20/11/2025
"শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করে রাজনৈতিক কার্যকলাপ যুক্তিসঙ্গত নয়"
আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জন, আত্মগঠন, নৈতিকতা অর্জন এবং দেশের কল্যাণে অবদান রাখার শিক্ষা লাভের নির্ভরযোগ্য স্থান। ছোটবেলা থেকেই পাঠ্যবইয়ের সঠিক জ্ঞান ও সম্মানিত শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও সুনিপুণ পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আগামীর উপযোগী করে তোলার চেষ্টা করেন।
এক্ষেত্রে সমাজের সচেতন মহল, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সমাজ সংস্কারে নিয়োজিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব হওয়া উচিত—শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা করা এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষার পথ সুগম করা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যে কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের মূল বক্তব্য হওয়া উচিত—শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন, নৈতিকতা, চরিত্রগঠন এবং জীবনমুখী পরামর্শ প্রদান করা। পাশাপাশি তাদের পাঠদান ও শিক্ষার পরিবেশ ঠিক আছে কি না—সেটির খোঁজখবর নেওয়াও জরুরি।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো—নির্বাচনকে সামনে কিছু জায়গায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ বিঘ্নিত করে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার প্রবণতা দেখা যায়, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। রাজনৈতিক প্রচার-প্রচারণার জন্য বাজার, পাড়া-মহল্লা রয়েছে।
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নির্দেশ দিয়ে রাজনৈতিক বয়ান তাদের মুখ দিয়ে উচ্চারণ করানো—কোনো সচেতন সমাজ সংস্কারকের কাজ হতে পারে না।
সুতরাং, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে সকল রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন।
✍️ ফরিদ উদ্দিন
সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
লক্ষ্মীপুর শহর শাখা।