Continued...*
*পর্ব ২ তে আসছে*: `৭ নম্বর ঘর - যে বন্ধু হারিয়ে যায়`
---
এই ‘ #চলতি_রহস্য’ কেমন লাগলো?